ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝিলমিলে উদ্বোধন হলো ১৯ জেলার অস্থায়ী বাস টার্মিনাল


ঝিলমিলে উদ্বোধন হলো ১৯ জেলার অস্থায়ী বাস টার্মিনাল

ঢাকার যানজটের সমস্যা সমাধানের জন্য দক্ষিণবঙ্গগামী ১৯টি জেলার বাসের চলাচলের উদ্দেশ্যে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ায় রাজউক ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এলাকায় একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল উদ্বোধন করা হয়েছে।

টার্মিনালটির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানান, ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নবিষয়ক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। গত ২৪ মার্চ, ১৪ মে, ১৫ জুন ও ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাগুলোতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই মাসের মধ্যে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এলাকার অস্থায়ী টার্মিনাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলায় বাস চলাচল শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এর ফলে রাজধানীর ভেতরে দূরপাল্লার বাসের প্রবেশ ও চলাচলজনিত চাপ কমবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর যানজট কমানোর পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজধানীতে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ডিএমপি। জনস্বার্থে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৪৮৪ জন গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করাচিতে ১৪৪ ধারা জারি, ২০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


করাচিতে ১৪৪ ধারা জারি, ২০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধ-এর রাজধানী করাচিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। শহরটিতে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে, যা জনসাধারণের ‘ভোগান্তি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি’ এড়াতে প্রবর্তিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আজ করাচির কমিশনার সৈয়দ হাসান নাকভির জারি করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে— প্রধান সড়ক, মোড় ও চত্বরগুলোতে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, অবস্থান ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং ‘নিরাপত্তা নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগ’ দেখা দিয়েছে। এই ধরনের সড়ক অবরোধ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে, জরুরি সেবাসমূহের যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত করছে এবং হাসপাতালে যাতায়াতের পথ সীমিত করছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে করাচি ডিভিশনে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, অবস্থান, র‍্যালি এবং পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েতের ওপর ১৪৪ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের জমায়েত, র‍্যালি, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, মিছিল এবং সমাবেশ আয়োজন, সংঘটিত বা তাতে সহায়তা করা হলে নানাবিধ সংকট তৈরি হতে পারে। তাই যেকোনও সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে, জনশান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করতে, জননিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ জনগণ ও জরুরি সেবাসমূহের বাধাহীন চলাচল সহজ করতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই প্রতিরোধমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ‘প্রয়োজনীয়’ বলে বিবেচিত হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত যেকোনো স্থানে ৫ জনের বেশি লোকের জনসমাগমের পাশাপাশি কোনো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, অবস্থান ধর্মঘট, সমাবেশ, মিছিল বা অন্যান্য জনসমাবেশ আয়োজন, পরিচালনা, আহ্বান এবং এতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহায়তাও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন?

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের রায় ঘোষণার পর ক্লাবটির প্রতি সমর্থন জানাতে অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সমর্থকরা। লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে ম্যাচের পূর্বে আকাশে শত শত বাতাসভরা কলা উড়িয়ে পুরোনো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করেন তারা।

২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে একটি স্বাধীন কমিশন রায় প্রদান করে। তবে ক্লাবটি সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে এবং নিজেদের অবস্থানের পক্ষে অকাট্য প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছে সিটি।

রায়ের পর প্রিমিয়ার লিগে এটি ছিল সিটির প্রথম ম্যাচ। প্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলের সমর্থকদের কাছ থেকে ম্যাচজুড়ে সিটির খেলোয়াড়রা দুয়ো ও ব্যঙ্গের মুখে পড়েন। অন্যদিকে, নিজেদের খেলোয়াড়দের প্রতি সমর্থন জানাতে হাততালি দেন সিটির সমর্থকরা। পাশাপাশি আকাশে উড়ানো হয় শত শত বাতাসভরা কলা।

ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকদের কলা উড়ানোর পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের পুরোনো ইতিহাস। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে দ্বিতীয় বিভাগে অবনমনের পর বাতাসভরা কলা ক্লাবটির সমর্থকদের কাছে এক ধরনের প্রতীকে পরিণত হয়।

এই ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাবেক স্ট্রাইকার ইমরে ভারাদির নাম। সমর্থকদের কাছে তিনি ‘ইমরে বানানা’ নামে পরিচিত ছিলেন। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, ফ্রাঙ্ক নিউটন নামের এক সমর্থক পরবর্তী সময়ে মাঠে বাতাসভরা কলা নিয়ে আসেন। এরপর ধীরে ধীরে সিটির ম্যাচে কলা নিয়ে আসার রীতি ছড়িয়ে পড়ে।

লিভারপুল ম্যাচের আগে সমর্থকদের কাছে কলা বিক্রি করা দান্তে ফ্রেন্ড জানান, ভারাদিকে ‘ইমরে বানানা’ নামে ডাকতেন একজন সমর্থক। পরবর্তী ম্যাচে ফ্রাঙ্ক নিউটন বাতাসভরা কলা নিয়ে আসেন এবং এরপর অন্য সমর্থকরাও এই রীতিতে যোগ দেন।

আশির দশকের শেষ দিকে ইংলিশ ফুটবলে গ্যালারিকেন্দ্রিক সহিংসতা ও উত্তেজনার মধ্যে এই আয়োজন সমর্থকদের জন্য হাস্যরসের উপলক্ষ হয়ে উঠেছিল। দান্তে ফ্রেন্ডের ভাষ্য, সমর্থকদের বড় একটি অংশ মারামারির বদলে আনন্দ-উৎসবেই অংশ নিতেন।

সমর্থকদের সংগঠন ‘১৮৯৪’ এই আয়োজনের প্রচারে ভূমিকা রাখে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ও সমালোচনার মধ্যে খেলায় আনন্দ ফিরিয়ে আনা এবং নিজেদের ক্লাবের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করা।

অন্যদিকে, অ্যানফিল্ডে সিটির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন লিভারপুলের সমর্থকরা। ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামের বাইরে সিটির খেলোয়াড়দের ছবি ব্যবহার করে ‘দোষী’ ও ‘প্রতারক’ লেখা পতাকা এবং স্কার্ফ বিক্রি করা হয়। খেলা শুরুর আগে লিভারপুলের টিম বাসকে স্বাগত জানাতে রাস্তার দুই পাশে ভিড় করেন সমর্থকরা।

ম্যাচ চলাকালে সিটির খেলোয়াড়রা বল স্পর্শ করলেই দুয়ো দেন স্বাগতিক সমর্থকরা। মাঠের এক কোণে প্রদর্শিত একটি ব্যানারে লেখা ছিল, ‘সমর্থকদের একটি প্রজন্মকে প্রতারিত করা হয়েছে।’

এদিকে, সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে স্টেডিয়ামের আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করে মার্সিসাইড পুলিশ। লিভারপুলের টিম বাস বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতিতে স্টেডিয়ামে পৌঁছালেও সিটির দুটি বাস বিকল্প ও তুলনামূলক শান্ত পথ ব্যবহার করে মাঠে প্রবেশ করে।

সব মিলিয়ে, অ্যানফিল্ডে বাতাসভরা কলা উড়ানোর ঘটনা শুধুমাত্র একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন নয়; বরং এটি ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকদের কাছে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বিতর্কের মধ্যেও প্রিয় ক্লাবের পাশে থাকার প্রতীক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিটনের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ৪৪৩ রানের লিডের পাহাড়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


লিটনের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ৪৪৩ রানের লিডের পাহাড়ে

আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনটি টাইগারদের দখলে চলে এসেছে। রোববার (১১ অক্টোবর) শেষ বিকেলে ১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আজকের প্রথম সেশনে আফগানিস্তানের বোলারদের হতাশায় ফেলেছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে তারা লিডকে সাড়ে চারশর কাছাকাছি নিয়ে গেছেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) লাঞ্চ ব্রেকের আগে বাংলাদেশ ৪৪৩ রানের লিড অর্জন করেছে। গতকাল ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে দিন শেষ করা বাংলাদেশ আজ প্রথম সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১১৪ রান যোগ করেছে। লিটন দাস সেঞ্চুরির পথে রয়েছেন, এবং তাকে ভালো সঙ্গ দিচ্ছেন মিরাজ।

প্রথম ইনিংসে ৫৩ রানে আউট হওয়া লিটন ৯৬ বলে ১১ চারে ৮১ রানে ব্যাট করছেন। অপরদিকে, মিরাজ ৭৪ বলে ৪ চারে ৩৮ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে, গতকাল শেষ বিকালে সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মুশফিক ৮১ ও শান্ত ৮২ রান করে বিদায় নেন। এরপর নাইট ওয়াচম্যান হাসান মাহমুদও ১ রান করে আউট হয়ে গেলে বাংলাদেশ কিছুটা চাপে পড়ে।

কিন্তু আজ সকালের সেশনে লিটন-মিরাজ জুটির দুর্দান্ত ব্যাটিং বাংলাদেশকে পাহাড়সমান লিড এনে দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় ব্যতিক্রমী ‘চিঠি উৎসব’: কাগজের ভাঁজে আবেগের রঙিন প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


নওগাঁয় ব্যতিক্রমী ‘চিঠি উৎসব’: কাগজের ভাঁজে আবেগের রঙিন প্রকাশ

‘চিঠির পাতায় লেখা সত্যিকারের অনুভূতি কখনো মুছে ফেলা যায় না, মানুষ ভুলে গেলেও শব্দগুলো হৃদয়ে নিজের জায়গা রেখে যায়’— এই আবেগঘন বার্তা সামনে রেখে নওগাঁয় একটি ব্যতিক্রমী ‘চিঠি উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এই উৎসবের আয়োজন করে, যা আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া চিঠি লেখার ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে। নওগাঁ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে কলেজের শত শত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকেই কলেজ চত্বর শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা খুদে বার্তার (এসএমএস) ডিজিটাল যুগে কাগজে কলমে মন খুলে লেখার এই অনন্য সুযোগ তৈরি করে তরুণ-তরুণীদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা। ডিজিটাল যুগে চিঠির খাম ও ডাকটিকিটের বাস্তব অভিজ্ঞতা অনেকের জন্য রোমাঞ্চকর ছিল।

উৎসবস্থলে শিক্ষার্থীরা বসে তাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, শৈশবের প্রিয় বন্ধু কিংবা প্রিয় মানুষদের উদ্দেশ্যে নিজেদের মনের কথা লেখে। চিঠি লেখার পর সবাই সেগুলো নিজ হাতে কলেজ মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ঐতিহ্যবাহী লাল ডাকবাক্সে ফেলে। এই আয়োজনে অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রিয়জনের কাছে চিঠি পাঠানোর সুযোগ পায়।

উৎসবের উদ্বোধন করেন ডাক বিভাগ রাজশাহী অঞ্চলের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মো. রাকিব বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ উপ-ডাক বিভাগের পরিদর্শক মো. সানোয়ার হোসেন, নওগাঁ প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার মু. হযরত আলী, বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতির যুগ্ম মহাসচিব মো. ইদ্রিস আলী শেখ এবং শহর পরিদর্শক মো. সাদ্দাম হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নওগাঁ সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জিয়ান শারমিন উচ্ছ্বাস নিয়ে বলেন, "জীবনে এই প্রথম কাগজে কলমে চিঠি লিখলাম। মেসেঞ্জার বা ফোনে প্রতিনিয়ত কথা হলেও মনের অনুভূতি হাতে লিখে জানানোর আনন্দ যে কতটা গভীর, তা আজ না লিখলে বুঝতেই পারতাম না।"

গণিত বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম ফয়সাল বলেন, "সবশেষ ২০১১ সালে একটি চিঠি লিখেছিলাম। দীর্ঘ সময় পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো চিঠি লিখলাম। বিনামূল্যে চিঠি পাঠাতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।"

ডাক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, উৎসবে জমা হওয়া প্রতিটি চিঠি ডাক বিভাগের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। তারা বলেন, দ্রুত যোগাযোগের নানান আধুনিক মাধ্যম চালু হলেও চিঠির আবেগী টান ও চিরন্তন গুরুত্ব আজও অপরিবর্তনশীল। তরুণ প্রজন্মকে চিঠি লেখায় উৎসাহিত করতে এবং ডাকসেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

তাছাড়া, যুগের চাহিদা মেনে ডাক বিভাগের সেবা ডিজিটাল করা হয়েছে উল্লেখ করে কর্মকর্তারা জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্পিড পোস্ট সেবার মাধ্যমে মালামাল পৌঁছে দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে ডাকসেবা গ্রহণের আগ্রহ এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%