ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের


মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের

পাবনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে দুজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ৮টার দিকে সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গি এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ মিয়া (২৬)। আপাতত রাজের ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া খাতুন নামের একটি ছোট শিশুর মৃত্যু ঘটে। তিনি জানান, তার আত্মীয়-স্বজনরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। যখন অ্যাম্বুলেন্সটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গি এলাকায় পৌঁছায়, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ এবং শিশুর নানি বুলু খাতুন ঘটনাস্থলে মারা যান। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘাতক বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কচুরিপানার নিচে ১০ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিল দুই গরুচোর,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


কচুরিপানার নিচে ১০ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিল দুই গরুচোর,

জলাশয়ে ঝাঁপ দিয়ে কচুরিপানার নিচে ১০ ঘণ্টা লুকিয়ে থাকার পর ২ গরু চোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালাতে গিয়েছিল। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে নাটোরের সিংড়া থানার চৌগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার বেতাকুড়-আতারামপুর এলাকার হাবিবুর রহমান (৪২) এবং জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার মইপুর গোপালপুর এলাকার ফেরদৌস (২৬)।

সিংড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নওগাঁ জেলার রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল জানিয়েছেন, গত ১০ জুলাই ওই থানা এলাকায় গরুচুরির মামলা হয়। ওই মামলায়, তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে নওগাঁর আত্রাই থানার কাশিয়াড়ী এলাকার আসলাম দেওয়ানকে (৪৩) আটক করে র‍্যাব। এরপর আসলাম দেওয়ানের তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোর ৫টার দিকে সিংড়া চৌগ্রাম এলাকায় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায় রানীনগর থানার পুলিশ।

এ সময় আসলাম দেওয়ানের গ্রুপের আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের ৫-৬ জন সদস্য একটি মিনিট্রাকে পৌঁছায়। কিছুক্ষণ পরে, তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চৌগ্রাম-কালিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এই সময় চোর চক্রের ওই দুজন রাস্তার পাশের কচুরিপানাপূর্ণ খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে লুকিয়ে যায়।

স্থানীয় এক যুবক বলেন, "ওরা কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এলাকাবাসী খাল ঘিরে রাখায় শেষ পর্যন্ত বের হয়ে আসতে বাধ্য হয়।"

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি বলেন, "আটক দুইজনকে প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয় এবং পরে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।"

সিংড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা জানিয়েছেন, আটক ২ চোরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আটক চোরদের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় মামলা হবে। আবার রানীনগর থানা পুলিশও তাদের শোন অ্যারেস্ট দেখাবে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ওই চোরদের আদালতে চালান দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রেন পরিষ্কারে কোটি টাকা ব্যয়, তবুও বর্ষায় জলমগ্ন যশোর শহর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


ড্রেন পরিষ্কারে কোটি টাকা ব্যয়, তবুও বর্ষায় জলমগ্ন যশোর শহর

বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে ড্রেন তৈরি হয়েছে। বিপুল অর্থ রক্ষণাবেক্ষণেও ব্যয় করা হচ্ছে। অথচ সামান্য বৃষ্টিতে যে দেশের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা যশোর, সেটি ডুবছে।

জানা যায়, শহরের বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। পরিকল্পনার ঘাটতি, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ এবং খাল-ড্রেন সংযোগের দুর্বলতায় প্রতি বছরই একই ভোগান্তির পুনরাবৃত্তি ঘটছে, এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সারিয়ে তোলা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যশোর দেশের প্রাচীন ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। এ পৌরসভার পানি নিষ্কাশনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ড্রেনের দৈর্ঘ্য ২৫১ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার। এসব ড্রেনের প্রায় অর্ধেক শত কোটি টাকা ব্যয়ে পাকা করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা কমাতে পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে দুই কোটির অধিক বরাদ্দ থাকে। বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয় হলেও যশোর পৌরসভার বাসিন্দাদের মধ্যে কোনো স্বস্তি নেই। সামান্য বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় পানি জমে যেতে দেখা যায় জলাবদ্ধতা।

বিশেষ করে ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঘরে এবং বাইরে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় তাদের জীবন বিষিয়ে উঠছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ হলো, প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও পরিকল্পনার ঘাটতি, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ এবং খাল-ড্রেন সংযোগের দুর্বলতায় প্রতি বছর একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এর ফলে মানসিক ও অর্থনৈতিক দুইভাবেই ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তারা।

শহরের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা অপু আহমেদ বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকায় পানি জমে যায়। পুরো শহরের পানি ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে হরিণার বিলের দিকে যায়। মাঝখানে একটি দীর্ঘ রেললাইন রয়েছে। সেখানে ছোট দুটি রেল কালভার্ট আছে, তবে তা দিয়ে পর্যাপ্ত পানি বের হয় না। তারপরে রয়েছে মহাসড়ক, যেখানে মাত্র একটি কালভার্ট। ফলে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তার সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো ঠিকমত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয় না। বছরে দুই থেকে তিনবার যদি ড্রেন পরিষ্কার করা হয়, তাহলে জলাবদ্ধতা কমে যেতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন পানি জমে চরম ভোগান্তি বাড়ছে। ঘরের ভেতরে ময়লা পানি জমে রয়েছে, বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। বাড়ির বাচ্চাসহ সবাই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও পরিকল্পনার অভাবে তা কাজে আসছে না।’

শহরের টিবি ক্লিনিক এলাকার বাসিন্দা শাহিন হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় অপেক্ষাকৃত নিচু। দুই দশক ধরে আমরা বর্ষার সময় জলাবদ্ধতার শিকার। বৃষ্টি হলেই ড্রেনের পানি উপচে সড়ক ও বাড়ি ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ে। সপ্তাহের পর সপ্তাহ আমাদের ময়লা পানির মধ্যে থাকতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘এ জলাবদ্ধতার একটাই কারণ, তা হলো ড্রেনেজ ব্যবস্থা। শহরের ড্রেনগুলো ভৈরব নদীর দিকে মুখ না করে হরিণার বিলমুখী করা হয়েছে। বিলের পাশ দিয়ে বাইপাস মহাসড়ক, বিলের ভিতর বাসস্ট্যান্ড, মেডিকেল কলেজ, বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে। ফলে ড্রেনের পানি বিলে নামতে পারছে না। এছাড়া ড্রেন অপ্রশস্ত ও অগভীর হওয়ায় তা উপচে পানি সড়ক ও বাড়ি ঘরে ঢুকে পড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ না নিয়ে প্রতিবছর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নামে কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে; যা কোনো কাজে আসছে না। এজন্য পৌর কর্তৃপক্ষকে নতুন করে পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, ‘বর্তমানে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অধিকাংশ ঘরে পানি জমে আছে। ড্রেন থেকে পানি ক্লিয়ার হচ্ছে না, জ্যাম হয়ে রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের স্থান নির্মাণ না করেই কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা ড্রেন তৈরি করা বা পরিষ্কার করানোর মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এটা হচ্ছে সেই ‘গাড়ির আগে ঘোড়াজুড়ে দেয়ার’ মতো অবস্থা। আমরা বৃষ্টিতে কী অবস্থায় আছি, তা দেখতে পারছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শহরের বুকের ওপর দিয়ে একটি নদী এবং আমাদের বগলের তলা দিয়ে আরেকটি নদী ভৈরব ও মুক্তেশ্বরী গেছে। আমাদের পানি ভৈরব-মুক্তেশ্বরীতে গিয়ে পড়বে, সেই যাওয়ার জায়গাটা তৈরি করতে হবে। নদী দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হবে।’

জিল্লুর রহমান ভিটু আরও বলেন, ‘পাশাপাশি আরেকটি কাজ রয়েছে—নাগরিকদের সচেতন করার উদ্যোগ দরকার। আমরা দেখি অনেকে ড্রেনের মধ্যে ময়লাটা ফেলে দিচ্ছে। এটা বন্ধ করতে হবে। এর জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। যদি এর জন্য অর্থ ব্যয় করতে হয়, তাহলে পরিকল্পিতভাবে নাগরিকদের সচেতন করতে হবে। কিন্তু পৌরসভা থেকে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।’

এ সময় পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. রফিকুল হাসান দাবী করেছেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা আশ্বাস দিয়েছেন অল্প সময়ের মধ্যে পানি নেমে যাবে। ফলে এই বছর জলাবদ্ধতা কম হবে। শহরের যেসব এলাকায় বেশি জলাবদ্ধতা হচ্ছে, সেগুলো এরই মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত শহরের পানি হরিণার বিল হয়ে মুক্তেশ্বরী নদীতে যায়। পৌরসভার সীমানা শেষে জমির মালিকরা তাদের জমিতে পানি প্রবেশের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন।

তিনি জানান, অনেক স্থানে মাটি ফেলে উঁচু করা হয়েছে। মুক্তেশ্বরী নদীতে পানি নিতে হলে জমি অধিগ্রহণ করা জরুরি। কিংবা মহাসড়কের পাশ দিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করে ভৈরব নদীতে নিতে হবে; যা ব্যয় বহুল। স্থানীয় এমপি ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সরকার থেকে বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।

প্রসঙ্গত, যশোর পৌরসভায় ১৪ দশমিক ৭২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের বসবাস। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার এই ত্রুটি দ্রুত দূর করার দাবিতে রয়েছে নগরবাসী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার দাবি, বাহরাইনে ড্রোনও ভূপাতিত করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার দাবি, বাহরাইনে ড্রোনও ভূপাতিত করল ইরান

ইরান বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলা ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

অন্যদিকে, জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের পক্ষ থেকে প্রকাশ করেছে যে, তারা ইরান থেকে প্রবাহিত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

তাসনিম সংবাদসংস্থার তথ্যমতে, আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আন্দিমেশকের আকাশে একটি 'শত্রু' এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ইরানি বাহিনীর দাবি, তাদের মহাকাশ বাহিনীর পরিচালিত নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোনটি ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরাকে কুর্দি বাহিনী জানিয়েছে যে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দিস্তান অঞ্চলের রাজধানী এরবিলের আকাশে বিস্ফোরক-বোঝাই আটটি ড্রোন ভূপাতিত করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সেখানে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণের শব্দ এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনবল সংকটে বন্ধ রেনুর পরীক্ষার ল্যাব, ক্ষতির মুখে সাতক্ষীরার চিংড়ি চাষিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


জনবল সংকটে বন্ধ রেনুর পরীক্ষার ল্যাব, ক্ষতির মুখে সাতক্ষীরার চিংড়ি চাষিরা

সাতক্ষীরায় চিংড়ি চাষিদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে রেনুর গুণগত মান ও ভাইরাস পরীক্ষার জন্য ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছিল, কিন্তু জনবল অভাবের কারণে তা এখনও চালু হয়নি। ফলে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার চিংড়ি মারা যাচ্ছে। চাষিরা দাবি করছেন, দ্রুত টেকনিশিয়ান নিয়োগ দিয়ে বহুল প্রত্যাশিত এই ল্যাবটি চালু করা হোক। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে রেনু পরীক্ষার ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায়, অনেক চাষি চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। দক্ষ জনবলের অভাবে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও ওষুধও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সাতক্ষীরায় জনবলের অভাবে প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চিংড়ি রেনুর গুণগত মান ও ভাইরাস পরীক্ষার দুটি ল্যাব অকার্যকর অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে জেলার এল্লারচর এলাকায় চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারে এই দুটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এখন পর্যন্ত সেগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।

বাগদা চিংড়ি, যা সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত, সাতক্ষীরার প্রধান অর্থকরী ফসল। জেলায় প্রায় ৫৫ হাজার ঘেরে বাগদা চাষ হয়। চাষিরা রেনুর গুণগত মান পরীক্ষা না করার ফলে কেবল চোখে দেখে বাজার থেকে রেনু কিনে ঘেরে ছাড়ছেন। প্রতিবছর এসব ঘেরে ৩০০ কোটিরও বেশি চিংড়ি রেনু ছাড়া হচ্ছে।

তবে রেনুর গুণগত মান ও ভাইরাস পরীক্ষা না হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে চিংড়ি কিছুটা বড় হওয়ার পর মারা যাচ্ছে। এতে প্রতি বছর বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে ঘের মালিকের এবং চাষিদের। তাই তাদের দাবি, দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে রেনুর গুণগত মান ও ভাইরাস পরীক্ষার দুটি ল্যাব চালু করা হোক।

ব্যবসায়ীদের মতে, রেনু পরীক্ষার সুযোগ না থাকার কারণে অনেক চাষি চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারিয়ে সাদা মাছ ও ধান চাষের দিকে সরে যাচ্ছেন। পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করতে না পারার কারণে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা বলেছেন, রফতানিযোগ্য চিংড়ি উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে রেনুর গুণগত মান ও ভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব দ্রুত চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সম্পদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এদিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি এম সেলিম জানান, সাতক্ষীরায় লক্ষাধিক মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে চিংড়ি চাষের সঙ্গে জড়িত। গত বছরের ডিসেম্বরে পিসিআর ল্যাবটি জেলা মৎস্য দফতরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু এখনও দক্ষ জনবল পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জেলা মৎস্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরায় প্রায় ৬৮ হাজার হেক্টর জমির প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ঘেরে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। এবছর জেলায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন চিংড়ি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%