ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এসিআই মোটরসে চাকরির সুযোগ, বয়স ২৪ হলেই আবেদন করতে পারবেন


এসিআই মোটরসে চাকরির সুযোগ, বয়স ২৪ হলেই আবেদন করতে পারবেন

এসিআই মোটরস লিমিটেড জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ জুলাই তারিখের মধ্যে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদটির নাম হলো: সিনিয়র/প্রোডাক্ট এক্সিকিউটিভ।

বিভাগের নাম: ইঞ্জিন অয়েল-লিকুই মলি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পদের সংখ্যা: ১টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য প্রার্থীকে মার্কেটিংয়ে বিবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে।

অন্যান্য যোগ্যতার মধ্যে থাকতে হবে: অটোমোবাইল, রাসায়নিক শিল্প, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম/গৃহস্থালি যন্ত্রপাতিতে ভালো জ্ঞান।

অভিজ্ঞতার জন্য প্রার্থীকে কমপক্ষে ১ থেকে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

চাকরির ধরন হবে ফুলটাইম।

কর্মক্ষেত্র হবে অফিসে।

প্রার্থীর ধরন হবে নারী-পুরুষ (উভয়)।

বয়সের সীমা: ২৪ থেকে ৩০ বছর।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

কর্মস্থল: ঢাকা (তেজগাঁও শিল্প এলাকা)।

বেতন আলোচনা সাপেক্ষে হবে।

অন্যান্য সুবিধা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক্ষমতা অনুযায়ী প্রদান করা হবে।

 

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংগ্রাম পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে জয়, লামিনে ইয়ামালের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


সংগ্রাম পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে জয়, লামিনে ইয়ামালের

ভিন্ন দেশ, ভিন্ন ভাষা, এবং ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে একসূত্রে বেঁধে রাখার জন্য ফুটবল সবচেয়ে সুন্দর সেতু। এই খেলা এতটাই শক্তিশালী যে, এটি দুঃখ ও সুখ, জয় ও পরাজয়ের সীমা পেরিয়ে মুহূর্তেই ভেঙে দিতে পারে বিভেদের দেয়াল। স্পেনের তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল সেই দর্শনের জন্য জীবন্ত প্রতীক হিসেবে উঠে এসেছেন। তিনি উদ্বাস্তুদের বর্ষাকালীন একটি কলোনি থেকে উঠে এসে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করেছেন এবং একটি অনুপ্রেরণার অসাধারণ গল্প রচনা করেছেন।

ইয়ামালের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন তার পিতা মুনির নাসরাউই ও মাতা শিলা এবানা গিনির। মরক্কো ও ইকুয়েটোরিয়াল গিনির অভিবাসী এই দম্পতি চরম আর্থিক সংকটের মধ্যেও তাদের ছেলের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। তারা জীবনযাত্রার অনিশ্চয়তার কাছে হার মানেননি, বরং বিশ্বাস রেখেছিলেন যে একদিন তাদের সন্তান ইংরেজির দারুণ কিছু করবে।

ইয়ামালের পূর্ণ নাম হল লামিনে ইয়ামাল নাসরাউই এবানা। তাঁর নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক আবেগঘন ইতিহাস। 'লামিনে' এসেছে আরবী 'আল-আমিন' শব্দ থেকে, যার অর্থ বিশ্বস্ত বা সৎ। অন্যদিকে 'ইয়ামাল' এসেছে 'জামাল' শব্দ থেকে, যার অর্থ সৌন্দর্য। এই নাম শুধুমাত্র অর্থবহ নয়, এটি কৃতজ্ঞতার প্রতীকও। সন্তানের জন্মের সময় আর্থিক দুরবস্থায় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পরিবারের দুই বন্ধুর নাম থেকেই ছেলের নামকরণ করা হয়েছে।

জন্মের মাত্র পাঁচ মাস পর ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির কোলে ওঠার একটি স্মরণীয় ছবি এখনো ভক্তদের মনে রয়েছে। তবে ইয়ামালের শৈশবটি মোটেও সহজ ছিল না। তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর, তিনি মায়ের কাছে বড় হয়েছেন। কিন্তু ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার বীজ বপন করেছিলেন তার বাবা।

অভাবের সংসারে ছেলের জন্য একটি ফুটবল বুট কেনার সামর্থ্যও ছিল না মুনির নাসরাউইয়ের। তিনি স্থানীয় এক জুতা ব্যবসায়ীর কাছে ধার করে বুট নিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, একদিন আমার ছেলে বড় হয়ে এই ঋণ শোধ করবে। আর সেই ছেলে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দামি ফুটবলারদের একজন। কিন্তু তারপরও ইয়ামাল তার বাবার সেই ত্যাগকে কখনো ভুলেননি।

বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে ১২ বছর বয়সে যোগ দেওয়ার পর, তিনি দ্রুতই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল তারকা হয়ে উঠেছেন। তবে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছানোর পরেও তিনি নিজের শিকড় ভুলে যাননি। তার হাতের আঙুলে লেখা থাকে '৩০৪', যা তার শৈশবের এলাকা রোকাফোন্দার পোস্টকোডের শেষ তিনটি সংখ্যা। গোল উদযাপন করার সময়ও সেটিই তিনি দেখান।

বার্সেলোনা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরের মাতারো শহরের অভিবাসী অধ্যুষিত রোকাফোন্দা এলাকাই আজ ইয়ামালের কারণে নতুন পরিচয় লাভ করেছে। সেখানে ইয়ামালের ছবি শুধুমাত্র পোস্টারে নয়, বরং হাজারো শিশুর স্বপ্নেও দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বকাপ জয়ের মঞ্চেও ইয়ামাল তার পরিচয় ও শিকড়কে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। তার হেডব্যান্ডে ছিল 'রোকাফোন্দা'র নাম, আর বুটে ছিল তার বাবা-মায়ের জন্মভূমি মরক্কো ও ইকুয়েটোরিয়াল গিনির পতাকা।

ইয়ামালের জীবনের গল্প যেন জন লেননের বিখ্যাত উক্তিকেই নতুন করে সত্য প্রমাণ করে, যে স্বপ্ন দেখার সাহস থাকলে একদিন সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়। উদ্বাস্তু কলোনির সংকীর্ণ গলি থেকে বিশ্বজয়ের মঞ্চে পৌঁছে তিনি صرف একটি ট্রফিই জেতেননি, বরং কোটি মানুষদের হৃদয়ও জয় করেছেন।

তবে একটি বিষয়ে উল্লেখযোগ্য, এই প্রতিবেদনে কিছু তথ্য, বিশেষ করে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফলাফল এবং ইয়ামালের বিশ্বজয় সম্পর্কিত অংশ, যদি বাস্তব ঘটনার পরিবর্তে কল্পনাপ্রসূত বা বিকল্প প্রেক্ষাপটে লেখা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সেগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করার প্রয়োজন আছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এডিবি ভুয়া ঋণের প্রলোভনে জনগণকে সতর্ক করল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৬ পি.এম


এডিবি ভুয়া ঋণের প্রলোভনে জনগণকে সতর্ক করল

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ভুয়া ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনার প্রতারণা সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে।

সোমবার (২০ জুলাই) এই বিষয়ে একটি সংবাদ বার্তায় এ সতর্কবার্তা প্রকাশ করে এডিবি।

এতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এডিবি কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ, অনুদান, তহবিল বা অন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দেয় না। একইভাবে, এডিবি ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য চাওয়ার জন্য উদ্ধৃতিও করে না। এছাড়া, মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থ জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয় না।

এডিবির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে যে, প্রতারকরা এডিবি এবং এর কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে নকল ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ এবং ভুয়া পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন প্রতারণামূলক উপকরণ তৈরি করছে। ফলে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করে অর্থ আদায়ের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে এডিবির কোনো সম্পর্ক নেই।

এডিবি জনসাধারণকে জানাতে চায় যে, ভুয়া ঋণের প্রস্তাবের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে এবং এইসব যোগাযোগের ওপর কোনো সাড়া না দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। একইসাথে, যদি এডিবির ঋণ বা আর্থিক সহায়তার জন্য কেউ যোগাযোগ করে, তবে তা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছে।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে, এডিবি একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এবং বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে আসছে। তাই, যদি এডিবির প্রতিনিধি পরিচয়ে কেউ ব্যক্তি পর্যায়ে সরাসরি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়, তখন সেটি প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।

এডিবি নাম, কর্মকর্তাদের পরিচয় অথবা অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে পরিচালিত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্কিত বিস্তারিত সতর্কবার্তা এবং এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচার পরামর্শ পাওয়ার জন্য এডিবির প্রকাশিত নির্দেশনাগুলো দেখার জন্য জনগণকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে এর সদস্য দেশ সংখ্যা ৬৯, এর মধ্যে ৫০টি দেশ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ,

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো। এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

বৈঠকের শুরুতেই আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান, কারণ তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আইএলও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতি আগ্রহী এবং শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইএলওর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে, আইএলও মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, যিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এই অর্জনকে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া, বর্তমান সরকারের অন্যান্য কূটনৈতিক সাফল্য অর্জনের জন্য ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।

বৈঠকে আইএলও মহাপরিচালক আরও বলেন, শ্রম খাতে সরকারের চলমান সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের আন্তরিকতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

এছাড়া, উভয় পক্ষ শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা করেন। দেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নতি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অর্জন ও সহযোগিতার গুরুত্বের ওপরই ফোকাস করা হয়।

অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকবান্ধব এবং টেকসংস্থায়ী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং শ্রম খাতের উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জাতিসংঘ) মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশে আইএলও কান্ট্রি ডিরেকটর ম্যাক্স তুনোঁ (Max Tuñón) এবং আইএলও সদর দপ্তর, জেনেভার মহাপরিচালকের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিতোমি নাকাগোমে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধ দমনে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরার নজরদারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


অপরাধ দমনে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরার নজরদারি

অপরাধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে সরকারের নেওয়া ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ককে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা এবং সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি, মহাসড়কটির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কও একই ধরনের নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরা স্থাপনের ফলে, হাইওয়ে পুলিশ এখন ঢাকার চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ফারুক আহমেদ বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এআই ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, এসব এআই ক্যামেরা পরিচালনার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হাইওয়ে পুলিশের হাতে হস্তান্তরের জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে হাইওয়ে পুলিশ এই নজরদারি ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, উন্নত এই নজরদারি ব্যবস্থা হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ করবে এবং ডাকাতি, মাদক পরিবহনসহ মহাসড়ককেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকার চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

দেশের অন্যান্য মহাসড়কগুলোও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের নজরদারির আওতায় আনা হবে, যাতে মহাসড়কের অপরাধ দ্রুত দমন করা এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা সমাধান করা যায়।

ফারুক আহমেদ আরো বলেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দুটি দায়িত্ব হলো ডাকাতি ও মাদক পাচারের মতো মহাসড়ককেন্দ্রিক অপরাধ দমন করা এবং যানজট কমিয়ে একটি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল মহাসড়ক গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও জোরদার করা হচ্ছে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে কার্যক্রমের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি করতে এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিউনিটিভিত্তিক পুলিশিং জোরদার করা হচ্ছে।

কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্যভিত্তিক জবাবদিহি এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে মহাসড়ক আরও নিরাপদ হবে এবং জনসেবার মান উন্নত হবে।

গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বলেন, তিনি দেশের মহাসড়ককে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়ককে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে সক্ষম হব বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।’

তিনি আরও আশ্বাস দেন, আগামী দুই মাস পর হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়ের কোনো অভিযোগ থাকবে না।

ফারুক আহমেদ জানান, বর্তমানে সারা দেশে হাইওয়ে পুলিশের ৭৩টি থানা রয়েছে। আরও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে থানার সংখ্যা বাড়ানো এবং সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

২০০৫ সালের ১১ জুন প্রতিষ্ঠিত হাইওয়ে পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এই ইউনিটটির প্রধান দায়িত্ব দেশের মহাসড়কে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত করা।

১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ১২ ধারার আওতায় পরিচালিত এ ইউনিট মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধের তদন্তও করে থাকে।

হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, মহাসড়কের অপরাধ প্রতিরোধ করা, সড়ক দুর্ঘটনার তদন্ত করা, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করা, মহাসড়কে টহল দেওয়া, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যান চলাচল ব্যবস্থাপনা করা।

বর্তমানে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে চারটি বিভাগ, আটটি অঞ্চল, সাতটি ক্যাম্প, ৭৩টি হাইওয়ে থানা এবং ১০টি সার্কেলের মাধ্যমে সারা দেশে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনুমোদিত জনবল ২ হাজার ৮১৪ জন।

হাইওয়ে পুলিশের আটটি আঞ্চলিক কার্যালয় গাজীপুর, কুমিল্লা, বগুড়া, মাদারীপুর, সিলেট, খুলনা, রংপুর এবং ময়মনসিংহে অবস্থিত।

জনবল ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা স্বত্ত্বেও, হাইওয়ে পুলিশ বর্তমানে দেশের প্রায় ১১,৮০৬ কিলোমিটার মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%