শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
আইনজীবীদের জন্য আইনগত গবেষণা, নথি বিশ্লেষণ এবং মামলার তথ্য খোঁজার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ওপেনএআই নতুন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল উন্মোচন করেছে। এই টুলটির নাম ‘অ্যাস্ট্রা ফর ল’, যা বিশেষভাবে আইন পেশার প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
ওপেনএআই জানায়, ‘অ্যাস্ট্রা ফর ল’ ব্যবহার করে আইনগত তথ্য খোঁজা, নথি বিশ্লেষণ, আইনি যুক্তি তৈরি করা এবং চুক্তির বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে।
নতুন এই এআই টুলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের মামলা, আইন, সরকারি বিধি, আদালতের নিয়ম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জন্য আলাদা আলাদা আইনি তথ্যভান্ডার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ওপেনএআই জানিয়েছে, এসব তথ্য নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরীক্ষায় দেখা গেছে, ২০০টি আইনি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘অ্যাস্ট্রা ফর ল’ সাধারণ ওয়েব অনুসন্ধান সুবিধাসহ ‘জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা’র তুলনায় অধিক কার্যকরী ফলাফল প্রদান করেছে। পরীক্ষায় নতুন মডেলটি ৫৪ শতাংশ ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর দিয়েছে, যেখানে জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রার সঠিক উত্তরের হার ছিল ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে এই এআই টুলটির ব্যবহার শুধুমাত্র তথ্য খোঁজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আইনজীবীরা এর মাধ্যমে মামলার যুক্তি তৈরি, আইনি নথি পর্যালোচনা এবং চুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করার কাজও করতে সক্ষম হবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের কাজের জন্য আলাদা টুল তৈরির সুবিধা পাবে।
প্রথম ধাপে নির্বাচিত কিছু আইন প্রতিষ্ঠানকে ‘অ্যাস্ট্রা ফর ল’ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে এটি আরও ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এআইটির জন্য আলাদা এপিআই চালুর কথাও জানিয়েছে ওপেনএআই।
এছাড়া আইনজীবীদের কাজকে আরও সহজ করতে ২৬টি সহযোগী টুল এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের জন্য চ্যাটজিপিটি সুবিধার সঙ্গেও ‘অ্যাস্ট্রা ফর ল’ ব্যবহার করা যাবে।
তবে আইনি কাজে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ রয়েছে। এআইয়ের দেওয়া তথ্য বা আইনি বিশ্লেষণ সরাসরি ব্যবহার না করে সংশ্লিষ্ট আইন, মামলার নথি ও নির্ভরযোগ্য উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ওপেনএআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইনজীবীদের কাজের গতি বৃদ্ধি এবং আইনি গবেষণায় ব্যয় হওয়া সময় কমানোই ‘অ্যাস্ট্রা ফর ল’ তৈরির মূল উদ্দেশ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গ্রিডে নতুন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে। দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপ থেকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গ্যাসের আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন এবং পুরনো ক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি সরাসরি প্রসেস প্ল্যান্ট হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চার কূপে এই উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ফুট গভীরতার তিতাস-২৮-এর খননকাজ এক মাস আগে সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কূপগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে।
সংস্থার গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খনন শেষ হয়েছে, বর্তমানে লরিং ও আনুষঙ্গিক পরীক্ষা চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এটি দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনে যাবে। তিতাস-৩০ নম্বর কূপ থেকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপ থেকে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বিজিএফসিএল।
কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-৩১-এর কাজ শেষে বাখরাবাদ-১১ নম্বর গভীর কূপ খনন শুরু হবে, যা থেকে মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সব মিলিয়ে বিজিএফসিএলের পাঁচটি নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অতিরিক্ত যুক্ত হওয়ার পথ সুগম হচ্ছে।
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের বর্তমান মজুত প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। তবে গভীর অনুসন্ধানমূলক কূপ তিতাস-৩১ সফল হলে সেখানে আরও ২ টিসিএফ নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান নিশ্চিত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মনের মধ্যে চাপা কষ্ট, কাউকে না বলা ব্যথাগুলোর আরেক নাম প্রথম প্রেম। মানুষ প্রেমে পড়ে অনেকবার। যদিও সব স্মৃতি ভুলে যায়, প্রথম প্রেমের কথা মানুষের হৃদয়ের গহীনে গেঁথে থাকে। এটি এক ব্যথা-সুখের অনুভূতি, যা কাউকে বলা যায় না, আবার বলেও বোঝানো কঠিন। আজ সেই আনন্দ-কষ্টমাখা অনুভূতিকে দিবস হিসেবে পালন করার দিন।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রথম প্রেম দিবস’ পালনের যাত্রা শুরু হয়। এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। তবে এর উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে, তা কারও জানা নেই। এখন এই দিবসটি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি হয়ে উঠছে আত্ম-উপলব্ধির এক বিশেষ দিন—‘ভালোবাসা শুধু প্রাপ্তির নয়, অনুভবেরও বিষয়’ বলে মনে করা হচ্ছে।
জীবনে ‘দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পরে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম’—হুমায়ূন আজাদের এই উক্তি প্রেমের প্রকৃত অর্থকে তুলে ধরে। প্রেম মানেই তো বারবার নিজেকে উজাড় করে দেওয়া, প্রতিবারই নতুনভাবে জেগে ওঠা।
আজকের দিনে, অজান্তে গড়ে ওঠা সেই প্রেমের স্মৃতি রোমন্থন করা যায়। যদি সৌভাগ্যবশত সে মানুষটি আজও আপনার হয়ে থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। দুজনে মিলেই ঘুরে আসুন সেই স্বপ্নময় দিনগুলো থেকে। আজকের এই বিশেষ দিনটি আপনার জন্য হয়ে উঠুক আরও বিশেষ।
‘প্রেম একবারই এসেছিল নীরবে…’ লতা মুঙ্গেশকরের এই লাইন মনে করিয়ে দেয়, প্রথম প্রেমে কোনো জোর থাকে না, থাকে না শর্ত; থাকে শুধু হৃদয়ের এক নির্মল ঢেউ। প্রথম একসঙ্গে হাঁটা, প্রথম কথা বলার লাজুক মুহূর্ত, কিংবা প্রথমবার কারও দিকে তাকিয়ে মনের ভেতর কেমন জানি এক চুপচাপ আনন্দ—এই সবকিছুই আজ নতুন করে মনে করার দিন।
আহসান হাবিব কবিতায় লিখেছেন- ‘তুমি ভালো না বাসলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে, তুমি ভালো না বাসলেই ভালোবাসা, জীবনের নাম ভালোবাসা, ভালোবাসা বলে দাঁড়ালে দুহাত পেতে, ফিরিয়ে দিলেই বুঝতে পারি, ভালোবাসা আছে।’
আজকের এই দিনে কেউ কেউ স্মৃতির পাতায় ফিরে যান, আবার কেউ বুকে জমে থাকা না-বলা কথা নিয়ে খানিকটা কষ্ট পান। তবু প্রথম প্রেম তো শুধুই একজন মানুষ নয়; বরং এটি এক অনুভব, এক সময়, এক নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প।
কেউ খুব যত্ন করে, আবার কেউ বড় অবহেলায় প্রথম প্রেম ভুলেও যায়। নতুন মানুষ জীবনে জায়গা করে নেয়। এ জন্যই কি বলা হয়, প্রথম প্রেম বলে কিছু নেই!
যাই হোক, আজ নিজেকে একটু সময় দিন। ফিরে যান সেই প্রথম ভালোবাসার দিনে, হয়তো সে আপনাকে আবারও নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়ে দেবে। আর প্রথম ভালো লাগার মানুষটি যদি হয় আপনার সঙ্গী তবে তাকে নিয়েই ভালোবাসার পুরোনো উপাখ্যানে ফিরে যেতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দলের জন্য ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক বরাদ্দ করেছে। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং প্রতীক হলো ‘খাম’।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের এই নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন কমিশন একটি আদেশে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যে উভয় গোষ্ঠীকে স্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পূর্বে, বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন একটি অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করেছিল। দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আসন্ন উপনির্বাচনে কোন গোষ্ঠীকেই মূল দলের নাম বা প্রতীক ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, এর মধ্যে ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনও অন্তর্ভুক্ত। সাম্প্রতিক আদেশে চলমান নির্বাচনে ইতিমধ্যে জমা দেওয়া মনোনয়ন সম্পর্কিত সিদ্ধান্তও জানানো হয়েছে।
কমিশন বলেছে, রেজিনগর, নন্দীগ্রাম ও নাগাঁওয়ে দুই গোষ্ঠীর অনুমোদিত প্রার্থীদের নিজেদের নতুন দলীয় নাম ও প্রতীকের অধীনে বিবেচনা করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951)-এর ৩৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি শর্ত পূরণ করতে হবে।
কমিশন আরও জানিয়েছে, এই নাম ও প্রতীক বরাদ্দ ‘সাময়িক’। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের মূল বিষয় হলো দলের সাংগঠনিক কর্তৃত্ব, ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈধতা এবং দলীয় পদাধিকারীদের নিয়োগ নিয়ে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবি।
অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীর সমর্থন পেয়েছে। তারা বিদ্যমান ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, এই কমিটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এই প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের বক্তব্য, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর দাবি এবং দলীয় পদাধিকারীদের নির্বাচন দলের সংবিধানের পরিপন্থী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যগুলোর মধ্যে সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের বক্তব্যও রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দলের সংবিধানে সংশোধন এনে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি এবং অন্যান্য সাংগঠনিক সংস্থার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী ওই সংশোধনগুলোর বৈধতা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বৃহস্পতিবারের আদেশে বলা হয়েছিল, কোন গোষ্ঠী স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছে, তা নির্ধারণের জন্য ‘Election Symbols (Reservation & Allotment) Order, 1968’ এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। সেই সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উভয় গোষ্ঠীকে নিজেদের পছন্দের তিনটি করে নাম এবং অবাধ বা ফ্রি প্রতীক জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আজ শুক্রবারের নতুন আদেশে সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে দুই গোষ্ঠীকে পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে, যিনি মাসকাট থেকে চট্টগ্রামে আসার সময় সোনার পেস্ট এবং ৩৫টি স্বর্ণালংকার লুকিয়ে রেখেছিলেন। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এই সোনা ভিন্ন দুটি কৌশলে লুকানো হয়েছিল।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা সালামএয়ারের একটি ফ্লাইটের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এসব সোনা আটক করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, মাসকাট থেকে আসা ওই ফ্লাইটের যাত্রী মোহাম্মদ হাসান মুরাদ বিমানবন্দরে অবতরণের পর তার ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশির সময় ব্যাগের ভেতরে স্কচটেপে মোড়ানো পেস্টসদৃশ পদার্থ পাওয়া যায়। পরে সোনা কারিগরের মাধ্যমে ওই পেস্ট প্রক্রিয়াজাত করলে ৪২৫ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেটের সোনারপিণ্ড উদ্ধার করা হয়।
যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে তার প্যান্টের পকেট থেকে আরও ১০৬ গ্রাম ওজনের ৩৫টি বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দার তথ্যমতে, সব মিলিয়ে ওই যাত্রীর কাছ থেকে ৫৩১ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক সোনার শুল্ক-করাদিসহ আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪১ হাজার ৫৫৫ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের আইনানুগ কার্যক্রম চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ