মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
পটুয়াখালীর বাউফলে মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করার সময় মাহফুজুর রহমান নামের এক চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছেন।
এই ঘটনা ঘটে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, উপজেলার মধ্য দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহফুজকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের দিয়ে মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করানো হয়। রোববার, ডিম সেদ্ধ করার ফুটন্ত গরম পানিতে দগ্ধ হন মাহফুজ।
একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শাক তোলা ও ডিম সেদ্ধ করার মতো নানা কাজ করানো হয়। প্রতিবাদ জানালেও শিক্ষকরা বিষয়টিতে কর্ণপাত করেন না।
মাহফুজের শ্রেণিশিক্ষক ফাহমিদা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "ডিম সেদ্ধ করার পর গরম পানি ফেলে দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় একজনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাহফুজ দগ্ধ হয়।"
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আখতার হোসেন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভারে সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তুহিন এবং আমিনবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আকাশসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের মোট ৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতের দিকে সাভারের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সাভার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তুহিন (৩২), যিনি সদর ইউনিয়নের লালটেক এলাকার শেখ জালালের ছেলে। এছাড়া আছেন আমিনবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আকাশ (৩৯), যিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার কামুরা এলাকার মহিউদ্দিনের ছেলে। রাজধানীর মিরপুর থানার দক্ষিণ পাইকপাড়া এলাকার বাবুল খানের ছেলে রাজু খান (৩৯), ঝালকাঠি জেলার সদর থানার নইআড়ি এলাকার আসমত আলী খানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০), সাভার পৌরসভার ডগরমোড়া এলাকার শফি মোল্লার ছেলে রুহুল আমিন রাজিব (৩৮), গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার বেড়াগ্রাম এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (২৪), মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার চরচন্দ্রা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৬) এবং মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার শিবালীপাড়া এলাকার আজাদ মোল্লার ছেলে মুরাদ হোসেন (৪৫) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা প্রত্যেকেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্য। তারা সাভার এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে ঝটিকা মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।
ওসি সাইফুল আলম বলেন, সাভারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালাচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে আরও কিছু ব্যক্তির তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মোটরবাইক থেকে প্রত্যাশিত মাইলেজ বা পারফরম্যান্স না পাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক বাইক চালকের জন্য পরিচিত।
বাইকের জ্বালানি সাশ্রয় এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্স একাধিক বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। শক্তি কমানো ছাড়া বাইককে আরও জ্বালানি সাশ্রয়ী করতে চাইলে কিছু বুদ্ধিদীপ্ত চালানোর অভ্যাস, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং ছোট কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। নতুন বাইক হোক কিংবা পুরনো, এই টিপসগুলো যেকোনো বাইকের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
চালানোর ধরনে আনুন পরিবর্তন
জ্বালানি সাশ্রয়ের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো বাইককে স্বাভাবিক গতিতে চালানো। হঠাৎ গতি বাড়ানো এবং হঠাৎ ব্রেক করা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ দ্রুত গতি বাড়ালে জ্বালানির খরচ বেড়ে যায়, আর হঠাৎ ব্রেক করলে যন্ত্রাংশের অপ্রয়োজনীয় ক্ষয় হয়। বরং ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি বুঝে আগেভাগেই গতি কমানো উচিত।
একই গতিতে বাইক চালানোর চেষ্টা করুন। বারবার গিয়ার পরিবর্তনের চেয়ে স্থির গতিতে চালালে জ্বালানি খরচ কমে। এতে ইঞ্জিনের ওপর চাপও কমে যায় এবং জ্বালানি দহন আরও কার্যকর হয়।
যদি সম্ভব হয়, উঁচু গিয়ার ব্যবহার করুন। সঠিক সময়ে উঁচু গিয়ারে যাওয়া ইঞ্জিনের চাপ কমিয়ে মাইলেজ বাড়ায়। দীর্ঘ সময় নিচু গিয়ারে চালালে সেরা বাইকেও জ্বালানি খরচ বাড়তে পারে। তাই ইঞ্জিন যখনই সুযোগ দেয়, তখনই গিয়ার পরিবর্তন করুন।
ঢালু রাস্তায় বা থামার আগে থ্রোটল ছেড়ে দিয়ে বাইককে নিজের গতিতে চলতে দিন। অযথা গতি বাড়ানো বা ব্রেক করার প্রয়োজন নেই।
বাইকের নিয়মিত যত্ন নিন
বাইকের দীর্ঘস্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতার জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বাইক হোক বা পুরনো, সঠিক যত্নে সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব।
নির্দিষ্ট সময় পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিত। ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে এবং মসৃণভাবে চলতে সাহায্য করে। নিয়মিত এটি পরিবর্তন করলে ভালো পারফরম্যান্স এবং মাইলেজ পাওয়া যায়।
এয়ার ফিল্টার পরীক্ষা করা জরুরি। ময়লা জমা এয়ার ফিল্টার বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে কার্যকারিতা কমে যায়। তাই নিয়মিত এটি পরিষ্কার বা পরিবর্তন করা উচিত।
স্পার্ক প্লাগও পরীক্ষা করা আবশ্যক। পুরনো স্পার্ক প্লাগ দহন প্রক্রিয়া ব্যাহত করে, যা মাইলেজ এবং শক্তি দুটোতেই প্রভাব ফেলে। এটি ভালো অবস্থায় আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
কম বাতাসের টায়ার রাস্তায় বাড়তি বাধা তৈরি করে, ফলে ইঞ্জিনকে বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয় কমে যায়। তাই নিয়মিত টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন এবং প্রস্তাবিত মাত্রায় রাখুন। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অপ্রয়োজনীয় ওজন কমান
বাইকে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহন করলে জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি পায়। অপ্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক জিনিস সরিয়ে ফেলুন এবং বাড়তি বোঝা বহন থেকে বিরত থাকুন। নতুন বাইক কেনার পরিকল্পনা থাকলে হালকা কাঠামোর মডেল বেছে নেওয়া উচিত।
ভালো মানের জ্বালানি ও লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিত। জ্বালানি এবং ইঞ্জিন অয়েলের মান সরাসরি বাইকের কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলে। ভালো মানের জ্বালানি এবং নির্মাতার প্রস্তাবিত লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করলে দহন প্রক্রিয়া ভালো হয় এবং ইঞ্জিনও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
ট্রাফিকে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন
থেমে থেমে চলা ট্রাফিক জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় প্রভাব ফেলে। জ্বালানি অপচয় কমাতে কয়েক সেকেন্ডের বেশি অপেক্ষা করতে হলে সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন। কম ট্রাফিক এবং কম সিগন্যালের রাস্তা বেছে নিন।
নিয়মিত সার্ভিসিং করান
নিয়মিত সার্ভিসিং করা বাইক ভালো পারফরম্যান্স দেয় এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী হয়। নির্মাতার নির্ধারিত সার্ভিস সময়সূচি মেনে চলুন এবং ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা বড় হওয়ার আগেই সমাধান করুন।
বাইকের মাইলেজ এবং পারফরম্যান্স বাড়ানো শুধুমাত্র জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয় নয়, এটি সেরা রাইডিং অভিজ্ঞতা পাওয়ারও একটি উপায়। চালানোর অভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে বছরের পর বছর বাইক সচল রাখা সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার অপ্রতিম বন্ধুদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেছিল। নামাজ শেষ হওয়ার পর সে বলেছিল, বাড়িতে যাবে। পরের দিন সে নিখোঁজ হয়ে যায়। দুই দিন পর রোববার, তার বন্ধুরা তাকে শেষ বিদায় জানান।
কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের জঙ্গলে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং তার দাফন সম্পন্ন হয়।
রোববার বেলা ১১টার দিকে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কোটবাড়ি বাগমারা কবরস্থানে অপ্রতিমকে দাফন করা হয়।
এ সময় তার স্বজন, সহপাঠী ও বন্ধুরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা মেনে নিতে পারছেন না যে, প্রিয় বন্ধুকে আর কখনো ক্লাশে দেখতে পারবেন না।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের বন্ধুদের কাছে তার শেষ কয়েক দিনের স্মৃতি এখন শুধুই বেদনার।
অপ্রতিমের এক বন্ধু বলেন, ‘শুক্রবারও অপ্রতিম আমাদের সঙ্গে নামাজ পড়েছিল। নামাজের পর সে বলেছিল, বাড়িতে যাবে। এরপর সে বাড়িতে চলে যায়। কে জানত, সেটাই আমাদের শেষ দেখা।’
এর আগের দিন বৃহস্পতিবারও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছিল অপ্রতিম। কুরআনিক ক্লাবে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবলও খেলেছিল।
আরেক বন্ধু বলেন, ‘আমরা বৃহস্পতিবার কুরআনিক ক্লাবে একসঙ্গে ছিলাম। সেখানে সময় কাটিয়েছি। ফুটবলও খেলেছিলাম। এরপর কথা বলতে বলতে বাসায় এসেছিলাম। তখন তো ভাবিনি, এটাই তার সঙ্গে আমাদের শেষ সময়।’
শেষ কথোপকথনের স্মৃতিও আরেক বন্ধু ভুলতে পারছেন না। তিনি বলেন, আমি শেষবার তার সঙ্গে ফুচকা খেতে যেতে চেয়েছিলাম। সে বলেছিল- ‘না, আমি ফুচকা খাব না। টাকা নেই’। এটাই ছিল তার সঙ্গে আমার শেষ কথা।
অপ্রতিমের বন্ধু নাসিম বলেন, ‘আমার বন্ধুকে আর ক্লাশে দেখব না। এই অনুভূতিটা আসলে বলে বোঝানোর মতো না। আমরা আর কোনো বন্ধুকে হারাতে চাই না।’
বন্ধুরা বলেন, একজনকে হারালে এটি শুধুমাত্র একটি পরিবার নয়, বরং তার বন্ধুমহল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও একজন আপনজনকে হারায়। তাদের আশঙ্কা, অপ্রতিমের সঙ্গে যা ঘটেছে, ভবিষ্যতে অন্য কারও সঙ্গেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে।
তারা বলেন, এ ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নতুন পে-স্কেলের মাধ্যমে শুধু কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিবর্তন হয়নি, বরং অবসরভোগীদের পেনশনেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে, কম পেনশন প্রাপ্ত অবসরভোগীদের জন্য বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে বেশি রাখা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পাঁচ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত ধরা হয়েছে। পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে।
যদি চাকরি পাঁচ বছর হয়, তাহলে পেনশনের হার হবে মূল বেতনের ২১ শতাংশ। চাকরিকাল বাড়ানোর সাথে সাথে পেনশনের হারও বৃদ্ধি পাবে। ১০ বছর চাকরিতে পেনশনের হার হবে ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ, এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ। এছাড়াও, ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ এবং ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ পেনশন পাওয়া যাবে। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রোববার এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধার নতুন হিসাব প্রজ্ঞাপনে নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ থেকে ২০ হাজার টাকায় ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার টাকায় ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৪০ হাজার টাকায় ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধির বিধান রয়েছে। তবে সর্বোচ্চ নিট পেনশন ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, যাদের পেনশন তুলনামূলক কম, তাদের জন্য বৃদ্ধির হার বেশি। অন্যদিকে, যারা বেশি পেনশন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে শতাংশের হার কম হলেও নির্ধারিত সীমার মধ্যে তাদের নিট পেনশন বৃদ্ধি পাবে।
অর্থ বিভাগের ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এ অবসরভোগীদের জন্য এসব বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদেশটি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোয় ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পাওয়া নিট পেনশনকে ভিত্তি ধরে বৃদ্ধির হিসাব করা হবে। এ হিসাবে, ৯ হাজার টাকা নিট পেনশন পাওয়া কেউ নতুন কাঠামোয় ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। আবার ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া অবসরভোগীদের জন্য সর্বোচ্চ সীমা ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে, যদি কেউ এই সীমার বেশি নিট পেনশন পেয়ে থাকেন, তাহলে ১ জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত তার বিদ্যমান নিট পেনশন বহাল থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ