ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেও দেশে ফেরা হচ্ছে না আসাদুলের


মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেও দেশে ফেরা হচ্ছে না আসাদুলের

লিবিয়ায় অপহরণের পর পরিবারের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় হওয়ার পরেও বরিশালের আগৈলঝাড়ার প্রবাসী আসাদুল বক্তিয়ার দেশে ফিরতে পারছেন না। পরিবারের দাবি, বিমানের ভাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় দেড় লাখ টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি গত দুই মাস ধরে অসুস্থ অবস্থায় এক বাংলাদেশি প্রবাসীর আশ্রয়ে রয়েছেন। এদিকে তার পরিবার ঋণের বোঝা নিয়ে চরম সংকটে পড়েছে।

আসাদুল বক্তিয়ার জন্মস্থান আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাঁদত্রিশিরা গ্রামে। পরিবারের কথায় জানা যায়, ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে বৈধভাবে ভিজিট ভিসায় লিবিয়ায় গিয়ে একটি টেইলার্স দোকানে কাজ শুরু করেন তিনি। চলতি বছরের রমজান মাসে তাকে একটি মাফিয়া চক্র অপহরণ করে। পরে তার পরিবারের কাছে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

আসাদুলের স্ত্রী নিপা বেগম জানান, পরিবারের অসহায়ত্বের চিত্র মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখানোর পর এবং অনেক অনুরোধের পর তারা ৬ লাখ টাকায় রাজি হন। তারা সুদে ৫ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন এবং বাবার বাড়ি থেকে ১ লাখ টাকা এনে তিন দফায় মুক্তিপণের টাকা প্রদান করেন। টাকা পাওয়ার পর, মাফিয়ারা গত ২০ মে রাতে আসাদুলকে চোখ বেঁধে রাস্তায় ফেলে দেয়। লিবিয়ায় সুমন নামের একজন প্রবাসী আসাদুলকে দেখে চিনে তার বাসায় নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং আশ্রয় দেন। সেখানে আশ্রয় লাভ করলেও অর্থের অভাবে গত দুই মাস ধরে তার চিকিৎসা হয়নি। দেশে ফিরতে প্রয়োজন দেড় লাখ টাকা, যেটি না জোগাড় করতে পারায় তিনি এখনো লিবিয়ায় আটকে আছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

নিপা বেগম অভিযোগ করেন, স্বামীকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এখন দেশে ফিরিয়ে আনার টাকাও তাদের নেই। দুই সন্তান এবং বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে তাদের দিন কাটানো দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেও এখনও পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাননি। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি, যেন তার স্বামীকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জে বায়ুদূষণ বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের চলমান অভিযানে ফতুল্লার পিলকুনি এলাকার মেসার্স নাস ফিনিশিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়, এবং ওই সময় আদায় করা হয় জরিমানার এই টাকা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বায়ু দূষণের প্রমাণ তাঁরা আবিষ্কার করেন। এরপর কর্তৃপক্ষ তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

পরিবেশ দূষণকারী কারখানা অথবা প্রকল্পের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযানের সময় সদর থানার পুলিশ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টীম সহযোগিতা প্রদান করে। এছাড়া অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক টিটু বড়ুয়া প্রসিউকিশনও প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না, ২ চোর ধরা পড়ল ৯ ঘণ্টা পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না, ২ চোর ধরা পড়ল ৯ ঘণ্টা পর

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের ছোট চৌগ্রাম এলাকায় গরু চুরির অভিযোগে দুইজনকে স্থানীয়রা আটক করেন। তারা গরু চুরি করার সময় পালানোর চেষ্টা করেন এবং একটি খালের কচুরিপানার নিচে আত্মগোপনের চেষ্টা করেন। প্রায় ৯ ঘণ্টা পর তাদের আটক করে স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন।

ঘটনাটি বুধবার ভোরে ছোট চৌগ্রাম বাজার এলাকায় ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ট্রাক থেকে গরু চুরির চেষ্টা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত চারজন পালানোর চেষ্টা করেন। এর মধ্যে দুজন পাশের একটি খালের ঘন কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর কচুরিপানার ভেতর থেকে ওই দুজনকে বের করে আটক করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আটকের সময় কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরে তাদের নিরাপদে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এই ঘটনার সময় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আটক দুজনকে প্রশাসনের হেফাজতে নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তাদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

স্থানীয় যুবক রাকিব বলেন, কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে তারা পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসীর নজর এড়াতে পারেননি।

তবে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর অপহরণ ও হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


টাঙ্গাইলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর অপহরণ ও হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলে 'সামিয়া আক্তার' নামে এক তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের পরে হত্যার জন্য আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় আদালত ঘোষণা করেছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ন. ম. ইলিয়াস এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাব্বির মিয়া (২১) টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দীপু জানান, সখিপুরের দাড়িয়াপুর গ্রামের রনজু মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার (৯) দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। সামিয়া বিগত ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে আসামি সাব্বির তাকে অপহরণ করে এবং পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেইসময় সামিয়া নিজের অজান্তে মুক্তি পেতে চেষ্টা করলেও, আসামি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের একটি ধানক্ষেতের ড্রেনে কাঁদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখে। এরপর আসামি সাব্বির নিজের পরিচয় গোপন করে একটি ইমুআইডি থেকে ভয়েস এসএমএস-এর মাধ্যমে সামিয়ার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরের দিন ৭ সেপ্টেম্বর সামিয়ার বাবা রনজু মিয়া সখিপুর থানায় মামলা করেন। মামলার একদিন পর ৮ সেপ্টম্বর পুলিশ সেই ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার লাশ উদ্ধার করে। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টম্বর সাব্বিরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে সাব্বির আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে। ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেয় পুলিশ। বিচার শেষে আদালত স্কুলছাত্রী সামিয়াকে হত্যার দায়ে আসামি সাব্বিরকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। בנוסף, অপহরণের দায়ে আসামিকে ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটক রাখার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে, হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা সহ মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে ফেলায় আসামিকে পাঁচবছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন বিচারক। আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (স্টেট ডিফেন্স)। রায়ের সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন এবং বিচারক আসামির সামনে রায় পড়ে শোনান। পরে আসামিকে টাঙ্গাইল কারাগারে নেয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


কুমিল্লায় শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ৯ বছর বয়সী এক ছেলে শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যার মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) কুমিল্লার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুল হান্নান।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন বুড়িচং উপজেলার পূর্ণমতি গ্রামের হারুনুর রশীদের ছেলে বিল্লাল হোসেন।

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন জানান, ২০২৪ সালের বুড়িচং থানার মামলা নং-৫ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-২৭১/২৬-এর বিচার শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(২) ধারায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

তিনি জানান, মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহ সাদেকুর রহমান জানান, আদালতের জারি করা মৃত্যুদণ্ডের পরোয়ানার ভিত্তিতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী বিল্লাল হোসেনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

পিপি বদিউল আলম সুজন আরো জানান, ঘটনাটি প্রথমে নিখোঁজের ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছিল, তবে তদন্তে এটি একটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

তদন্তে প্রমাণ মেলে যে শিশুটিকে বলাৎকারের পর হত্যা করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বুড়িচং উপজেলার পূর্ণমতি গ্রামের চা দোকানি আক্কাস মিয়ার ৯ বছর বয়সী ছেলে ইয়াসিন নিখোঁজ হয়।

পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে ১ অক্টোবর বুড়িচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

চার দিন পর পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বুড়িচং উপজেলার মোকাম এলাকার একটি মাছের ঘের থেকে ইয়াসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরদিন ৬ অক্টোবর বিল্লাল হোসেন ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল হলে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%