ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের মৃত্যু


ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের মৃত্যু

রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া বেগম (৪৪) ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

তিনি রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মৃত্যুবরণ করেছেন।

আলেয়া বেগম ছিলেন মিজানপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাগমারা গ্রামের খোরশেদ আলীর কন্যা। ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত তিনি রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার (২২ জুলাই) রাজবাড়ী জেলার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা তার ডেঙ্গুসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্যাথলজি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোরে তার মৃত্যু ঘটে। পরে পরীক্ষার রিপোর্টে তার ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পড়ে।

রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আলেয়া বেগমের ডেঙ্গু শনাক্ত হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলের জালে মিলল সৌন্দর্যময় সোলজারফিশ, এলাকায় চাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


জেলের জালে মিলল সৌন্দর্যময় সোলজারফিশ, এলাকায় চাঞ্চল্য

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে একটি সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যার নাম সোলজারফিশ (Soldierfish)। মাছটি আলাদা আকর্ষণীয় লালচে বর্ণ ও ভিন্নধর্মী গঠনের কারণে আলীপুর মৎস্য বন্দরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝি ইদ্রিস জানিয়েছেন, এটি তিন-চার দিন আগে গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মাছটি বন্দরে নিয়ে আসার পর দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় জমেছে। মাঝি ইদ্রিস জানান, মাছটি জালে উঠে আসায় তীরে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, "দেখতে খুব সুন্দর হওয়ায় আমরা এটি ফেলে না দিয়ে তীরে নিয়ে আসি। আমার জালে এ ধরনের মাছ এই প্রথম ধরা পড়েছে।"

মেসার্স সিফাত ফিসের ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম শামিম জানান, মাছটির সৌন্দর্য এতটাই প্রচুর যে, তাই বরফে সংরক্ষণ করে রেখেছেন। তিনি বলেন, "আগে কখনো এমন মাছ দেখিনি।"

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত 'সুস্থ সাগর' প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, সোলজারফিশের বৈজ্ঞানিক নাম Myripristis murdjan। এটি Holocentridae পরিবারের একটি সামুদ্রিক মাছ, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এবং বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, সাধারণত ৫ থেকে ২০০ মিটার গভীরতায় প্রবালপ্রাচীর, পাথুরে তলদেশ ও গুহাময় এলাকায় এ মাছ বসবাস করে। দিনে আশ্রয়ে থাকলেও রাতের বেলায় খাদ্যের সন্ধানে বের হয়। ছোট মাছ, চিংড়ি, জুপ্ল্যাঙ্কটন ও অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী এ মাছের প্রধান খাদ্য। সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ প্রজাতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বাংলাদেশের উপকূলে এটি খুব ঘন ঘন ধরা না পড়লেও বৈশ্বিকভাবে এ মাছ বিরল নয়। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানিয়েছেন, সোলজারফিশ মূলত গভীর সমুদ্রের প্রবালপ্রাচীর ও পাথুরে পরিবেশে বসবাসকারী একটি সামুদ্রিক প্রজাতি। তিনি বলেন, "আমাদের উপকূলীয় জেলেদের জালে এটি খুব কম ধরা পড়ে। তাই স্থানীয়ভাবে এটি মানুষের কাছে অপরিচিত। এ ধরনের মাছ ধরা পড়া বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। জেলেদের এমন ভিন্নধর্মী বা অচেনা প্রজাতির মাছ ধরা পড়লে দ্রুত মৎস্য বিভাগকে জানানো উচিত, যাতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও গবেষণার কাজে ব্যবহার করা যায়।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিএসএফের দুই ব্যাটেলিয়নে সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ২ সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০১ পি.এম


বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিএসএফের দুই ব্যাটেলিয়নে সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ২ সদস্য

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) দুই ব্যাটেলিয়নের সদস্যদের মধ্যে গণ্ডগোলের কারণে গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন বাহিনীর দুই সদস্য। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন একই ব্যাটেলিয়নের আরও একজন সদস্য।

ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের মালদাহ জেলার বৈষ্ণবনগর বিএসএফ ক্যাম্পে ঘটে। এদিন ক্যাম্পের ১১৯ নম্বর ও ৭১ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কিছু সদস্যের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়, এর পরেই গুলি চলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বিএসএফের ১১৯ নম্বর ব্যাটালিয়ন এবং ৭১ নম্বর ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর রাজশাহী সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের মালদাহ জেলার বৈষ্ণবনগরে অবস্থিত। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সেখানেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন দুই ব্যাটেলিয়নের কয়েকজন বিএসএফ সদস্য। এরপর ১১৯ নম্বর ব্যাটেলিয়নের সদস্য শিবম মিশ্র সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। তিনি ছত্তিশগড় রাজ্যের বাসিন্দা। তার গুলিতেই মৃত্যু হয় ৭১ নম্বর ব্যাটেলিয়নের দুই বিএসএফ সদস্যের। গুরুতর আহত হন একই ব্যাটেলিয়নের আরও একজন সদস্য।

নিহত দুজনের নাম অজয় কুমার সিং (বয়স ৫১) ও আম্বদর সুরেশ দরগু (৩৭) বলে জানা গেছে। গুরুতর আহত অন্যজনের নাম বিকাশ ব্রম্ম (৪৪)। বর্তমানে তিনি মালদাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। নিহত দুই বিএসএফ সদস্যের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য একই হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে বিএসএফ এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে, বিএসএফ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে জওয়ানরা বিশ্রাম নেয়ার সময় আচমকা সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে অভিযুক্ত শিবম। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ছিল এবং সেই ঘটনায় বিএসএফের নিজস্ব আইনে তার শাস্তিও হয়েছিল। দিন কয়েক আগে সেই শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়। সম্প্রতি তাকে বাড়ি ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। তবুও আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃতি ঘটেছে।

অবশ্য, ঠিক কী কারণে ওই বিএসএফ সদস্য গুলি চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার নেপথ্যে ব্যক্তিগত বিবাদ, মানসিক অবসাদ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ, বিএসএফের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক এবং প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

বিএসএফের মালদাহ সেক্টরের ডিআইজি সুরেন্দ্র কুমার ঝা জানিয়েছেন, তাদের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশও।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির আশ্বাসে থামছে না আন্দোলনকারীরা, দিয়েছে যে ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


মোদির আশ্বাসে থামছে না আন্দোলনকারীরা, দিয়েছে যে ঘোষণা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাস ও অনুরোধের পর ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ একাধিক দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), যা পরীক্ষা কেন্দ্রিক অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় সংগঠনটি। তারা স্পষ্ট করে জানায় যে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।

‘এভরি ডিস্ট্রিক্ট, ওয়ান ডে, ওয়ান ডিমান্ড’ স্লোগান তুলে শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজকে নিজ নিজ এলাকায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে সিজেপি। দেশজুড়ে প্রভাবশালী প্রশ্নফাঁস, আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ এবং সরকারের ভূমিকার প্রতিবাদে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মূল লক্ষ্যই তাদের।

এদিকে, আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে সিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৈঠকের স্থান নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। সিজেপি প্রথমে কোনো সরকারি দপ্তরে বৈঠকে বসতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নিরপেক্ষ ভেন্যুর দাবি তোলে।

বৈঠকে তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ এবং জাতীয় পরীক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কারের দাবি তুলে ধরবে বলে জানানো হয়েছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে গুরুগ্রামের একটি হাসপাতালে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের উপস্থিতিতে অনশন ভাঙেন সোনম ওয়াংচুক। অনশন ভাঙার পর ওয়াংচুক জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—এমন আশ্বাস তিনি সরকারের কাছ থেকে পেয়েছেন।

ওয়াংচুকের অনশন শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানান। এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এ কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং দোষীদের ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি দিতে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে এবং তার জায়গায় নরেশ গঙ্গোয়ারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সাথে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব করা হয়েছে অনিল কুমারকে।

তবে এসব প্রশাসনিক রদবদল ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আন্দোলনকারীরা সন্তুষ্ট নন। সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ওয়াংচুকের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কিংবা আমলাদের বদলির ওপর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে না; শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কত মাস পর পর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


কত মাস পর পর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত?

টুথব্রাশ আমাদের মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। প্রতিদিন আমরা দাঁত ও মাড়ি পরিষ্কার করার সময় এটি ব্যবহার করি।

তবে নিয়মিত ব্যবহার করার কারণে টুথব্রাশের ব্রিসলের ওপর জীবাণু, প্লাক ও খাদ্যকণা জমা হতে থাকে এবং ধীরে ধীরে ব্রিসল ক্ষয় হতে থাকে। এই কারণেই ডেন্টাল বিশেষজ্ঞরা সাধারণভাবে প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন।

শুধুমাত্র ব্রাশের ক্ষয় নয়, আরো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে টুথব্রাশ পরিবর্তন করা প্রয়োজন। আসুন, জেনে নিই-

ব্রাশের কার্যকারিতা কমে যাওয়া

নিয়মিত ব্যবহার ও ব্যবহারের ফলে টুথব্রাশের ব্রিসল ধীরে ধীরে বেঁকে যায় এবং নষ্ট হয়ে যায়। এটি দাঁতের ওপর জমে থাকা প্লাক, খাদ্যের অবশিষ্টাংশ ও জীবাণু সঠিকভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার করার জন্য শক্ত ও সঠিক আকৃতির ব্রিসল প্রয়োজন। সুতরাং, যদি ব্রাশের কার্যকারিতা কমে যায়, তাহলে তা পরিবর্তন করা জরুরি। কারো ক্ষেত্রে যদি ব্রাশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ১-২ মাস অন্তর ব্রাশ বদলানোও একটি ভালো পন্থা।

জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া জমে যাওয়া

প্রতিদিন ব্যবহৃত টুথব্রাশের ওপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙাস জমে যেতে পারে। বিশেষ করে যদি ব্রাশ ভেজা অবস্থায় রাখা হয় বা যথাসময়ে শুকাতে না দেওয়া হয়। এই জীবাণু পুনরায় মুখের ভিতরে প্রবেশ করে দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিয়মিত সময় পর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

মাড়ি ও দাঁতের ক্ষতির ঝুঁকি

পুরনো এবং নষ্ট ব্রিসলযুক্ত টুথব্রাশ মাড়িতে আঘাত করতে পারে। এর ফলে মাড়ি থেকে রক্তপাত, প্রদাহ বা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। 새로운 এবং নরম ব্রিসলযুক্ত টুথব্রাশ মাড়ির জন্য নিরাপদ এবং দাঁত পরিষ্কার করতেও অধিক কার্যকর।

রোগ থেকে সেরে ওঠার পর

জ্বর, সর্দি-কাশি বা ফ্লুর মতো কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠলে পুরনো টুথব্রাশের পরিবর্তন করা উচিত। কারণ ব্যবহৃত ব্রাশে রোগের জীবাণু থেকে যেতে পারে, যা আবার সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অনেক দন্তচিকিৎসক অসুস্থতার পর দ্রুত টুথব্রাশ বদলানোর পরামর্শ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%