ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অ্যামাজন গ্রাহকদের ২০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ ফেরতের ঘোষণা


অ্যামাজন গ্রাহকদের ২০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ ফেরতের ঘোষণা

অ্যামাজনের প্রাইম সেবার কিছু গ্রাহক এবার সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ ফেরতের সুবিধা পাবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাণিজ্য কমিশনের সঙ্গে করা ২৫০ কোটি ডলারের সংশোধিত সমঝোতার আওতায় গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে প্রাইম সেবায় যুক্ত করার অভিযোগে এই অর্থ ফেরত দিচ্ছে অ্যামাজন।

ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন জানায়, পূর্বের তুলনায় এবার আরও অধিক সংখ্যক গ্রাহক অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ফেরতের পরিমাণ ৫১ ডলার থেকে বৃদ্ধি করে ২০০ ডলার করা হয়েছে।

বর্তমান বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত অ্যামাজন গ্রাহকদের ৮৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ ফেরত দিয়েছে। সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী, গ্রাহকদের মোট ১৫০ কোটি ডলার ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি অ্যামাজনকে ১০০ কোটি ডলার জরিমানা দিতে হবে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৩ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২৩ জুনের মধ্যে প্রাইম সেবায় যুক্ত হওয়া গ্রাহকরা অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জারি করা আদেশ অনুযায়ী, যারা এক বছরে ১০টির কম প্রাইম সুবিধা ব্যবহার করেছিলেন, কেবল তাদের অর্থ ফেরতের আওতায় রাখা হয়েছিল।

সংশোধিত নিয়মে এক বছরে সর্বোচ্চ ২০টি প্রাইম সুবিধা ব্যবহার করা গ্রাহকরাও অর্থ ফেরত পাবেন। ফলে কয়েক লাখ নয়, বরং লাখো গ্রাহক নতুনভাবে অর্থ ফেরতের জন্য যোগ্য হয়েছেন বলে জানায় ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন।

অতিরিক্ত যোগ্য গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া বৃহস্পতিবার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করেছে অ্যামাজন। একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত ফেরত পেতে পারেন।

এছাড়া ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্ধারিত অর্থ ফেরতের লক্ষ্য পূরণ না হলে, যারা ইতোমধ্যে এই সমঝোতার আওতায় অর্থ পেয়েছেন, তাদের আরও ১৪৯ ডলার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সব যোগ্য গ্রাহককে ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে। এর মধ্যে ভেনমো বা পেপালের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হতে পারে। এছাড়া ডাকযোগে চেকও পাঠানো হবে।

ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন জানিয়েছে, অর্থ ফেরত পেতে গ্রাহকদের কোনো আবেদন করতে হবে না। কোনো নোটিশের জবাব দেওয়ার বা কাগজপত্র পূরণের প্রয়োজন নেই।

অ্যামাজনই পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না। কমিশনের নাম ব্যবহার করে কেউ অ্যামাজনের অর্থ ফেরতের বিষয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেটি প্রতারণার চেষ্টা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বসনিয়া জাতীয় দলের বিদায়ে আবেগঘন পরিবেশে জেকোর শেষ ম্যাচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


বসনিয়া জাতীয় দলের বিদায়ে আবেগঘন পরিবেশে জেকোর শেষ ম্যাচ

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জার্সিতে ১৫১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার পর, কিংবদন্তি স্ট্রাইকার এডিন জেকো জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়েছেন। সুইডেনের বিরুদ্ধে জেনিকার বিলিনো পোলজে স্টেডিয়ামে তিনি তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলেন। ‘সোয়ান অব সারাজেভো’ খ্যাত এই ফরোয়ার্ডের বিদায়ের সময় পুরো স্টেডিয়ামে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। গ্যালারিতে সমর্থকদের চোখে অশ্রু দেখা যায়, এবং মাঠে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা দাঁড়িয়ে সম্মান জানান এই কিংবদন্তিকে।

জেকোর বিদায়ী ম্যাচে বসনিয়ার সমর্থকগোষ্ঠী ‘বিএইচ ফ্যানাটিকোস’ বিশেষ কোরিওগ্রাফির মাধ্যমে দেশের অন্যতম সেরা ১১ নম্বর জার্সিধারীকে সম্মান জানান। ম্যাচের প্রথমার্ধে ভিএআরের সিদ্ধান্তে তার একটি দুর্দান্ত গোল বাতিল হওয়ায় বিদায়ের রাতটি স্মরণীয় হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়। পরে, ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শক ও প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন পান জেকো। ম্যাচটি ১-১ গোলের ড্রয়ে শেষ হয়।

জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দেন জেকো। তিনি উল্লেখ করেন, বসনিয়ার জার্সির প্রতি তার ভালোবাসা কখনো কমেনি এবং তিনি মনে করেন, সরে দাঁড়ানোর জন্য এ সময়টিই উপযুক্ত। ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে খেলার প্রসঙ্গ টেনে জেকো জানান, তিনি দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ঐতিহাসিক অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জেকো। সারাজেভোর যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে উঠে আসা এই ফুটবলার সময়ের সঙ্গে দেশের ফুটবলের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন। গোল করার দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং দীর্ঘদিনের পারফরম্যান্সের জন্য তিনি বসনিয়ার মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেন।

বিদায়ী ম্যাচ শেষে বসনিয়া ফুটবল ফেডারেশনের উদ্যোগে জেকোর সম্মানে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। মানবতাবাদী সংস্থা ‘Pomozi.ba’-এর সহযোগিতায় একটি দাতব্য উদ্যোগও নেওয়া হয়। মাঠে শেষবারের মতো সমর্থকদের অভিবাদন জানাতে ‘ল্যাপ অব অনার’ দেওয়ার সময় গ্যালারি থেকে মাঠে হাজার হাজার নরম খেলনা বা সফট টয় ছুড়ে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, খেলনাগুলো পরে দেশের এতিমখানাগুলোতে বিতরণ করা হবে।

জেকোর এই বিদায় কেবল একজন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি নয়; এটি বসনিয়ার ফুটবল ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়েরও অবসান। দেশের জার্সিতে দীর্ঘ পথচলা শেষে আবেগ, ভালোবাসা ও সম্মানের মধ্য দিয়েই জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন দেশটির ফুটবলপ্রেমীদের প্রিয় এই তারকা।

সূত্র: গোলডটকম

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী যাত্রীদের বিনামূল্যে ভ্রমণের পাস বিতরণ, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আনন্দিত যাত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


নারী যাত্রীদের বিনামূল্যে ভ্রমণের পাস বিতরণ, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আনন্দিত যাত্রীরা

ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় কন্ডাক্টরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে মিশে বাসে উঠে নারী যাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে ভ্রমণের টিকিট বিতরণ করেছেন।

এটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে ঘটে।

রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক ‘ভেট্রি পয়ণম’ প্রকল্পের আওতা ও পরিধি সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক সূচনা উপলক্ষে তিনি এই উদ্যোগ নেন। মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়, যিনি থালাপতি বিজয় নামেই অধিক পরিচিত, বাসে উঠে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।

এই সময় নারী যাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে ভ্রমণের পাস তুলে দেন তিনি। বাসে উপস্থিত কয়েকজন কলেজ শিক্ষার্থী মুখ্যমন্ত্রীকে চকোলেট উপহার দিলে, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা যায় তাকে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ব্যতিক্রমী উপস্থিতিতে বাসের ভেতর একটি আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

তামিলনাড়ু সরকারের ‘ভেট্রি পয়ণম’ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো নারী ও রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের যাতায়াত সহজ করা এবং তাদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পটির সম্প্রসারণের ফলে এখন থেকে রাজ্যের সাতটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অধীনে থাকা ১২ হাজার ৬৯৫টি বাসে সুবিধাভোগীরা বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

আগে নির্দিষ্ট কিছু সাধারণ সিটি বাসে এই সুবিধা পাওয়া গেলেও, নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এক্সপ্রেস, ডিলাক্স, মফস্বলের সাধারণ বাস এবং পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট রুটের বাসেও বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা যুক্ত হয়েছে। রাজ্য সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির সম্প্রসারণের ফলে প্রতিদিন প্রায় ৮৪ লাখ ৩২ হাজার নারী ও রূপান্তরকামী ব্যক্তি উপকৃত হবেন।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মিশে যাওয়ার ঘটনা বিজয়ের জন্য নতুন নয়। এর আগে তিনি সচিবালয় থেকে পেরাম্বুর পর্যন্ত সাধারণ সরকারি বাসে যাতায়াত করেছেন। এছাড়া, মেত্তুর সফরে রাস্তার পাশে একটি খামারবাড়িতে গাড়ি থামিয়ে বয়স্কদের সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।

জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এই উদ্যোগের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় আসলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওহাইওতে ৩৪ বছর পর ধর্ষক শনাক্ত, মামলা করতে পারেনি পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


ওহাইওতে ৩৪ বছর পর ধর্ষক শনাক্ত, মামলা করতে পারেনি পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে ৩৪ বছর পর ধর্ষকের পরিচয় শনাক্ত হলেও, তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করতে পারেনি পুলিশ। কারণ, ঘটনার সময় নির্ধারিত আইনগত সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছিল।

ভুক্তভোগী ডানা বিট্টি ১৯৮৯ সালের ১ আগস্ট ভয়াবহ ধর্ষণের শিকার হন। মুখোশ পরা এক ব্যক্তি তার গলায় ছুরি ধরে মুখ টেপ দিয়ে আটকে দেন। এরপর তাকে বিছানার সঙ্গে বেঁধে কয়েক ঘণ্টা ধরে যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর বিট্টি পুলিশকে বিষয়টি জানান। তদন্তকারীরা বছরের পর বছর ধরে অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা করে আসছিলেন। একপর্যায়ে স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। তবে তার পক্ষে শক্ত আলিবি থাকায় তাকে বাদ দেওয়া হয়।

৩৪ বছর পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে অপরাধীর পরিচয় শনাক্ত হয়। তদন্তকারীরা জিনগত বংশপরিচয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানতে পারেন, ডিএনএটি চিকিৎসক ফ্রেডেরিক ট্যানজারের। ১৯৮৯ সালে তিনি বিট্টির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর স্বামী ছিলেন, অর্থাৎ বিট্টি তাকে চিনতেন।

তদন্তকারীরা ট্যানজারকে গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে জজের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ধর্ষণের মামলা করার আইনি সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে।

ঘটনার সময়, অর্থাৎ ১৯৮৯ সালে ওহাইওতে ধর্ষণের মামলার সময়সীমা ছিল মাত্র ছয় বছর। ১৯৯৯ সালে তা ২০ বছর করা হয়। পরে ২০১৫ সালে তা ২৫ বছর করা হয় এবং ডিএনএ প্রমাণ পাওয়া গেলে আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়।

তদন্তকারীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, বিট্টির পোশাক থেকে পাওয়া জৈবিক নমুনার কারণে ডিএনএ-ভিত্তিক অতিরিক্ত পাঁচ বছরের সুযোগ কাজে লাগানো যাবে। কিন্তু আইন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মূল ছয় বছরের সময়সীমা আগেই শেষ হয়ে যাওয়ায় ওই অতিরিক্ত সময় কার্যকর হবে না।

সিনসিনাটি পুলিশের গোয়েন্দা জেফ স্মলউডের ভাষ্য, জজের কার্যালয় তাদের জানায়, আইন ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল এবং এই মামলায় ধর্ষণের অভিযোগে ট্যানজারকে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব নয়।

তবে তদন্তকারীরা এখানেই থেমে যাননি। তারা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের সহায়তা চান। ট্যানজার ফেলে দেওয়া একটি কফির কাপ সংগ্রহ করে সেটি পরীক্ষা করা হয়। এতে পাওয়া ডিএনএ বিট্টির পোশাকে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে মিলে যায়।

তদন্তকারীরা ট্যানজারের বিরুদ্ধে অন্য কোনো অপরাধে মামলা করা যায় কি না, সেটিও খতিয়ে দেখেন। তার সাবেক স্ত্রীর ওপর মাদক প্রয়োগ এবং সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্কের অভিযোগও সামনে আসে। কিন্তু ওই ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রেও সে সময়ের ওহাইও আইনের একটি বিধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় ছিল।

ওহাইও ২০২৪ সালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ধর্ষণের অভিযোগে ওই আইনি ছাড় বাতিল করে।

শেষ পর্যন্ত ট্যানজারকে ধর্ষণের অভিযোগে নয়, কেন্দ্রীয় কর্মকর্তার কাছে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তকারীরা তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে নয়, সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেন।

তাকে বলা হয়, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিট্টিকে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত চলছে। ট্যানজারকে জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন কি না।

জিজ্ঞাসাবাদে ট্যানজার দাবি করেন, ১৯৮৯ সালের ১ আগস্ট তিনি বিট্টির সঙ্গে কথা বলেননি, তার বাসায় যাননি এবং তার সঙ্গে যৌন সম্পর্কও করেননি। পরে তদন্তকারীরা তার বক্তব্যকে মিথ্যা বলে প্রমাণ করেন।

২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ট্যানজারকে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তার কাছে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি দোষ স্বীকার করেন। চলতি বছর তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরবর্তী এক সাক্ষাৎকারে ট্যানজার বিট্টিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। তবে কেন তিনি এমন করেছিলেন, তা নিয়ে তিনি বলেন, তিনি এখনো এর কারণ বোঝার চেষ্টা করছেন।

ডানা বিট্টির ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণসহ গুরুতর যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে আইনি সময়সীমা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। দেশটির ৩০টির বেশি অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে গুরুতর যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ক্ষেত্রে এখনো কোনো না কোনো সময়সীমা রয়েছে।

অঙ্গরাজ্যভেদে এই সময়সীমায় বড় পার্থক্য রয়েছে। কোথাও ১০ বছর বা তার কম সময়ের মধ্যে মামলা করতে হয়, আবার কোথাও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো সময়সীমা নেই।

আইন বিশেষজ্ঞ ও অধিকারকর্মীদের অনেকে গুরুতর যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা তুলে দেওয়ার পক্ষে। তাদের মতে, ডিএনএ প্রমাণের মতো আধুনিক প্রযুক্তি বহু বছর পরও অপরাধী শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে।

তবে কেউ কেউ মনে করেন, আইনি সময়সীমা পুরোপুরি তুলে দিলে তদন্ত ও মামলা দ্রুত করার জন্য কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ কমে যেতে পারে। দক্ষিণ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাথান রাউস বলেন, যৌন নিপীড়নের মামলায় তদন্ত ও বিচার ঐতিহাসিকভাবে ধীরগতির বা দীর্ঘসূত্রতার শিকার হয়েছে। তবে সময়সীমা পুরোপুরি বাতিল করাও দ্রুত মামলা নিশ্চিত করার উপায় নয়।

ধর্ষণের শিকার ডানা বিট্টির কাছে এই আইনি সময়সীমা শুধু একটি হিসাবের বিষয় নয়। তার মতে, অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হলে সেটি তার জন্য স্বস্তির কারণ হতো।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীর প্রবীণ আইনজীবী গোলাম মাইন উদ্-দীন শুক্রবার রাতে মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


ফেনীর প্রবীণ আইনজীবী গোলাম মাইন উদ্-দীন শুক্রবার রাতে মারা গেছেন

ফেনীর প্রবীণ আয়কর আইনজীবী কাজী গোলাম মাইন উদ্-দীন (৯৪) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুর সময় তিনি তিন ছেলে, দুই মেয়ে, দুই ভাই, তিন বোন, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা শনিবার (৩ অক্টোবর) বাদ ফজর ঢাকার আফতাব নগরের এইচ ব্লকের বায়তুস সালাহ্ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জানাজা বাদ জোহর ফেনীর মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

কাজী গোলাম মাইন উদ্-দীন ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর ফেনী সদর থানার মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন তৎকালীন ভারতবর্ষের সুপরিচিত কাজী কেমিক্যাল ওয়ার্কসের সত্বাধিকারী কাজী আলী নোয়াজ এবং মাতা জায়েদা খাতুন। তিনি ৭ ভাই ও ৭ বোনের মধ্যে সবার বড়।

১৯৫০ সালে ফেনী হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং পরে ফেনী কলেজ থেকে যথাক্রমে আই.কম এবং বি.কম পাশ করে পৈত্রিক ব্যবসা পরিচালনা করেন। ১৯৬১ সালে তিনি ব্যবসার পাশাপাশি আয়কর উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি একাধিকবার ফেনী জেলা কর আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি লায়ন্স ক্লাব ফেনীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ফেনী ‘ল’ কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং মাথিয়ারা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন।

১৯৫৯ সালে কুমিল্লার পয়ালগাছা চৌধুরী বাড়ির বিপ্লবী কবি ও প্রখ্যাত সাংবাদিক অধুনালুপ্ত দৈনিক ইনসাফ-এর সম্পাদক মহীউদ্দিন আহমদ-এর বড় মেয়ে সাকিনা আহমেদ চৌধুরাণীর সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে তার পাঁচ সন্তান রয়েছে, কাজী নওফেল, কণা, লুবনা, তানভীর আলাদিন (সিনিয়র সাংবাদিক, বাসস) ও অ্যাডভোকেট কাজী ফয়সাল। এক দশক আগে তার স্ত্রী মারা গেছেন।

কাজী গোলাম মাইন উদ্-দীনের প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ডাক্তারের ঘোড়ার ডাক, তাসের ঘরে মাধবীলতা, খাজু উকিলের ডায়েরি ও ইউরেকা আমার আমেরিকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%