০১:০৩ পি.এম
রাজধানীর উত্তারের মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছরের স্মরণ আজ। গত বছরের আজকের দিনটি ছিল একটি ভয়াবহ ঘটনা, যখন রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারান ৩৬ জন, যার মধ্যে ২৮ জন শিক্ষার্থী। বছরের পর বছর কেটে গেলেও দিনটির সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনও শিক্ষক, শিক্ষার্থী, এবং স্বজন হারানো পরিবারগুলোকে তাড়া করে ফিরছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে সেই ঘটনার স্মরণসভার আয়োজন করে চিকিৎসকরা।
এসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। তার সামনে সেদিনের ভয়াবহ ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন আহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং নিহতদের স্বজনরা।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ঘটনাটিতে যাদের গাফিলতি ছিল তাদেরকে শাস্তি নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, মাইলস্টোনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্কুলটির শিক্ষক এবং কর্মকর্তারা সকালবেলা স্কুল ক্যাম্পাসে দুর্ঘটনাস্থলের সামনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এই সময়ে নিহতদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি, নিহতদের ছবি, বন্ধুদের লেখা স্মৃতিকথা এবং বিভিন্ন বার্তা প্রদর্শন করা হয়। শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্মৃতিচারণায় উঠে আসে বন্ধু ও স্বজন হারানোর বেদনার অনেক কথা। এদিন উত্তরাসহ মাইলস্টোনের মোট ১৬টি শাখায় এক দিনের ছুটি পালন করা হচ্ছে।
জানা যায়, বিমান দুর্ঘটনার বিভীষিকাময় দিনটি মাঝে মাঝে তাদের সামনে ভেসে ওঠে দুঃস্বপ্নের মতো এবং মনের অজান্তেই ভিজে যায় চোখ। এখনও মাঝে মাঝে আকাশে বিমানের শব্দে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা আঁতকে ওঠেন।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৬ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ২৮ জন শিক্ষার্থী এবং যুদ্ধবিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন। আহত ব্যক্তিদের অনেকেই এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন