০৮:৪২ পি.এম
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করলেও বিমানে ওঠেননি ৬১ যাত্রী। বর্তমানে তাদের অবস্থান কোথায় তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।
এই ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৪ জুলাই) রাতে মালয়েশিয়াগামী বিজি–৩৮৬ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে। বিমানবন্দর সূত্র থেকে জানা যায়, ফ্লাইটটিতে মোট ২৮৮ যাত্রীর মালয়েশিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের দ্বারা ১০ জনের অফলোডিং হয়। এছাড়া জাল ভিসার কারণে আরো ৫ জনকে বোর্ডিং গেটে আটকে দেওয়া হয়। ঘটনার পর দেখা যায় আরও ৬১ যাত্রী বোর্ডিং পাস গ্রহণের পরেও বোর্ডিং গেটে পৌঁছাননি।
এ বিষয়ে বিমানের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানিয়েছেন, ওই ৬১ যাত্রী ছাড়া রাত সাড়ে ৮টার দিকে ২১২ জন যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকা ছেড়ে যায়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এদিকে, ইমিগ্রেশন পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সেখানে কোনো চক্রের যোগসাজশে ওই ৭৬ যাত্রী মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। যাদের মধ্যে যারা ধরা পড়েছেন, তারা সবাই কাজের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। তবে সেই ৬১ যাত্রীর অবস্থান বর্তমান সময়ে কোথায় তা সম্পর্কে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।
তবে ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা জানান, পাসপোর্টের সঙ্গে ভিসার তথ্যের অমিল থাকায় কিছু যাত্রীকে ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যরা পালিয়ে যান।
বিমানবন্দর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান তালুকদার এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বিমানের মালয়েশিয়াগামী ফ্লাইটের উধাও হওয়া যাত্রীদের বিষয়ে থানায় অভিযোগ এসে গেলে তদন্ত করে দেখা হবে।
বিমানবন্দরে সাধারণত যাত্রীর প্রথমে ব্যাগেজ চেক–ইন করতে হয়, তারপর বোর্ডিং পাস নিতে হয়। এরপর ইমিগ্রেশন শেষ করার পরে বোর্ডিং গেটে গিয়ে উড়োজাহাজে ওঠার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন