ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তথ্য প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে নতুন ঘর পেয়ে দুঃস্থ ফিরোজা, বিধবা মেয়ের চাকরি


তথ্য প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে নতুন ঘর পেয়ে দুঃস্থ ফিরোজা, বিধবা মেয়ের চাকরি

ঢাকা, ৩১ জুলাই, ২০২৬ : ‘আমি কোনোদিন ভাবিনি জীবনের এই বয়সে নতুন একটি ঘরে থাকতে পারব। এতদিন বৃষ্টি হলেই সারা রাত ঘুমাতে পারতাম না। এখন মনে হচ্ছে আল্লাহ আমার দিকে মুখ তুলে চেয়েছেন,’ চোখে আনন্দের অশ্রু নিয়ে এভাবেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন দুঃস্থ ফিরোজা বেগম।

৬৫ বছর বয়সী ফিরোজা বেগম। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, তবু জীবনের সঙ্গে তার লড়াই থেমে নেই। মরিচা ধরা জরাজীর্ণ টিনের ঝাপড়ি আর সামান্য বৃষ্টিতে চুঁইয়ে পড়া পানির নিচে কেটে গেছে জীবনের দীর্ঘ অধ্যায়। তবে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অবশেষে ঘুচেছে তার সেই মানবেতর দিনগুলোর কষ্ট।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর মহতী উদ্যোগে মাথা গোঁজার নতুন ঘর পেয়েছেন এই অসহায় নারী। শুধু তা-ই নয়, তার বিধবা মেয়ের জন্যও একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার দশালিয়া গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর স্ত্রী ফিরোজা বেগম। প্রায় ৩৫ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় তার অন্তহীন সংগ্রাম। স্বামীর রেখে যাওয়া মাত্র এক শতাংশ জমিতে জরাজীর্ণ একটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করতেন। বয়সের ভারে নিজে আর ভিক্ষা করতে তা পারেননি। মেয়ে শামসুন্নাহার ভিক্ষা করে দুমুঠো খাবারের ব্যবস্থা করতেন। সামান্য বাতাসেও দুলে ওঠা ঘরটিতে চরম আতঙ্ক আর কষ্টের মধ্য দিয়ে কাটত তাদের দিন ও রাত।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী এমদাদুল হক বিষয়টি প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতকে জানান। খবর পেয়ে ইউএনও ছুটে যান ফিরোজার জরাজীর্ণ বাড়িতে। পরে তিনি বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীকে অবহিত করেন।

পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশনা ও সহযোগীতায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ফিরোজা বেগমের জন্য নতুন ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এখন শান্তিতে শেষ জীবন কাটাতে চান ফিরোজা বেগম। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমার জন্য এই ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, আমি নামাজ পড়ে তাদের জন্য দোয়া করব।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত জানান, ফিরোজা বেগমের ঘরের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তার বিধবা মেয়ে শামসুন্নাহারের চার সন্তানের কষ্টের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শামসুন্নাহারের জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে তিনি স্বাবলম্বী হয়ে পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারেন।

স্থানীয় জনগণ এই মানবিক উদ্যোগের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় চায়ের দোকানে মিলল বোমাসদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


আশুলিয়ায় চায়ের দোকানে মিলল বোমাসদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি চায়ের দোকানের সামনে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে প্রেসার কুকার আকৃতির বোমাসদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট পরে সেটিকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে, নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে। বোম ডিসপোজাল ইউনিট জানায়, প্রেসার কুকারের ভেতরে বিপুল পরিমাণ বিয়ারিংয়ের বল ও বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বোমাটি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে, প্রায় ১১টার দিকে আশুলিয়ার খেজুর বাগান এলাকার হৃদয় চাকমার মালিকানাধীন ‘জয়ী জেনারেল স্টোর’ নামের একটি চায়ের দোকানের সামনে স্থানীয়রা একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ দেখতে পান। তারা দীর্ঘ সময় ব্যাগটি একই স্থানে পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহে পড়ে যান।

পরে, ব্যাগটি খুলে ভেতরে প্রেসার কুকার আকৃতির একটি বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হন এবং পুলিশকে খবর দেন। বোম ডিসপোজাল ইউনিট জানান, রাত প্রায় ১টার দিকে খবর পেয়ে তাদের সদস্যরা রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছন এবং বোমাটি উদ্ধার করেন। পরে শুক্রবার ভোরে পাশের একটি খালি মাঠে গর্ত খুঁড়ে, চারপাশে বালুর বস্তা দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া বোমাসদৃশ বস্তুটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বোমাটি সেখানে কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জা আব্বাস নতুন দায়িত্ব পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ পি.এম


মির্জা আব্বাস নতুন দায়িত্ব পেলেন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে নির্দেশক্রমে সভাপতি হিসাবে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এমপিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রিপদ মর্যাদা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস দীর্ঘদিন অসুস্থ হয়ে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, তিনি ইতোমধ্যে গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এর আগে গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজের বাসায় আকস্মিক অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে দেশের শীর্ষ নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারও করা হয়।

পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করিয়ে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শারীরিক অবস্থার উন্নতির পর উন্নত ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসার জন্য ১৩ এপ্রিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তর করা হয়। সর্বশেষ, সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর অভিযোগে পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার, কারাগারে স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০২ পি.এম


স্ত্রীর অভিযোগে পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার, কারাগারে স্বামী

ফরিদপুরে স্ত্রীর দ্বারা করা পর্নোগ্রাফি আইনের মামলার কারণে স্বামী মীর ইলিয়াস ওরফে সোহেল (৩৯) নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনার পর গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির পরিবার ভিন্ন দাবি করেছেন।

তাদের অভিযোগ যে, বিয়ের পর থেকেই ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে তাঁরা হয়রানির শিকার এবং স্ত্রীর পরিবার দাবিকৃত টাকা না দেওয়ার কারণে তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন সরদার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি ফরিদপুর পৌরসভার ২১ নং ওয়ার্ডস্থ কাফুরা এলাকার মীর আলমগীরের ছেলে। তিনি একেকে নামে একটি বেসরকারি এনজিওতে কর্মরত ছিলেন। গত ২৭ জুলাই গভীর রাতে তাঁকে জেলার বোয়ালমারী উপজেলার কালিনগর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করার সময় জানা যায়, পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাদী, বাসিন্দা তৌফিক মীরের মেয়ে তমা আক্তার (৩০), যিনি আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী।

মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে যে, আসামি চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেছিলেন। এ ঘটনায় ওই দিন সদরপুর থানায় যৌতুক মামলা দায়ের করা হয়। বাদী দাবি করেন যে আসামি মামলাটি তুলে নিতে চাপ সৃষ্টিসহ তাদের দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধারণকৃত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন এবং তিনি ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। মামলাটি তুলে না নেওয়ার জন্য আসামি তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুক অ্যাকাউন্টসহ ৩টি অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিও ছড়িয়ে দেয় এবং সব অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা দাবি করে।

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাদীর পূর্বে দুটি বিয়ে হয়েছিল। তার মধ্যে দ্বিতীয় স্বামীর সংসারে থাকাকালীন বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। এরপর ২০২৪ সালে ওই নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ায় মীর ইলিয়াস ওরফে সোহেলের সাথে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক হয়, যার দৃশ্য ওই নারী নিজেই মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে তা অজ্ঞাত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং এই ঘটনার পর প্রথম স্ত্রী ছেড়ে চলে যান। এর মধ্যে কৌশলে ওই নারীর বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখা হয় এবং স্থানীয়ভাবে শালিস মিমাংসার চেষ্টা করা হয়।

বিবাহিত জীবন শুরু করলে তাদের মধ্যে নানা কোলাহল বাড়তে থাকে। এরপর ২০২৪ সালের ২৯ মে ৪ লাখ টাকা দেনমোহরে ওই নারীর সাথে বিয়ে হয়। এছাড়া কাবিননামায় উল্লেখ করা হয় যে, স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ চলে যাবে তাকে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে।

দীর্ঘ ২ বছর সংসার চলার পর তাঁরা বিভিন্ন সময় কলহে জড়িয়ে পড়েন এবং গত তিন মাস আগে সদরপুর থানায় একটি যৌতুক মামলা করেন ওই নারী। সম্প্রতি জামিন পাওয়ার পর ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির কারণে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করা হয়।

পরিবারের দাবি, ওই ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে বিয়ে করা হয়েছে এবং কাবিননামায় উল্লেখিত টাকা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এছাড়া স্ত্রীর কাছে স্বামীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সোহেলের মা তছিরন বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘তাঁর দ্বিতীয় স্বামী থাকতেও আমার ছেলেকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করা হয়েছে। ওর কারণে আমার ছেলের প্রথম স্ত্রী এবং নাতি চলে গেছে। ৭ মাসের একটি বাচ্চাসহ বিয়ে করে আনতে বাধ্য হয়। তারপরে আমরা সমস্ত কিছু মেনে নিয়েছি। কিন্তু বিভিন্ন সময় ওর পরিবার আমাদের ভয় দেখিয়ে এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করেছে। বর্তমানে অপবাদ দিয়ে আমার ছেলেকে জেলে পাঠানো হয়েছে। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের এত টাকা কোথায়? আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি এবং প্রকৃত দোষীর শাস্তি চাই।’

এসব বিষয় নিয়ে ওই নারীর বর্তমান অবস্থানরত বাবার বাড়িতে গিয়ে কথা হয়। এ সময় তিনি বলেন, যা বলার থানায় বলা হয়েছে। এছাড়া ঘটনা নিয়ে কথা বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার এসআই মো: গিয়াস উদ্দিন সরদার জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করলে গ্রামের পুলিশ সদস্য তাঁকে গ্রেফতার করে এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। ওই মোবাইলটি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে, প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রকৃত বিষয় জানা যাবে। এছাড়া ২০২৪ সালের ঘটনার বিষয়ে তিনি জানা নেই বলে মন্তব্য করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনা ফিফার নতুন সিদ্ধান্তের ফলে চাপে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


আর্জেন্টিনা ফিফার নতুন সিদ্ধান্তের ফলে চাপে

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারানোর হতাশা কাটতে না কাটতেই নতুন বিপদে পড়েছে আর্জেন্টিনা। ফাইনালের পর মাঠে সংঘর্ষ, অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং ফকল্যান্ড ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের অভিযোগে আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ফিফা।

ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে। উল্লেখযোগ্য的是, ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনার বিরুদ্ধে দুটি শারীরিক আক্রমণ এবং অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠেছে। এছাড়া, কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালা এবং মিডফিল্ডার থিয়াগো আলমাদাকেও এই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অভিযোগ নয়, ফিফা এএফএর বিরুদ্ধেও একাধিক নিয়মভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে খেলার মঞ্চকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা, বৈষম্যমূলক ও বর্ণবিদ্বেষী আচরণ এবং ম্যাচ চলাকালীন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া।

ফিফা দাবি করছে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইস্যুতে ব্যানার প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ম্যাচে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দ্বারা মাঠে বস্তু নিক্ষেপের ঘটনাগুলোও তদন্তের অংশ।

বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনা স্পেনের কাছে হেরে যায়। ম্যাচ শেষে স্পেনের উদযাপনের সময় দুই দলের খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, নাহুয়েল মোলিনা স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রিকে ঘুষি মারেন। অন্যদিকে, লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরা এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ফিফা জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি তাদের ডিসিপ্লিনারি ও এথিক্স প্রসিকিউটর তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেবেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ফুটবলার ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%