ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জেলের জালে মিলল বিষধর রাসেল ভাইপার


জেলের জালে মিলল বিষধর রাসেল ভাইপার

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে মাছ ধরার জালে ধরা পড়েছে একটি বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে উপজেলার হারুকান্দি এলাকার পদ্মা নদীর চরসংলগ্ন এলাকা থেকে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে বন বিভাগ ও 'স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ'-এর সহযোগিতায় জীবিত সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার জেলে সুজন সোমবার (২৯ জুন) রাতে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল পেতে রাখেন। মঙ্গলবার ভোরে জাল তুলতে গিয়ে তিনি একটি জীবিত রাসেল ভাইপার দেখতে পান। তবে তিনি সাপটিকে হত্যা না করে একটি নেটের মধ্যে নিরাপদে রেখে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জেলে সুজন গণমাধ্যমকে বলেন, সাপটি না মেরে ধরে এনেছি। রাসেল ভাইপার উদ্ধারের খবর মুহূর্তেই আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

একনজর সাপটি দেখতে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানান।

হরিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত অবস্থায় পাওয়ায় সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাসেলস ভাইপার সম্পর্কে বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা জোহরা মিলা জানান, রাসেলস ভাইপার সাপটি ‘চন্দ্রবোড়া’ বা ‘উলুবোড়া’ নামেও পরিচিত। এটি ইঁদুর ও টিকিটিকি খায়। বসতবাড়ির আশেপাশে এদের প্রাচুর্যতা বেশি থাকায় খাবারের খোঁজে রাসেলস ভাইপার অনেক সময় লোকালয়ে চলে আসে এবং মানুষকে দেখে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কখনও কখনও আক্রমণও করে বসে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

তিনি বলেন, সাধারণত পদ্মার চরাঞ্চল, নদী অববাহিকা ও বরেন্দ্র এলাকায় উঁচু-নিচু জমিতে এই সাপটি বেশি দেখা যায়। সাধারণত জুন-জুলাই মাসে এর প্রজননকাল। এটি ডিম দেওয়ার বদলে সরাসরি ৬-৬৩টি বাচ্চা প্রসব করে। দেখতে মোটা, লম্বায় ২ থেকে ৩ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সাপের গায়ে ছোপ-ছোপ গোলাকার কালা দাগ থাকে। ঘন ঘন জিহ্বা বের করে হিসহিস শব্দ করে। সাপটি সম্পর্কে যার ধারণা নেই তিনি এটিকে অজগর ভেবেই ভুল করবেন।

জোহরা মিলা বলেন, আইইউসিএনের ২০১৫ সালের লাল তালিকা অনুযায়ী রাসেলস ভাইপার বাংলাদেশে সংকটাপন্ন প্রাণীর তালিকায় রয়েছে। এই সাপের বিষ ‘হেমোটক্সিন’ হওয়ায় মাংস পচেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তাই সাপটির কবল থেকে বাঁচতে সচেতনতাই কার্যকর পথ। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী সাপটি সংরক্ষিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে নিয়ে বিশ্রাম কক্ষে মসজিদের ইমাম, এরপর যা ঘটল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


শিশুকে নিয়ে বিশ্রাম কক্ষে মসজিদের ইমাম, এরপর যা ঘটল

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. মহসিন উদ্দিন (৬০) নামে এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে তাকে জেলা আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. মহসিন উদ্দিন উপজেলার পশ্চিম গফরগাঁও গ্রামের সাহেববাড়ি মসজিদের ইমাম এবং গড়াবেড় গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, সাহেববাড়ি মসজিদের ইমাম মো. মহসিন উদ্দিন মসজিদে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়ান। গত রোববার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সব ছাত্র-ছাত্রীকে ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগী শিশুটিকে মসজিদের ভেতর ইমামের বিশ্রাম কক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। পরে শিশুটি বাড়ি গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন ঘটনাটি জানতে পারে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে মো. মহসিন উদ্দিনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মহসিন উদ্দিন তার অপরাধ স্বীকার করেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই শিশুকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আনম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) এভার কেয়ার হাসপাতালে রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে যান।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে স্যারকে (রফিকুল ইসলাম মিয়া) দেখতে এসেছি।

তিনি আরও জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁর চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। প্রধানমন্ত্রী উনার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেছেন এ বার্তা স্যারকে পৌঁছে দিয়েছি।

আনোয়ার কাদির বলেন, ‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরও জানান, ‘আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানিয়েছি।’

কয়েকদিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।

২০১৮ সাল থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী আছেন রফিকুল ইসলাম মিয়া।

মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়াসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত সাবেক এ মন্ত্রী। তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাহিদা রফিক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। গত বছরের ২ মার্চে তিনি মারা যান।

বর্তমানে রফিকুল ইসলাম মিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ডা. জিয়াউল হক স্যারের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এক এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করা হলে, তাঁর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে সাহসিকতার সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সফলতার অনন্য মহাকাব্য সময়ের স্রোতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


সফলতার অনন্য মহাকাব্য সময়ের স্রোতে

জীবন চলার পথে আমরা কতকিছু হারিয়ে ফেলি। আবার কিছু জিনিস ফিরে পাই। দামি স্বর্ণালংকার হারালে সেগুলো খুঁজে পাওয়া যায়। টাকা পয়সা হারালে পরিশ্রমের মাধ্যমে আবার উপার্জন করা সম্ভব। অসুস্থতায় যদি স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে, তবে চিকিৎসার মাধ্যমে আবার স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া যায়। কিন্তু সময়! জীবন থেকে যে মূল্যবান মুহূর্ত চলে যায় তা আর কোনোভাবেই ফিরে পাওয়ার সুযোগ নেই। প্রত্যেকের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান এবং অথচ অবহেলিত সম্পদ হচ্ছে সময়।

মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বিশেষ কোনো বিষয়ের গুরুত্ব বোঝাতে সেই জিনিসের কসম বা শপথ করেছেন। সুরা আল আসরের শুরুতেই সময়ের কসম করে মানুষকে সতর্ক করেছেন। মহামান্য আল্লাহ সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে যে কথা বলেছেন তা হলো,

وَالْعَصْرِ ۙ إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ (উচ্চারণ : ওয়াল ‘আছর। ইন্ন্যাল ইনছানা লাফী খুছর।)

এটির অর্থ হলো: সময়ের কসম। মানুষ চরম ক্ষতিতে নিমজ্জিত। (সুরা আসর, আয়াত : ১-২)

এই ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারবে শুধুমাত্র তারা, যারা ঈমান এনেছে, সৎ কাজ করেছে এবং একে অপরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে। মহান আল্লাহ সমস্ত মানুষের সামনে জীবনে সফল হওয়ার পথ ও পদ্ধতি বলেছেন। অর্থাৎ, সময়কে কাজে লাগিয়ে এই চার কাজে একজন মানুষ সফলতা লাভ করতে সক্ষম হবে।

প্রিয়নবি আমাদের সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে এবং অবহেলা, অলসতা দূর করতে যা বলেছেন তা হলো,

نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ: الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ

এটির অর্থ হলো: দুটি নেয়ামতের ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ ধোঁকায় রয়েছে। তা হলো, সুস্থতা ও অবসর। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪১২)

সুস্থ ও অবসর সময়ে আমরা প্রায়ই ভাবি, এখন না, কাজটি পরে করবো। কিন্তু দেখা যায়, পরে আর কাজটি করা হয় না। এই অলস মানসিকতাই জীবনে ব্যর্থতার জন্ম দেয়।

জীবন বস্তুতঃ কিছু দিনের, ঘণ্টার আর সেকেন্ডের সমাহার মাত্র। তাই সময়কে নষ্ট করা মানে জীবন ধ্বংসের সবিশেষ।

হাশরের ময়দানে প্রতিটি মানুষকে তার জীবনের হিসাব দিতে হবে। বিশেষ করে সময়ের হিসাব দিতে হবে। নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لَا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ، وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلَاهُ

অর্থ : কেয়ামতের দিন কোনো বান্দার কদম একচুলও নড়াতে পারবে না যতক্ষণ না তাকে তার জীবন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। তার জীবন কোন কাজে নিঃশেষিত হয়েছে এবং তার যৌবনকাল কোন কাজে ক্ষয় করেছে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৭)

আমরা প্রতিনিয়ত নানা রকমের সফলতার গল্প শুনি। যে ব্যক্তি নিজের প্রতিটি মুহূর্তকে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণে কাজে ব্যবহার করে, সে প্রকৃত সফল।

সোশাল মিডিয়া বা অনর্থক কাজ বাদ দিয়ে জীবনের সোনালি সময়গুলো কাজে লাগাই। আমাদের দৈনন্দিন রুটিন অনুযায়ী জীবন পরিচালিত হোক। সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করলে জীবনে সফলতা অর্জন করব।

লেখক: শিক্ষক, মাদরাসাতুল কোরআন, দক্ষিণখান, ঢাকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা সেতুর ঋণের ১৬ কিস্তি পরিশোধ, টোল আদায় কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


পদ্মা সেতুর ঋণের ১৬ কিস্তি পরিশোধ, টোল আদায় কত?

উদ্বোধনের পর থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত পদ্মা সেতু দিয়ে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিনিময়ে টোল বাবাদ এসব যানবাহন থেকে ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা আদায় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, আদায় করা টোল থেকে ঋণের ১৬ কিস্তিতে ২ হাজার ৫১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা সরকারকে কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আদায় করা টোলের ১৫ শতাংশ ভ্যাট হিসেবে ৪৩৬ কোটি ৭ লাখ ৭৪ হাজার ২২১ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়েছে।

২০২২ সালের ২৫ জুন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হয়। পরের দিন ২৬ জুন সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

ঋণের চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে ৩৫ বছরের মধ্যে সুদসহ মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা অর্থ বিভাগকে পরিশোধ করতে হবে। প্রতি অর্থবছরে চার কিস্তি করে মোট ১৪০টি কিস্তির মাধ্যমে এ অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ আশা পোষণ করছে যে, টোল আদায়ের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%