ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বৃষ্টিতে বিএম কলেজে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা


বৃষ্টিতে বিএম কলেজে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা

ঐতিহ্যবাহী সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে দীর্ঘকাল ধরে জলাবদ্ধতা হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্যতম প্রধান সমস্যা। সামান্য বৃষ্টিতে ক্যাম্পাসের নানা স্থানে জল জমে যায়, এবং ভারী বর্ষণ হলে তো পুরো ক্যাম্পাস যেন পানির নিচে তলিয়ে যায়। এর ফলে চলাচলের জন্য প্রধান প্রধান রাস্তাগুলো ডুবে যেতে থাকে, যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ সবার যাতায়াতে তীব্র ভোগান্তি তৈরি করে। বিশেষ করে, ভারী বৃষ্টির সময় মুসলিম হল ও জীবনানন্দ দাশ হলের দিকে যাওয়ার রাস্তা দুটি সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে যায়। একই অবস্থা ঘটে শিক্ষকদের ডরমিটরিতে যাওয়ার রাস্তারও।

তাছাড়া ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চের চারপাশ এবং ভারী বৃষ্টির সময় মূল ভবনের সামনের অংশও পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। এছাড়াও ক্যাম্পাসের দুটি খেলার মাঠ পানিতে ডুবে থাকায় সেগুলি খেলার সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে যায়। বর্ষাকালীন এই দুর্ভোগের কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায় এবং প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের এই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

ক্যাম্পাসে পরিকল্পিত এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে এই দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষার্থীদের বিহীত দাবি হলো, যেন কলেজ প্রশাসন জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সপ্তাহব্যাপী প্রবল বর্ষণে বাবুগঞ্জে আঞ্চলিক সড়কে ধস, দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ এম


সপ্তাহব্যাপী প্রবল বর্ষণে বাবুগঞ্জে আঞ্চলিক সড়কে ধস, দুর্ভোগ

সপ্তাহব্যাপী টানা প্রবল বর্ষণের ফলস্বরূপ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর-মীরগঞ্জ-মুলাদী আঞ্চলিক সড়কটির একটি অংশ ধসে পড়েছে। এর ফলে মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ ও কাজিরহাট ফেরিঘাটমুখী এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ওপর যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন হাজারো যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাবুগঞ্জ উপজেলার পাঁচ রাস্তা স্টেশন সংলগ্ন খান বাড়ির সামনে সড়কের উল্লেখযোগ্য অংশ পাশে থাকা একটি পুকুরে ধসে গেছে। সড়কের কার্পেটিংসহ মাটির একটি বড় অংশ ধসে পড়ায় যাত্রীদের জন্য যানবাহন নিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে চলমান ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে গিয়েছিল। এর ফলস্বরূপ, শুক্রবার গভীর রাতের সময়ে হঠাৎ করেই সড়কের অংশবিশেষ ধসে পড়ে। রহমতপুর-মীরগঞ্জ-মুলাদী সড়কটি বরিশাল জেলার সঙ্গে মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ এবং কাজিরহাট ফেরিঘাট এলাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। আড়িয়াল খাঁ নদীতে ফেরি পারাপারের মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এবং বিভিন্ন দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ রুটের অসংখ্য যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকা সহ অন্য যাত্রা করেছে।

এর ফলে, সড়কটির ক্ষতি শুধু স্থানীয় যোগাযোগের ওপর নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার বলেছেন, টানা বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়াতে সড়কের একটি অংশ কার্পেটিংসহ পুকুরে ধসে পড়েছে। দ্রুত সংস্কার না করা হলে, আরও বড় অংশ ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে পুরো সড়ক ঝুঁকিতে পড়বে এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, চলমান বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি ভিত্তিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ী সংস্কার না করলে সড়কটির আরও বড় অংশ ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে ঝুঁকির মাত্রা আরও বাড়বে, এ বিষয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রবল বর্ষণের কারণে সড়কের এই ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশটির দ্রুত সংস্কারের জন্য ঠিকাদার নিয়োজিত রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেরামতের কাজ সম্পন্ন করা হবে এবং যাতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেমি ওপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেমি ওপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার

ভোলার মনপুরায় টানাবর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে উপকূলের বেড়ির বাহিরে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ১০ হাজার বাসিন্দা।

এদিকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টি চলছিল। গত ৪ দিন ধরে উপকূলে টানা বৃষ্টির কারণে মূল ভূখণ্ডে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাজার হাজার বাসিন্দা বিপাকে পড়েছেন। অপরদিকে, মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন চরকলাতলী, ডালচর ও কাজীর চরেও ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা যুগান্তরকে জানান যে, মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখতে পাওয়া যায় যে, টানাবর্ষণে মনপুরার মূল ভূখণ্ডের মধ্যে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে উত্তর সাকুচিয়া, দক্ষিণ সাকুচিয়া, হাজিরহাট এবং মনপুরা ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাসরত বাসিন্দারা। গত তিন দিন ধরে তারা বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছেন। এতে তারা চুলায় হাড়ি না ওঠায় অনেকেই উপোস, আবার কেউ শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

অন্যদিকে, উপকূলের সর্বত্র ২-৩ ফুট পানিতে জলাবদ্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিপদে পড়েছেন। উপকূলের হাট-বাজার বন্ধ রয়েছে, ফলে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। স্থানীয় লোকজন দাবি করেছেন যে, মনপুরা অঞ্চলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে চারপাশের বেড়িবাঁধের কাজ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে তারা খুব কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, টানাবর্ষণ এবং মেঘনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারাদেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন মনপুরা, পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৪ এম


সারাদেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন মনপুরা, পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির ফলে সমুদ্র বন্দরের ৩ নাম্বার সতর্ক সংকেত ও নদী বন্দরের ১ নাম্বার সতর্ক সংকেত জারি থাকার কারণে ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার সঙ্গে সারা দেশের নৌ-যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে মনপুরা সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গত ৫ দিনের টানা বর্ষণের ফলে মনপুরার সর্বত্রই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার ৫ ইউনিয়নের ১০ গ্রামের আনুমানিক ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপকূলজুড়ে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে মনপুরার সঙ্গে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন ভোলা জেলা বিআইডব্লিউটিএর (নদীবন্দর) সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায়। হাজিরহাট সি-ট্রাক ঘাট ও রামনেওয়াজ ঢাকা সার্ভিস ঘাটের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকাল ১০ টায় ভোলা যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকজন যাত্রী হাজিরহাট সি-ট্রাক ঘাটে এসেছিল। নৌযান বন্ধ থাকায় তারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে, রামনেওয়াজ ঢাকার সার্ভিস ঘাটে ঢাকা যাওয়ার জন্য যাত্রীরা উপস্থিত হয়েছিল, কিন্তু ঢাকা থেকে আজ কোনো লঞ্চ না আসায় ঢাকাগামী যাত্রীরা যেতে পারেননি। ভোলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলাতে ৫৩ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। লঘুচাপের কারণে সমুদ্র বন্দরকে ৩ নাম্বার সতর্ক সংকেত ও নদীবন্দরকে ১ নাম্বার সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

ভোলা জেলা বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক (নদীবন্দর) নির্মল কুমার রায় জানিয়েছেন, লঘুচাপ ও সতর্ক সংকেতের কারণে জেলার সব নৌযান বন্ধ রয়েছে। গত ৫ দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের ১০ গ্রামের আনুমানিক ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। এখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। নিম্ন আয়ের মানুষেরা ঘর থেকে বের হতে না পারায় অনেকেই উপোস রয়েছেন। পানিবন্ধি এলাকাগুলোর বেশিরভাগ ঘর-বাড়ি ডুবে যাওয়ার ফলে চুলায় হাড়ি না ওঠায় রান্না করা হয়নি।

এদিকে, মেঘনায় ভাটা থাকার কারণে বিপৎসীমার নিচে ১ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটারের নিচে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা। অন্যদিকে, ভোর রাতে জোয়ারের সময় উপজেলার বিচ্ছিন্ন বেড়িবাঁধহীন চর কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর ও ঢালচরের নিম্নাঞ্চলে ২-৩ ফুট জোয়ারের প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দেখা গেছে, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন, দাসেরহাট, সোনারচর ও চরজ্ঞান, সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া, মাস্টারহাট, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর ও মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক ও আন্দিরপাড় গ্রামে অধিকাংশ এলাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছে। ঘর-বাড়ির ভিতরে ২-৩ ফুট পানি জমে গেছে। এদিকে, হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের দাসের হাট এলাকা সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে না আসলেও সমাজকর্মী ও সংবাদকর্মী মেহেদী হাসান ও আবদুর রহমান সোয়েবের প্রচেষ্টায় ওই অঞ্চলে পানি নিষ্কাশনের কাজ করা হচ্ছে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে। এই এলাকার বাসিন্দা মফিজ মেস্ত্রী জানিয়েছেন, তারা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে রয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কেউ তাদের খোঁজ নেননি। কিন্তু সমাজকর্মী আবদুর রহমান সোয়েব ও মেহেদী হাসানের সহযোগিতায় তারা স্বেচ্ছাশ্রমে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, মনপুরা উপকূলে জলাবদ্ধতা যাতে না সৃষ্টি হয়, সেই লক্ষ্যে খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভোলায় প্রকল্প কর্মকর্তা বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ এম


দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভোলায় প্রকল্প কর্মকর্তা বরখাস্ত

ভোলার মনপুরা উপজেলায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে তিনি ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হলে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্বকিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ বিভিন্ন সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তদন্তে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উল্লিখিত অভিযোগের বিষয়ে মো. কামরুজ্জামান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানিয়েছেন, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%