সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৫ পি.এম
সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রভাব পড়েছে। এর ফলে ট্রাকের ভাড়া গন্তব্য অনুযায়ী ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন ট্রাক মালিক ও ব্যবসায়ীরা। ফলে মালামাল সরবরাহ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের ট্রাক মালিক আনন্দ হোসেন জানিয়েছেন, হঠাৎ করে তেলের দাম বাড়ার কারণে ট্রাক মালিকরা সমস্যায় পড়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ঢাকার জন্য ট্রাক ভাড়া ছিল ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা, যা এখন ২৪ থেকে ২৫ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। চট্টগ্রামের জন্য ভাড়া ছিল ২৮ থেকে ২৯ হাজার টাকা, যা এখন ৩২ থেকে ৩৪ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই কারণে তারা বিপাকে পড়েছেন, কারণ ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা ট্রাক ভাড়া নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, যদি তেলের দাম কমানো হয়, তাহলে ট্রাক মালিকদের জন্য অনেক সুবিধা হবে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক আকরাম হোসেন জানান, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ট্রাক মালিকরা ভাড়া নির্ধারণে সমস্যায় পড়েছেন। এর ফলে ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রাক ভাড়া পেতে কষ্ট হচ্ছে। অনেক পণ্য বন্দরের ভিতরে ট্রাকে লোড অবস্থায় রয়েছে, যার গুণগত মান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছি।" বর্তমানে হিলি স্থলবন্দর থেকে গম, ভুট্টা, ভুষি, জিরাসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি অব্যাহত থাকলেও দেশের অভ্যন্তরে এসব নিত্যপণ্য সরবরাহ করতে ব্যবসায়ীদের বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আদালতে আসামিদের হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার প্রত্যেকের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমানসহ অন্যান্য আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।
শুনানির পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকসুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বিকেল ৩টা ১১ মিনিটে গাজী নজরুলকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরিয়ে আদালতের এজলাসে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং মামলার এজাহার পর্যালোচনা করেন। পরে তিনি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেন।
যে পাঁচ কারণে রিমান্ড আবেদন
তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে—মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যার সময় একই বাসায় থাকা আসামিদের প্রভাব ছিল কি না, তা উদঘাটন করা; তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে আসামিদের ভূমিকা জানা; মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা ও অবস্থান শনাক্ত করা; অজ্ঞাতনামা কেউ জড়িত ছিল কি না, তা শনাক্ত করা এবং মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করা।
এর আগে রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত জুনে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। সংসদ সদস্য হওয়ায় নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ও মরিয়ম শেরেবাংলা নগর থানাধীন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। বিষয়টি মরিয়ম বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ফোনে তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন।
মামলার বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল মরিয়মের বাবাকে ফোন করে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি বাসায় অনেক লোকজন দেখতে পান। পরে একটি কক্ষে মরিয়মকে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিছানার ওপর একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মরিয়মকে আসামিদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং তাদের প্ররোচনার কারণে আত্মহত্যা করতে হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করছে পুলিশ।
ভিডিও ছড়ানোর পর বিতর্ক
গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের কথিত ব্যক্তিগত মুহূর্তের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এরপর ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়।
এদিকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ২১ জুলাই পল্লবী থানায় মামলা করেন গাড়িচালক ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান। ওই মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল।
ওই মামলার বাদী ওবায়দুর রহমানকেই এবার মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। নতুন মূল্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের দাম প্রতিবেশী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে কিছু পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নিচে তুলে ধরা হলো।
ভারত
ভারতে জ্বালানি তেলের দাম রাজ্য ও শহরভেদে ভিন্ন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১৩ দশমিক ৫১ ভারতীয় রুপি এবং ডিজেলের দাম ৯৯ দশমিক ৮২ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য আনুমানিক ১৪৫ টাকা ও ১২৮ টাকা।
অর্থাৎ, কলকাতায় ডিজেলের দাম বাংলাদেশের বর্তমান দামের তুলনায় কিছুটা কম। অন্যদিকে, পেট্রোলের দাম বাংলাদেশের চেয়ে কম।
মিয়ানমার
মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে সর্বশেষ সরকারি রেফারেন্স অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ৩ হাজার ৯৩০ কিয়াত এবং ডিজেলের দাম ৪ হাজার ২৫৫ কিয়াত। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য আনুমানিক ২৩০ টাকা ও ২৪৯ টাকা।
এই হিসাবে, মিয়ানমারে অকটেন ও ডিজেল দুই ধরনের জ্বালানির দামই বাংলাদেশের তুলনায় বেশি।
নেপাল
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ২০০ নেপালি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ১৬২ টাকা।
তবে, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন ব্যয়ের পার্থক্যের কারণে জ্বালানি তেলের খুচরা দামে কিছুটা তারতম্য রয়েছে।
ভুটান
ভুটানে সর্বশেষ পাওয়া দামে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৯৯ দশমিক ০৫ ভারতীয় রুপি এবং ডিজেলের দাম ১০৪ দশমিক ৩৮ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য আনুমানিক ১২৭ টাকা ও ১৩৪ টাকা।
অর্থাৎ, ভুটানে পেট্রোলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় কম হলেও ডিজেলের দাম বাংলাদেশের বর্তমান দামের কাছাকাছি।
পাকিস্তান
পাকিস্তানে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৩৮৯ দশমিক ১৪ পাকিস্তানি রুপি এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম ৪২৪ দশমিক ০৪ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এগুলোর মূল্য আনুমানিক ১৭২ টাকা ও ১৮৮ টাকা।
এই হিসাবে, পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেল দুই ধরনের জ্বালানির দামই বাংলাদেশের বর্তমান দামের চেয়ে বেশি।
দামের পার্থক্যের কারণ
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ভোক্তা পর্যায়ের চূড়ান্ত মূল্যের একটি অংশ মাত্র। কর ও শুল্ক, মুদ্রার বিনিময় হার, আমদানি ও পরিবহন ব্যয় এবং সরকারের মূল্য নির্ধারণের নীতির কারণে দেশভেদে জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তৈরি হয়।
ফলে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম একই হলেও বিভিন্ন দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম এক নাও হতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি, বার্মা নিউজ, অর্থকেন্দ্রা, জিও নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, যা স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ২ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: মেডিকেল প্রমোশন অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, তবে এইচএসসি পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগে থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীদের ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় ভালো যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
কর্মস্থল: দেশের যেকোনো জায়গায়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
বয়স: ৩২ বছর
অন্যান্য সুবিধাসমূহ: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স, সেলস ইনসেনটিভ, বিদেশ ভ্রমণ, উৎসব বোনাস, লাভের অংশ এবং পারফরম্যান্স বোনাস ইত্যাদি প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এ মাসে নিউজিল্যান্ডের রেকর্ডসংখ্যক নাগরিক ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছেন। তবে এই ভোটটি কোনো জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং দেশের ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষসেরা পাখি নির্বাচনের জন্য। এবারের প্রতিযোগিতায় ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে অত্যন্ত বিপন্ন প্রজাতির ব্ল্যাক রবিন পাখি। এই তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।
ছোট আকারের এই স্থানীয় পাখিটির আবাস নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার (৫০০ মাইল) দূরে অবস্থিত দুর্গম চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জে।
১৯৮০ সালে পৃথিবীতে ব্ল্যাক রবিনের সংখ্যা মাত্র পাঁচটিতে নেমে এসেছিল। তাদের মধ্যে প্রজননক্ষম স্ত্রী পাখি ছিল মাত্র একটি। বর্তমানে এ পাখির সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩৫০টিতে দাঁড়িয়েছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় কালো রবিন পাখিটি শীর্ষস্থান দখল করেছে। এর পরবর্তী স্থানে রয়েছে বিখ্যাত উড়তে না-পারা তোতাপাখি কাকাপো। তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় শিকারি পাখি ক্যারিয়ারিয়া ফ্যালকন।
প্রতি বছর ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে স্বাধীন সংরক্ষণবাদী সংগঠন ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ড। গত এক দশকে এই প্রতিযোগিতা বেশ কয়েকবার বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
২০১৯ সালে প্রতিযোগিতায় রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। সে সময় রাশিয়াভিত্তিক আইপি ঠিকানা থেকে শত শত ভোট জমা পড়েছিল। তবে ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ড জানায়, বেশিরভাগ ভোটই বৈধ ছিল এবং এসব ভোটের কারণে বিজয়ী হইহো বা ইয়েলো-আইড পেঙ্গুইনের ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়েনি।
২০২৩ সালে ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয় পুটেকেটেকে। জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও ‘লাস্ট উইক টুনাইট’-এর উপস্থাপক জন অলিভার প্রকাশ্যে পুটেকেটেকের পক্ষে প্রচারণা চালান এবং তার দর্শকদের এই হ্রদে বসবাসকারী পাখিটির পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ডের রেবেকা হ্যাচ জানিয়েছেন, এ বছর ভোটারের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। তবে এর পেছনে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ ছিল না।
হ্যাচ বলেন, এ বছর রেকর্ডসংখ্যক ভোট পড়েছে। ১ লাখ ৫ হাজার মানুষ তাদের পছন্দের পাখিকে ভোট দিয়েছেন।
তিনি বলেন, নিউজিল্যান্ডের মানুষ প্রকৃতির প্রতি তাদের সমর্থন দেখিয়েছেন। দেশটির প্রায় প্রতি ৫০ জন মানুষের একজন ভোট দিয়েছেন। ব্ল্যাক রবিন পেয়েছে ২৬ হাজারের বেশি ভোট।
ব্ল্যাক রবিনের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে চ্যাথাম আইল্যান্ডস ল্যান্ডস্কেপ রেস্টোরেশন ট্রাস্ট। পাখিটির আবাসস্থল বাড়ানো ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে তারা একটি তৃতীয় আবাসস্থল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ