প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
এ মাসে নিউজিল্যান্ডের রেকর্ডসংখ্যক নাগরিক ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছেন। তবে এই ভোটটি কোনো জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং দেশের ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষসেরা পাখি নির্বাচনের জন্য। এবারের প্রতিযোগিতায় ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে অত্যন্ত বিপন্ন প্রজাতির ব্ল্যাক রবিন পাখি। এই তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।
ছোট আকারের এই স্থানীয় পাখিটির আবাস নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার (৫০০ মাইল) দূরে অবস্থিত দুর্গম চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জে।
১৯৮০ সালে পৃথিবীতে ব্ল্যাক রবিনের সংখ্যা মাত্র পাঁচটিতে নেমে এসেছিল। তাদের মধ্যে প্রজননক্ষম স্ত্রী পাখি ছিল মাত্র একটি। বর্তমানে এ পাখির সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩৫০টিতে দাঁড়িয়েছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় কালো রবিন পাখিটি শীর্ষস্থান দখল করেছে। এর পরবর্তী স্থানে রয়েছে বিখ্যাত উড়তে না-পারা তোতাপাখি কাকাপো। তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় শিকারি পাখি ক্যারিয়ারিয়া ফ্যালকন।
প্রতি বছর ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে স্বাধীন সংরক্ষণবাদী সংগঠন ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ড। গত এক দশকে এই প্রতিযোগিতা বেশ কয়েকবার বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
২০১৯ সালে প্রতিযোগিতায় রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। সে সময় রাশিয়াভিত্তিক আইপি ঠিকানা থেকে শত শত ভোট জমা পড়েছিল। তবে ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ড জানায়, বেশিরভাগ ভোটই বৈধ ছিল এবং এসব ভোটের কারণে বিজয়ী হইহো বা ইয়েলো-আইড পেঙ্গুইনের ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়েনি।
২০২৩ সালে ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয় পুটেকেটেকে। জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও ‘লাস্ট উইক টুনাইট’-এর উপস্থাপক জন অলিভার প্রকাশ্যে পুটেকেটেকের পক্ষে প্রচারণা চালান এবং তার দর্শকদের এই হ্রদে বসবাসকারী পাখিটির পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ডের রেবেকা হ্যাচ জানিয়েছেন, এ বছর ভোটারের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। তবে এর পেছনে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ ছিল না।
হ্যাচ বলেন, এ বছর রেকর্ডসংখ্যক ভোট পড়েছে। ১ লাখ ৫ হাজার মানুষ তাদের পছন্দের পাখিকে ভোট দিয়েছেন।
তিনি বলেন, নিউজিল্যান্ডের মানুষ প্রকৃতির প্রতি তাদের সমর্থন দেখিয়েছেন। দেশটির প্রায় প্রতি ৫০ জন মানুষের একজন ভোট দিয়েছেন। ব্ল্যাক রবিন পেয়েছে ২৬ হাজারের বেশি ভোট।
ব্ল্যাক রবিনের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে চ্যাথাম আইল্যান্ডস ল্যান্ডস্কেপ রেস্টোরেশন ট্রাস্ট। পাখিটির আবাসস্থল বাড়ানো ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে তারা একটি তৃতীয় আবাসস্থল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন