ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩ নম্বর সতর্ক সংকেতে মোংলা বন্দরে খাদ্যবাহী জাহাজের খালাস কার্যক্রম বন্ধ


৩ নম্বর সতর্ক সংকেতে মোংলা বন্দরে খাদ্যবাহী জাহাজের খালাস কার্যক্রম বন্ধ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি নিম্নচাপের ফলে উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে।

উত্তাল সাগরের কারণে সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বন্দরে অবস্থানরত খাদ্যবাহী জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে রয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) রাত থেকে বাগেরহাটের মোংলাসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে আছে। এর সাথে দফায় দফায় দমকা হাওয়া ও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ঘটছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে মাত্র কয়েকশো কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মোংলা বন্দরে উপস্থিত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলো সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জেটি ও পশুর চ্যানেলে পণ্য খালাস ও পরিবহনের কাজ সীমিত পরিসরে সচল রয়েছে। তবে বন্দরে অবস্থানরত খাদ্যবাহী (চাল) জাহাজের খালাস কাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। আবহাওয়া আরও খারাপ হলে অন্যান্য জাহাজের কাজও সাময়িক বন্ধ রাখা হতে পারে।

এদিকে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জেলেদের সুন্দরবন এবং গভীর সাগরে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কানাইনগর, জয়মনি ও চিলা এলাকার নদীগুলোতে অনেক ট্রলার আশ্রয় নিয়ে নিয়েছে।

নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মোংলাসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে কিছুটা বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস এবং অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


চাঁদপুরে শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর পৌরসভা নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং কর্মচারীদের মাঝে দীর্ঘসময় ধরে বকেয়া থাকা প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থের চেক সম্প্রতি বিতরণ করা হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে শিক্ষক এবং কর্মচারীরা পাওনা টাকা হাতে পেয়ে হাসিতে মুখরিত হয়ে ওঠেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুর পৌরসভা অফিসে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে প্রভিডেন্ট ফান্ডের চেক তুলে দেন পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন।

এই বিশেষ অনুষ্ঠানে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রি খিশা সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

পৌরসভার সূত্রে জানা যায়, এই দফায় মোট ১২ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর মাঝে ৭৯ লাখ ৭২ হাজার ৬৪৬ টাকার প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

চেক বিতরণের পর মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে পৌর প্রশাসন বদ্ধপরিকর। তিনি জানিয়েছেন, 'আমার দায়িত্ব গ্রহণের পর এর আগেও প্রভিডেন্ট ফান্ড বাবদ আরও ২ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে আজ এই চেক হস্তান্তর করা হলো। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য অর্থও দ্রুত পরিশোধ করা হবে।'

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রভিডেন্ট ফান্ডের চেক হাতে পেয়ে কয়েকজন প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ইতিপূর্বে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কষ্টার্জিত প্রাপ্য অর্থের জন্য পৌরসভায় বারবার যোগাযোগ করতে হয়েছে এবং বিভিন্ন ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। তবে বর্তমান প্রশাসক কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই তাদের বাড়ি থেকে ডেকে এনে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে বোঝাপড়ার টাকার চেক বুঝিয়ে দিয়েছেন। এই মানবিক ও সম্মানজনক উদ্যোগের জন্য তারা পৌরসভার প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, দুর্ভোগে ১০ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


৫ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, দুর্ভোগে ১০ হাজার মানুষ

একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সেতু প্রায় পাঁচ বছর ধরে অবহেলায় পড়ে রয়েছে, কারণ এখানে কোনো সংযোগ সড়ক নেই। মূল কাঠামোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে দুটি পাশে সংযোগ বা অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় এটি জনগণের জন্য কোনো কাজে আসছে না। বরং, অস্থায়ী কাঠের মই এবং ঝুঁকিপূর্ণ পোল ব্যবহার করে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিদিন মানুষ ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ভুক্তভোগীরা দাবি জানিয়েছেন দ্রুত সেতুটিকে চলাচলের উপযোগী করে দেয়ার জন্য।

এই সেতুটি পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামের সঙ্গে ভুরিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) ২০২১ সালে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে, এটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি।

আগেরভাবে বলা হয়েছে, সেতুর মূল কাঠামোর বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হলেও এখনো এটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে আছে, কারণ সংযোগ সড়ক নেই। কাঠের অস্থায়ী মই ব্যবহার করে বয়স্ক, নারী, শিশু, রোগী এবং স্কুল শিক্ষার্থীদের পারাপার হতে হচ্ছে চরম ঝুঁকিতে। কুড়িপাইকা, ভুরিয়া, পশ্চিম কুড়িপাইকা, পূর্ব কুড়িপাইকা, কমলাপুর, সৌলাসহ আশপাশের অন্তত আটটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ দৈনন্দিন এই দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সে সময় সেতুর আশপাশের সড়কে কাদা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যার ফলে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেয়া এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও দেখা দেয় নানা প্রতিবন্ধকতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলছে এবং মাঝে মাঝে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাসার বলেন, 'আমাদের প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে পটুয়াখালী শহরে যেতে হয় এই ব্রিজ পার হয়ে। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় আমাদের তিন কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়।'

স্কুল শিক্ষার্থী জারিন জানান, 'এই ব্রিজ পার হয়ে প্রতিদিন আমাদের স্কুলে যেতে হয়। অনেক সময় আমরা ব্রিজে ওঠানামা করতে পারি না। তাই আমাদের দাবি, অতিসত্বর ব্রিজটি ঠিক করে দেয়া হোক।'

এ বিষয়ে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীর বলেন, 'কিছু কারিগরি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব হয়েছে। তবে সমস্যাগুলো সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কসহ অবশিষ্ট কাজ শেষ করে সেতুটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।'

দ্রুত সেতুর অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে, আশা করা হচ্ছে লোহালিয়া ও ভুরিয়া ইউনিয়নের আট গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রতিদিন স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে ভারি বর্ষণ, নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


কক্সবাজারে ভারি বর্ষণ, নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষ

কক্সবাজার জেলায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন দুর্যোগ মোকাবিলার কার্যক্রমকে জোরদার করার জন্য জেলার প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁরা চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের মতামত ও করণীয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি জেলার অনেক উপজেলায় উপজেলা ও ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

জরুরি সভায় জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, 'গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার জেলায় ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে এবং আগামী তিন দিন আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা আয়োজন করা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ফায়ার সার্ভিসের নম্বর সম্পর্কে অবগত থাকলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও খুব শিগগির একটি কন্ট্রোল রুমের জরুরি নম্বর প্রকাশ করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে শুকনো খাবার, পুষ্টিকর খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।'

জেলা প্রশাসক জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হচ্ছে। জেলার যেকোনো প্রান্তে জরুরি পরিস্থিতির খবর পাওয়া গেলে এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে দ্রুত সমন্বয় করে সর্বনিম্ন সময়ে প্রয়োজনীয় সাড়া দেওয়া হবে।

এ পর্যন্ত জেলার কোথাও পানিবন্দি হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেছেন, 'প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার সদর পৌরসভায় একজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়ার পর তিন দিন আগ থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য নিয়মিত প্রচার ও অনুরোধ জানানো হচ্ছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেইমারের হারটা মানতে পারছি না’ স্ট্যাটাসের পর যুবক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


নেইমারের হারটা মানতে পারছি না’ স্ট্যাটাসের পর যুবক নিহত

ফেসবুকে প্রিয় দলের হার নিয়ে আক্ষেপ করে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার মাত্র কিছুক্ষণ পর, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক যুবক, যার নাম জুয়েল রানা। চলতি ঘটনাটি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ঘটে, যেখানে দুটি অটোরিকশার মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাঁশখালীর দারोगা বাজার এলাকায়, ফায়ার সার্ভিসের সামনে। নিহত জুয়েল চরিত্যাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন, যিনি স্থানীয় উপজেলা সদরে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন।

জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে বাড়ি থেকে উপজেলা সদরে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন জুয়েল। যখন তিনি দারোগা বাজার এলাকায় পৌঁছান, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাথে তার অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে জুয়েল সড়কে ছিটকে পড়েন এবং স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, রোববার (৫ জুলাই) রাতে বিশ্বকাপের ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে ব্রাজিল পরাজিত হয়। এই পরাজয়ের কারণে মর্মাহত হয়ে সোমবার সকালে বেলা ১১টার দিকে জুয়েল নিজের ফেসবুক আইডিতে নেইমারের একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, 'দল করি হারবে, জিতবে, কিন্তু নেইমারের জন্য হারটা মানতে পারছি না।' এই আবেগঘন স্ট্যাটাসটি করার কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটে যায় তার মৃত্যু।

যুবকের আকস্মিক মৃত্যু ঘটনার পর তার ফেসবুক পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

এই বিষয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়ার পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই জুয়েলের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%