০৮:৪৭ পি.এম
আশাশুনি উপজেলার দু'টি নদী খনন করা হয়েছে, তবে নদীতে পানি নিস্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় খাল-বিল, বেড় বাড়ি, বীজতলা ও কিছু মৎস্য ঘের জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কিছু পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে, কারণ ঘরবাড়ি থেকে হাটু পানি ঠেলে বের হতে তারা নাকানি চুপানি খাচ্ছে।
নদী বেষ্টিত এই উপজেলায় মরিচ্চাপ ও বেতনা নদীর খনন কাজ সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হয়নি। নদী দুটিতে বর্তমানে জোয়ারভাটা চলছে। নদী ভাঙ্গন এবং নদী খননে অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা থাকলেও, গত সপ্তাহাধিক কালের একটানা বৃষ্টিপাত পুরো উপজেলায় জলাবদ্ধতা ও জলমগ্নতার চরম বিপদের সৃষ্টি করেছে। ১১ ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামে বিভিন্ন মাত্রায় জলাবদ্ধতা ও জলমগ্নতা দেখা দিয়েছে।
অপরিকল্পিত এবং যথেচ্ছ বাঁধ, ঘরবাড়ি, দোকান পাট, অবকাঠামো গড়ে ওঠা কারণে বৃষ্টির পানি নামার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে খাল-বিল, বসত বাড়ি, মাঠ-ঘাট, বেড়, ক্ষেত ক্ষামার এবং স্কুল-কলেজের বড় একটি অংশ এখন পানিতে টইটম্বুর হয়ে আছে। এর ফলে জলমগ্ন হয়ে থাকা বাড়িঘর এবং প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অপেক্ষাকৃত নীচু এলাকায় অবস্থিত ঘরবাড়িতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। চলতি আমন মৌসুমের বীজতলা প্রস্তুত করতে কৃষকরা হিমশিম খাচ্ছেন, এবং অনেকের বীজতলা তলিয়ে গেছে। সবমিলিয়ে, আশাশুনি উপজেলাবাসী নদী খননের সুবিধা থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত হয়ে পড়ছে। জনবসতি এলাকার পাশাপাশি সকল এলাকার পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন