বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৭ এম
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার দেশের শাসন পরিচালনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে রয়েছে এবং যে কোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারাহ আলড্রিচ এই তথ্য তুলে ধরেন। তিনি এই সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী ও জনতার আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সারাহ আলড্রিচ আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা অতিক্রম করে অন্তর্বর্তী সরকার অল্প সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তিনি জুলাইয়ের চেতনায় দেশের কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক খাতে উন্নতির আহ্বান জানান। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য তিনি শুভকামনা জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জেন-জিরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা করেছেন, তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই দিক থেকে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জীবনদানকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জুলাইকন্যা’ প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাইযোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে এই মামলা করেন জুলাইযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন।
আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, নির্বাহী সদস্য সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শাহিদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালু রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লা।
বাদী গিয়াস উদ্দিন অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে চেক নিতে যান। কিন্তু চেক না পেয়ে রাজধানীর বাংলামোটর এনসিপি অফিসে গিয়ে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, জুলাই আন্দোলনের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, তাসনিম জারা ও স্নিগ্ধকে বিষয়টি জানান।
তারা তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, জুলাই ফাউন্ডেশনে গেলে চেক দেওয়া হবে। তবে উল্লিখিত আসামিরা ‘আজ না, কাল’ বলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকে। ২০২৫ সালের ৩ মে চেক নেওয়ার জন্য বাদী ফাউন্ডেশনে গেলে আসামিরা তাকে জানান, চেকের ৩ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা দিলেই ব্যাংক থেকে ক্যাশ করে চেক নিতে পারবেন। বাদী গিয়াস উদ্দিন ৫০ শতাংশ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা কৌশলে বাদীকে গোপন কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে প্রিন্স ও সাগর তার দুই হাত ধরলে শাহিদ ও সায়েম তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে শুরু করে। পরবর্তীতে বাদীকে ফেলে দিলে রডের সাথে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরবর্তীতে জ্ঞান ফিরে এলে তিনি দেখতে পান, তার শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। চিৎকার ও কান্নাকাটি করলে শাহিদ, সায়েম ও কামরুল কিল-ঘুষি দিয়ে তাকে বের করে দেয়। পরে তার ছেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বাদী তার অভিযোগে আরো বলেন, থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে কালক্ষেপণ করছে। এর আগে আরো একজন একই অভিযোগে মামলা করেছে যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ দেশব্যাপী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে, যা নানা কর্মসূচি, উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। একই সঙ্গে সেখানে সমাধিস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়।
সকালে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জিয়া উদ্যানে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
পরে, তিনি ফাতেহা পাঠ করেন এবং দলের প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত চেয়ারপার্সনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন। পরে জিয়া উদ্যানের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সমাধি প্রাঙ্গণে নেতা-কর্মীদের প্রবেশের সুযোগ উন্মুক্ত হলে সেখানে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে আসা নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানে মুখর করে তোলেন জিয়া উদ্যানের সমাধি প্রাঙ্গণ।
‘শুভ শুভ শুভ দিন, বিএনপির জন্মদিন’, ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’-এমন নানা স্লোগানে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দলীয় নেতা-কর্মীদের হাতে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং ফেস্টুন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে তাদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে শেরেবাংলা নগরে সমবেত হন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সমাধি প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি আরও বাড়তে থাকে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দিবসের সূচনায় ভোরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়সহ সারাদেশে দলের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ক্যাম্পে আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে ‘বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরাও এতে অংশ নেবেন।
এদিকে, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন ইউনিটের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বিএনপি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর তাঁর সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তাঁদের জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে দলটির নেতা-কর্মীরা অতীতের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও অর্জনের স্মৃতি স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের পথচলায় নতুন প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও আশুলিয়া থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ১১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে আশুলিয়ার ইয়ারপুর, বড়টেক মধুপুর, শ্রীপুর, কাইচাবাড়ী এবং চানপুর এলাকায়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- আশুলিয়া থানার তাজপুর এলাকার মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে আহাম্মদ আলী (৪০), কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী থানার পাঁচপাড়া (চান্দপুর, মুন্সিবাড়ী) এলাকার জাহাঙ্গীর আলম মুন্সির ছেলে মো. সাগর মুন্সি (৩৫), আশুলিয়া থানার কলতাসূতি এলাকার মো. আবু তালেব মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লা (৩০), রাজবাড়ীর পাংশা থানার শরিষা এলাকার শাহাজাহান ঢালির মেয়ে রাশিদা আক্তার রাশু (২৫), সাভার মডেল থানার আড়াপাড়া এলাকার মৃত তারা রাজবংশীর ছেলে শ্যামল রাজবংশী (৩২), মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার আবু ডাঙ্গা এলাকার মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে মো. জাফর শেখ (৪৫), সাভার মডেল থানার মজিদপুর এলাকার ফুলচাঁন বেপারীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫), গাজীপুরের কালিয়াকৈরের নিজামুদ্দিনের ছেলে রুবেল (৪০), নাটোরের নলডাঙা থানার আসমান প্রধানের ছেলে শামীম মিয়া (৪৫), রংপুরের মিঠাপুকুরের নুরুন্নবীর ছেলে রাসেল (৩৮) এবং গোপালগঞ্জ সদরের মৃত সিদ্দিক শেখের ছেলে পারভেজ (২৮)।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, অভিযান চলাকালে আহাম্মদ আলী, সাগর মুন্সি, মিলন মোল্লা, রাশিদা আক্তার রাশু, শ্যামল রাজবংশী, জাফর শেখ এবং সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানা পুলিশ অপর এক পৃথক অভিযানে আশুলিয়ার চানপুর এলাকায় রুবেল, শামীম মিয়া, রাসেল এবং পারভেজকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে ১২০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতরা একাধিক মাদক মামলার আসামি। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ী জেলার বাজারে নারীর প্রতি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার এবং শারীরিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, রাজবাড়ী জেলা শাখা।
জেলা সহ-সভাপতি শাহিনা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সদস্য ও সাবেক মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজা খানম, মহিলা পরিষদের সদস্য আইনজীবী নাজমা খাতুন এবং সদস্য কৃষ্ণা চক্রবর্তী।
বক্তারা এ সময় বলেন, "প্রকাশ্যে এভাবে নারীকে নির্যাতন মানে একজন মায়ের চরম অপমান। আমরা আর এ ধরনের ঘটনা দেখতে চাই না।"
নারীর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বক্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ