শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৮ পি.এম
মানুষের চোখের আড়ালে একটি বিশাল জগত বিদ্যমান, যা কেবল কোরআন ও সহিহ হাদিসের বর্ণনায় প্রকাশিত। আকাশমণ্ডলীর এই বিস্ময়কর স্থান বায়তুল মামুর। সপ্তম আকাশে অবস্থিত এই পবিত্র ঘরে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ফেরেশতা আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হয়ে থাকেন।
ইসলামি বর্ণনা অনুসারে, প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা বায়তুল মামুরে প্রবেশ করেন। ইবাদত শেষে ফেরেশতারা বের হয়ে যান এবং তারপর আর কখনো সেখানে ফিরে আসার সুযোগ পান না। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে নিজ চোখে বায়তুল মামুর দেখেছেন।
বায়তুল মামুর কী
‘বায়ত’ শব্দের অর্থ ঘর এবং ‘মামুর’ শব্দের অর্থ আবাদ, জনবহুল বা যেখানে নিয়মিত মানুষের যাতায়াত রয়েছে। সুতরাং, বায়তুল মামুর হলো এমন একটি আবাদ ঘর, যেখানে ফেরেশতাদের অবিরাম আনাগোনা ও ইবাদত হয়ে থাকে।
পবিত্র কোরআনের সুরা তুরে আল্লাহ তাআলা বায়তুল মামুরের শপথ করেছেন। আল্লাহ বলেন—
وَالْبَيْتِ الْمَعْمُورِ وَالسَّقْفِ الْمَرْفُوعِ وَالْبَحْرِ الْمَسْجُورِ إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَاقِعٌ مَا لَهُ مِنْ دَافِعٍ
অর্থ: ‘শপথ বায়তুল মামুরের, সুউচ্চ ছাদের এবং উত্তাল সমুদ্রের। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকের শাস্তি অবশ্যম্ভাবী। তা প্রতিহত করার কেউ নেই।’
— সুরা তুর, আয়াত ৪–৮
মিরাজের রাতে দেখেছিলেন মহানবী (সা.)
বায়তুল মামুর সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা পাওয়া যায় মিরাজের সহিহ হাদিসে। মহানবী (সা.) যখন সপ্তম আকাশে পৌঁছান, তখন তাঁকে বায়তুল মামুর দেখানো হয়।
হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, মহানবী (সা.) যখন হযরত জিবরাইল (আ.)-কে বায়তুল মামুর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি বলেন—
«هَذَا الْبَيْتُ الْمَعْمُورُ، يَدْخُلُهُ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ، إِذَا خَرَجُوا مِنْهُ لَمْ يَعُودُوا فِيهِ»
অর্থ: ‘এটি বায়তুল মামুর। প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা এতে প্রবেশ করেন। তারা একবার বের হয়ে গেলে আর কখনো এতে ফিরে আসেন না।’
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২০৭
এই হাদিস আল্লাহর সৃষ্টিজগতের বিশালতার একটি বিস্ময়কর চিত্র তুলে ধরে। প্রতিদিন নতুন ৭০ হাজার ফেরেশতা বায়তুল মামুরে ইবাদতের জন্য প্রবেশ করেন। তাঁদের প্রত্যেক দল একবার সেখানে যাওয়ার পর আর ফিরে আসে না।
ফেরেশতাদের ইবাদতের পবিত্র স্থান
মুফাসসিরদের ব্যাখ্যায়, বায়তুল মামুর ফেরেশতাদের ইবাদতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পৃথিবীতে মুসলমানরা যেমন পবিত্র কাবাঘরকে কেন্দ্র করে তাওয়াফ ও ইবাদত করেন, তেমনি আসমানের ফেরেশতারা বায়তুল মামুরে ইবাদত করেন।
তাফসিরে ইবনে কাসিরে সহিহ হাদিসের আলোকে বায়তুল মামুরে ফেরেশতাদের ইবাদত ও তাওয়াফের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অদৃশ্য জগতের বিষয় হওয়ায় বায়তুল মামুরের আকৃতি, গঠন বা অবস্থান সম্পর্কে কোরআন-হাদিসে যতটুকু তথ্য পাওয়া যায়, ততটুকুতেই বিশ্বাস সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। অনুমাননির্ভর অতিরিক্ত কোনো বিবরণকে ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ বানানো উচিত নয়।
কাবাঘরের সঙ্গে কী সম্পর্ক
মুফাসসিরদের বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, বায়তুল মামুর কাবাঘরের সরাসরি ওপরের দিকে সপ্তম আকাশে অবস্থিত। ফলে পৃথিবীতে কাবাঘর এবং আসমানে বায়তুল মামুরের মধ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ সাদৃশ্যের কথা বলা হয়।
দুনিয়ায় মানুষ কাবাঘরকে কেন্দ্র করে আল্লাহর ইবাদত করেন। আর আসমানে ফেরেশতারা বায়তুল মামুরে ইবাদত করেন। তবে বায়তুল মামুরের সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও গঠন সম্পর্কে সহিহ সূত্রে যতটুকু বর্ণনা রয়েছে, তার বাইরে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা উচিত নয়।
বায়তুল মামুরের কাছে ইব্রাহিম (আ.)
মিরাজের রাতে সপ্তম আকাশে মহানবী (সা.) হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে, তিনি বায়তুল মামুরের কাছে হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে দেখতে পান।
এই ঘটনাও মিরাজের বিস্ময়কর ঘটনাবলির অন্যতম অংশ। একই সঙ্গে এটি বায়তুল মামুরের মর্যাদা ও আসমানি জগতের সঙ্গে এর সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আনে।
আল্লাহর সৃষ্টির বিশালতার এক নিদর্শন
বায়তুল মামুর মানুষের চোখের আড়ালে এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতার সেখানে প্রবেশ, ইবাদত এবং এরপর আর ফিরে না আসার বর্ণনা আল্লাহর সৃষ্টিজগতের বিশালতা উপলব্ধির সুযোগ দেয়।
মিরাজের রাতে মহানবী (সা.)-এর বায়তুল মামুর প্রত্যক্ষ করার ঘটনা মুমিনের জন্য আল্লাহর অসীম ক্ষমতা, অদৃশ্য জগতের বাস্তবতা এবং ফেরেশতাদের বিপুল সংখ্যার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল জেমিনাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেটে প্রবেশ করে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষিত সিস্টেমে হ্যাকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা পরীক্ষার সময়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, গুগলের এআই ব্যবস্থার পক্ষ থেকে এমন কর্মকাণ্ড চালানো এটি প্রথমবারের মতো জানা ঘটনা।
এনডিটিভি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সূত্র ধরে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাসে স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইরেগুলার’ দ্বারা পরিচালিত পরীক্ষার সময় এই ঘটনাগুলো ঘটে। পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল এআই মডেলের সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি যাচাই করা।
ইরেগুলারের এক মুখপাত্র জানান, অন্যান্য এআই ল্যাবের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। জুলাইয়ের শেষ দিকে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের অংশের সব জানা সমস্যা কয়েক সপ্তাহ আগেই সমাধান করা হয়েছে।
ইরেগুলারের তথ্য অনুযায়ী, একটি ঘটনায় জেমিনাই বারবার পাসওয়ার্ড অনুমান করে একটি সুরক্ষিত সিস্টেমে প্রবেশের সক্ষমতা অর্জন করে। অন্য দুটি ঘটনায় মডেলটি একটি পাবলিক রিপোজিটরিতে থাকা প্রবেশাধিকারের তথ্য খুঁজে পায় এবং পরে ওই তথ্য ব্যবহার করে সুরক্ষিত সিস্টেমে প্রবেশ করে।
ঘটনাটি এআই এজেন্টগুলোর ক্রমবর্ধমান স্বায়ত্তশাসন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে ইন্টারনেট ও কম্পিউটার সিস্টেমে এআই মডেলগুলোর সরাসরি প্রবেশাধিকার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনিচ্ছাকৃত বা অননুমোদিত কর্মকাণ্ড ঠেকাতে কী ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ধরনের ঝুঁকি শুধু গুগলের জেমিনাইয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়নি। মেটা, অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআইও ইরেগুলারের সঙ্গে সম্পর্কিত অনুরূপ ঘটনার কথা প্রকাশ করেছে।
গত আগস্টে মেটা জানায়, তাদের সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি কোনো ‘স্যান্ডবক্স স্কেপ’ বা জটিল সাইবার আক্রমণ ছিল না। অন্যদিকে ইরেগুলার জানিয়েছে, এআই-ভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নের জন্য আরও নিরাপদ অনুশীলন ও পরীক্ষার পদ্ধতি তৈরি করা হচ্ছে।
ঘটনা সম্পর্কে রয়টার্সের পক্ষ থেকে গুগলের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে প্রায় ১৬ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তা স্থানীয় বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, শুক্রবার রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার ইছবপুর এলাকায় মিতালি ডেকোরেটার্সের মালিক প্রয়াত হারুন মিয়ার বাসা থেকে অজগর সাপটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, যখন রাতের বেলায় বাড়ির সবাই ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন পরিবারের একজন সদস্য হঠাৎ করে খাটের নিচ থেকে ‘হিস হিস’ শব্দ শুনতে পান। পরে মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালালে বিশাল এক অজগর সাপ দেখা যায়। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘাটের নিচে অজগর সাপ থাকার বিষয়টি স্থানীয় চিকিৎসক প্রলাদ বাবুকে জানানো হলে তিনি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের খবর দেন। খবর পাওয়ার পর, ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাটের নিচ থেকে অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬ ফুট এবং ওজন প্রায় ২৬ কেজি। উদ্ধারের পর অজগরটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলা জানান, অজগর নির্বিষ সাপ। এটি নিশাচর এবং খুবই অলস প্রকৃতির, প্রয়োজন ছাড়া নড়াচড়াও করে না। এই প্রজাতিটি গাছে একাকী বাস করলেও শুধুমাত্র প্রজননকালে জোড়া বাঁধে। সাধারণত মার্চ থেকে জুনের মধ্যে এদের প্রজননকাল। দেশের ম্যানগ্রোভ বন, ঘাসযুক্ত জমি, চট্টগ্রাম ও সিলেটের চিরসবুজ পাহাড়ি বনে এদের দেখা পাওয়া যায়। সাপটি সাধারণত মানুষের ক্ষতি করে না। খাদ্য হিসেবে এরা ইঁদুর, কচ্ছপের ডিম, সাপ, বন মুরগি, পাখি, ছোট বন্যপ্রাণী ইত্যাদি খায়। সাপটি নিজের আকারের চেয়েও অনেক বড় প্রাণী খুব সহজেই গিলে খেতে পারে।
জোহরা মিলা বলেন, চামড়ার জন্য সাপটি পাচারকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ফলে আমাদের বনাঞ্চল থেকে এটি দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ এর তফশিল-২ অনুযায়ী এ বন্যপ্রাণীটি সংরক্ষিত, তাই এটি হত্যা বা এর যে কোনো ক্ষতি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ভবিষ্যতে কোনো বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত হয়ে হত্যা না করে বন বিভাগ বা বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেওয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে।
নতুন নীতিমালার আওতায়, দেশের বিভিন্ন স্তরের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হবে। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষক নগদ এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ পাবেন। প্রতি বছর ৫ অক্টোবর সারাদেশে একযোগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারিকৃত নীতিমালার ভিত্তিতে, উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে দিবসটি উদযাপন করা হবে। দিবসটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
নীতিমালায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউনেস্কো ঘোষিত প্রতিপাদ্যের আলোকে দিবসটি উদযাপন, সমাজের সব স্তরে শিক্ষকদের ভূমিকা ও অবদান তুলে ধরা এবং গুণী শিক্ষক সম্মাননার মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।
নীতিমালার ৫.১ ধারা অনুযায়ী, মোট ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে (১০ জন) সাধারণ শিক্ষা থেকে ৫ জন এবং মাদরাসা শিক্ষা থেকে ৫ জন নির্বাচিত হবে।
মাধ্যমিক পর্যায়ে (২০ জন) সাধারণ শিক্ষা থেকে ১০ জন, কারিগরি শিক্ষা থেকে ৫ জন এবং মাদরাসা শিক্ষা থেকে ৫ জন সম্মাননা পাবেন। কলেজ পর্যায়ে (২৫ জন) সাধারণ শিক্ষা থেকে ১৫ জন, কারিগরি থেকে ৫ জন এবং মাদরাসা থেকে ৫ জন নির্বাচিত হবে।
সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (২০ জন) সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ জন এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫ জন নির্বাচিত হবে। বিশেষায়িত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের (২০ জন) মধ্যে চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ জন নির্বাচিত হবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্বাচিত ৫ জন শিক্ষকও এই সম্মাননা পাবেন।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশেষ প্রয়োজনে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি সম্মাননার স্তর ও সংখ্যা পরিবর্তন করার অধিকার রাখবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, গুণী শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিটি ক্যাটাগরির বিপরীতে তিনজনের প্যানেল তৈরি করে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পাঠাবে।
একইভাবে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য প্রতিটি ক্যাটাগরির বিপরীতে তিনজনের প্যানেল প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পেশ করবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ থেকে ২০ গ্রেডে চাকরির জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। অনলাইনে আবেদন করার শেষ তারিখ ১ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারিত হয়েছে। হার্ডকপি জমা দেওয়ার শেষ সময় ৫ অক্টোবর ২০২৬।
চাকরির বিবরণ
১. পদের নাম: রেজিস্ট্রার
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।
২. পদের নাম: পরিচালক
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।
৩. পদের নাম: পরিচালক
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।
৪. পদের নাম: পিএস টু ভিসি (সহকারী রেজিস্ট্রার)
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৭) ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা
৫. পদের নাম: ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ২
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
৬. পদের নাম: গাড়িচালক
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা
৭. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-২০) ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা
আবেদনের নিয়ম
আবেদন করতে হবে jobs.cstu.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পর আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের হার্ড কপি জমা দিতে হবে। ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য ৭ সেট এবং ৫ থেকে ৭ নম্বর পদের জন্য ৫ সেট আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ
অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
হার্ড কপি ৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টার মধ্যে সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে।
ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, অস্থায়ী ক্যাম্পাস, হোল্ডিং নং-০৯৩৭-০২, খলিশাডুলি, ওয়াপদা গেইট, কুমিল্লা রোড, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর-৩৬০০।
আবেদন ফি
১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা; ৫ ও ৬ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ৭ নম্বর পদের জন্য ৫০ টাকা। অনগ্রসর নাগরিক, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সব গ্রেডে আবেদন ফি ৫০ টাকা। সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য।
নির্দেশনা
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের পূর্বে যেসব প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল, তাদের পুনরায় আবেদন করতে হবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ