ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দর্শকের হাতে যাওয়া বল ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ জানুন


দর্শকের হাতে যাওয়া বল ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ জানুন

ফুটবল ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড়দের শক্তিশালী শট বা ক্লিয়ারেন্স প্রায়ই গ্যালারিতে গিয়ে পড়ে। যখন বলটি সমর্থকের হাতে আসে, তখন তিনি কিছু সময় উল্লাস করেন, ছবি তোলেন কিংবা স্মরণীয় মুহূর্তটি উপভোগ করেন। তবে সবশেষে বলটি মাঠে ফিরিয়ে দিতেই হয়। প্রশ্ন হলো, দর্শক সেই বল স্মারক হিসেবে কেন নিজের কাছে রাখতে পারেন না?

এর পেছনে ফুটবলের দীর্ঘ সময়ের প্রথা এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত বাস্তবতা রয়েছে। অতীতে একটি ম্যাচে একটিমাত্র বলই ব্যবহৃত হত। সেক্ষেত্রে বল গ্যালারিতে চলে গেলে যদি সেটি ফিরিয়ে না আসত, তখন খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত। এজন্য দর্শকদের বল মাঠে ফিরিয়ে দেওয়ার একটি অলিখিত নিয়ম গড়ে উঠেছিল, যা আজও অনুসরণ করা হয়।

বর্তমানে একই ম্যাচে একাধিক বল ব্যবহার করা হলেও সেই প্রথা অক্ষুণ্ন রয়েছে। ম্যাচের বল দর্শকদের ব্যক্তিগত স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অন্য একটি কারণ হলো প্রযুক্তি। আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্যবহৃত বলের মধ্যে উন্নত প্রযুক্তির সংযোজন করা হয়েছে। বলের ভেতরে বিশেষ চিপ ও মোশন সেন্সর থাকে, যা ম্যাচ চলাকালে বলের গতি, অবস্থান এবং স্পর্শসহ বিভিন্ন তথ্য রিয়েল-টাইমে সংগ্রহ করে। এই তথ্য মাঠে থাকা ট্র্যাকিং ক্যামেরা ও ভিডিও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবহৃত হয়।

এই উন্নত প্রযুক্তির কারণে প্রতিটি ম্যাচের বল তৈরির খরচও অনেক বেড়ে যায়। তাই বল হারিয়ে যাওয়া কিংবা দর্শকদের কাছে থেকে যাওয়া আয়োজকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যদিও এ বিষয়ে ফিফার কোনো প্রকাশ্য নির্দেশিকা নেই, তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘ দিন ধরে প্রচলিত নিয়ম ও ম্যাচ পরিচালনার স্বার্থে গ্যালারিতে চলে যাওয়া বল দ্রুত মাঠে ফিরিয়ে দেওয়াই স্বীকৃত রীতি। এই কারণে ম্যাচে ব্যবহৃত বল দর্শকরা স্মারক হিসেবে নিজের কাছে রাখতে পারেন না।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার দুর্ভোগে রাঙামাটি, আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ৪ হাজারের বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


বন্যার দুর্ভোগে রাঙামাটি, আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ৪ হাজারের বেশি মানুষ

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় টানা ভারী বর্ষণের পরিমাণ কিছুটা কমে আসলেও জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। গতকাল থেকে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় প্লাবিত গ্রামগুলোর পানি কমেনি, তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। বড় স্বস্তির খবর হচ্ছে, সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে আটকে পড়া বাকি সব পর্যটকদের শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদ স্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

রাঙ্গামাটি আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাঙ্গামাটিতে ৯২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমলেও, পাহাড় ধসের ঝুঁকি এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে এখনো জেলার একটি বিশাল জনগোষ্ঠী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় অতিবর্ষণের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩৯২ জন মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। পুরো জেলায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া লোকজনদের খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান এমপি নানিয়ারচর উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজনদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। এছাড়াও দুবাইয়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঁচ শতাধিক লোকের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। বাঘাইছড়ি পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাঘাইছড়িতে বর্তমানে ১২৯টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।

তথ্যমতে, বাঘাইছড়ি উপজেলায় মোট ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৫১৮ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। নিউ লাল্যঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে এককভাবে ১ হাজার ১০০ জন মানুষ অবস্থান করছেন। এদিকে জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০৯ জন এবং রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে ৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া, কাউখালী উপজেলার আরটিএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬০ জন, কাপ্তাই উপজেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৯৮ জন, বিলাইছড়ি উপজেলার ৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১২২ জন, বরকল উপজেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১১৮ জন, রাজস্থলী উপজেলার তাইতং পাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮ জন, নানিয়ারচর উপজেলার ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ জন এবং জুরাছড়ি উপজেলার জামুড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

দুর্যোগের কারণে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলায় মোট পাহাড় ধসের সংখ্যা ১০৪ টি। এর মধ্যে বিলাইছড়িতে ৩৭টি, কাউখালীতে ৩০টি, কাপ্তাইয়ে ৩টি, বাঘাইছড়িতে ১৫টি, রাঙ্গামাটি সদরে ১৩টি, নানিয়ারচরে ২টি এবং লংগদুতে ৪টি পাহাড় ধসের ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ হয়েছে।

বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত সকল লোকজনকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবারসহ প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি প্রদান করা হচ্ছে। একই সাথে বন্যা এবং দুর্যোগ কবলিত এলাকার পানিবন্দি সাধারণ মানুষকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। পাহাড়ের পাদদেশে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে থাকা নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে বা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং ও সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের চেতনার বিরোধিতা গ্রহণযোগ্য নয়: ফয়জুল করীম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


জুলাইয়ের চেতনার বিরোধিতা গ্রহণযোগ্য নয়: ফয়জুল করীম

সরকারের জুলাইবিরোধী কোনো অবস্থান গৃহীত হবে না, এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরের সময় তিনি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবতায়নের দাবিতে আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশে এই বক্তব্য তুলে ধরেন।

ফয়জুল করীম বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে সরকার যদি প্রতারণা করে, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না।

তিনি গাইবান্ধায় রামমুর্তি নির্মাণের চেষ্টা ভারতের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও উল্লেখ করেন।

এ সময় দলের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, যদিও নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, তবুও দেশে কোনো মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি।

গাজী আতাউর রহমান আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবতায়ন না করলে আবারও রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলিম ও কারিগরি পরীক্ষার স্থগিতের তালিকায় যেসব জেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


আলিম ও কারিগরি পরীক্ষার স্থগিতের তালিকায় যেসব জেলা

বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন ৫টি জেলায় শনিবারের (১১ জুলাই) আলিম এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বোর্ডের সকল জেলা এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের ১১ জুলাই শনিবারের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

তবে অন্যান্য জেলায় শিক্ষাবোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের শনিবারের পরীক্ষা যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে চট্টগ্রাম বোর্ড থেকে দেওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের অধীন পাঁচটি জেলায় শনিবার অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

জেলার মধ্যে পাঁচটি হচ্ছে- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাইফুন বাভির প্রভাবে ফিলিপাইনে ভূমিধস, ৫ জনের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


টাইফুন বাভির প্রভাবে ফিলিপাইনে ভূমিধস, ৫ জনের প্রাণহানি

 সর্বশেষ তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় টাইফুন বাভি বর্তমানে তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে। টাইফুনটির প্রভাবে ফিলিপাইনে ভূমিধসে অন্তত পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে তাইওয়ানে এক সহস্রাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার এবং শনিবার টাইফুন বাভি তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল এবং জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমের দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে আঘাত হানবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এরপর এটি চীনে আছড়ে পড়তে পারে। চলতি সপ্তাহের প্রাণঘাতী ঝড়ে চীন ইতোমধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।

তাইওয়ানের কিলুং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়। ফিলিপাইনের পুলিশ জানায়, বাভির প্রভাবে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টিপাতে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে ভূমিধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন আরও ছয়জন।

তাইওয়ানের বন্দরনগরী কিলুংকে দ্বীপটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেখানে বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী মজুত করেছেন। জানালায় টেপ লাগিয়েছেন এবং দোকানের সামনে বালুর বস্তা সাজিয়ে রেখেছেন। কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা মেনে তারা আগাম প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সোমবার সুপার টাইফুন হিসেবে গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার পর প্রশান্ত মহাসাগর অতিক্রমের সময় বাভির শক্তি কিছুটা কমে টাইফুনে পরিণত হয়।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানিয়েছে, শুক্রবার বাভির সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার। বৃহস্পতিবারের তুলনায় এটির গতি কিছুটা কমেছে।

সিডব্লিউএর আবহাওয়াবিদ ওয়াং পিং-শিয়াং এএফপিকে বলেন, ‘পরিবেশগত পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে টাইফুনটি আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি জানান, ‘তাইপে, নিউ তাইপে, কিলুং ও ইলান সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে এবং মধ্য ও উত্তর তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।’

বাভির প্রবল বাতাসের বিস্তৃতি ৩৮০ কিলোমিটার। ফলে এটি ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে তাইওয়ানে আঘাত হানা সবচেয়ে বড় টাইফুন হতে চলেছে।

শুক্রবার রাজধানী তাইপেসহ উত্তর ও পূর্ব তাইওয়ানের বহু স্কুল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শত শত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।

কিলুংয়ে বাসিন্দারা তাজা ফল ও সবজি কিনতে বাজারে ভিড় করছেন। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা তাঁদের স্টল সুরক্ষিত করছেন। একটি মন্দির কর্তৃপক্ষও ঝড়ের আগে বাইরে থাকা একটি মূর্তি ঢেকে বেঁধে রাখছে।

বাভির প্রভাবে কোথাও কোথাও এক মিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এই কারণে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য হুয়ালিয়েন কাউন্টিতে দুইটি প্রাকৃতিক বাঁধ পর্যবেক্ষণে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। এখানে বেশি ঝুঁকি থাকায় সহস্রাধিক মানুষকে বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বাভিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন এলাকার মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০ সহস্রাধিক সেনাসদস্যের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও যানবাহন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জাপানের দূরবর্তী সাকাশিমা দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি এলাকায় টাইফুনের কারণে স্কুল ও অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা উঁচু ঢেউ, ঝড়ো আবহাওয়া ও ভূমিধসের সতর্কতা দিয়েছেন।

জাপানের দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনে এবং তাইওয়ানের উত্তর প্রান্ত অতিক্রম করে সপ্তাহান্তে পূর্ব চীনে বাভির আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%