শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১০ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অক্টোবর মাসে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা কয়েক দিনের ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি ছুটির সঙ্গে ঐচ্ছিক ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা ৭ দিন পর্যন্ত ছুটি নিতে পারবেন। তবে, এই সুবিধা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজার মূল সরকারি ছুটি ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হবে। মহানবমী উপলক্ষে এদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে।
এছাড়া, সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে। ১৮ অক্টোবর (রোববার) মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর (সোমবার) মহাষ্টমী উপলক্ষে ঐচ্ছিক ছুটি গ্রহণ করতে পারবেন তারা।
১৮ ও ১৯ অক্টোবরের ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২০ ও ২১ অক্টোবরের সরকারি ছুটি মিলিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা চারদিন ছুটি ভোগ করার সুযোগ পাবেন।
২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) এক দিনের ছুটি নেওয়া হলে এরপরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হবে। ফলে, সব মিলিয়ে একটানা ৭ দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রয়েছে।
অন্য ধর্মাবলম্বী সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে, সরকারি ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) এক দিনের ছুটি নিতে পারলে তারা টানা পাঁচদিন ছুটি ভোগ করার সুযোগ পাবেন।
দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু শাখা বা নির্দিষ্ট ব্যাংকিং সেবা চালু থাকতে পারে। এছাড়া, এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিরাপদ বাংলাদেশ উপহার দিতে চাই।"
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় নড়াইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃংখলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় বিষয়ক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশকে আধুনিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এজন্য ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল স্তরের জনগণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদানের জন্য কাজ চলছে।
সভায় জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, পুলিশ সুপার মো. আল মামুন শিকদার, গণপূর্ত নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মু. সরোয়ার হোসেইন, সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রশিদ, নড়াইল জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল গফফার, নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আকবর আহম্মদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিংকন বিশ্বাস, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম মুস্তাফিজুর রহমান, কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শাহিন উদ্দীন, নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল সরোয়ার এবং নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমএম মাহবুবুর রশিদ লাবলু প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কোস্ট গার্ড গভীর সমুদ্র থেকে ৮ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে, যাদের একটি ফিশিং বোট ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসছিল।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১১টার দিকে, সুন্দরবনের কোকিলমনি থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে মাছ আহরণ করতে গিয়ে একটি ফিশিং বোট ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকে। পরবর্তীতে, মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসার পর, ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় ওই বোটের একজন জেলে বোট মালিককে ফোন করে ঘটনাটি জানায় এবং কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের কাছে সাহায্য চায়।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, কোস্ট গার্ড স্টেশন কোকিলমনি দ্রুত একটি উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং গভীর সমুদ্র থেকে বিকল বোটসহ ৮ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
উদ্ধারকৃত জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় খাবারও দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে, বোটসহ উদ্ধৃত জেলেদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য হলো সুস্থ জীবনযাপন এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় এই দৌড় প্রতিযোগিতায় নারী ও পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সের তিনশতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে।
‘মর্নিং হেলথ ক্লাব সৈয়দপুর’-এর উদ্যোগে শহরের রংধনু পার্ক থেকে সকাল ৬টায় শুরু হয় এই দৌড় প্রতিযোগিতা। এতে ৩ কিলোমিটার, ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং ৯ কিলোমিটার এই তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণকারীরা দৌড়ান।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সৈয়দপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলজার আহমেদ, যিনি বেলুন উড়িয়ে এই আয়োজনের সূচনা করেন। এরপর আয়োজকদের বাঁশির সংকেতের সঙ্গে সঙ্গে রংধনু পার্ক থেকে শুরু হয় দৌড়ের প্রতিযোগিতা।
প্রতিযোগীরা রংধনু পার্ক থেকে দৌড় শুরু করে পার্শ্ববর্তী পার্বতীপুর উপজেলার চাকলাবাজার ঘুরে আবার রংধনু পার্কে এসে দৌড় শেষ করেন।
গ্রামীণ সড়কজুড়ে আয়োজিত এই ম্যারাথনে বৃষ্টির মধ্যে অংশগ্রহণ করেন সৈয়দপুর উপজেলার এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নানা বয়সী ও পেশার নারী-পুরুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে হাত উঁচিয়ে এবং করতালি দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ জোগান।
অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুই কিলোমিটার অন্তর তিনটি পয়েন্টে কলা, শরবত, খেজুর এবং পানির ব্যবস্থা রাখা হয়।
মর্নিং হেলথ ক্লাব সৈয়দপুর-এর আয়োজকরা জানান, ৯ কিলোমিটার দৌড় শেষ করতে সর্বনিম্ন সময় লেগেছে ৩৫ মিনিট ১১ সেকেন্ড। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের হাতে মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
আয়োজকরা বলেন, "সৈয়দপুরে সুস্থ জীবনযাপন এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে আমাদের এই আয়োজন।" তারা আরও জানান, দৌড় কিংবা হাঁটাচলায় সব বয়সী মানুষকে আগ্রহী ও উৎসাহিত করার জন্য আজকের মিনি ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।
তারা বলেন, "নিয়মিত শরীরচর্চা মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।" ভবিষ্যতে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
তিনি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো দেশ কখনো শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, সরকার সেই পরিবেশ গঠনে কাজ করছে।
নিজের স্বপ্নের বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, তরুণরা নির্ভয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে, নারীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পথ চলবে এবং শিশুরা পূর্ণ বিকাশ নিয়ে বেড়ে উঠবে—এমন একটি সমাজ আমরা চাই। এ জন্য আমাদের মূল নীতিই হচ্ছে—'সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ'।
দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বহাল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান।
ভাষণের শেষ অংশে বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘের নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং বিদায়ী সভাপতি এনালেনা বেয়ারবককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ