রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০২ পি.এম
মায়ের বুকের দুধ আল্লাহ তাআলার একটি বিশেষ নেয়ামত, যা শিশু সন্তানের জন্য অপরিহার্য। শিশুর জন্মের পর, মায়ের বুকের দুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে, সন্তানের জন্মের পর মায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো শিশুকে বুকের দুধ পান করানো। ইসলামের দৃষ্টিতে, নবজাতক শিশুর জন্য মায়ের দুধ একটি জন্মগত অধিকার।
তবে, বিভিন্ন কারণে একজন নারীর ওপর গোসল ফরজ হতে পারে। এই অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, তিনি কি সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতে পারবেন? মায়ের অপবিত্রতা কি শিশুকে দুধ পান করানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করে? এ অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো শরিয়তসম্মত কি না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা রয়েছে।
ইসলামি শরিয়তে পবিত্রতা ও অপবিত্রতার বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নামাজ, তাওয়াফসহ বিভিন্ন ইবাদতের ক্ষেত্রে পবিত্রতা অর্জন করা জরুরি। তবে, শরিয়তের প্রতিটি কাজের জন্য একই ধরনের পবিত্রতার বিধান প্রযোজ্য নয়। তাই, কোনো নারীর ওপর গোসল ফরজ হওয়া মানেই তার সব ধরনের দৈনন্দিন কাজ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে, এমনটি নয়।
রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগের প্রধান মুফতি আব্দুর রহমান হোসাইনী বলেন, "গোসল ফরজ অবস্থায়ও মা তার সন্তানকে দুধ পান করাতে পারবেন। এ জন্য মায়ের পবিত্র থাকা শর্ত নয়। অপবিত্র অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো নাজায়েজ বা হারাম নয়।"
তবে, যদি কোনো নারী এ অবস্থায় দুধ পান করানো থেকে বিরত থেকে পবিত্র অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানোর প্রতি যত্নশীল হন, তবে তা পরহেজগারি ও তাকওয়ার একটি আমল হিসেবে গণ্য হবে। এর নূর, বরকত, ভালো প্রভাব ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সন্তানের মধ্যেও প্রকাশ পাবে ইনশাআল্লাহ। (ফতহুল বারি: ১/৩৯১, দারুল ফিকর প্রকাশনী; ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া: ১৪৪২০৩২০১২৫৮)
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের কৃষি খাতের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহতকরণ এবং পল্লী অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে হিমাগার নির্মাণ, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার আওতায় দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে এই অর্থ ছাড় করা হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মোসা. ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই ঋণের আওতায় পোল্ট্রি ফার্ম, ডেইরি ফার্ম প্রতিষ্ঠা এবং গুদামজাত বা হিমাগারকৃত কৃষি পণ্যের বিপরীতে ব্যাংকগুলো নিয়ম মেনে ঋণ সুবিধা প্রদান করছে।
মন্ত্রী আরও জানান, দেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। গত ৬ জুলাই জারি করা এসিডি-১ সার্কুলার নম্বর-২ এর মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিলের আওতায় আধুনিক ও পরিবেশ-বান্ধব হিমাগার নির্মাণসহ শস্য-ফসল, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি খাত এবং আয় উৎসারী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সার্বিক কৃষি মূল্য শৃঙ্খলে ঋণ প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া, দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা তৈরির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ৮ জুন জারি করা এসিডি সার্কুলার নম্বর-০১ এর মাধ্যমে গঠিত ১০ হাজার কোটি টাকার অপর একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে পল্লী ঋণের অর্থ ছাড় অব্যাহত রয়েছে। সরকার মনে করছে, এই তহবিলের সঠিক ব্যবহার গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ‘রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড একাডেমিক মেন্টরশিপ’ (Research Abstract Development and Academic Mentorship) শীর্ষক একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের কনফারেন্স রুমে এই কর্মশালার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
এ কর্মশালাটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) ডিসিপ্লিন এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (সিজেএন) বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করে। জার্মান কোঅপারেশনের ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমি এই কর্মশালায় সার্বিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব প্রদান করে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সারা মনামী হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী অধ্যাপক মো. মাহদী আল মুহতাসিম নিবিড়ের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিজেএন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো, ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন অধ্যাপক শেখ শরাফত হোসেন।
দিনব্যাপী এই কর্মশালায় দুটি পৃথক টেকনিক্যাল সেশনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রথম সেশনে ‘গুণগত গবেষণার দর্শন ও উপাত্ত বিশ্লেষণ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার চন্দ। দ্বিতীয় সেশনে ‘পরিমাণগত গবেষণা: উপাত্ত সংগ্রহ থেকে পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন অধ্যাপক ড. জিয়াউল হায়দার।
কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্দান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম IFEA World Endodontic Congress 2026-এ বাংলাদেশের Country Representative Speaker হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) এবং কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি অ্যান্ড এন্ডোডন্টিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।
এ তথ্য শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ থেকে ৩০ আগস্ট সিডনির International Convention Centre Sydney (ICC Sydney)-তে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক কংগ্রেসে বিশ্বের ৫৬টি দেশের ৯৯৪ জন খ্যাতনামা এন্ডোডন্টিক বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং ডেন্টাল পেশাজীবী অংশ নেন। কংগ্রেসে সমসাময়িক এন্ডোডন্টিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং গবেষণা নিয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক অধিবেশন, আলোচনা ও উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ২৮ আগস্ট বাংলাদেশের Country Presentation সেশনে ‘Impact of Trauma in Endodontic Outcome’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা করেন। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনে এন্ডোডন্টিক চিকিৎসার আধুনিক প্রযুক্তি, ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদারের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের এন্ডোডন্টিক শিক্ষা, চিকিৎসা এবং গবেষণার আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিনিধিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিল্পখাতে কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের জন্য ৩টি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও প্রযুক্তি জায়ান্ট ওয়ালটন।
জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে ওয়ালটনকে ‘এক্সিলেন্স ইন অক্যুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইম্প্রুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট এ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসের সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী।
সেসময় ওয়ালটন হাই-টেকের পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক, সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। এই সম্মাননা নিরাপদ কর্মপরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ওয়ালটনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ধারাবাহিক অগ্রগতির এক স্বীকৃতি। যা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও কার্যক্রমকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি আরও জানান, ওয়ালটন টেকসই উন্নয়নকে ব্যবসার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। তাই শিল্পখাতের টেকসই উন্নয়নে কারখানার উৎপাদন পক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি ও নীতি অনুসরণ করছে ওয়ালটন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে তারা কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ালটন কারখানায় প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দূঘটনা রোধের পাশাপাশি কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে টেকসই পণ্য উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে এনার্জি ইফিশিয়েন্সি, সবুজ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহারের প্রতি ওয়ালটন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এসব কার্যক্রম ও অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ এর প্রথম আসরেই তিনটি ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর ওয়ালটন বর্ষসেরা টেকসই ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিসহ জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি ইফিশিয়েন্ট তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ