ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন খারিজ


হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন খারিজ

হামের কারণে মেয়ের অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে এক বাবার দেওয়া মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক জানান, মামলাটি গ্রহণ করার তেমন উপাদান না থাকায় আদালত কর্তৃক খারিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

গত ৫ জুলাই সকালে আদালতে ৯ মাস বয়সী সাউদা নুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনটি জমা দেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের নিশ্চয়তা দেয়। পরে জানানো হয়, ১২ জুলাই এই বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

ড. ইউনূস এবং নূরজাহান ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমকে মামলায় আসামি করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষে এবং মার্চের শুরুতে শরীয়তপুর সদরের নয় মাস বয়সী সাউদা মুসকান মারাত্মক জ্বরে আক্রান্ত হন। স্থানীয় চিকিৎসার ফল না আসায় শিশুটিকে মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাকার মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২২ মার্চ স্থানান্তর করা হয়।

মহাখালীর চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলতে গিয়ে বলা হয়েছে, বাদীর স্ত্রীর হাতে ২৬ মার্চ অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু শিশুর মা ব্যর্থ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে তা লাগিয়ে দেন। এর ঘণ্টা দুই পর শিশুটি মারা যায়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

মামলার আর্জিতে বলা হয়, শিশুদের টিকার যোগান সময়মতো না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মারাত্মক খামখেয়ালিপনা’ ও অবহেলার কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে সাউদা মুসকানও একটি।

এগুলোতে অভিযুক্তদের কোনোভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকার পরও হামজনিত শিশু মৃত্যুর প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ তারা গ্রহণ করেননি; এজন্য তারা এক্ষেত্রে দায়ী এবং প্রচলিত আইনে শান্তি পাওয়ার যোগ্য।

এর পূর্বে একই ধরনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মুহাম্মদ ইউনূস, নূরজাহান বেগমসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আবেদন খারিজ হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানা ভবন ভাঙার সময় বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হওয়ার পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


থানা ভবন ভাঙার সময় বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হওয়ার পর

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার পুরনো ভবন ভাঙার কাজ চলাকালীন একটি বোমাসদৃশ বস্তু মাটির নিচে বিস্ফোরিত হয়ে যায়। এই বিস্ফোরণের ফলে দুই নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছেন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর দেড়টার সময়ে থানা চত্বরের ভেতরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত শ্রমিকেরা হচ্ছেন, উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকার গফফার মোড়লের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২) এবং একই এলাকার কামরুল হাসান (৩০)। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, পুরানো থানার ভবনটি ভাঙার কাজের অংশ হিসেবে শ্রমিকরা ভবনের ফ্লোরের নিচের মাটি অপসারণের কাজ করছিলেন। ঠিক ওই সময় বাজারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা গফফার মোড়লের ছেলে শ্রমিক রফিকুল ইসলাম (৪২) কোদাল দিয়ে মাটির ওপর আঘাত করলে মাটির নিচে একটি বোমাসদৃশ বস্তু বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণের ফলে রফিকুলের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লেগেছে। এমনকি একই সময়ে পাশে থাকা অপর শ্রমিক কামরুলের ডান পায়ে গুরুতর জখম হয়।

এই ঘটনার পর এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণের প্রকৃতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হলেও পুলিশ বলছে, এটি ককটেল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, পুরনো থানার ভবনের মাটি সরানোর সময় এক শ্রমিকের কোদালের আঘাতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে এটি ককটেল মনে হচ্ছে না। এটি আতশবাজি জাতীয় কোনো বস্তু হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠিকাদার উধাও, সেতুর কাজ ফেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ঠিকাদার উধাও, সেতুর কাজ ফেলে

খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের জন্য সেতুর নির্মাণ কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হবে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে উধাও হয়ে যাওয়ায় ভাঙা সাঁকো দিয়ে হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন।

কপোতাক্ষ নদের ওপর শালিখা সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর শুরু হয়েছিল। এলজিইডির উদ্যোগে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁকা-পাটকেলঘাটা সড়কে ৬৬ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালের আগস্টে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ইতোমধ্যে ঠিকাদার ৪ কোটি ৪৫ লাখ, ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকা তুলে নিয়েছেন। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন ও যন্ত্রপাতি রাতের আঁধারে সাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

তাহলে তালা উপজেলার খেশরা, শালিখা, বালিয়া, জালালপুর ও মাগুরা ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছেন। সাইকেল, ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান ও মোটরসাইকেলও এই ঝুকিপূর্ণ সাঁকোর ওপর দিয়ে চলাচল করছে।

কাটিপাড়া বাজার, বাঁকা বাজার, পাইকগাছা, কয়রা, আশাশুনি ও সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে প্রতিদিন হাজারো মানুষ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ করে থাকেন।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ঠিকাদারকে একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও কোন সাড়া না মেলায় ২০২৩ সালের ১০ মার্চ ২৮ দিনের চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করে কাজ বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এস এ-জেডটি (জেভি)’ পুরোপুরি উধাও হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির এস এ-জেডটি (জেভি) জিয়াউল হাসান টিটুর বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব জানান, আপাতত শালিখা ব্রিজের কাজ বন্ধ রয়েছে। আমরা বারবার কার্যাদেশটি বাতিলের জন্য জেলা অফিসে সুপারিশ করেছি। কাজটি বাতিল হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে।

পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এই সেতুর কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদার পালিয়ে গেলেও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেই। এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তির শেষ কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১, সর্বোচ্চ প্রাণহানি কক্সবাজারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১, সর্বোচ্চ প্রাণহানি কক্সবাজারে

টানা ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাত জেলার বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা বন্যায় প্লাবিত হয়ে গেছে।

এ পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য। দুর্গত মানুষের জন্য খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে ক Cox's Bazar এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। সেখানে মারা গেছেন ২৮ জন, নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে, চট্টগ্রামে মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন।

সবচেয়ে বেশি মানুষ চট্টগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জেলার ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং পানিবন্দি রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানায়, বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা যায়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, চাল, নগদ অর্থসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার খেলা দেখে কুড়াল নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার ঘরে হামলা প্রধান শিক্ষকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


আর্জেন্টিনার খেলা দেখে কুড়াল নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার ঘরে হামলা প্রধান শিক্ষকের

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে কুড়াল নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ আটক করেছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে গোসাইরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার আলাউলপুর ইউনিয়নের চর জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিএম জসিম, রেইনকোট, মুখে মাস্ক ও চোখে সানগ্লাস পরিহিত অবস্থায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তিনি সঙ্গে থাকা এক ব্যাগ থেকে একটি কুড়াল বের করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাকিল আহমেদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান।

কুড়ালের আঘাতে শাকিল আহমেদ আহত হন। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীকে নিবৃত্ত করেন এবং আহত কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকে রেখে গোসাইরহাট থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শিক্ষকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাকে অসংলগ্ন কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলছেন, "আমি সকালে টাইগার খেয়েছি, আর্জেন্টিনার খেলা দেখেছি। এরপর কী হয়েছে, আমি জানি না।"

আহত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক বিএম জসিমের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে তিনি একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন এবং তাকে জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরপর এই ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে মুখ ঢেকে কার্যালয়ে এসে তার ওপর কুড়াল দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, সহকর্মীরা দ্রুত এগিয়ে না এলে আরও ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যেতে পারত। বর্তমানে তিনি থানায় অবস্থান করছেন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%