বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৭ পি.এম
ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সারাদেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছে।
এই চিঠিটি গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যালয়ে প্রেরিত হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগের মতো ভোটার স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং সার্বিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে তা ইস্যু ও নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরসংক্রান্ত পূর্ববর্তী আবেদনগুলো গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য ২ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছিল। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং নাগরিকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম পুনরায় চালুর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) বড় ধরনের উর্ধমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ১ জুলাই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের প্রবাসীরা ৮০২ কোটি ২০ লাখ (৮.০২২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৭০৬ কোটি ৪০ লাখ (৭.০৬৪ বিলিয়ন) ডলার। ফলে প্রবাসী আয় প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২১৯ কোটি ৬০ লাখ (২.১৯৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর ফলে কেবল সেপ্টেম্বরের এই সময়েই প্রবাসী আয় ১.৫ শতাংশ বেড়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর একদিনেই ৬ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে।
প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতির ফলে দেশে মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকাকে শক্তিশালী করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, যা মুদ্রা বাজারের ওপর চাপ অনেকাংশে কমিয়ে এনেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডলারের দর সম্প্রতি ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে কমে ১২৩ টাকায় নেমে এসেছে। গত সাড়ে পাঁচ বছর ধরে টাকার মান ধারাবাহিকভাবে কমার যে প্রবণতা চলছিল, প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে সেই ধারায় ইতিবাচক পরিবর্তনের সংকেত দেখা যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে ডিজিটাল ব্যাংক চালুর জন্য আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক অনুমোদন লাভ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিকাশ, রবি, বাংলালিংক ও স্কয়ারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত চারটি নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রাথমিক সম্মতিপত্র বা লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি পূর্বে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
নতুন চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হচ্ছে বিকাশের শেয়ারধারীরা। বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।
নোভা ডিজিটাল ব্যাংকটি বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়েছে। ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা হচ্ছে ভুটানের ডিকে ব্যাংক। একই সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান মন্তব্য করেন, “আজকের পর্ষদ সভায় আগে অনুমোদন পাওয়া কড়িসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) প্রদান করা হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে তাদের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে।”
এর আগে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন গ্রহণ করেছিল। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়। ওই সময় ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা, মোবাইল অপারেটর ও মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন কারণে এসব আবেদনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ নানা পরিস্থিতির কারণে তখন প্রক্রিয়াটি এগোয়নি। ওই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আহসান এইচ মনসুর।
পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর নতুন করে আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। আগের ১৩টি আবেদনের মধ্য থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।
এলওআই পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত পূরণ হলে তাদের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে। এরপরই ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ পাবে প্রতিষ্ঠানগুলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভাওড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া নদীর ওপর নির্মাণের ছয় বছর অতিবাহিত হলেও এলাকার মানুষ ব্রিজের সুফল থেকে বঞ্চিত রয়েছে। মূল ব্রিজের নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় বর্তমানে সংযোগ সড়কের (অ্যাপ্রোচ রোড) নির্মাণকাজে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা। এর ফলে স্থানীয় হাজারো মানুষ প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে অচল অবস্থায় থাকা এই ব্রিজে উঠতে স্থানীয়দের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতে হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কামারপাড়া নদীর ওপর ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯০ মিটার দীর্ঘ ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, এখনো ব্রিজের রেলিং নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে। মূল কাঠামোর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ভূমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সংযোগ সড়কের নির্মাণ দীর্ঘদিন আটকে ছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুন মাসে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হলেও গত ১৫ মাসে তার অর্ধেকও সম্পন্ন হয়নি। ফলে স্থানীয়দের বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো বেয়ে ব্রিজে উঠে নদী পার হতে হচ্ছে।
সরেজমিনে কামারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, জনদুর্ভোগের এক চরম চিত্র। ব্রিজের উত্তর পাশে নামমাত্র কিছু মাটি ফেলে সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হলেও তা এখন প্রায় বন্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান একদিন কাজ করলে সাতদিন কাজ বন্ধ রাখে। ফলে মূল রাস্তা থেকে প্রায় ৫০ ফুট খাড়া ও আঁকাবাঁকা ঢালু পথ বেয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে মানুষ ব্রিজে উঠছেন। অন্যদিকে, ব্রিজের দক্ষিণ পাশে কাঁচা রাস্তা থেকে ব্রিজের ওপর পর্যন্ত একটি বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে। সময় ও শ্রম বাঁচাতে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ শ’ শ’ মানুষ এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
কামারপাড়া গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ মজিবর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার বয়স সত্তরে পৌঁছেছে। অনেক ইচ্ছা ছিল এই ব্রিজের ওপর দিয়ে হেঁটে পার হয়ে বাজারে যাবো। কাজের যে অবস্থা তাতে সেই আশা পূরণ হবে কিনা আল্লাহই জানেন। কর্তৃপক্ষের এদিকে দ্রুত নজর দেওয়া উচিত।’
একই গ্রামের বাসিন্দা আবজাল হোসেন ব্রিজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘মির্জাপুর-ধানতারা ভায়া কামারপাড়া আঞ্চলিক সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। কামারপাড়া নদীর ওপর ব্রিজটি সম্পূর্ণ হলে মির্জাপুর থেকে ধামরাই হয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়া সম্ভব হবে। এতে মির্জাপুরের সাথে ধামরাই ও মানিকগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। দক্ষিণ মির্জাপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, মির্জাপুর-কামারপাড়া-ধানতারা সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করা হোক। তাছাড়া মির্জাপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই সড়কটি একটি চমৎকার বিকল্প রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।’
ধীরগতির বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স’-এর পার্টনার মো. ইসলাম বলেন, ‘মূল ব্রিজটি হতে অনেক বেশি সময় লেগেছে, তাও আবার কিছুটা অসম্পূর্ণ। আসলে সংযোগ সড়কের কাজটা একটু জটিল। তাছাড়া ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা ছিল- যা নিরসন করতে বেশ সময় লেগেছে। এর ওপর দীর্ঘ একটা সময় বৃষ্টি থাকায় কাজ ব্যাহত হয়েছে। তবে কাজ শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় আছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব।’
ভাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ব্রিজের মূল কাজে এমনিতেই অনেক বেশি সময় নেওয়া হয়েছে। এরপর সংযোগ সড়ক নির্মাণের সময় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় অনেকদিন কাজ বন্ধ ছিল। বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পরবর্তীতে আমি ঠিকাদার এবং স্থানীয়দের নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করে বিষয়টি সুরাহা করতে সক্ষম হয়েছি। এখন জমি সংক্রান্ত সব ঝামেলা শেষ, কাজও চলছে। তবে জনভোগান্তি কমাতে কাজের গতি আরো অনেক বাড়ানো দরকার বলে আমি মনে করি।’
মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি মির্জাপুরে যোগদান করেই এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছি। কামারপাড়া ব্রিজের বাকি থাকা পুরো কাজ এবং সংযোগ সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের ইতিপূর্বেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব ধরনের জটিলতা এখন নিরসন হয়েছে।’
টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা জনভোগান্তি তৈরি করা বরদাশত করা হবে না। কামারপাড়া ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে জমি সংক্রান্ত যেসব আইনি ও স্থানীয় জটিলতা ছিল- তা ইতোমধ্যেই সমাধান করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এলজিইডির প্রকৌশল বিভাগ থেকে কাজের নিয়মিত তদারকি চলছে। দ্রুতই ওই সেতুটি জনগণের যোগাযোগের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরে আসার পর, সাইফুল মৎস্য আড়তে দুপুর পর্যন্ত তিন ধাপে প্রায় ২০ লাখ টাকায় মাছগুলো বিক্রি হয়।
হাতিয়ার জেলে আব্দুর রহিম মাঝি ১৮ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার জন্য গিয়েছিলেন। সাগরে ছয় দিন অবস্থান করার পর, বৃহস্পতিবার সকালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরে আসেন তারা। পরে, মাছগুলো সাইফুল মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কিনে নেন। একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়।
স্থানীয় জেলেরা জানান, একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় তারা উৎসাহিত হয়েছেন। সাগরে ইলিশের এমন প্রাচুর্য অব্যাহত থাকলে, জেলেদের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মাছের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। তবে, ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ