ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজকের এই দিনে ইতিহাসের পাতায় স্থান পাওয়া ঘটনাবলী


আজকের এই দিনে ইতিহাসের পাতায় স্থান পাওয়া ঘটনাবলী

বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ঘটনা, যা মানুষের মনে স্থায়ী দাগ ফেলে। উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয় অনেক কিছু, জন্মের পাশাপাশি মৃত্যু ঘটে অনেকের। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এমন কিছু ঘটনা এক নজরে দেখা যাক।

ঘটনাবলি

আরও পড়ুন: আজকের দিনে ইতিহাসের পাতায় স্থান পাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

১৮৬৫ সালে এলিজাবেথ গ্যারেট এন্ডারসন ব্রিটেনে প্রথম শল্যাচিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধিত হন।

১৯০৬ সালে হংকংয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে দশ হাজার লোকের মৃত্যু ঘটে।

১৯২৩ সালে বুলগেরিয়ায় ফ্যাসিস্টবিরোধী একটি অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।

১৯২৮ সালে স্যার অ্যালেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথমবারের মতো পেনিসিলিন আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন: ১৭ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসের পাতায় স্থান পাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও ব্যক্তিত্ব

১৯৭১ সালে ভারতের ডিমাপুরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গঠিত হয়।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ‘ফুলকুঁড়ি আসর’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করে, যাতে মুসলমানদের প্রথম কেবলা আল আকসা মসজিদের নিচে খননকাজ বন্ধ করার জন্য ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক শিক্ষার জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করে।

আরও পড়ুন: ৪ জুলাই: ইতিহাসের এই দিনে যত আলোচিত ঘটনা

জন্ম

খ্রি: পূ: ৫৫১ - কনফুসিয়াস, মহান চীনা দার্শনিক ও শিক্ষাগুরু।

১৭৪৬ - উইলিয়াম জোন্স, প্রাচ্য তত্ত্ববিদ ও এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।

১৭৯৩ - রানি রাসমণি, প্রসিদ্ধ ভারতীয় মানবদরদি জমিদার।

আরও পড়ুন: শুক্রবার আপনার ভাগ্যে কী ঘটবে, দেখুন রাশিফলে

১৮১৯ - নার্সিস মন্টারিওল ই এস্টারিওল, একজন স্প্যানিশ বুদ্ধিজীবী, শিল্পী এবং প্রকৌশলী।

১৮৩৮ - শিরডি সাই বাবা, ভারতীয় ধর্মগুরু, যোগী ও ফকির।

১৮৫২ - অঁরি মোয়াসঁ, একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।

১৮৮৯ - নলিনীকান্ত সরকার, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কবি, গায়ক, সাহিত্যবোদ্ধা ও ছন্দশ্রী।

আরও পড়ুন: ৩ জুলাই: ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

১৯০৭ - ভগৎ সিংহ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।

১৯১০ - দিওসদাদো মাকাপাগাল, নবম ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি।

১৯১৬ - পিটার ফিঞ্চ, একজন ইংরেজ-অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।

১৯২৪ - মারচেল্লো মাস্ত্রোইয়ান্নি, একজন ইতালীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯২৯ - লতা মঙ্গেশকর, ভারতের স্বনামধন্য কণ্ঠশিল্পী ও ভারতরত্ন প্রাপক।

১৯৩০ - ইমানুয়েল ওয়ালারস্টিন, একজন প্রয়াত মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদ।

১৯৩২ - ভিক্টর হারা, চিলির একজন শিক্ষক, নাট্য নির্দেশক, কবি, গায়ক-গীতিকার ও রাজনৈতিক কর্মী।

১৯৩৪ - ব্রিজিট বার্ডো, একটি ফরাসি সাবেক অভিনেত্রী এবং মডেল।

১৯৪৭ - শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি।

১৯৬৪ - জেনিনে গারোফালো, একজন আমেরিকান কৌতুক অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৬৭ - মিরা সরভিনো, একজন মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৬৮ - নেওমি ওয়াটস, একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।

১৯৭২ - দিতা ভন তিস, একজন মার্কিন ব্যঙ্গ নৃত্যশিল্পী, ভিডেট, মডেল, কস্টিউম ডিজাইনার, নিয়োগকর্ত্রী এবং সাময়িক অভিনেত্রী।

১৯৭৫ - স্টুয়ার্ট ক্লার্ক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৮১ - উইলি কাবাইয়েরো, একজন পেশাদার ফুটবলার।

১৯৮২ - অভিনভ বিন্দ্রা, ভারতীয় ক্রীড়াবিদ।

১৯৮২ - রণবীর কাপুর, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮৪ - মাতিউ ভালবুয়েনা, একজন ফরাসি আন্তর্জাতিক ফুটবলার।

১৯৮৬ - আন্দ্রেস গার্দাদো, একজন মেক্সিকান পেশাদার ফুটবলার।

১৯৮৭ - হিলারি ডাফ, একজন মার্কিন অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী।

১৯৮৯ - মার্ক র‌্যান্ডাল, একজন ইংরেজ পেশাদার ফুটবল।

মৃত্যু

খ্রিঃ পূঃ ৪৮ - পম্পে, সাবেক রোমান প্রজাতন্ত্রের একজন সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা।

১৮৫৯ - কার্ল রিটার, একজন প্রখ্যাত জার্মান ভূগোলবিদ।

১৮৭৩ - এমিল গ্যাবোরিও, ফরাসি ভাষার সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও গোয়েন্দা কাহিনী রচনার পথিকৃৎ।

১৮৯১ - হারমান মেলভিল, একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও কবি।

১৮৯৫ - লুই পাস্তুর, একজন ফরাসি অণুজীববিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৯১৮ - গেয়র্গ জিমেল, জার্মান দার্শনিক ও সমাজবিজ্ঞানী।

১৯২৬ - অনন্তহরি মিত্র, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

১৯৩৬ - শেখ ফজলল করিম, একজন ব্রিটিশ-ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৫৩ - এডউইন হাবল, একজন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী যিনি ছায়াপথ ও মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের জন্য পরিচিত।

১৯৫৬ - উইলিয়াম এডওয়ার্ড বোয়িং, বোয়িং বিমান সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৬৬ - অঁদ্রে ব্র‍্যতোঁ, একজন ফরাসি লেখক এবং কবি।

১৯৭০ - জন ডস প্যাসস, একজন মার্কিন ঔপন্যাসিক।

১৯৭০ - জামাল আবদেল নাসের, মিশরের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।

১৯৮১ - রোমুলো বেতানকুর্ত, একজন ভেনেজুয়েলার বামপন্থি, কিন্তু সাম্যবাদবিরোধী রাজনীতিবিদ।

১৯৮৯ - ফের্দিনান্দ মার্কোস, ফিলিপাইনের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।

১৯৯১ - মাইলস ডেভিস, একজন মার্কিন ট্রাম্পেটার, ব্যান্ডলিডার ও কম্পোজার।

২০০০ - পিয়ের ট্রুডো, একজন কানাডীয় রাজনীতিবিদ।

২০০৩ - এলিয়া কাজান, একজন গ্রিক-মার্কিন মঞ্চ পরিচালক, চলচ্চিত্র ও মঞ্চ প্রযোজক।

২০১০ - আর্থার পেন, একজন মার্কিন পরিচালক ও প্রযোজক।

২০১৬ - শিমন পেরেজ, পোলীয় বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ।

২০২৩ - এম এস স্বামীনাথন, প্রখ্যাত কৃষিবিজ্ঞানী ও ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া, সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া, সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাতে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, এ সময়ে ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, পশ্চিম অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে, সোমবার সকাল ৬টায় ঢাকায় ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৩ শতাংশ।

অর্থাৎ, সকাল থেকে ঢাকার আবহাওয়া কিছুটা মেঘলা থাকলেও দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে আর্দ্রতার কারণে গরমের অনুভূতি থাকতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগে নতুন রেকর্ড, ২০ বছরে বেড়েছে ৪১২ গুণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগে নতুন রেকর্ড, ২০ বছরে বেড়েছে ৪১২ গুণ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) গত ২০ বছরে বিদেশি এবং স্থানীয় বিনিয়োগের পরিমাণ ৪১২ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বেপজা’র নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার পারভেজ জানান, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে মাত্র ১ দশমিক ৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্ণফুলী ইপিজেডের কার্যক্রম শুরু হয়। চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে এখানে মোট বিনিয়োগ বেড়ে ৭৮৭ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

তিনি জানান, কেইপিজেডে মোট ২৫৮টি শিল্প প্লট রয়েছে, যেখানে প্রতিটি প্লটের আয়তন ২ হাজার বর্গমিটার। এসব প্লটে বড়, মাঝারি ও ছোট শ্রেণির মোট ৪০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৯টি সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন, তিনটি যৌথ বিনিয়োগের এবং আটটি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন। এছাড়া ৪৯ হাজার ৭৯৮ বর্গমিটার ফ্লোর স্পেসজুড়ে আরো পাঁচটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ, চীন, তাইওয়ান, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়াসহ ১৪টি দেশের উদ্যোক্তারা কেইপিজেডে তাদের নিজ নিজ শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিনিয়োগ করেছেন।

আনোয়ার পারভেজ আরও জানান, কর্ণফুলী ইপিজেড ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০০৭ সালের নভেম্বরে এখান থেকে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম বছরে (২০০৭-০৮) কর্ণফুলী ইপিজেড থেকে ৯ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছিল।

সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত কেইপিজেড থেকে মোট ১৪ হাজার ১৫৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

বেপজা সূত্র জানায়, গত পাঁচ অর্থবছরে কেইপিজেডের রপ্তানি আয় ছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৪৮ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ হাজার ৮৮৫ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ হাজার ১৮ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ হাজার ২৫৯ দশমিক ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ হাজার ২৩০ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কেইপিজেডের কারখানাগুলোতে বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাকের পাশাপাশি মূলত তাঁবু ও ক্যাম্পিং সরঞ্জাম, বাইসাইকেল, চামড়াজাত পণ্য, আসবাবপত্র, ব্যাগ, ফ্যাশন পোশাক ও সেফটি স্যুট উৎপাদন করা হয়। এসব পণ্যের অনেকগুলো বিশ্বের খ্যাতনামা ব্র্যান্ডের জন্য তৈরি করা হয়।

কেইপিজেডের উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে রপ্তানি করা হয়। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো ছাড়াও ইইউ’র বাইরের বিভিন্ন দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কেইপিজেডের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ সিদ্দিকী মন্তব্য করেন, পণ্যের বহুমুখীকরণই কেইপিজেডের এই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

তিনি বলেন, বিপুল রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই এসেছে বিশ্বমানের পণ্যের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে। বর্তমানে কেইপিজেড উচ্চমূল্যের ও বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে প্রযুক্তিনির্ভর ক্রীড়া পোশাক, ক্যাম্পিং তাঁবু, উচ্চপ্রযুক্তির সরঞ্জাম, বাইসাইকেল, সেফটি জুতা ও চামড়াজাত পণ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রী উৎপাদিত হচ্ছে।

বেপজা চট্টগ্রাম স্টিল মিলস লিমিটেডের পরিত্যক্ত জমিতে এ বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এই বৃহৎ ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে লোকসানের মুখে ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনের স্বর্ণযুগে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। একসময় হাজারো শ্রমিকের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর এই বিশাল শিল্পাঞ্চলটি পতেঙ্গা শিল্পাঞ্চলকে প্রাণবন্ত করে রেখেছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হওয়ার পর পুরো এলাকা প্রাণহীন হয়ে পড়ে।

তবে কর্ণফুলী নদীর তীরজুড়ে বিস্তৃত গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল পতেঙ্গা আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার সেখানে বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল হিসেবে কেইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দূরদর্শী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় এ শিল্পাঞ্চলে নতুন কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বর্তমানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উপস্থিতিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে কেইপিজেডের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে পতেঙ্গা শিল্পাঞ্চলে শিল্পায়নের নতুন যুগের সূচনা হয়। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণ মামলার আসামিকে স্বামী হিসেবে দাবি করে আদালতে হট্টগোল করলেন নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ধর্ষণ মামলার আসামিকে স্বামী হিসেবে দাবি করে আদালতে হট্টগোল করলেন নারী

ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন মামলার বাদী রুনু আক্তার (৩০), যিনি ধর্ষণ মামলার আসামিকে স্বামী হিসেবে পাওয়ার দাবি করেছেন। তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার না চেয়ে বিয়ের ব্যবস্থা না করলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার হুমকিও দেন।

এই ঘটনা ঘটে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির সময়। আদালত সূত্রে জানা যায়, যুক্তিতর্ক চলাকালে বার ডকে দাঁড়িয়ে থাকা রুনু আক্তার বারবার হট্টগোল শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক, আইনজীবী ও নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

বিচারক তাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে। রুনু আক্তার এর জবাবে বলেন, আসামির সাজা হলে তাকেও ফাঁসি দিতে হবে। তিনি আসামির শাস্তি চান না, বরং তাকে স্বামী হিসেবে চান এবং তার চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিও করেন।

বিচারক তাকে জানান, আদালত কাউকে বিয়েতে বাধ্য করতে পারে না। আসামির অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া সম্ভব। এরপর রুনু আক্তার চিৎকার করে বলেন, আদালত যেন কাজী ডেকে আল-আমিনের সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা করে। তা না হলে তিনি বিষ খেয়ে বিচারকের সামনে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন।

ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার জানান, রোববার নারী ও শিশু মামলা নম্বর ১২৫/২৩-এর যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার বাদী রুনু আক্তার রাজাপুর থানার জগন্নাথপুর গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে এবং মনির হোসেনের সাবেক স্ত্রী। আসামি মো. আল-আমিন মোল্লা রাজাপুর থানার সাবেক এএসআই।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এবং বিয়ের নাটক সাজিয়ে রুনু আক্তারকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এএসআই আল-আমিন। এ অভিযোগে ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তিনি মামলা করেন।

২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর আল-আমিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। বাদী, তার নাবালক ছেলে মুবিন হোসেনসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ পর্যায়ে আরও দুজন সাক্ষী দেশে নেই জানিয়ে বাদী নিজেই সাক্ষ্য সমাপ্ত করার আবেদন করেন। পরে পুলিশও ওই দুই সাক্ষীর বিষয়ে একই প্রতিবেদন দেয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার পর থেকেই রুনু আক্তার আদালতে আসামির সঙ্গে তার বিয়ে ও কাবিননামার দাবি জানাতে শুরু করেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

রোববার আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক শুরু করলে রুনু আক্তার তার ওপরও চড়াও হয়ে উচ্চস্বরে হট্টগোল করেন বলে জানান আইনজীবী অ্যাডভোকেট মল্লিক মুহা. নাসির উদ্দিন কবীর। তিনি বলেন, একপর্যায়ে বাদী বিচারককেও হুমকি দিয়ে বলেন, আসামির সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা না করলে রায়ের দিন ট্রাইব্যুনালে সবার সামনে নিজেকে শেষ করে দেবেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি আককাস সিকদার বলেন, রুনু আক্তার মৌখিক দাবির পাশাপাশি লিখিত দরখাস্ত দিয়েও আসামির সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। বিয়ে না হলে তিনি নিজে এবং তার আগের স্বামীর সন্তানকে নিয়ে ট্রাইব্যুনালের সামনে আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

পিপি আরও অভিযোগ করেন, রুনু আক্তার তার ব্যক্তিগত চেম্বারেও গিয়ে তাকে হুমকি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে রুনু আক্তার বলেন, আমি ধর্ষণ মামলা করেছি আল-আমিনকে স্বামী হিসেবে ফেরত পেতে। তাকে সাজা দিয়ে আমার কী লাভ? আমি যে কোনোভাবে আল-আমিনকে চাই।

মামলাটিতে রোববার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরেন্দ্র অঞ্চলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের আশার আলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


বরেন্দ্র অঞ্চলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের আশার আলো

সকালের রোদের তেজ তখনও পুরোপুরি বাড়েনি, কিন্তু রাজশাহীর গোদাগাড়ীর গোলাই গ্রামের কৃষকরা মাঠে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

কিছু কৃষক চারা রোপণ করছেন, কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, আবার কেউ বেড়ে ওঠা সবজি গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছেন। মৌসুমের শুরুতে বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে মনোনিবেশ করেছেন, ফলে মাঠগুলো ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে উঠছে।

তারা ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, টমেটো, শিম, ঝিঙা, করলা, পটল, বেগুন ও কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন। গোলাই গ্রামের কৃষক আলী আসগর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি অর্জনের পর চাকরির পরিবর্তে কৃষিকাজকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজের ১০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করছেন। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাড়া করা শ্রমিকদের সাথে মাঠে কাজ করেন এবং উৎপাদন ও ফসলের অবস্থার ওপর নজর রাখেন।

আলী আসগর জানিয়েছেন, ১০ বিঘা জমিতে সবজি চাষে এ পর্যন্ত তার প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মৌসুম শেষে সব খরচ মিটিয়ে ৪-৫ লাখ টাকা লাভ করতে পারব বলে আশা করছি।’

দেওপাড়া ইউনিয়নের কদমশহর এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আমিনও আগাম সবজি চাষ থেকে ভালো লাভের আশা করছেন। এ মৌসুমে তিনি ১ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে চার বিঘা জমিতে লাউ, বেগুন, ঝিঙা ও শিম চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এই জমি থেকে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা আয় হবে বলে আশা করছি।’

আমিন জানিয়েছেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের পরামর্শ কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে ফসলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ হলে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া এবং গাছগুলোকে রক্ষা করা সহজ হয়। তিনি আরও জানান, এ মৌসুমে কৃষকদের সার নিয়ে বড় কোনো সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে না।

বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠজুড়ে এখন কর্মচাঞ্চল্যের এমন দৃশ্য চোখে পড়ছে। কোথাও জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে, কোথাও চারা রোপণ করা হচ্ছে, আবার কোথাও কৃষকরা বেড়ে ওঠা সবজি গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আগাম জাতের কিছু সবজি ইতিমধ্যে স্থানীয় বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু এলাকায় চারা গাছের গোড়া পচে যাচ্ছে, আবার কোথাও পোকামাকড়ের আক্রমণে গাছের পাতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া কৃষকরা বিভিন্ন ফসলি রোগের ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন।

এসব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করে লাভের ব্যাপারে আশাবাদী। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করতে মাঠপর্যায়ে সহায়তা প্রদান করছে।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ জানিয়েছেন, এ মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৮৪১ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের আগাম সবজি চাষ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এখানে ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং আগাম জাতের টমেটোসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করা হচ্ছে।’

কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছেন, ফসলের রোগবালাই শনাক্ত করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। পাশাপাশি তারা কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহিত করছেন।

বরেন্দ্র অঞ্চলে এ মৌসুমে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৫,০০০ হেক্টর। কৃষকরা ইতিমধ্যে ৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন করেছেন, বাকি জমিতে জমি প্রস্তুত ও ফসল পরিচর্যার কাজ চলছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষি বিষয়ক যথাযথ সহায়তা পাওয়ায় কৃষকরা আশা করছেন যে আসন্ন শীতকালীন সবজি মৌসুমে তাদের এই সবুজ ফসলের মাঠ ভালো আয়ের উৎস হয়ে উঠবে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%