ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চিফ হুইপ: ‘আরেক জিয়া’, উনি তারেক জিয়া নন


চিফ হুইপ: ‘আরেক জিয়া’, উনি তারেক জিয়া নন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃণমূল জনগণের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করে তাদের স্বাবলম্বী করতে কাজ করছেন, এই প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মণি মন্তব্য করেছেন, "তাকে তারেক জিয়া না বলে আপনারা যদি বলেন ‘আরেক জিয়া’, সেটাই ঠিক হবে। উনি তারেক জিয়া না, উনি আরেক জিয়া।"

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটায় বরগুনা সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ শেখ হাসিনা ও তারেক রহমানের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, "রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিপরীতে তারেক রহমান দেশ গঠনকে প্রাধান্য দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার রাজনীতি ছিল শুধুই ক্ষমতায় থাকার। অন্যদিকে তারেক রহমান মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের ওপর আস্থা রাখেন। সব নির্যাতন ও অবিচারের মুখেও তিনি প্রতিশোধের রাজনীতি এড়িয়ে দেশ গঠনে মনোযোগ দেওয়ার আদর্শে বিশ্বাসী।"

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তারেক রহমানের কর্মনিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, "তিনি আপাদমস্তক একজন কর্মঠ ও মানবদরদী নেতা।" কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

কল্যাণমূলক কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি জানান, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে দেশের গরিব, অসহায় ও দুস্থ ৫০ লাখ পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তার পাশাপাশি শিশুদের জন্য মিড-ডে মিল, বিনা মূল্যে বই বিতরণ এবং ইংরেজি ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো হচ্ছে। এ ছাড়া নারীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে স্নাতকোত্তর (এমএ) পর্যন্ত মেয়েদের সম্পূর্ণ পড়াশোনার খরচ সরকারের বহন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে চিফ হুইপ বলেন, "১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর ক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান দেশকে তিন বছরের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।" খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাকশিল্পের সূচনা এবং হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির বিপ্লব তাঁর হাত ধরেই হয়েছিল।

শারদীয় দুর্গোৎসব ও ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "সংবিধানে সব নাগরিকের অধিকার সমান এবং এ দেশে কোনো ‘সংখ্যালঘু’ বিভাজন নেই।" এবারের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আবেদনের চেয়েও বেশি অনুদান হিসেবে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং উৎসব উদযাপনে সরকারি ছুটি পাঁচ দিন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজের সময় হঠাৎ লুটিয়ে পড়লেন পোশাক শ্রমিক, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


কাজের সময় হঠাৎ লুটিয়ে পড়লেন পোশাক শ্রমিক, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় সুমি আক্তার, যিনি মিশু নামে পরিচিত, (২৭) নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনাটির সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে চলছে বিভিন্ন আলোচনা।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে ডেকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আগামী অ্যাপারেলস লিমিটেডে।

নিহত সুমি আক্তার নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খোকারহাট এলাকার বজলার মিয়ার মেয়ে। তিনি স্বামী সাজ্জাদ হোসেন এবং দুই ছেলেকে নিয়ে আশুলিয়ার কাঠগড়া নয়াপাড়া এলাকার সালামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সুমি আগামী অ্যাপারেলস লিমিটেডের সুইং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিট ৯ সেকেন্ডে সুমি তার মেশিনে কাজ করছিলেন। এসময় তার পাশে পাঞ্জাবি পরা একজন পুরুষ কর্মকর্তা দাঁড়িয়ে ছিলেন। ৫টা ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক পাঞ্জাবি পরা কর্মকর্তা তার দিকে তেড়ে আসেন। তিনি সুমির মেশিনে আক্রমণাত্মক আচরণ করতে শুরু করেন এবং একাধিকবার সুমির কাজের কাপড়টি হাত থেকে ফেলে দেন।

ফুটেজে আরও দেখা যায়, এসব ঘটনার মধ্যেই বিকেল ৫টা ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডে সুমি মেশিনে বসে থাকা অবস্থায় ফ্লোরে লুটিয়ে পড়েন। তখন ওই কর্মকর্তা কিছুটা দূরে সরে যান। সুমিকে পড়ে যেতে দেখে পাশের মেশিনে কাজ করা নারী শ্রমিকরা একে একে তার কাছে এগিয়ে যান। পরে বিকেল ৫টা ৪ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে তাকে একটি স্ট্রেচারে তোলা হয়।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু সিসিটিভি ফুটেজ, নিহতের স্বজন ও সহকর্মীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও কারখানায় উৎপাদন চলছিল। সুমি অসুস্থ শরীর নিয়েই কাজে যোগ দিয়েছিলেন। দুপুরে বাসায় খেতে গিয়ে তিনি ছেলেকে নিজের অসুস্থতা ও কারখানায় কাজের চাপের কথা জানিয়েছিলেন।

নারী ও শিশু হাসপাতালের সিনিয়র ম্যানেজার (অপারেশন) হারুন-অর-রশীদ জানান, আগামী অ্যাপারেলস থেকে সুমি আক্তার মিশু নামের ওই নারী শ্রমিককে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় তার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন ও কারখানা কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। স্বামী কোনো অভিযোগ নেই বলে জানিয়েছিলেন এবং মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। পরে মৃত্যুসনদ দিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্বামীর কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

তবে, হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নেওয়ার সময় কয়েকজন শ্রমিক বাধা দেন বলে জানান হারুন-অর-রশীদ। এসময় নিহতের স্বামী ও স্বজনেরা অ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে পড়েন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এরপর আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফোন করে মরদেহ থানায় নিতে বলেন। তখন অ্যাম্বুলেন্সের চালককে ফোন করে মরদেহ আশুলিয়া থানায় নিয়ে যেতে বলা হয়।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় অসুস্থ হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যুর পর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন কথা বলছিলেন। সমালোচনা এড়াতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজে মৃত্যুর আগে এক কর্মকর্তাকে সুমির সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে দেখা গেলেও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করা ব্যবহারকারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করা ব্যবহারকারীরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ভুয়া আইডি, ছবি এবং সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবার, সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য বিনামূল্যে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মেটা।

এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই চিহ্নিত করতে পারবেন যে অ্যাকাউন্টটি বাস্তব মানুষের নাকি এআই দ্বারা তৈরি ভুয়া আইডি। তবে, মেটার পেইড সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এর মতো টাকা দিয়ে এই ব্যাজ কিনতে হবে না। সাধারণ ব্যবহারকারীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যাজটি পাবেন।

নতুন এই ব্যাজ পেতে, ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। ফেসবুক উক্ত ভিডিওটি অ্যাকাউন্টের মূল ছবি ও তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত করবে।

তবে, এই সুবিধা সবার জন্য নয়। ব্যাজটি পেতে হলে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো—

মেটা জানাচ্ছে যে এই ব্যাজটি কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব মানুষ কি না সেই প্রমাণ বহন করে। এটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা ব্যক্তিগত আচরণের কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। ফলে, অনলাইনে যেকোনো লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে, এই ফিচারটি বিশ্বের নির্বাচিত কয়েকটি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা উন্মুক্ত করবে মেটা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডায় প্রথম বাড়ি কিনলেই মিলতে পারে ১ লাখ ডলার, যারা পাবেন সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


ফ্লোরিডায় প্রথম বাড়ি কিনলেই মিলতে পারে ১ লাখ ডলার, যারা পাবেন সুবিধা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা শহরে প্রথমবার বাড়ি কেনার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য ১ লাখ ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে। নগর কর্তৃপক্ষের দুটি পৃথক কর্মসূচির মাধ্যমে যোগ্য ক্রেতারা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে, এই অর্থ সকলের জন্য প্রযোজ্য নয়। সহায়তার পরিমাণ নির্ধারিত হবে পারিবারিক আয়, বাড়ির অবস্থান এবং অন্যান্য শর্তের ওপর ভিত্তি করে।

টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের দুটি কর্মসূচি হলো ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ এবং ‘কমিউনিটি রিডেভেলপমেন্ট এরিয়া’ বা সিআরএ ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি। প্রথম কর্মসূচির আওতায় যোগ্য ক্রেতারা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার সহায়তা পেতে পারেন। অন্যদিকে, নির্ধারিত পুনর্গঠন এলাকার মধ্যে বাড়ি কিনলে দ্বিতীয় কর্মসূচির আওতায় আরও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। উভয় কর্মসূচির শর্ত পূরণ করলে মোট সহায়তা ১ লাখ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত নগর কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে এমন একজন ক্রেতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যিনি দুটি কর্মসূচির সহায়তা মিলিয়ে মোট ১ লাখ ডলার পেয়েছেন। ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ কর্মসূচির আওতায় সহায়তা পেতে হলে বাড়িটি অবশ্যই টাম্পা নগরসীমার মধ্যে থাকতে হবে। পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং বাড়ির ক্রয়মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি হওয়া যাবে না। এছাড়া অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। বাড়ি কেনার চুক্তি করার আগে কর্মসূচির নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।

অন্যদিকে, সিআরএ কর্মসূচির জন্য বাড়িটি টাম্পার নির্ধারিত কমিউনিটি পুনর্গঠন এলাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত হতে হবে। বাড়িটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ডাক-সংকেত বা জিপ কোডের আওতায় পড়লেই হবে না; বাড়িটির প্রকৃত অবস্থান সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক আয়, ক্রেতার যোগ্যতা, নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ এবং অনুমোদিত ঋণের ধরনসহ বিভিন্ন শর্ত রয়েছে।

নগর কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্ধারিত এলাকার মধ্যম পারিবারিক আয়ের তুলনায় আবেদনকারীর আয়ের স্তর বিবেচনা করে সহায়তার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। তবে, এই আয়সীমা পূরণ করলেই সহায়তা নিশ্চিত নয়। অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।

এটি মনে রাখা উচিত যে, এই অর্থকে সরাসরি নগদ অনুদান হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। সাধারণত শূন্য সুদের বিলম্বিত পরিশোধযোগ্য ঋণের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়। নির্ধারিত শর্ত মেনে বাড়িটিকে নিজের প্রধান বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করলে ২০ বছর পর ঋণ মওকুফের সুযোগ থাকতে পারে।

তবে বাড়ি বিক্রি, মালিকানা পরিবর্তন কিংবা বসবাসের শর্ত ভঙ্গ করলে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে ঋণের চুক্তি ও মওকুফের শর্ত ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি। প্রথমবার বাড়ি কিনতে গিয়ে যারা প্রাথমিক অর্থের জোগান দিতে সমস্যায় পড়েন, তাদের জন্য টাম্পার এই কর্মসূচি সহায়ক হতে পারে। তবে, সহায়তার পরিমাণ, তহবিলের প্রাপ্যতা ও আবেদনের নিয়ম সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।

সুতরাং, আবেদন করার আগে টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া ও তহবিলের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন জাহান মুক্তার সন্ধানে স্বজনরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন জাহান মুক্তার সন্ধানে স্বজনরা

কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন নাসরিন জাহান মুক্তা (২৯), যিনি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার একজন স্কুলশিক্ষিকা। ১৩ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও এখনও তার পরিবার তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়নি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল, যিনি ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি। তারা বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন, মরদেহ চিহ্নিত করার জন্য ডিএনএ টেস্টের অপেক্ষায়।

শনিবার সকাল ৬টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার ওই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে মুক্তা নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

অন্য নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং ফায়িজান আহম্মেদ (৫) সহ আরও তিনজন।

অগ্নিকাণ্ডের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও মুক্তাকে শনাক্ত করতে পারেননি তার স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। মুক্তা বেঁচে আছেন কি না, এই অনিশ্চয়তায় তার পরিবার চরম উৎকণ্ঠা ও শোকে দিন কাটাচ্ছে।

নিখোঁজ নাসরিন জাহান মুক্তা মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া গ্রামের মোস্তফা কামালের কন্যা। তিনি ঢাকার সাভারের ‘স্বপ্ন বিলাস স্কুল’ নামের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতেন।

পারিবারিক ফুফাতো ভাই ইমরান হোসেনের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তা তার দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তারা পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার ‘টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্ট’ (TUPTUP Resto & Resort)-এ অবস্থান করেছিলেন। শনিবার সকালে তার দুই বান্ধবী সৈকতে হাঁটতে বের হলে মুক্তা রুমে ঘুমানোর কথা জানান। কিন্তু বান্ধবীরা রিসোর্ট থেকে বের হওয়ার মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসন। সকাল সোয়া ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বেলা ১১টার দিকে তা সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা সম্ভব হয়।

মুক্তার আপন ফুফাতো ভাই ও মঠবাড়িয়া রুস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাজী চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "উদ্ধার হওয়া দশ মরদেহের মধ্যে আমার বোনের মরদেহ এখনও শনাক্ত করতে পারিনি। বোন জামাই বর্তমানে কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। পরিবারের সবাই চরম উদ্বিগ্ন, আমাদের এই শোক ও অনিশ্চয়তা সইবার মতো কোনো শক্তি আর অবশিষ্ট নেই। মরদেহ শনাক্ত করতে পারলে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসবো।"

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, "আমরা ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব কিছু করা যায় কিনা।"

কক্সবাজারে আনন্দভ্রমণে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মুক্তার নিখোঁজ হওয়ার খবরে তার নিজ এলাকা মঠবাড়িয়ায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%