ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ উ/দ্ধার


শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ উ/দ্ধার

রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে গোলচত্বর এলাকায় একটি গাড়ি থেকে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর ১৪টি স্বর্ণের বার ও ১২টি স্বর্ণের পাত উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন ১ হাজার ৮১২ গ্রাম, এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ৮৯২ টাকা।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল বেলায় গোয়ন সংবাদ প্রাপ্তির ভিত্তিতে বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকার একটি গাড়ি তল্লাশির জন্য থামানো হয়। এ সময়ে গাড়ির চালক মো. শামীম মিয়া গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যান।

পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সহযোগিতায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এয়ারফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গাড়িটিতে তল্লাশি করেন। তল্লাশির সময় তারা ১৪টি স্বর্ণের বার ও ১২টি স্বর্ণের পাত খুঁজে পান। গাড়িটি আরও ভালোভাবে তল্লাশি করার সময় তিনটি মোবাইল ফোন, এর মধ্যে একটি নতুন আইফোন ১৭ প্রো, দুটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, নগদ ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮৫ টাকা, একটি ব্যবহৃত ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যাংকের আটটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, দুটি ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরবর্তীতে কাস্টমস হলে গাড়িতে পাওয়া সব পণ্যের ইনভেন্টরি করেন। কাস্টমস হাউস, ঢাকার স্বর্ণ পরীক্ষার যন্ত্রে পরীক্ষা করে উদ্ধার করা স্বর্ণের মান ২৪ ক্যারেট হিসেবে পাওয়া যায়। স্বর্ণগুলোর মোট ওজন ১ হাজার ৮১২ গ্রাম, যা ১৫৫ দশমিক ৩৫ ভরির সমান। আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ৮৯২ টাকা।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গাড়ির চালক মো. শামীম মিয়ার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করার কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ সফলতা জিপিএ-৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ সফলতা জিপিএ-৫

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ সফলতা অর্জন করেছে। এ বছর কলেজটির ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পেয়েছে।

রোববার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ কে এম আজিজুল হক।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আল্লাহর অশেষ রহমতে অন্যান্য বছরের মতো এবারও এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছে। কলেজটির ভালো ফলাফল অর্জনের ক্ষেত্রে রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অতীত।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাডেটদের শুধুমাত্র একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ রাখা হয় না। তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ এবং খেলাধুলার অনুশীলন করানো হয়ে থাকে। একই সঙ্গে সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকাশে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগও দেওয়া হয়।

এদিকে, ভবিষ্যতেও সাফল্যের এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকলের আন্তরিক দোয়া কামনা করেছে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীর হাজীমুলের বাঁশের তৈরি পণ্য যাচ্ছে বিদেশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


নীলফামারীর হাজীমুলের বাঁশের তৈরি পণ্য যাচ্ছে বিদেশে

 

 এক সময় গ্রাম-গঞ্জ ও শহরের প্রতিটি বাড়িতে বাঁশের তৈরি ডালা, চালুনি-কুলাসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের ব্যাপক ব্যবহার ছিল। এখন আর আগের মতো ওইসব পণ্যের কদর নেই বললেই চলে। প্রযুক্তির কল্যাণে এর বাজার দখল করে নিয়েছে প্লাস্টিকের পণ্য।

ওইসব পণ্যের কদর না থাকলেও বাঁশের সিলিংয়ের ব্যবহার এবং গুরুত্ব রয়েছে সর্বত্র। বাঁশের তৈরি পণ্যে কদর কমতে থাকায় কষ্টে জীবন চলতো নীলফামারীর হাজীমুল ইসলামের।

ইতোমধ্যে তিনি বাঁশের তৈরি সিলিংসহ বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক পণ্য তৈরি করে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলেছেন। বলা যেতে পারে এখন তিনি বাঁশজাত হস্তশিল্পের একজন সফল উদ্যোক্তা।

হাজীমুলের কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক বাঁশের পণ্য। পরিবেশবান্ধব এসব পণ্য এখন স্থানীয় বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে দেশের বাইরেও। তার এ উদ্যোগে শুধু নিজের ভাগ্যই বদলায়নি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় অন্তত ২০ নারী-পুরুষের।

ছবি: বাসস

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার উত্তর সোনাখুলি ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের হাজীমুল ইসলামের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পটিও বেশ সংগ্রামের। বাঁশের সিলিং (টিনসেড ঘরের রুমের সিংলিং) তৈরির মিস্ত্রি থেকে তার এ সংগ্রামের পথ শুরু। উপায় খুঁজতে থাকেন বাঁশের কাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর। সেই স্বপ্নে স্থাপন করেন ছোট পরিসরে বাঁশের পণ্য তৈরির কারখানা। 

এরপর কারখানায় তৈরি পণ্যের বাজার ও কাঁচামাল সংগ্রহে পড়তে হয়েছে নানা বিরম্বনায়। কিন্তু থেমে যায়নি স্বপ্ন, ধীরে ধীরে বিভিন্ন মাধ্যমে পণ্যের প্রচার, স্থানীয় ক্রেতাদের আস্থায় বাড়তে থাকে তার ব্যবসার প্রসার। এতে করে টিকে থাকে তার স্বপ্ন। এখন নজরকাড়া ডিজাইনে বিভিন্ন বায়ারের মাধ্যমে এসব পণ্য রপ্তানি হচ্ছে দেশের বাইরে।

সরেজমিনে সৈয়দপুর উপজেলার উত্তর সোনাখুলি ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে গড়ে তোলা কারখানায় গিয়ে দেখা মেলে বাঁশের তৈরি করা নজরকাড়া পণ্য। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু হয় কর্মব্যস্ততা। কর্মচারীরা যেমন ব্যস্ত বিভিন্ন পণ্য তৈরির কাজে। তেমনি হাজীমুল ব্যস্ত পণ্যের নকশা ফুটিয়ে তুলতে। সকলের দক্ষ হাতের নিপুণ কারুকাজে সাধারণ বাঁশ হয়ে উঠছে দৃষ্টিনন্দন সামগ্রী হিসেবে।

হাজীমুল ইসলাম বাসসকে বলেন, তার ওই কারখানায় বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে ১২০ প্রকার পণ্য। এসবের মধ্যে ঝুড়ি, ট্রে, টেবিল ল্যাম্প স্ট্যান্ড, সাবানদানি, কলমদানি, ফুলদানি, টিস্যুবক্স, সোফা সেট, একতারা ও ম্যাগাজিন ফাইল হোল্ডারসহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণ উল্লেখযোগ্য। তৈরি পণ্যের একটি অংশ স্থানীয় বাজারে বিক্রি হলেও বিভিন্ন বায়ারের মাধ্যমে যাচ্ছে বিদেশে।

হাজীমুল ইসলামের কারখানায় বর্তমানে স্থানীয় নারী ও পুরুষ মিলে প্রায় ২০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। তাদের শ্রম, দক্ষতা ও সৃজনশীলতায় তৈরি হচ্ছে এসব পণ্য। শ্রমিকের মজুরি, বাঁশ, বেত ও কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য ক্রয় খরচ বাদে বিক্রি ও রপ্তানি থেকে মাসে গড় আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বলে জানান তিনি। এ আয় দিয়ে বর্তমানে স্বাচ্ছন্দ্যে চলছে তার সংসারসহ ৩ সন্তানের লেখাপড়া। 

ছবি: বাসস

কাঁচামাল হিসেবে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া থেকে ‘ভুতুম’ জাতের বাঁশ (লম্বা ও মোটা আকৃতির) সংগ্রহ করেন। প্রতিটি বাঁশে পরিবহনসহ গড়ে খরচ হয় ৭শ’ টাকা। এসব বাঁশ প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় বিভিন্ন পণ্য।

তিনি কাঁচামালের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত মূলধন ও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব ব্যবসা সম্প্রসারণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

হাজীমুল ইসলাম চায় তার এ উদ্যোগকে আধুনিক উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করতে। এজন্য কারখানায় সংযোজন করতে চান আধুনিক যন্ত্রপাতি। নিত্য নতুন ডিজাইনের পণ্য তৈরি করে কারখানায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চান আরো অধিক মানুষের। কিন্তু এসবের বড় বাধা পুঁজির যোগান।

তিনি বলেন, ‘সহজ শর্তে ঋণ পেলে আমার এ ছোট উদ্যোগকে অনেক বড় করা সম্ভব হবে। দেশের যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একাজে সম্পৃক্ত করা হলে কমবে বেকারত্ব, বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগ। এজন্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাঁশের পণ্যের পরিচিতি বাড়াতে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ নেয়া হলে দেশের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় শিল্প হবে’।

নীলফামারী বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক মো.নূরেল হক বাসসকে বলেন, ‘হাজীমুলের বাঁশদিয়ে তৈরি ১২০ প্রকার পণ্য এখন শুধু একটি কুটির শিল্প উৎপাদন কেন্দ্র নয়, এটি এক জীবন্ত স্বপ্নের নাম। বাঁশের প্রতিটি বুননে লেখা হচ্ছে তার আত্মনির্ভরতার গল্প। জানিয়ে দিচ্ছে গ্রামীণ বাংলার বাঁশজাত শিল্পের সম্ভাবনার কথা। এখানে শুধু পণ্য তৈরি হচ্ছে না, তৈরি হচ্ছে আত্মনির্ভরতার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের পরিধি পেরিয়ে যাচ্ছে দেশের সীমানা’।

বিশ্ববাজারে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে বাঁশ, বেত ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে নীলফামারীর মতো অঞ্চলে বাঁশভিত্তিক কুটির শিল্পের জন্য তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা’।

হাজীমুল ইসলামের উদ্যোগকে সফল করতে বিসিকের পক্ষ থেকে বিনা সুদে এক লাখ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে এগিয়ে নিতে বিসিক সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে বলেও জনান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, তাদের আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। তার মতে, সবকিছু ইতিবাচক মনে হচ্ছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘খুবই ভালো লাগলো। আমরা পাবলিক ফিগার থেকে আরও বেশিদূর এগিয়ে সাক্ষাৎ করেছি, একজন কূটনীতিক হিসেবে নয়। এই সাক্ষাৎ মানুষে-মানুষে যোগাযোগের প্রতিনিধিত্ব করেছে। আমি খুবই আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হলো। দেখা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে হয়নি যে এটি আমার প্রথম দেখা।’ তিনি প্রধানমন্ত্রীকে খুব ভালো এবং হাম্বল বলেছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘খুবই ভালো, খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে এবং আমি লুকিং ফরওয়ার্ড। আমাদের ইনভাইটেশন তো আগে থেকে আছে। প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লুকিং ফরওয়ার্ড এবং ইতিবাচকভাবে দেখছেন। দুই নেতা একসঙ্গে বসলে আলোচনা হবে... ডেমোক্রেসিতে ইস্যুগুলো থাকবে। আমাদের এই সম্পর্কের ইতিহাস রয়েছে এবং অপেক্ষাকৃত বদলানো সম্ভব নয়। আমাদের প্রতিবেশিত্বও বদলানো সম্ভব নয়। আমি সবসময় বলি যে আমরা শুধুমাত্র সীমান্ত শেয়ার করি না, স্বপ্নও শেয়ার করি।’

ভারতীয় হাইকমিশনার মনে করছেন আগামী দিনগুলো ভালো যাবে। তিনি ইস্যুটা সমাধান করতে হবে দুদিক থেকে বলেও মন্তব্য করেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, তিনি কৃতজ্ঞ দুই নেতার প্রতি।

তিনি বলেন, আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এমন কোনো ইস্যু নেই যা আমরা বসে সমাধান করতে পারবো না। প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেছেন যে সম্পর্ক ভালো থাকা বিশেষ দরকার। নয়তো আমি কেন আসি? ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিতে ভারতে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হবে হবে, সবই ভালো, ইতিবাচক সবকিছুই হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর বোর্ডে এসএসসি’তে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


যশোর বোর্ডে এসএসসি’তে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ

যশোর, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ রেকর্ড হয়েছে। এ বোর্ড থেকে এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী।

সোমবার সকাল ১০টায় সারা দেশের সঙ্গে একযোগে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। যশোর বোর্ডের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন বোর্ডের সচিব (প্রেষণে) প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন।

তথ্য অনুযায়ী, এ বছর যশোর বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ছাত্র রয়েছে ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং ছাত্রী ৭১ হাজার ৯৭৯ জন। ফলাফল অনুযায়ী, ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা অগ্রগামী অবস্থানে রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সর্বাধিক, যা ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৮৫ হাজার ২৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।

প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বাসস’কে জানান, খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা এবং নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যার চেয়ে গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের উদ্দেশ্য ছিল।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে, ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি।

বোর্ডের সচিব আরও জানান, একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হবে এবং প্রয়োজনে স্বীকৃতি বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের ১১টি বোর্ডের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হলেও যশোর বোর্ড জাতীয় গড়ের তুলনায় উন্নতির দিকে রয়েছে।

ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে, জানিয়েছেন বোর্ডের সচিব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%