বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ পি.এম
ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার জো রুট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একটি বিরল মাইলফলক অর্জন করেছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ম্যাচের শুরুতে রুট ২৩ হাজার রান থেকে মাত্র তিন রান দূরে ছিলেন। ইনিংসের শুরুতেই একটি দারুণ রিস্ট ফ্লিকের মাধ্যমে বল সীমানাছাড়া করে ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার কাঙ্ক্ষিত মাইলফলক স্পর্শ করেন।
রুট ২৩ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করতে ৫২১ ইনিংস খেলেছেন। এর ফলে তিনি দ্রুততম ২৩ হাজার রানের তালিকায় ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলেছেন। শচীন এই মাইলফলক অর্জন করেছিলেন ৫২২ ইনিংসে।
তবে তালিকার শীর্ষে এখনও রয়েছেন ভারতের বিরাট কোহলি, যিনি মাত্র ৪৯০ ইনিংসে ২৩ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করেছিলেন।
রুটের এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার বা তার বেশি রান করা ব্যাটারের সংখ্যা আটজনে দাঁড়াল। এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন শচীন টেন্ডুলকার, বিরাট কোহলি, রাহুল দ্রাবিড়, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, রিকি পন্টিং ও জ্যাক ক্যালিস।
দীর্ঘদিন ধরে তিন ফরম্যাটে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের অন্যতম ভরসা হিসেবে পরিচিত রুট এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই রান-তালিকায় জায়গা করে নিয়ে ক্যারিয়ারে আরও একটি বিরল অর্জন যুক্ত করলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘রূপা কোথায়, জানি না’— খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সবুজ দাস তার নাবালিকা বোনের সন্ধানের জন্য অপেক্ষা করছেন, এমন অনিশ্চয়তা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর তার বোন রূপা দাসকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ দায়ের করা হলেও, এখনও তার সন্ধান মেলেনি। রূপাকে উদ্ধারের জন্য বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে তার পরিবার।
একটি পরিবারের জন্য সবচেয়ে কঠিন অপেক্ষাগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রিয়জন কোথায়, কেমন আছে, এবং আদৌ নিরাপদে আছে কিনা— এই প্রশ্নের কোনো উত্তর না পাওয়া। নাবালিকা রূপা দাসের পরিবারও গত কয়েক দিন ধরে এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তারা জানে না, মেয়েটি কোথায় এবং কেমন আছে।
ঘটনার পর একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও, তিনি পরে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, এমনটি জানিয়েছেন রূপার ভাই সবুজ দাস। মামলার অন্যান্য সন্দেহভাজনরাও আগাম জামিন পেয়েছেন বলে তার দাবি। তবে এত কিছুর পরেও রূপার সন্ধান মেলেনি।
সবুজ দাস খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের ২১ ব্যাচের (২০২০-২১ সেশন) শিক্ষার্থী। নিজের বোনের সন্ধান না পাওয়ার বিষয়টি তার উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও গভীর উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।
সবুজ দাস বলেন, ‘আমি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং কেস নং-১৭-এর ভিকটিম রূপা দাসের ভাই। অত্যন্ত মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন হয়ে জানাচ্ছি যে, গত ১৩ তারিখে আমার নাবালিকা বোন রূপা দাসকে অপহরণ করা হয়েছে।’
তিনি জানান, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, কিন্তু পরে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মামলার অন্যান্য সন্দেহভাজনরাও আগাম জামিন পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এসব আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেও পরিবারের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়টি বদলায়নি— রূপা এখন কোথায়?
সবুজ দাস বলেন, ‘সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো আমার নাবালিকা বোন রূপা দাসকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। একজন ভাই হিসেবে প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বোনকে দ্রুত উদ্ধার, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে আমরা নড়াইলে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেছি। আমার ও আমার পরিবারের এই কঠিন সময়ে সব আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং মানবিক ও সচেতন নাগরিকদের মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তরিক অনুরোধ জানাচ্ছি।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার ৬ হাজার ৫৪৪টি প্রতিষ্ঠানে ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, এজন্য ৩৭০ কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডির দপ্তরসমূহ, ওয়াসা, জনস্বাস্থ্য এবং সারাদেশের যত হাট-বাজার বা গ্রোথ সেন্টার রয়েছে, তাদের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৪৪টি। এসব প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
তিনি আরও জানান, এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ বরাদ্দ থেকে টাকা ছাড় করা হয়েছে এবং আলাদা আলাদা চিঠি দিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মোট ৩৭০ কোটি টাকা এ কাজে ছাড় করা হয়েছে।
মীর শাহে আলম জানান, প্রাথমিকভাবে উৎপাদনের পরিমাণ হবে প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। তবে প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দের অর্থের সঙ্গে নিজস্ব রাজস্ব যোগ করে দ্বিগুণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্য হচ্ছে, তারা যে ১৫০ মেগাওয়াট ব্যবহার করবে, বাকি ১৫০ মেগাওয়াট সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্যাকেজ অনুযায়ী নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে ১০ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে পাওয়া অর্থে ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে সরকারের দেওয়া অর্থ উঠে আসবে। এর ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত রাজস্ব আয় হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে স্বাচ্ছন্দ্য আসবে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় সুবিধা হবে।
তিনি বলেন, বিক্রি করলে আমরা হিসাব করে দেখেছি, আমরা যে টাকা ছাড় করছি এবং তারা যে টাকা ব্যয় করবে, ১০ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে তারা যদি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকারের কাছে জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে, তাহলে ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে ব্যয়কৃত অর্থ আমাদের উঠে আসবে। পরবর্তী সময়গুলোতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের একটি ইনকাম থাকবে, ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না যাওয়ার একটি গ্যারান্টি থাকবে এবং তারা স্বাচ্ছন্দ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো চালিয়ে যেতে পারবে।
মীর শাহে আলম বলেন, সোলার প্যানেল স্থাপনকারী বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে আমরা একটি স্ট্যান্ডার্ড হিসাব নিয়েছি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগেও তার একটি হিসাব দেওয়া হয়েছে। ৫.৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে খরচ হবে প্লাস-মাইনাস ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা।
তিনি জানান, এ হিসাব অনুযায়ী দেশের যেসব ইউনিয়ন পরিষদের ভবন রয়েছে, সেসব ইউনিয়ন পরিষদে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ হাজার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাট-বাজারের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ থেকেও ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের আলাদা চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, হাট-বাজারের উন্নয়নের অর্থ ব্যবহার করে হাটের রূপটপ বা ছাদে প্যানেল স্থাপন করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করতে হবে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিভাগের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল, গ্রামীণ শক্তিসহ বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে তালিকাভুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নীতিমালা অনুযায়ী ২০ বছরের একটি চুক্তি সই করবে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে। সেই চুক্তি অনুযায়ী ওইসব প্রতিষ্ঠান ২০ বছর ফ্রি সার্ভিসিং বা ওয়ারেন্টি দেবে আমাদের।
তিনি জানান, চুক্তির ফলে ২০ বছর সোলার প্যানেলের সেবা ও রক্ষণাবেক্ষণের নিশ্চয়তা থাকবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো মনিটরিং করবে, মেইনটেন্যান্স করবে এবং কোনো সমস্যা হলে তা ঠিক করবে।
মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের দেওয়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্যাকেজ অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে তা বিক্রির সুবিধা নিতে চায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো। কারণ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো স্বায়ত্তশাসিত, তারা সরকারের টাকার পাশাপাশি তাদের সবারই নিজস্ব ইনকামের একটি ব্যবস্থা আছে। খেয়াঘাট বলেন, হাট-বাজার বলেন, তারপর পৌরসভার মধ্যে পরিবহন যাতায়াত করলে সেখান থেকে তারা একটি ট্যাক্স নেয়। এ রকম বিভিন্ন খাত থেকে, ট্রেড লাইসেন্স থেকে, হোল্ডিং থেকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো ট্যাক্স আদায় করে। এভাবে রাজস্ব আহরণের ব্যাপারে তাদের নিজস্ব একটি নীতিমালা আছে বা সক্ষমতা আছে।
তিনি বলেন, এই রাজস্ব আহরণের সঙ্গে আমরা নতুন করে একটি প্লাস করে তাদের দিতে চাই, উৎসাহিত করতে চাই যে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য তারা এই বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজেরা ব্যবহার করবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎটা তারা সরকারের কাছে, বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে বিক্রি করে তাদেরও একটি নিজস্ব রাজস্ব আয় হবে।
প্রতিমন্ত্রী আবারও বলেন, ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করা গেলে ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে ব্যয়কৃত অর্থ উঠে আসবে। পরবর্তী ২০ বছর পর্যন্ত সেবা ও ওয়ারেন্টির সুবিধার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করতে পারবে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম জানান, প্রায় ৩ হাজার ইউনিয়ন পরিষদের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। ৫.৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা ব্যয় হলেও ভ্যাট ও আয়কর কাটার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নিজস্ব রাজস্বের অর্থ থেকেও সোলার প্যানেল স্থাপনে ব্যয় করতে বলা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ হাট-বাজার থেকে ৫ শতাংশ এবং ভূমি রেজিস্ট্রেশন থেকে ১ শতাংশ রাজস্ব পায়। সেখান থেকে বলছি যে আপনারা আমাদের টাকার সঙ্গে আপনাদের রাজস্ব যোগ করে ডাবল বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন। নিজেরা ব্যবহার করবেন এবং জাতীয় গ্রিডে দেবেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সিটি করপোরেশনগুলোকে ৭৫ কোটি টাকা, উপজেলা পরিষদকে ৯৯ কোটি টাকা, পৌরসভাকে ৬৪ কোটি টাকা এবং জেলা পরিষদকে ১২ কোটি টাকার কিছু বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা পরিষদ এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের জন্য ৩৭০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু সম্পর্কিত চলমান মামলায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ পাবলো ফেরারি উল্লেখ করেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ম্যারাডোনার মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, এই সম্ভাবনা পুরোপুরি অস্বীকার করা যায় না।
সান ইসিদ্রোর আদালতে মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে ফেরারি জানান, ২০২০ সালের নভেম্বরে ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় তার শরীরে কোভিড-১৯-এর উপস্থিতি যাচাই করার জন্য কোনো পরীক্ষা করা হয়নি। এই কারণে মৃত্যুর সঙ্গে করোনাভাইরাসের সম্পর্ক ছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসে নিজ বাড়িতে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৬০ বছর বয়সে মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তিনি মস্তিষ্কে সাবডিউরাল হেমাটোমার অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন।
ম্যারাডোনার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। ইতিমধ্যে মামলায় ৭৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
আদালতে ফেরারি বলেন, মহামারির সময় ম্যারাডোনার ময়নাতদন্ত করা হলেও কোভিড পরীক্ষা না হওয়ায় এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তার মতে, কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করা করোনাভাইরাস দ্রুত গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে, যার ফলে রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে এবং অল্প সময়ের মধ্যে মৃত্যু ঘটতে পারে।
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের এই বক্তব্য ম্যারাডোনার চিকিৎসকদের আইনজীবীদের অবস্থানকে নতুন করে জোরালো করেছে। ম্যারাডোনার প্রধান চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের পক্ষ থেকে এর আগে দাবি করা হয়েছিল, তার ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে তীব্র শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয়েছিল। এর পরেই তার হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত আটজনের বিচার যখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে, ঠিক তখনই আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের এই বক্তব্য ম্যারাডোনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের দ্য সেন্ট রেজিস নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে তাদের সাক্ষাৎ ঘটে। ডা. জুবাইদা রহমান মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
হোয়াইট হাউসের আয়োজনে মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগ ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’কে কেন্দ্র করে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট স্পাউস ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্যোগটির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা।
অনুষ্ঠানে শিশুদের শিক্ষা, প্রযুক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এর আগে চলতি বছরের মার্চে ওয়াশিংটনে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ বৈশ্বিক সম্মেলনে মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। ওই সম্মেলনে ৪৫টির বেশি দেশের ফার্স্ট স্পাউস ও নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মার্চের সম্মেলনে ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের মতো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি শিশুদের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহারের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
২২ সেপ্টেম্বরের নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানে মেলানিয়া ট্রাম্প জানান, ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ উদ্যোগে বর্তমানে ৫৭টি দেশ যুক্ত হয়েছে। শিশুদের প্রযুক্তি ও শিক্ষার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়াই এই বৈশ্বিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ