০৮:৩৪ পি.এম
বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সময় মানসিক ভারসাম্যহীন একটি নারীর উপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। অপর এক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বগুড়া সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, আটক করা দুজন হলেন- ওই এলাকার আলমগীর হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। একই মামলার আরেক আসামী মাহবুবুর রহমান পলাতক রয়েছেন।
মাহিফুজ আলম আরো বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এই সময় ওই নারীকে তিন ব্যক্তি মিলে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তার স্বামী জামিনে যখন বাড়ি ফেরেন তখন ধর্ষণের বিষয়টি জানা যায়। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দুজন অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। তৃতীয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, জামিনে কারাগার থেকে বাড়ি ফেরার পর তিনি জানতে পারেন যে তার স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানতে চাইলে তার স্ত্রী বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে কয়েক মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন