ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোপন আস্তানা থেকে ‘চুয়া সেলিম’ আটক


গোপন আস্তানা থেকে ‘চুয়া সেলিম’ আটক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের একজন শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিমকে গোপন আস্তানা থেকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরের সময়ে র‍্যাব-২ এর সিপিএসসির কোম্পানির কমান্ডার হাসান মুহতারিমের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানের মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়েছে।

এটি জানা যায় যে, জেনেভা ক্যাম্প থেকে সহজে আসামী ধরা যায় না এবং সেখান থেকে তাদের বের করে নিয়ে আসা সম্ভব হয় না। এতে দেখা যায়, জেনেভা ক্যাম্পে শীর্ষ কয়েকজন মাদক কারবারির মধ্যে চুয়া সেলিম অন্যতম। চুয়া সেলিমের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরে হত্যাকাণ্ড, মাদক সহ একাধিক মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

সম্প্রতি সিপিএসসি কোম্পানি কমান্ডার হাসান মুহতারিমের নেতৃত্বে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, এবং বিভিন্ন নামধারী কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত গ্রেপ্তার অভিযান নেওয়া হচ্ছে। এই অভিযানে মোহাম্মদপুর ও আদাবরে একের পর এক এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরও ২ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরও ২ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

ভারতের কলকাতায় নিউমার্কেটের নিকট অবস্থিত মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে আরও দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেছে যে, নিহতদের দুজনের বাড়ি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায়।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ১০টা নাগাদ স্থানীয় এলাকায় খবর পৌঁছানোর পর নিহতদের স্বজনরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহতদের একজন হলেন আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুচ সরদারের পুত্র। পেশায় তিনি ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন। অপরদিকে, নিহত দ্বিতীয় ব্যক্তিটি একই উপজেলার বাসিন্দা রেবতী সরকার। তবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে অজানা রয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানিয়েছেন, কোমরব্যথার চিকিৎসার জন্য ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে গিয়েছিলেন। বুধবার তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু রাত ১০টার দিকে স্বজনরা খবর পান যে, হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনি নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেশী হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, প্রায় ৭-৮ বছর আগে তিনি হজ পালন করে দেশে ফেরার পর জানিয়েছেন যে, তিনি আর বিয়ে করবেন না। এরপর থেকে তিনি অবিবাহিত জীবনযাপন করে আসছিলেন। এলাকায় তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

এক বছর আগে সাজুর মা মারা গেছেন। এর পূর্বেই তার বাবা মৃত্যু বরণ করেছেন। চার ভাইয়ের মধ্যে সাজু ছিলেন সবার ছোট। তার মেজো ভাই রাজু সরদারও মারা গেছেন। বর্তমানে বড় ভাই সাহেব সরদার ও সেঝো ভাই উজ্জ্বল সরদার জীবিত আছেন। সাজুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম বয়ে যাচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা জানায়, ঘটনাটি জানার পর নিহতদের পরিচয় ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

এমনকি উল্লেখযোগ্য যে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার ওই আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডের কারণে এখন পর্যন্ত সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হোটেলটিতে তখন প্রায় ২৫ জন বাংলাদেশি অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেনিয়ায় পর্যটন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


কেনিয়ায় পর্যটন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৭

কেনিয়ায় একটি পর্যটন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে মৃত্যুবরণ করেছেন দক্ষিণ আমেরিকার রাষ্ট্র ইকুয়েডরের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মাইকেল সেনসি কন্টুগি, তার স্ত্রী স্টেফানি কন্টুগি এবং অন্যান্য ৫ জন মার্কিন নাগরিক। তাঁরা সকলেই হেলিকপ্টারটির যাত্রী ছিলেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির উত্তরে অবস্থিত সামুবুরু জেলার মধ্যে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। কেনিয়ার বেসামরিক বিমান পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (কেসিএএ) থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েেছে, যে হেলিকপ্টারটি দেশের উত্তরাঞ্চলীয় সংরক্ষিত বন লোইসাবা ওয়াইল্ডলাইভ রিজার্ভ থেকে রওনা হয়েছিল।

হেলিকপ্টারটি যেখানে বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি হচ্ছে একটি পাহাড়ি এলাকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেলিকপ্টারটির বিধ্বস্ত হওয়ার ছবি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেডক্রসের কেনিয়া শাখা। ঐ ছবি দেখে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, হেলিকপ্টারটি মাটিতে ভূপাতিত হওয়ার পর তা থেকে আগুন ধারণ করেছিল। পার্বত্য এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যদের সেখানে পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটেছে।

কেসিএএ-এর অধীন এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (এএআইডি) পরিচালক ফ্রেডরিক কাবুঙ্গে এএফপিকে জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারে মোট ৮ জন ছিলেন। এর মধ্যে একজন চালক ও বাকি সাত জন যাত্রী ছিলেন। সকলেই নিহত হয়েছেন।

বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে সামবুরু জেলার পুলিশ ডেভিড এনকোরোই এএফপিকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা ঘটার পর সেখানকার উদ্ধারকারী বাহিনী পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু অন্ধকার, পার্বত্য এলাকা এবং দুর্ঘটনাস্থলের জটিল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধার তৎপরতা আজ রাতের জন্য দেরিতে মুলতবি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) থেকে এ তৎপরতা আবার শুরু হবে।

এদিকে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটির যাত্রীদের মধ্যে ইকুয়েডরের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মাইকেল সেনসি কন্টুগি এবং তার স্ত্রী স্টেফানি কন্টুগি ছিলেন, এ বিষয়টি প্রথম নিশ্চিত করেন দেশটির পরিবহনমন্ত্রী রবার্তো লুকু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, মাইকেল এবং স্টেফানি খুব দ্রুত আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এই ঘটনায় তাদের পরিবার, বিশেষ করে শিশু ও পিতা-মাতার জন্য তার চিন্তা প্রকাশ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গভীর সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ঋণ ছাড়িয়েছে ৪০ লাখ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


গভীর সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ঋণ ছাড়িয়েছে ৪০ লাখ কোটি ডলার

যুক্তরাষ্ট্র গভীর আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। এটি প্রথমবারের মতো দেখা যাচ্ছে যে দেশটির জাতীয় ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন বা ৪০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মূলত মার্কিন সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়, ঋণের সুদ এবং বাজেট ঘাটতি মেটাতে ধার নেওয়ার কারণে ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়ছে। কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) পূর্বাভাস দিয়েছে যে ২০৩৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রায় ৬৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

ট্রেজারি বিভাগের সর্বশেষ দৈনিক ঋণ ও নগদ হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণ ৪০ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জনগণের কাছে থাকা ট্রেজারি সিকিউরিটির পরিমাণ ৩২ দশমিক ২৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে থাকা ঋণের পরিমাণ ৭ দশমিক ৭৮২ ট্রিলিয়ন ডলার।

এখনকার রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণ দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তখন দেশটির মোট ঋণ ছিল প্রায় ১৯ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। কিন্তু এরপরের সময়ের মধ্যে ঋণ বেড়ে গেছে প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি ঘটেছে করোনাভাইরাস মহামারির সময়, যা মাত্র দুই বছরের মধ্যে হয়েছে। মহামারি মোকাবিলায় বিপুল পরিমাণ সরকারি ব্যয় ও ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্প এবং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন—এখন দুই প্রশাসনের ভূমিকা ছিল।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দুই প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও রাজস্বনীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি কর ও সরকারি ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা বাকি ঋণ বৃদ্ধির পেছনে দায়ী।

কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজেট পর্যবেক্ষক বিভিন্ন সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে আসছিল। বর্তমানে আর্থিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন না হলে দেশটি আরও বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ক্রমবর্ধমান ঋণ এবং সর্বশেষ রেকর্ড মাইলফলকটি ইতোমধ্যে আমেরিকানদের অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলছে। এর ফলে মর্টগেজ ও গাড়ির মতো জিনিসের জন্য ঋণের খরচ বাড়ছে, এবং বিনিয়োগের জন্য কম অর্থ হাতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুরি কমছে, সেইসঙ্গে পণ্য ও পরিষেবার দামও বাড়ছে।

দলনিরপেক্ষ সংস্থা কমিটি ফর আ রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেটের (CRFB) প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস বলেন, ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ শুধুমাত্র সরকারের হিসাবের খাতায় সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের ওপরও গিয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, যে পরিমাণ ঋণ সরকার নেবে, মূল্যস্ফীতির চাপ ততই বাড়বে। একই সঙ্গে বাজেটের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয়ের সুযোগ কমে যাবে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জরুরি পরিস্থিতি কিংবা বিদেশে অস্থিতিশীলতার সময় যুক্তরাষ্ট্র আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

ম্যাকগিনিয়াস আরও বলছেন, মাত্র পাঁচ মাসেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ৩৯ ট্রিলিয়ন থেকে ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত ২০ বছরেরও কম সময়ে দেশটির ঋণ প্রায় চারগুণ হয়েছে। অথচ প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ হতে যুক্তরাষ্ট্রের সময় লেগেছিল ১৯৮১ সাল পর্যন্ত।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সরকারি বন্ডের সুদও বাড়ছে। সম্প্রতি ২৫ বিলিয়ন ডলারের ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড নিলামে ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ সুদে বিক্রি হয়েছে।

এর কিছুদিন পর, মঙ্গলবার দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ প্রায় দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিপুল পরিমাণ সরকারি বন্ড বাজারে ছাড়ার কারণে বিনিয়োগকারীরা বেশি ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগের জন্য বাড়তি মুনাফা দাবি করছেন।

বন্ডের দাম ও সুদের হার সাধারণত বিপরীতমুখী থাকে। অর্থাৎ বন্ডের চাহিদা কমলে দাম কমে এবং এর ফলে সুদের হার বেড়ে যায়।

এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের সুদ কমানোর লক্ষ্যে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, ১০ থেকে ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড পুনঃক্রয় বা বাইব্যাক কার্যক্রমের আকার দ্বিগুণ করা হবে। প্রতিটি কার্যক্রমে অন্তত ৪ বিলিয়ন ডলারের বন্ড পুনঃক্রয় করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদ উঠলে এর প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ঋণের খরচেও পড়বে। বিশেষ করে বাড়ি কেনার বন্ধকী ঋণ, গাড়ির ঋণ এবং ব্যবসায়িক ঋণের সুদের হার বেড়ে যেতে পারে।

অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন, সরকারি ঋণ ও সুদ পরিশোধের বাড়তি ব্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদি বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে আরও গভীর আর্থিক সংকটে নিমজ্জিত হতে পারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাবনূরের রহস্যময় ৫ শব্দের পোস্ট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


শাবনূরের রহস্যময় ৫ শব্দের পোস্ট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী’ এই সংক্ষিপ্ত পোস্টটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূরের মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দেওয়া এই পোস্টে তিনি কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার নাম উল্লেখ করেননি। তবে শুধু কয়েকটি শব্দের এই বার্তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে একাধিক কৌতূহল ও জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে।

সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার প্রেক্ষিতে শাবনূরের এই পোস্টের সম্ভাব্য প্রেক্ষাপট নিয়েও নানা আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যদিও শাবনূর নিজে পোস্টটি সালমান শাহর মৃত্যুর মামলা কিংবা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না বলতে পারেননি।

সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় শাবনূরের নামও আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন অভিযোগ উঠলেও শাবনূর বরাবরই সেগুলো অস্বীকার করে আসছেন।

এদিকে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন একটি তৎপরতা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুলিশ অভিনেতা ডন হক নামের অন্যতম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে আদালতে হাজির করার পর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের শুনানির ফলাফল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী সাংবাদিকদের সামনে ডনের পূর্বের জবানবন্দির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ওই জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন তার বাসায় সামিরা, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর মতে, জবানবন্দিতে সালমান শাহকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অচেতন করার ঘটনা, পরবর্তীতে ইনজেকশন দেওয়া এবং মৃত্যুর পর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগের কথাও রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দড়িটি ডন নিজের কোমরে বেঁধে সালমান শাহর বাসায় নিয়ে গিয়েছিল বলেও জবানবন্দিতে বলা হয়েছে।

কিন্তু এসব অভিযোগ এবং জবানবন্দির তথ্য বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং মামলাটি নিয়ে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য দাবি দীর্ঘদিনের। তার ভক্ত এবং বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার সুস্পষ্ট তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য প্রকাশের দাবি জানানো হচ্ছে। এই নিয়ে যখন শাবনূরের সংক্ষিপ্ত পোস্ট নতুন জল্পনাকে উস্কে দিচ্ছে।

সালমান শাহের সঙ্গে শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে নব্বইয়ের দশক থেকেই নানা আলোচনা হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এমন গুঞ্জনও বিদ্যমান ছিল। কিন্তু শাবনূর বরাবরই বলেছেন, তিনি সালমান শাহকে ভাইয়ের মতো দেখতেন। সম্প্রতি, সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীও শাবনূরের ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন যে, তার ছেলে শাবনূরকে বোনের মতোই দেখতেন।

১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ বড় পর্দায় অভিষিক্ত হন। পরে ‘তুমি আমার’ সিনেমায় শাবনূরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল।

শুধু চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন, যার মধ্যে ১৪টি সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। ‘সুজন সখী’, ‘বিচার হবে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘মহামিলন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘জীবন সংসার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেম পিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’সহ তাদের অভিনীত বেশিরভাগ সিনেমা দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছিল।

সালমান শাহের মৃত্যু মামলাটি নিয়ে যখন নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, ঠিক তখন শাবনূরের রহস্যময় পাঁচ শব্দের পোস্টটি জনমনে আরও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। তবে পোস্টটির প্রকৃত উদ্দেশ্য বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আপাতত শাবনূর কিছু জানাননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%