ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংস্কারের ১৫ দিনের মধ্যে খানাখন্দে পরিপূর্ণ, অভিযোগ অনিয়মের


সংস্কারের ১৫ দিনের মধ্যে খানাখন্দে পরিপূর্ণ, অভিযোগ অনিয়মের

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় খানাখন্দে ভরে গেছে। চালক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়সারা কাজ করায় এমন অবস্থা হয়েছে। তারা দাবি করছেন, পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন এবং সড়ক সংস্কারের দাবি তাঁদের।

জানাগেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কটি ২০০০ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নির্মাণ করে। অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকালীন অনিয়মের কারণে কয়েক বছরের মাথায় সড়ক খানাখন্দে ভরে যায়। ২০১৮ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সড়কের কিছু স্থানে সংস্কার করে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন৯’শ ১২ টি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে পরিবহন বাস, লোকাল বাস, ডিস্ট্রিক ট্রাক, মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার অন্তর্ভুক্ত। এর পাশাপাশি সহ-হাজারাধিক অবৈধ মাহেন্দ্র, ট্রলি, সিএনজি ও ব্যাটারীচালিত অটোগাড়ী চলাচল করে বলে জানান পটুয়খালী সেতুর টোল আদায় কর্তৃপক্ষ। গত ৮ বছরে সড়কজুড়ে খানাখন্দে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বছর জুন মাসের শুরুতে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা স্ট্যান্ড পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়ক পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ মেরামত করে। ৩০ জুন ওই কাজ শেষ হয়। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই মহাসড়কে শত শত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। চালকরা জানান, খানাখন্দের কারণে সড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়সারা সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্মচারীদের কাজ করায় ১৫ দিনের মধ্যে সড়কের পীচ উঠে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। গাড়ী চালক মোঃ নিজাম উদ্দিন, সালাম এবং স্থানীয় ইমরান, রাসেল ও শাহ আলম দ্রুত সড়ক সংস্কার কাজের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন। রবিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার খানাখন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। এর মধ্যে শাখারিয়া থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার কেবল খানাখন্দ।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

যাত্রী তানজিলা, জিয়া উদ্দিন জুয়েল ও নজরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে মহাসড়কে কাজ করতে দেখলাম, বর্তমানে সেই মহাসড়ক জনজীবনের জন্য অনিরাপদ থেকে গেছে, খানাখন্দে ভরে গেছে। তুহিন পরিবহন গাড়ীর চালক সাদ্দাম মিয়া বলেন, সড়কে খানাখندانর কারণে গাড়ী চালাতে সমস্যা হচ্ছে। অল্প সময়ে কিভাবে এতো খানাখন্দ হয়, তা বুঝে আসে না। পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই সড়কের খানাখন্দ সংস্কার করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশী রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোনো দল দেশের কল্যাণ আনতে সক্ষম নয়: হাসনাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


বিদেশী রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোনো দল দেশের কল্যাণ আনতে সক্ষম নয়: হাসনাত

গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য দেশের স্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের দায়িত্ব নিজেদের গ্রহণ করতে হবে। বিদেশী রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোনো দল দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে সক্ষম নয়। পিরোজপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ এ বক্তব্য প্রদান করেন।

আজ সোমবার পিরোজপুরে ঘটনাটি ঘটে, সেখানে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির সমাপ্তির পর পর বিকেল ৬টায়, পিরোজপুর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে আয়োজিত পথসভায় তিনি বলেন, ২৪ এর অভ্যুত্থানের সময় রাজপথে স্লোগান দিয়েছিলাম 'তুমি কে, আমি কে, বিকল্প, বিকল্প'। সেই বিকল্প রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠা করতে দেশের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দায়ভার আমাদেরই নিতে হবে। নির্বাচনের আগে জনগণকে বলেছিলাম, আমাদের ফ্রিতে ভোট দিন, আমরা ফ্রিতে সার্ভিস দেব। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে আমরা জনগণের পক্ষে কথা বলে যাচ্ছি।

এনসিপি পিরোজপুর জেলা আহবায়ক হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় সংসদে নিজের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, গত পাঁচ মাসে সংসদে কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পাইনি। মিডিয়া মাফিয়া, ভূমিখেকো, ব্যাংক ডাকাত ও ভোটচোরদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলে যাচ্ছি। তিনি জানান, আগে এস আলম ব্যাংক ও দেশের সম্পদ লুট করেছে, কেউ বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি করেছে। তিনি বলেন, জনগণের সম্পদ লুটের এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতি, লুটপাট ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময়ে সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আলী আহসান জুনায়েদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ন আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান, ড. শামীম হামিদী প্রমুখ। এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ পিরোজপুর জেলা এনসিপির সদস্য সচিব মইনুল আহসান মুন্নাকে পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র পদে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনিবার্য কারণে দৌলতখানের মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


অনিবার্য কারণে দৌলতখানের মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থগিত

দৌলতখানে মারুফ ইব্রাহিম আকাশ মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভোলার দৌলতখান এলাকায় ভবানীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আয়োজনে ফরাজী কান্দি সংলগ্ন বালুর মাঠে এ টুর্ণামেন্টের আয়োজনকে সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

৯টি দল মিনি ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ করে। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে অনুষ্ঠিত টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় ভবানীপুর ফরচুন ও বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল দল মধ্যে চমৎকার একটি প্রতিদন্দ্বিতা হয়।

ফাইনাল খেলায় অতিথিস্বরূপ উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান মিয়া, ভবানীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম কবির স্বপন, প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি এমএ খায়ের, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ।

কিন্তু পরে খেলায় একটি গোলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল দল হৈ-হুল্লোড়ের মধ্যে মাঠ ত্যাগ করলে রেফারি খেলাটি স্থগিত করে দেন। আয়োজক কমিটি পরে ফের খেলার তারিখ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


চাঁদপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি মতবিনিময়

চাঁদপুরের মতলব মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নব গঠিত এডহক কমিটির প্রথম মতবিনিময় সভা রোববার (১৯ জুলাই, ২০২৬) সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে এবং সহকারি শিক্ষক কাজী সহিদুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতি শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, সকলের সহযোগিতা থাকলে আমরা এই বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মান বৃদ্ধি করে বিদ্যালয়ের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে জেলার মধ্যে একটি মডেল সৃষ্টি করতে পারব। এ সময় তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৭ জন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের এ ধারাটি অব্যাহত রেখে আগামীতে আরও ভালো রেজাল্ট করে বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ কামরুল হাসান, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রধান, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুস শুক্কুর মাস্টার, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক ভিপি জিএম খলিলুর রহমান, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ জালাল উদ্দিন সাগর, মুন্সিরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন মৃধা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম নয়ন হাজরা, পশ্চিম পিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম প্রধান, জেলা পুস্তক সমিতির সভাপতি এসএম মোরশেদ সেলিম, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মোস্তফা গাজী, মোঃ বশির পারভেজ, মোঃ ফারুক গাজী, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি মোঃ সুলতান সরকার, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন বকাউল, ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন মিজি, ২ নং আশিকাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মমিন খান এবং মোঃ মাহাবুব আলম মুন্না।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের কাছে কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং ও বহিরাগতদের আনাগোনা লক্ষণীয়। সেই কারণে প্রয়োজন হলে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে তা রোধ করতে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়। বক্তারা আরও বলেন, ম্যানেজিং কমিটিতে যাতে কোনভাবেই নেশাগ্রস্থ লোক না থাকে সেটি নজরে রাখতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলবের ৮ গ্রামের মানুষের জনজীবন বদলে দেবে একটি কালভার্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


মতলবের ৮ গ্রামের মানুষের জনজীবন বদলে দেবে একটি কালভার্ট

চাঁদপুরের মতলব পৌরসভার উদ্দমদী এলাকার একটি কালভার্ট আটটি গ্রামের মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ছিল তাদের চলাচলের একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি বা পানির স্রোত বাড়লেই সেই সাঁকো আতঙ্কের প্রতীক হয়ে দাঁড়াত। প্রতিদিন জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে চলাচল করতে হতো। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা এখন শেষের দিকে, কারণ প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন কালভার্টটির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। স্থানীয়দের আশা, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হয়, তবে শুধু যাতায়ातের দুর্ভোগই দূর হবে না, বরং পুরো এলাকার আর্থ-সামাজিক চিত্র বদলে যাবে। আজ রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) সরেজমিনে পরিদর্শনকালে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এতদিন তারা খালের ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়েই চলাচল করতে বাধ্য ছিলেন। বর্ষাকালে খালের পানির পরিমাণ বাড়লে ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যেত। শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়ায় ভোগান্তি সৃষ্টি হতো, কৃষিপণ্য বাজারে নিতে হিমশিম খেতে হতো, জরুরি রোগী পরিবহনেও সংকট দেখা দিত। অনেক সময় বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে যেতে হতো, ফলে সময় ও অর্থ দুয়েরই অপচয় হতো। স্থানীয় বাসিন্দা ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শাহজাহান সাগর বলেন, "কালভার্ট না থাকায় এই এলাকার আটটি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষকে দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এর নির্মাণকাজ শেষ করা হোক।" স্থানীয়দের মতে, বহু বছর ধরে তারা জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে উদ্যোগ নেওয়ায় সেই স্বপ্ন এখন বাস্তবায়িত হতে চলেছে। নির্মাণকাজ শেষের দিকে পৌঁছানোয় এলাকায় স্বস্তি এবং আশাবাদ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীদের মতামত হলো, কালভার্টটি চালু হলে আট গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত সহজ হবে, এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহনেও বেশি অসুবিধা হবে না। ফলে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও আরও গতিশীল হবে। নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার মো. জহিরুল হক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে বর্ষার মাঝেও নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কালভার্টের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। কালভার্টটি আরও টেকসই করার লক্ষ্যে নির্ধারিত ড্রইংয়ের বাইরেও অতিরিক্ত বিমের কাজ করা হচ্ছে। মতলব পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ফেরদৌস আহমেদ জানিয়েছেন, কালভার্ট নির্মাণকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এখন রেলিং ও রঙের কিছু কাজ বাকি আছে। খুব শিগগিরই পুরো কাজ শেষ হলে এলাকাবাসী এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে কোনো ধরনের মানের সঙ্গে আপস করা হচ্ছে না। মতলব দক্ষিণ পৌরসভার প্রশাসক কে এম ইশমাম বলেন, কালভার্টের নির্মাণকাজ শেষ হলে ওই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে। কাজটি মানসম্মত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোনো একটা ত্রুটি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে কালভার্টটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে এই একটি অবকাঠামো উদমদী এলাকার আটটি গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রায় নতুন গতি আনবে এবং উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%