ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো


ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো

সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু ঘটানোর পর অক্টোবরে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটি ৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৩ জনে পৌঁছেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,১৯৩ জন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩৬, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৩, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরে ৫৩০, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৫০, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৫০, খুলনা বিভাগে ৩০৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০, রাজশাহী বিভাগে ১৬০, রংপুর বিভাগে ৮৪ এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জন রয়েছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৯৯,২৭৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯২,৮০৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১,৭৯৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে মারা গেছে ৫৮ জন। এছাড়া, সেপ্টেম্বরে ১৪৮, আগস্টে ৪৩, জুলাইয়ে ৩৬, জুনে ১৩, মে মাসে ১ এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১,০২,৮৬১ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মারা যান ৪১৩ জন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১,০১,২১৪ জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের।

এর আগে ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩,২১,১৭৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মারা যান ১,৭০৫ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি অফিসের জন্য দিবস উদযাপন ও ছুটির নির্দেশনা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


সরকারি অফিসের জন্য দিবস উদযাপন ও ছুটির নির্দেশনা জারি

সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনের জন্য ছুটি এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রোববার (১১ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত পরিপত্র প্রকাশ করেছে।

নতুন পরিপত্রে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করার জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পূর্বে গত ১১ মার্চ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন/পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ের উৎসবসমূহ ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে।

রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত আকারে সেমিনার/সিম্পোজিয়াম আয়োজনের অনুমতি রয়েছে। কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা আয়োজন থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। সরকারিভাবে গৃহীত কোনো কর্মসূচি অফিসের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলি ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

নগদ বা উপকরণ আকারে অর্থ/সম্পদ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না- এরূপ সাধারণ ইভেন্টসমূহ ছুটির দিনে অথবা কার্যদিবসে আয়োজন করা যাবে। রাজধানীর বাইরে থেকে/জেলা পর্যায় হতে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যতটা সম্ভব পরিহার করা হবে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহের অধিক্ষেত্রে সমধর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়ে একই তারিখে একত্রে পালন করা আবশ্যক। মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এতদ্বিষয়ক সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে।

সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাইকগাছায় এলপিজি গ্যাসের সংকটে বিপাকে গৃহিণীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


পাইকগাছায় এলপিজি গ্যাসের সংকটে বিপাকে গৃহিণীরা

খুলনার পাইকগাছায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার কেনার জন্য সাধারণ ভোক্তারা বর্তমানে ভোগান্তিতে রয়েছেন। বাজারে গ্যাসের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। পরিচিত কিছু কোম্পানির সিলিন্ডার খুঁজে পেতেও ক্রেতাদের দোকান থেকে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। কোথাও সরবরাহ না থাকায় ক্রেতাদের খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে, আবার কোথাও বেশি দাম দিয়েও রান্নার জন্য গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, বর্তমানে পাইকগাছার বিভিন্ন বাজারে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ চলতি অক্টোবর মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর ফলে ক্রেতাদের প্রতি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪১৩ থেকে ৪৬৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

স্থানীয় ক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে যমুনা, ফ্রেশ, বসুন্ধরা, ওমেরা, বিএম ও টোটালের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডের সিলিন্ডারের সরবরাহ কম। তাদের মতে, কিছু দোকানে নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও অন্য ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে পছন্দের ব্র্যান্ডের গ্যাস কেনার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

পাইকগাছার গৃহিণী আসমা বেগম বলেন, "রান্নার জন্য গ্যাস প্রয়োজন হলেও চাহিদামতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।" তিনি আরও জানান, দু-একটি কোম্পানির সিলিন্ডার মিললেও খালি সিলিন্ডার বদলে গ্যাস নেওয়ার সুযোগ নেই। এর ফলে নতুন সিলিন্ডারসহ গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

আসমা বেগমের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সিলিন্ডারসহ ১২ কেজি গ্যাস কিনতে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। সংসারের অন্যান্য খরচের সঙ্গে এই বাড়তি ব্যয় সামলাতে তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্থানীয় ভোক্তারা জানিয়েছেন, গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দামের কারণে রান্নার খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই একাধিক দোকানে খোঁজ করেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। আবার রান্নার প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনছেন। পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ পড়বে বলে তাদের আশঙ্কা।

বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সরবরাহের ঘাটতি, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা কৃত্রিম সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোন কোম্পানির সিলিন্ডার কতটা সরবরাহ করা হচ্ছে এবং খুচরা পর্যায়ে কী দামে বিক্রি হচ্ছে, তা নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এলপিজি ডিলারদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্দেশনা দেওয়ার পরও বাজারে নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি এবং সরবরাহ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। ফলে সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পাওয়া এবং বেশি দাম দিয়ে কেনার ভোগান্তি অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরোহায় ক্যামেরাম্যানের সঙ্গে তিন বোনের বিয়ে, ভাইরাল ভিডিওতে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


আমরোহায় ক্যামেরাম্যানের সঙ্গে তিন বোনের বিয়ে, ভাইরাল ভিডিওতে আলোচনা

সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের আমরোহা জেলায় তিন বোনের বিয়ের ঘটনায় সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। এই ঘটনাটি একটি ক্যামেরাম্যানের সঙ্গে তাদের বিয়ের কারণে ঘটেছে।

জানা গেছে, আলাদা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে তারা একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই সরোজ (২০), সাবিত্রী (১৯) ও সন্তোষ (১৮) একই সঙ্গে তাদের ক্যামেরাম্যান বিকাশকে বিয়ে করেছেন।

তাদের দাবি, ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে বড় হওয়া তিন বোন বিয়ের পরও একসঙ্গে থাকতে চেয়েছেন। সেই ইচ্ছা থেকেই তারা একজনকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৭ জুলাই চামুণ্ডা মাতা মন্দিরে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তিন বোনের বাসস্থান হাসানপুরের ধৌরিয়া গ্রামে এবং তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করেন।

বিকাশ গত ছয় মাস ধরে তাদের ক্যামেরাম্যান হিসেবে কাজ করছিলেন। তাদের তৈরি বিভিন্ন ভিডিওতে তিনি প্রায়ই স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করতেন। সম্প্রতি বিয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বিকাশ তিন বোনের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছেন।

তবে অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের পরিবারের কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনাটি নিয়ে কয়েকটি হিন্দু সংগঠনও আপত্তি জানিয়েছে।

কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা ব্যাখ্যা করে বড় বোন সরোজ বলেন, ছোটবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিয়ের পরিকল্পনার কথা জানতে পেরে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এমনকি আলাদা হয়ে যাওয়ার চিন্তা থেকে আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন বলে জানান তিনি।

সরোজের ভাষ্য, ‘শৈশব থেকে আমরা একসঙ্গে থেকেছি। আলাদা হয়ে থাকার কথা কখনোই কল্পনা করতে পারিনি। যখন বুঝলাম, বিয়ের পর আমাদের আলাদা হয়ে যেতে হবে, তখন আমরা আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলাম। পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিই, মৃত্যুর পথ বেছে নেওয়ার বদলে একসঙ্গেই থাকব এবং একজনকেই বিয়ে করব।’

তাদের দাবি, চারজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে বিকাশও বলেন, তিন বোনের মধ্যে গভীর বন্ধনের বিষয়টি তিনি জানতেন। তারা বিয়ের পর আলাদা থাকতে চান না- এ কথা তাকে বারবার জানিয়েছেন।

তাদের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বিয়েতে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানান বিকাশ। একই সঙ্গে নিজেদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করার জন্য মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা বাড়তে থাকলে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিন বোন। সেখানে হিন্দু পুরাণের রাজা দশরথের তিন রানির প্রসঙ্গ টেনে তারা প্রশ্ন করেন, ‘প্রাচীনকালে রাজা দশরথের তিনজন রানি ছিলেন। তখন কি সেটাকে অপমান বলা হয়েছিল?’ তাদের দাবি, নিজেদের ইচ্ছায় সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তারা কোনো ভুল করেননি।

তবে এই বিয়ের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের আইনজীবী অনুরাগ পান্ডে বলেন, হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী একজন হিন্দু পুরুষের একাধিক স্ত্রী থাকা আইনত স্বীকৃত নয়। তার মতে, এ ধরনের বিয়ে আইনের দৃষ্টিতে বাতিল এবং এর মাধ্যমে বৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় না।

অন্যদিকে, মন্দিরের ব্যবস্থাপক ড. শিবচরণ দাসের বরাত দিয়ে দৈনিক ভাস্করের ইংরেজি সংস্করণের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিয়ের সময় চামুণ্ডা মাতা মন্দিরে সংস্কারকাজ চলছিল। এ কারণে সেখানে কোনো পুরোহিত উপস্থিত ছিলেন না।

ঘটনাটি নিয়ে পুলিশও চারজনের সঙ্গে কথা বলেছে। হাসানপুরের সার্কেল অফিসার পঙ্কজ ত্যাগী জানান, ভাইরাল ভিডিওর পর পুলিশ চারজন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নিয়েছে।

তাদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজেদের ইচ্ছায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

পঙ্কজ ত্যাগীর ভাষ্য, ভবিষ্যতে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে বা আমলযোগ্য অপরাধের তথ্য সামনে এলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, স্থানীয় কয়েকটি হিন্দু সংগঠন ধর্মীয় স্থানে এ ধরনের বিয়ের আয়োজনকে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির পরিপন্থী বলে দাবি করেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা-মদিনার পবিত্রতা রক্ষায় মিজানুর রহমান আজহারীর ফেসবুক পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


মক্কা-মদিনার পবিত্রতা রক্ষায় মিজানুর রহমান আজহারীর ফেসবুক পোস্ট

মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হামলা এবং সেখানে অবস্থানরত নিরপরাধ উমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

তিনি রোববার (১১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ ক্ষোভ জানিয়ে বলেন।

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী উল্লেখ করেন, মক্কা ও মদিনা শুধুমাত্র ভৌগলিক স্থান নয়— এই দুই নগরী সমগ্র মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের স্পন্দন।

তিনি আরও বলেন, পবিত্র এই ভূমিতে হামলা এবং নিরপরাধ উমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও বেদনাদায়ক। নিশ্চয়, আল্লাহর কাছে যে ভূমি বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত, তার পবিত্রতা ও সম্মান ক্ষুণ্ন করার পরিণতি ভয়াবহ।

তিনি তার পোস্টে আরও লেখেন, হে কাবার মালিক! মক্কা-মদিনাকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%