মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১২ পি.এম
সরকার ঢাকায় মনোরেল ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মূলত, এটি মেট্রোরেলের যাত্রীদের যাতায়াতের শেষ ধাপের সংযোগ উন্নত করতে ফিডার সার্ভিস হিসেবে চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশনকে প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য নিয়োগ দিতে যাচ্ছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডিটিসিএ এবং বুয়েটের মধ্যে সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
চুক্তির পর ঢাকা মহানগর অঞ্চলে প্রস্তাবিত পাঁচটি করিডরের পাশাপাশি সম্ভাব্য অন্যান্য রুটও সমীক্ষায় যাচাই করা হবে। এর মধ্যে দুটি করিডরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।
সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা (আরএসটিপি) অনুযায়ী, প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি মনোরেল করিডর প্রস্তাব করা হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত একটি করিডর বাছাই করার কথা রয়েছে। পুরো সমীক্ষা শেষ করতে ছয় মাস সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত করিডরগুলো হলো—পূর্বাচল ও জলসিঁড়ি হয়ে বিমানবন্দর-বসুন্ধরা (২৫ দশমিক ২ কিলোমিটার), মধ্য বাড্ডা-ভুলতা (১৪ দশমিক ৬ কিলোমিটার), রামপুরা-ডেমরা (১০ দশমিক ৩ কিলোমিটার), মোহাম্মদপুর-পোস্তগোলা (১১ দশমিক ৭ কিলোমিটার) ও উত্তরা সেন্টার হয়ে বিমানবন্দর-সাভার (১৭ দশমিক ৬ কিলোমিটার)।
সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এই সমীক্ষায় রুটের বিন্যাস, সম্ভাব্য স্টেশন ও ডিপোর অবস্থান, যাত্রী চাহিদা, কারিগরি ও কাঠামোগত উপযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা হবে।
বিদ্যমান ও পরিকল্পনাধীন মেট্রোরেল এবং অন্যান্য গণপরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে মনোরেলের সমন্বয়ের বিষয়টিও এতে খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে মেট্রোরেলের যাত্রীদের যাতায়াতের শেষ ধাপের সংযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
মনোরেল সাধারণত উড়ালপথে চলাচল করে। ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ যেসব এলাকায় সড়কের জায়গা সীমিত এবং ভারী অবকাঠামোর কারণে মেট্রোরেল নির্মাণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেখানে মনোরেল গণপরিবহনের সংযোগ হিসেবে কাজ করতে পারবে কি না, তা যাচাই করার পরিকল্পনা করছে ডিটিসিএ।
নির্মাণ ব্যয়, যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা, পরিচালন ব্যয় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্ভাব্যতা নির্ভর করবে সমীক্ষার ফলাফলের ওপর।
ডিটিসিএর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত একটি মনোরেল রুট চালু করা।’
তিনি জানান, প্রাথমিক বিবেচনায় পাঁচটি রুট রাখা হয়েছিল। বুয়েটের পরামর্শে এখন ১৪টি রুট যাচাই করা হচ্ছে। সম্ভাব্য সুবিধা ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে সেখান থেকে বাস্তবায়নযোগ্য একটি রুট বেছে নেওয়া হবে।
ঢাকায় মনোরেল সেবা চালুর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধ শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, সরকার বা রাজনৈতিক শক্তির সংঘাতের বিষয় নয়, বরং এর সবচেয়ে গভীর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে পড়ে। প্রতিটি পরিসংখ্যানের পেছনে রয়েছে একজন মানুষ, ধ্বংসস্তূপের পেছনে একটি পরিবার এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ভয়, ক্ষতি ও অনিশ্চয়তার গল্প—এভাবে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব মিডিয়া: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে সত্য, মানবিক মর্যাদা, প্রাসঙ্গিকতা ও ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন উপাচার্য। তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য শেয়ার করার আগে সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি কি সমঝোতায় অবদান রাখছি, নাকি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছি?" -এ প্রশ্ন প্রত্যেকের বিবেচনা করা উচিত। গণমাধ্যম একা যুদ্ধ বন্ধ করতে না পারলেও, মানুষ কীভাবে যুদ্ধকে অনুধাবন করবে, তা প্রভাবিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর জোর দেন।
উল্লেখ্য, সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, রুশ রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাসিক সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম মান্নান।
তিনি সভায় বিদ্যালয়ের মেধাবী ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, বিদ্যালয়ের ৩০ জন মেধাবী ও অসহায় শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। তার এ ঘোষণায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আলহাজ মোহাম্মদ খোরশেদ আলম মান্নান বলেন, মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়কে একটি কলেজে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করতে আসেননি। বরং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রয়োজন হলে নিজের অর্থ ব্যয় করে বিদ্যালয়ের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে শিক্ষক, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয়দের সম্মিলিত সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. রুবেল হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের বিএসসি। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেছেন যে, যারা বোরকা পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়েছেন, তারা আর কখনো এ দেশে ফিরে আসতে পারবেন না। যুবদল এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের অরাজকতা প্রতিরোধে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে থাকবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাঁচপুর এলাকায় সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের মধ্যে খায়রুল ইসলাম সজিব বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের অবস্থানকে কঠোরভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আমাদের নেতা তারেক রহমান চরম ধৈর্য ধারণ করে এই দেশকে বিশ্বদরবারে নতুন রূপে তুলে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।" তবে তিনি অভিযোগ করেন যে, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং দেশের কিছু চক্রান্তকারী এই সুযোগ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং তাদের নেতাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে এবং তারা মাত্র এক ঘণ্টার জন্য রাজপথে নামলে চক্রান্তকারীদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।"
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমেন খান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হুসাইন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা, পিয়ার হোসেন নয়ন, সোহেল রানা, রাকিব হাসান ও আবু সালেহ মুসা প্রমুখ।
সমাবেশের পর এক গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ প্রদক্ষিণ করে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার এক গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিদ্যুৎ বিল এসেছে, যেখানে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রয়েছে। এই অস্বাভাবিক বিল দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন গ্রাহক ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসে এ বিলটি ইস্যু করা হয়। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী।
বিলের কপি অনুযায়ী, এক মাসে গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল মাত্র ২৩৫ ইউনিট। এই বিদ্যুতের খরচের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা দেখানো হয়েছে। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।
প্রকৃতপক্ষে, ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে গ্রাহকের বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলটির পরিশোধের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।
গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, "এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।"
এ বিষয়ে শালিখা উপজেলার চুকিনগরে অবস্থিত মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসে গিয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, "গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন ভুলের পেছনে যাঁদের সম্পৃক্ততা রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম বলেন, "টাইপিং মিসটেকের কারণে এমনটি হয়েছে। আজ বিলটি সংশোধন করে দেয়া হয়েছে, উক্ত গ্রাহক বিলও পরিশোধ করেছেন। এ ভুলের সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ ঘটনায় বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত ও যাচাই প্রক্রিয়ার দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গ্রাহকরা এমন ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ