প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুদ্ধ শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, সরকার বা রাজনৈতিক শক্তির সংঘাতের বিষয় নয়, বরং এর সবচেয়ে গভীর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে পড়ে। প্রতিটি পরিসংখ্যানের পেছনে রয়েছে একজন মানুষ, ধ্বংসস্তূপের পেছনে একটি পরিবার এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ভয়, ক্ষতি ও অনিশ্চয়তার গল্প—এভাবে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব মিডিয়া: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে সত্য, মানবিক মর্যাদা, প্রাসঙ্গিকতা ও ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন উপাচার্য। তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য শেয়ার করার আগে সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি কি সমঝোতায় অবদান রাখছি, নাকি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছি?" -এ প্রশ্ন প্রত্যেকের বিবেচনা করা উচিত। গণমাধ্যম একা যুদ্ধ বন্ধ করতে না পারলেও, মানুষ কীভাবে যুদ্ধকে অনুধাবন করবে, তা প্রভাবিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর জোর দেন।
উল্লেখ্য, সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, রুশ রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন