শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৯ পি.এম
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় বৈদ্যুতিক লাইনে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কাহালু জোনাল অফিস শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ সময় কাহালু উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার আওতায় থাকা এলাকাগুলো হলো, বুড়ইল, শিলকওর, বীরকেদার, কাইট, দরগাহাট, নারহট্ট, মাধব বাঁকা, বিবিরপুকুর, লোহাজল, শেখাহার, ভোলতা, পাইকপাড়া, আটালিয়া, গুন্দিশ্বর, গুলিশারপাড়া, আমবাগান, কালাই ঘোনপাড়া, অন্তাহার, খামারপাড়া, কাজীপাড়া ও বাথই।
বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কাহালু জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. শাহাদৎ হোসেন বলেন, "বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা প্রয়োজন। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।"
সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুরিখ থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটের পরিচালনার পূর্বে মদ্যপ অবস্থায় থাকার কারণে এয়ার ইন্ডিয়ার একজন পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার ফলস্বরূপ ৬ সেপ্টেম্বরের জুরিখ-দিল্লি ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হতে হয়।
সুইজারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যখন ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএকে (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন) বিষয়টি জানায়, তখন ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানা যায়, জুরিখ বিমানবন্দরে ওই পাইলটের প্রাথমিক ব্রেথ অ্যানালাইজার পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এর পরই তাকে ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পাঠানো হয় এবং সাধারণ যাত্রী হিসেবে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়।
পাইলটটি চূড়ান্ত মেডিকেল প্রতিবেদন ও তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
এয়ার ইন্ডিয়ার ক্রুদের মদ্যপান ও মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর ডিজিসিএ পাইলট ও ক্রুদের ওপর নজরদারি এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইট পরিচালনার পূর্বে মদের গন্ধ পাওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়ার একজন পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় আরেক পাইলটকে চাকরিচ্যুত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া।
গত বছরের জুনে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর পাইলটদের নিরাপত্তা বিধি ও পেশাগত আচরণ নিয়ে আরও কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে।
এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। দায়িত্ব পালনের পূর্বে অ্যালকোহল বা নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের বিরুদ্ধে সব পাইলটকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে সংস্থাটির ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো) এ একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গেতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে উড্ডয়ন করেছিল। যাত্রাপথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে পাইলট জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন কেঙ্গেতে। তবে সেখানে রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা জানিয়েছেন, জরুরি অবতরণের চেষ্টা সত্ত্বেও রানওয়ে না থাকার কারণে বিমানটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে ১৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিমানে থাকা সকলেই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের মরদেহ বিমানটির বাইরের দিকে পাওয়া যায়।
সামরিক বাহিনী জানায়, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকও ছিলেন। এছাড়া, দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
মেজর জেনারেল একেনগে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে।
মধ্য আফ্রিকার খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডা সীমান্তসংলগ্ন পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। গত বছর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর দখলে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর পুনর্দখলে দেশটির সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিয়ের আসরে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জানার পর উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনায় কিশোরীর বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে কিশোরী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য দর্শনা মুক্তি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে।
বাল্যবিবাহের আয়োজন এবং এতে সহযোগিতা করার কারণে কিশোরীর বাবা রফিকুল ইসলাম (কচি)কে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ৮ ধারা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের প্রেমিক যুগলকে হাতেনাতে ধরেছে স্থানীয়রা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাদের বিয়ে দেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি মেসের পাশে এই ঘটনা ঘটে। প্রেমিক যুগল শিক্ষার্থীরা হলেন মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের ছাত্রী।
জানা গেছে, ওই মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, ওই ছাত্রী প্রধান ফটক সংলগ্ন মল্লিক মেসে অবস্থান করেন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে হস্তান্তর করেন। পরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসার পর প্রেমিক যুগল স্বীকারোক্তি দিয়ে বিয়ের সম্মতি দেয়। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের পিতামাতার উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা কয়েক মাস ধরে নিয়মিত নির্জন স্থানে বসে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে এবার হাতেনাতে ধরা হয়। পরে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সময় ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারছে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, "দুই শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে বিয়ের সম্মতি জানান তারা। আমি তাদের বাবা-মাকে আহ্বান করবো। তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া, মেয়েটি যে মেসে থাকে, ওই মেস মালিককে তলব করবো, যেহেতু সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ