ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাঁচ সময় হাত ধোয়া কেন জরুরি জানালেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা


পাঁচ সময় হাত ধোয়া কেন জরুরি জানালেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে সর্দি ও কাশির মতো মৌসুমি রোগের বিস্তারও বৃদ্ধি পেতে থাকে। তবে একটি সহজ অভ্যাস, যেমন নিয়মিত হাত ধোয়া, জীবাণুর সংক্রমণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘকাল ধরে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণুর সংস্পর্শ কমানোর জন্য নিয়মিত হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

মৌসুমি রোগ কেন ছড়ায়?

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

যখন কেউ অসুস্থ অবস্থায় হাঁচি বা কাশি দেয়, তখন তার শরীর থেকে জীবাণু আশপাশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়তে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের কি-বোর্ড, ডেস্ক এবং দৈনন্দিন ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিস।

কাশি বা হাঁচির সময় হাত দিয়ে নাক-মুখ ঢাকার পর যদি সেই হাত ধোয়া না হয় এবং অন্য কোথাও স্পর্শ করা হয়, তাহলে সেখান থেকে জীবাণু ছড়াতে পারে। পরবর্তীতে, সুস্থ ব্যক্তি যদি জীবাণুযুক্ত সেই জায়গায় স্পর্শ করে, তাহলে তার হাতের মাধ্যমে নাক-মুখে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

হাত ধোয়া কীভাবে জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে?

মৌসুমি রোগের জন্য দায়ী কিছু ভাইরাস বিভিন্ন পৃষ্ঠে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। ফলে বারবার স্পর্শ করা জিনিসের মাধ্যমে এগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিয়মিত হাত ধোয়ার মাধ্যমে হাত থেকে জীবাণু দূর করা সম্ভব। এতে জীবাণু মুখমণ্ডলে পৌঁছানো বা অন্য ব্যক্তির শরীরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমে।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে, তবে তার নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস অন্যদের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাত ধোয়ার সঙ্গে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। একটি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের দিনে অন্তত পাঁচবার হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে বলা হয়। দুই বছর ধরে তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়। যারা নিয়মিত এটি অনুসরণ করেছেন, তাদের শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণের হার ৪৫ শতাংশ কম ছিল।

তবে সংক্রমণের প্রতিরোধের জন্য হাত ধোয়া একমাত্র উপায় নয়। নিয়মিত হাত ধুলে যে কেউ অসুস্থ হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

কীভাবে হাত ধুতে হবে?

কার্যকরভাবে হাত ধোয়ার জন্য সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি—

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

* পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ভিজিয়ে নিন;

* সাবান দিয়ে ভালোভাবে ফেনা তৈরি করুন;

* অন্তত ২০ সেকেন্ড দুই হাত ঘষুন। আঙ্গুলের ফাঁক, কবজির চারপাশ ও নখের নিচের অংশও ভালোভাবে পরিষ্কার করুন;

* পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন;

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

* এরপর হাত শুকিয়ে নিন।

কখন হাত ধোয়া উচিত?

* খাবার খাওয়ার আগে ও পরে;

* শৌচাগার থেকে বের হয়ে;

আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিনামূল্যে অনলাইন কোর্সে আবেদন করার পদ্ধতি

* কর্মস্থলে পৌঁছানোর পর;

* কাঁচা সবজি, মাছ-মাংস ধরার পর;

* হাঁচি কাশি দেওয়ার পর।

নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে জীবাণুর সংক্রমণ কমানো সম্ভব। বিশেষ করে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ যখন কাশি ছড়ায়, তখন এই অভ্যাস আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজ মেশানোর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

সূত্র: সামা টিভি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
হযরত শাহজালাল (রহ.)

হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা খরচ হবে যেসব খাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা খরচ হবে যেসব খাতে

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রতিদিন গণনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাজারের দানের টাকার ৩৫ শতাংশ উন্নয়নকাজের জন্য ব্যাংকের একাউন্টে জমা রাখা হবে, আর বাকি ৬৫ শতাংশ দিয়ে মাজারের দৈনদিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন নির্বাহ করা হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয়। এর ফলে শাহজালাল মাজারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রায় দুই মাসের সিদ্ধান্তহীনতার অবসান ঘটেছে।

কমিটির সদস্য সচিব জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন সভা শেষে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, শাহজালাল মাজারের দানের টাকা এখন থেকে প্রতিদিন গণনা করা হবে। দানের টাকার ৩৫ শতাংশ সোনালী ব্যাংকের একাউন্টে জমা রাখা হবে, যা সিলেটের জেলা প্রশাসক ও মাজারের মতোয়াল্লির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ টাকা দৈনদিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন নির্বাহের জন্য ব্যবহার করা হবে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, টাকা গণনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য মাজার কমিটির পক্ষ থেকে একজন ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হবে। এই ম্যানেজার অবসরপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন বা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা হতে পারেন। এছাড়া একজন হিসাব রক্ষক ও একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেওয়া হবে।

মাজার পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, কমিটির সদস্য সংখ্যা হবে সাতজন। এর আহ্বায়ক হিসেবে জেলা প্রশাসক থাকবেন। কমিটিতে সিটি করপোরেশন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিলেট মহানগর পুলিশ, সিলেট জেলা পরিষদের একজন করে প্রতিনিধি ও পুলিশ সুপার থাকবেন। মাজারের মতোয়াল্লি এই কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়োগকৃত ম্যানেজারও এই কমিটির সাচিবিক দায়িত্বে থাকবেন। মাজারের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এই কমিটি।

হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা নিয়ে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুন মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এক মাসের মধ্যে এই কমিটি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি যৌক্তিক ও সমন্বিত কাঠামোর সুপারিশ প্রদান করবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে প্রায় আড়াই মাস পর এই কমিটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

এতদিন কোনো নীতিমালা না থাকায় বিদায়ী জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের উদ্যোগের পর থেকে মাজারের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করা হচ্ছে এবং গণনার পর টাকা জেলা প্রশাসনের খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হচ্ছে। এতে মাজার পরিচালনায় অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে বলে জানান হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের খাদেমরা।

জানা যায়, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একপাক্ষিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত ১৮ জুন বিকালে মাজারে থাকা আগের দানবাক্স সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দান করা নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী রাখার ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগও সিলগালা করা হয়। দানবাক্স ও ডেগ সিলগালার পর জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের পক্ষে-বিপক্ষে সিলেট জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এক পক্ষের দাবি, মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসক কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছেন। অন্যদিকে, অভিযোগ করা হচ্ছে যে, মাজারে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার নামে তার সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো ছিল একতরফা ও জোরপূর্বক, যা মাজারকেন্দ্রিক প্রচলিত ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়। এর পরদিন তার উপস্থিতিতে দানবাক্স সিলগালার চার দিন পর জনসমক্ষে বাক্সের তালা খুলে টাকা গণনা করা হয়।

গত ২২ জুন প্রথম দফায় দানবাক্স থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার চেক যুক্ত হলে মোট অর্থ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এর ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণ-রূপাও পাওয়া যায়। সর্বশেষ ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্স ও মানতের ডেগ খুলে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া যায়। এ সময় দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি সোনা-রূপার অলঙ্কারও পাওয়া যায়। সবশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর পাওয়া যায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। এদিনও দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি সোনা-রূপার অলঙ্কারও পাওয়া যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে নাউরুর প্রেসিডেন্টের ভাষণে দেশের নাম বদলানোর ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


জাতিসংঘে নাউরুর প্রেসিডেন্টের ভাষণে দেশের নাম বদলানোর ঘোষণা

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার সময়, নাউরুর প্রেসিডেন্ট ডেভিড আদিয়াং ঘোষণা করেছেন যে, তার দেশের নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। তিনি জানান, এখন থেকে দেশটি পরিচিত হবে নাওয়েরো নামে।

উত্তরাধিকার ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপকে তুলে ধরেন আদিয়াং। তিনি বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো নিজেদের মধ্যে ব্যবহৃত একটি নাম পুনরুদ্ধার করা।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের এই ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটি গত এক শতাব্দীতে নাম পরিবর্তন করা বা সংশোধন করা বেশ কয়েকটি দেশের কাতারে যুক্ত হলো। আদিয়াং বলেন, এই পরিবর্তন অতীতের সঙ্গে বিচ্ছেদ নয়, বরং নিজেদের পরিচয়কে পুনরায় নিশ্চিত করা। ভাষণের শেষে তিনি সরাসরি আহ্বান জানান, ‘আমাদের নাম উচ্চারণ করো।’

মঙ্গলবার এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়ার আগে আদিয়াং বলেন, ‘আমি অনেক দূর থেকে এসেছি। একটি জাতির জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন তার জনগণকে স্মরণ করতে বলা হয় তারা আসলে সবসময় কারা ছিল। আমাদের জন্য এখন সেই মুহূর্তই এসেছে।’

যদিও নাউরু এবং নাওয়েরো মূলত একই শব্দ, তবে বানান এবং উচ্চারণের পার্থক্যকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তিনি বলেন, ‘বহু বছর ধরে বিশ্ব আমাদের দেশকে নাউরু নামে চিনেছে। যাদের কাছে এই নাম উচ্চারণ করা কঠিন ছিল, তাদের কাছে এটাই ছিল আমাদের নামের শোনার ধরন, আর বিশ্ব সেটাই ধরে রেখেছে। কিন্তু এটা আমাদের নিজেদের মধ্যে ব্যবহার করা নাম নয়।’

আট বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত এই দ্বীপরাষ্ট্রে প্রায় বারো হাজার মানুষ বসবাস করে। যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং জার্মানির ঔপনিবেশিক শাসনের পর ১৯৬৮ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।

ফেব্রুয়ারিতে ইঙ্গিত দেওয়ার পর আগস্টে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দেয় তারা। দেশটির আন্তর্জাতিক কোড এনআরইউ থেকে বদলে এনআরও হচ্ছে। আর দেশটির নাগরিকরা এখন থেকে নাউরুয়ান নয়, বরং পরিচিত হবেন দেই-নাওয়েরো নামে। বিদেশে সাধারণত ‘নাও-রু’ উচ্চারিত হলেও দেশটির নতুন নাম উচ্চারিত হবে ‘নাও-এরো’ হিসেবে।

আধুনিকায়ন এবং ঔপনিবেশিক যুগের পরিচয় প্রত্যাখ্যানসহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন দেশ নাম পরিবর্তনের যে বিস্তৃত প্রবণতা দেখিয়েছে, আদিয়াংয়ের এই মন্তব্যেও তারই প্রতিধ্বনি শোনা গেছে।

২০১৮ সালে সোয়াজিল্যান্ড থেকে নাম বদলে এসোয়াতিনি হয়। ১৯৭৫ সালের এক অভ্যুত্থানের পর দাহোমি হয়ে ওঠে বেনিন। ১৯৮০ সালে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে রোডেশিয়া হয়ে ওঠে জিম্বাবুয়ে। ১৯৩৯ সালে সিয়াম হয়ে ওঠে থাইল্যান্ড। ১৯২০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই নামে পরিচিত হলেও ২০২২ সালে জাতিসংঘকে ইংরেজিতেও একই বানান এবং উচ্চারণ ব্যবহারের অনুরোধ জানায় তুর্কিয়ে। পারস্য হয়ে ওঠে ইরান, বার্মা হয়ে ওঠে মিয়ানমার, আপার ভোল্টা হয়ে ওঠে বুরকিনা ফাসো, গোল্ড কোস্ট হয়ে ওঠে ঘানা এবং সিলন হয়ে ওঠে শ্রীলঙ্কা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ দিনে ৩ বার বদলি, ঘুরে ফিরে নিজের জেলায় বিতর্কিত প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


২০ দিনে ৩ বার বদলি, ঘুরে ফিরে নিজের জেলায় বিতর্কিত প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন

লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজের বিল ছাড়াতে ‘৫ শতাংশ’ কমিশন আদায়, অসম্পূর্ণ ভবনে ৩৩ কোটি টাকার শতভাগ বিল পরিশোধ এবং সহকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেন। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে ২০ দিনের ব্যবধানে তিন উপজেলায় বদলি করা হয় এবং পরে পুনরায় একই পদে বহাল করা হয় তাকে।

স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনকে ‘মোটা অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে ম্যানেজ’ করে বদলি আদেশ বাতিল করে নিজ জেলার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন পুনরায় স্বপদে বহাল হয়েছেন।

দাপ্তরিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে (স্মারক নং-৯৫৩৫) ইকবাল হোসেনকে ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় বদলি করা হয়। এর মাত্র এক সপ্তাহ পর তাকে পরশুরাম থেকে সরিয়ে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী করা হয়। তবে ১০ দিনের মাথায় ২১ সেপ্টেম্বর প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন নিজেই অপর এক অফিস আদেশে (স্মারক নং-১০১৪৭) পূর্বের বদলি বাতিল করে ইকবাল হোসেনকে পুনরায় লক্ষ্মীপুর সদরে বহাল করেন।

অপরদিকে, বরিশালের মুলাদী থেকে বদলি হয়ে আসা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হককে জেলা সদরে বদলি করা হলেও তিনি একদিনের জন্যও অফিসে যোগদান করার সুযোগ পাননি। অভিযোগ রয়েছে, জিয়াউল হক দায়িত্ব নিতে এলে ইকবাল হোসেন তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেন। পরবর্তীতে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা নতুন অফিস আদেশে (স্মারক নং-১০১৪৬) পূর্বের সদর উপজেলার বদলি আদেশ সংশোধন করে জিয়াউল হককে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পিটিআই প্রকল্পের অসম্পূর্ণ কাজের বিপরীতে শতভাগ বিল দেওয়ার অনিয়ম ধামাচাপা দিতেই ইকবাল হোসেন নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব নিতে বাধা দেন এবং সদরের পদ আঁকড়ে ধরেছেন।

লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) পাঁচতলা একাডেমিক ভবন ও মহিলা হোস্টেল নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে কয়েক দিন ধরে জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনগুলোর আস্তর, রং, টাইলস, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রের কাজ এখনো অসম্পূর্ণ। অথচ মোট ৩৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যের এই দুটি প্রকল্পে ইতোমধ্যে প্রায় ৩৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার শতভাগ বিল ছাড় করা হয়েছে। কাজ শেষ না হতেই শতভাগ বিল নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ঠিকাদার বেলাল হোসেন ও এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল চৌধুরী।

নির্মাণাধীন মসজিদ, পুকুরঘাট, কালভার্ট ও গভীর নলকূপের বিল পাশের জন্য ৫ শতাংশ কমিশন আদায়ের অভিযোগে গত ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এএসএম মহসীনকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় (স্মারক নং-৭২৫৯)। তবে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই অভিযুক্ত এই কর্মকর্তা প্রশাসনিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছেন, এমন অভিযোগ রয়েছে।

দপ্তরের কর্মচারীদের অভিযোগ, কথায় কথায় অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করায় পুরো অফিসে একধরনের জিম্মিদশা তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার বলেন, প্রধান প্রকৌশলীকে ম্যানেজ করে ২০ দিনের মধ্যে ফিরে আসায় তিনি এখন আরও বেপরোয়া। দ্রুত তার অপসারণ ও তদন্তের শাস্তি বাস্তবায়ন করা না হলে উপজেলার সব উন্নয়নকাজ স্থবির হয়ে পড়বে।

এ ছাড়া সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা নিজ জেলায় পদায়ন বা দায়িত্বে থাকতে পারেন না বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু ইকবাল হোসেনের নিজ বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৫ নম্বর চরপাতা ইউনিয়নের চরপাতা গ্রামে হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজ জেলা সদর উপজেলায় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিধি লঙ্ঘন করে নিজ জেলায় বহাল থাকায় তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও ঠিকাদারদের ওপর দাপট দেখানোর সুযোগ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর লক্ষ্মীপুর সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, কাজ অসম্পূর্ণ রেখে শতভাগ বিল পরিশোধ ও কমিশন বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত সবার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেনকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত দুটি ফোনও বন্ধ রয়েছে। এর আগে তিনি জানান, "যে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে, সে অপরাধী। ভালো লোক না। আমিও এসব বিষয়ে দেখছি।"

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনকে মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো সাড়া মেলেনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন, গাজায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন, গাজায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে ফ্রান্স, কানাডা ও যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে ইসরাইলের বিধিনিষেধকে বিশ্বের জন্য ‘লজ্জাজনক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ম্যাক্রোঁ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি আবেগঘন ভাষণ প্রদান করেন। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ সত্ত্বেও গাজা সিটিতে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৭৩ হাজার ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ‘তথাকথিত যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৯৯ জন।

ম্যাক্রোঁ তার ভাষণে উল্লেখ করেন, এক বছর আগে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রায় এক ডজন দেশের মধ্যে ফ্রান্সও ছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, গাজার ঘটনায় যদি আমরা নিষ্ক্রিয় থাকি, তাহলে আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কোথায় যাবে?

তিনি বলেন, কিছু লোক কথিত শান্তির বড়াই করছেন। কিন্তু এই শান্তি এক সেকেন্ডের জন্যও মানবিক সহায়তার পথ খুলে দেয়নি। আমাদের কি এমন দৃশ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে হবে, যা আমাদের সবাইকে লজ্জিত করে? কখনোই নয়।

ম্যাক্রোঁ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের প্রতিদিনের ‘লঙ্ঘন’ নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা মনে করেন প্রতিবেশী সব দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ওপর ইসরাইলের নিরাপত্তা নির্ভর করে, তারা মারাত্মক ভুল করছেন। এতে বর্তমান ও ভবিষ্যতে ইসরাইলের নিরাপত্তা দুর্বল হবে এবং তা হুমকির মুখে পড়বে।

ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নি এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউএনজিএতে একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বার্নহ্যাম বলেন, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে রাজনীতিবিদদের ওপর মানুষের আস্থা আরও কমবে। তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক রাজনীতিবিদ দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বলে আসছেন। কিন্তু কথার সঙ্গে বাস্তব পদক্ষেপ না থাকলে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে।

বার্নহ্যাম জানান, পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতিতে বাণিজ্যও নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাজ্য। তিনি ইসরাইলের ‘ই-১’ বসতি প্রকল্পকে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাধাগ্রস্ত করার ‘ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে অধিকৃত পশ্চিম তীরকে দুই ভাগে বিভক্ত করে পূর্ব জেরুজালেম থেকে বিচ্ছিন্ন করার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নি ফিলিস্তিনিদের জন্য ১০ কোটি কানাডিয়ান ডলার বা প্রায় ৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।

কার্নি জানান, সহায়তার ৮০ শতাংশ সরাসরি মানবিক সহায়তায় এবং বাকি ২০ শতাংশ ‘শান্তি ও নিরাপত্তা’ নিশ্চিতকরণের জন্য ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কানাডার বহুবর্ষী উদ্যোগও রয়েছে।

গাজায় ফিলিস্তিনিরা অপরিসীম মানবিক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন উল্লেখ করে কার্নি বলেন, ইসরাইলিরাও হামাস, ইরান ও তাদের মিত্রদের কাছ থেকে ‘অস্তিত্বের হুমকি’ মোকাবিলা করছে।

তিনি ইসরাইলের ই-১ বসতি প্রকল্পেরও সমালোচনা করেন এবং অধিকৃত ভূখণ্ডের বসতিগুলোতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনার কথা জানান। এ ধরনের বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ ঘোষণাকারী ১২টি দেশের মধ্যে কানাডাও রয়েছে।

ইসরাইলের গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য ৬০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের বেশি বা প্রায় ৪২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অটোয়া।

সূত্র: আলজাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%