ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জবিতে মানসিক স্বাস্থ্যচর্চায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানালেন উপাচার্য


জবিতে মানসিক স্বাস্থ্যচর্চায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানালেন উপাচার্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মানসিক স্বাস্থ্যচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে আবাসন ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সেমিনারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য উল্লেখ করেন, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানের চাহিদা এবং পেশাগত গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু বাংলাদেশে এই বিষয়ে পেশাগত সুযোগ এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনও নানা সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতার জন্য বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, তা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসনসংকট এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার অভাব শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। এসব সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি করার বিষয়ে উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামে মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিংয়ের জন্য নতুন পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে নেওয়া এই উদ্যোগ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন উপাচার্য।

সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফাতেমা-তু-জোহরা বিনতে জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দীন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. আশোক কুমার সাহা। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মাদ ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আকরাম উজ্জামান।

সেমিনারের শেষে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনটি শিরোনামে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

এর আগে সকালে উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে স্থাপিত ‘মেন্টাল হেলথ অ্যাসেসমেন্ট’ স্টল পরিদর্শন করেন উপাচার্য। এসব স্টলে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও আত্মসম্মানবিষয়ক মূল্যায়নের পাশাপাশি বিনা মূল্যে পরামর্শসেবা প্রদান করা হয়।

‘জীবনের অভিজ্ঞতা শুনি: সত্যিকারের কথা, সত্যিকারের পরিবর্তন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমরানের দলকে হঠিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নরের শাসন জারির সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


ইমরানের দলকে হঠিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নরের শাসন জারির সিদ্ধান্ত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় (কেপি) কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে হঠাৎ জরুরি অবস্থার ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইকে সরিয়ে প্রদেশটিতে গভর্নরের শাসন জারির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

এ সিদ্ধান্তটি রোববার (১১ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে জিও নিউজে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদের অধীনে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় সন্ত্রাসী হামলার বৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সংবিধানের ২৩২ অনুচ্ছেদের অধীনে জরুরি অবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের (পিএমও) একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারির কাছে পাঠানো হয়েছে।

জরুরি অবস্থার অংশ হিসেবে খাইবার পাখতুনখোয়ার রাজধানী পেশোয়ারে মোবাইল ফোন সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু সড়ক যান চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে বাসিন্দাদের যোগাযোগে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। শহরজুড়ে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং রেড জোন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সড়ক বন্ধ থাকার কারণে পেশোয়ারের বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রদেশটির আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সদস্যদের অবহিত করা হয়। বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ দমনে কেপি সরকারের নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রদেশটির অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। উল্লেখ্য, প্রদেশটিতে ক্ষমতায় রয়েছে ইমরান খানের দল পিটিআই।

তবে, কেপির পরিস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমানের মাধ্যমে শেষবারের মতো চেষ্টা চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রদেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, খাইবার পাখতুনখোয়ার সরকার সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াই থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে দূরে সরে রয়েছে।

সূত্রমতে, বৈঠকের সময় উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার টেলিফোনে মাওলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন। এর আগে রোববার ভোর ৬টায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন ফজলুর রহমান। বৈঠকে উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারও উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতৃত্ব এবং বিরোধী দলের অন্যান্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার বৈঠক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন ফজলুর রহমান।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর খাইবার পাখতুনখাওয়ার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন প্রদেশটির গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি। সাবেক ফেডারেলি অ্যাডমিনিস্টার্ড ট্রাইবাল এরিয়াস (ফাটা), ট্যাঙ্ক, ডেরা ইসমাইল খান, লাক্কি মারওয়াত ও বান্নুসহ আটটি জেলার জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

প্রস্তাবিত সচিবালয়ে একজন অতিরিক্ত মুখ্য সচিব এবং একজন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) থাকবেন। এর সদর দপ্তর সাবেক উপজাতীয় এলাকার কোনো একটি জেলায় স্থাপন করা হতে পারে। এ সচিবালয়ের জন্য বিশেষ তহবিল দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসহায় মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করাই রুহুল আমিন রুবেলের শখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


অসহায় মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করাই রুহুল আমিন রুবেলের শখ

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ব্যবসায়ী রুহুল আমিন রুবেল অসহায় পরিবারের মেয়েদের নিজের সন্তানের মতো করে বিয়ে দেন। গত ২৪ বছরে তিনি নিজের উপার্জনের টাকায় ১১৩ জন মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছেন। বিয়ের পোশাক, গয়না, উপহারসামগ্রী, সাজসজ্জা ও খাবারের সব খরচ তিনি নিজেই বহন করেন।

সর্বশেষ ৯ অক্টোবর নওগাঁর মান্দা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ভ্যানচালক আফছার আলীর মেয়ে আফসানা মিমির (২০) বিয়ের আয়োজন করেন রুবেল। আফসানার বিয়ে নাটোর সদর উপজেলার সবুজ মণ্ডলের ছেলে কাউছার মণ্ডলের (২২) সঙ্গে সম্পন্ন হয়।

আফসানার বাবা আফছার আলী ভ্যান চালিয়ে সংসার চালান। তিনি আর্থিক সংকটের কারণে মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তিনি বিয়ের সব দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং গায়েহলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন করেন।

আফসানা জানান, অর্থাভাবে তার বাবা বিয়ের আয়োজন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। রুহুল আমিন যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা তার কল্পনার বাইরে ছিল। নববধূ তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বর কাউছারও রুহুল আমিনকে বিয়ের উকিল বাবা হিসেবে উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান।

বিয়ের দিন কনের বাড়িতে উৎসবের আমেজ ছিল। অতিথি ও বরযাত্রীদের আপ্যায়নে গরু, খাসি, মুরগি, ডিম ও পোলাওসহ নানা পদের খাবারের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজের পর বরযাত্রী নিয়ে কাউছার কনের বাড়িতে আসেন। রুহুল আমিন সোনার আংটি দিয়ে বরকে বরণ করেন এবং পরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

নিজের উদ্যোগে আয়োজন করা প্রতিটি বিয়ের তারিখ ও স্থান লিখে রাখেন রুহুল আমিন। তিনি অনেক বিয়ের ছবি ও ভিডিওও সংরক্ষণ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে এক মেয়ের বাবা, এই ব্যবসায়ী অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়াকে নিজের শখ হিসেবে নিয়েছেন।

এর আগে ২১ আগস্ট ১১২তম বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বালাদিয়া গ্রামের এতিম তরুণী সুমাইয়া আক্তারের বিয়েতে সহযোগিতা করেন। তার মা জহুরা বেওয়া জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর মাঠে-ঘাটে কাজ করে মেয়েকে বড় করেছেন। মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলেও রুহুল আমিনের সহায়তায় সম্মানের সঙ্গে সেই দায়িত্ব সম্পন্ন করতে পেরেছেন।

এ ছাড়া ২১ জুন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতি গ্রামের জালাল মোল্লার মেয়ে রাবেয়া খাতুনের বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। আট বছর আগে ক্যানসারে বাবাকে হারানো রাবেয়াও তার সহযোগিতায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ে করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানান।

রুহুল আমিনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম, এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা। ওয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম বলেন, রুহুল আমিন অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা করেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে সব আয়োজন সম্পন্ন করেন। বড়াইগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসও তার এই মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

রুহুল আমিন বলেন, নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে হতদরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়াই তার শখ। এর বিনিময়ে পার্থিব জীবনে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা নেই। ১১৩ জন মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি মনে করেন, এই মেয়েরা তারই সন্তান, আর তাদের স্বামীরা তার জামাই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭৩

গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে সাতটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭৩ জন।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন, চট্টগ্রামে একজন, সিলেটে তিনজন, খুলনায় একজন এবং রংপুরে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দুই লাখ ৫ হাজার ২৮ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন। এ নিয়ে মোট নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ৪২১ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১৬২ জন হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৬৯ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেল আটকে ছাত্রদল নেতা বদরুল আলমকে কুপিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


মোটরসাইকেল আটকে ছাত্রদল নেতা বদরুল আলমকে কুপিয়ে হত্যা

সিলেটের গোয়াইনঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় বদরুল আলম নামে এক ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সাদেক মিয়া নামে আরও একজন। বর্তমানে আহত সাদেক মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নের গুরাগ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত বদরুল আলম ছিলেন রুস্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি রুস্তমপুর ইউনিয়নের হাদারপার গ্রামের মৃত মাওলানা তজম্মুল আলীর সন্তান। আহত সাদেক মিয়া লামার হাদারপার (ভৈরবী বস্তি) গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদরুল রাজনীতির পাশাপাশি বালু ব্যবসা ও গরুর খামার পরিচালনা করতেন। রোববার ভোরে ফজরের নামাজের সময় সাদেক মিয়ার চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় বাসিন্দা সোনা মিয়া। তিনি জানান, সেখানে তুহিন ও শাহিন নামে দুজন বদরুলকে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে দেখেন। হামলা থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন সোনা মিয়া।

পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ফোনে না পেয়ে সোনা মিয়া নিজের আত্মীয়স্বজনকে খবর দেন। স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে বদরুল ও সাদেককে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন। সাদেক বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের বড় ভাই আখলাকুল আম্বিয়া বলেন, ভোর পৌনে ৫টার দিকে সাদেক মুঠোফোনে আমার ছোট ভাই মাহবুবকে ফোন করে বাঁচানোর আকুতি জানান। এরপর থেকেই ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করি। সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় মনরতল বাজার থেকে ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় গুরাগ্রামের শাহিন, তুহিন ও মামুনসহ কয়েকজন মিলে তার ভাইকে হত্যা করে।

ঘটনার খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় বদরুল ও সাদেকের ব্যবহৃত টিভিএস মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, রোববার ফজরের নামাজের সময় বদরুল ও সাদেকের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় বদরুল নিহত হয়েছেন এবং সাদেক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তির নাম বলেছেন। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা তদন্ত চলছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%