ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বপ্ন এখনও অধরা রয়ে গেছে


মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বপ্ন এখনও অধরা রয়ে গেছে

দুই বছর আগে শিক্ষার্থীদের ১৭ দফা আন্দোলনের ফলে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) উত্তাল হয়ে উঠেছিল। ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে একটি প্রধান দাবি ছিল চট্টগ্রামের হামিদচরে নির্মাণাধীন ১০৬.৬৬ একরের স্থায়ী ক্যাম্পাসে দ্রুত স্থানান্তর।

এছাড়া, সেমিস্টার ও ক্রেডিট ফি যৌক্তিককরণ, শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসন, পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মেরিটাইম খাতে গ্র্যাজুয়েটদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও ছিল। কিন্তু দুই বছর পার হয়ে গেলেও অধিকাংশ মৌলিক দাবি পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সংশয় বিরাজ করছে।

২০২৪ সালের ৪ মার্চ চট্টগ্রামের হামিদচরে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্বোধন করা হয়। প্রথম ধাপে একাডেমিক ও প্রশাসনিক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময় অতিক্রম করেও বিশ্ববিদ্যালয়টি এখনও মিরপুর-১২-এর অস্থায়ী ক্যাম্পাসে পাঠদান চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে স্থানান্তরের জন্য একটি প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি প্রদানের পর রেজিস্ট্রার কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম এই আশ্বাস দেন।

শিক্ষক সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা

অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এখনও তীব্র শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংকট বিদ্যমান। পোর্ট অ্যান্ড শিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহার রাফি জানান, ওরিয়েন্টেশনে স্থায়ী ক্যাম্পাসে দ্রুত স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু ফাইনাল ইয়ার শেষ হতে চললেও সেই ১০৬ একরের দেখা মিলছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে তাদের এখনও এক্সটার্নাল ফ্যাকাল্টির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

এছাড়া, কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ধীরগতি রয়েছে বলেও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন।

আরও পড়ুন: কমিউনিটি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বয়স ২৩ হলেই আবেদন করতে পারবেন

নাম পরিবর্তনসহ কিছু দাবিতে অগ্রগতি

আন্দোলনের ফলে ১৭ দফার কিছু দাবি পূরণ হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে 'বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি' করা হয় এবং সংশোধিত ফি কাঠামো ও হলের ফি সংক্রান্ত কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীদের মতে, ফি পুরোপুরি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং পর্যাপ্ত আবাসিক সুবিধার সুরাহা এখনও হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও ডিন পর্যায়ে ঘন ঘন রদবদলকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বড় বাধা হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।

মেরিটাইম ল’ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিম সাজিদ জীম ও মেরিন ফিশারিজ বিভাগের আবদুল মালেক জানান, তারা কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে ছিলেন না; বরং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পরিবেশ চেয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি নয়, তারা বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চান।

আরও পড়ুন: সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকরির আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত

অন্যদিকে, ১৭ দফায় অন্তর্ভুক্ত ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার স্বাধীনতা প্রসঙ্গে বিএমইউ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শাহানুর রহমান মুকুট বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা তুলে ধরার মুক্ত সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

আধা-বাস্তবায়িত প্রতিশ্রুতি আর ঘনঘন প্রশাসনিক রদবদলের মাঝে দাঁড়িয়ে মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি এখন চট্টগ্রামের হামিদচরের দিকে—কবে শেষ হবে এই দীর্ঘ প্রহর আর কবে শুরু হবে স্বপ্নের স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাত্রা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, সব ক্ষমতা সেনাপ্রধানের হাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, সব ক্ষমতা সেনাপ্রধানের হাতে

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও সামরিক কাঠামোর ক্ষমতার ভারসাম্যে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন ঘটেছে। সম্প্রতি দেশটির সংসদ একটি নতুন আইন পাস করেছে, যার মাধ্যমে সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে ব্যাপক পরিবর্তন এনে সেনাপ্রধানের ক্ষমতাকে আরও দৃঢ় করা হয়েছে।

গত ২০ আগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে পাস হয়েছে ‘পাকিস্তান ডিফেন্স ফোর্সেস অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট’-এর একটি সংশোধনী। এর ফলে গত বছর গঠিত ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ (সিডিএফ) বা প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান পদটি এখন সম্পূর্ণরূপে আইনি স্বীকৃতি লাভ করেছে।

বিলগুলো এত দ্রুত পাস হয়েছে যে, সেদিন সকালে মন্ত্রিসভা এগুলো অনুমোদন দেয় এবং মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সংসদে পাস হয়ে যায়। বিগত বছরগুলোতে ভারতের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সংঘাতের পর এই সামরিক পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছিল।

যা পরিবর্তন হলো

১৯৭৬ সালের পর দেশটির উচ্চ সামরিক কমান্ডে এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। এতদিন তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করার জন্য ‘জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির (সিজেসিএসসি) চেয়ারম্যান’ নামে একটি পদ ছিল, যা এখন সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে ‘ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স’ নামক নতুন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এই নতুন কাঠামোর প্রধান বা সিডিএফ হিসেবে বর্তমান সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী সিজেসিএসসি প্রধানের পদটি কেবল নামেমাত্র সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করত এবং নৌ বা বিমান বাহিনীর ওপর তার কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল না। কিন্তু নতুন আইনে সিডিএফ-কে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী— তিনটিরই সরাসরি ‘অপারেশনাল কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ’ প্রদান করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে তিন বাহিনীর সব অভিযানের জন্য তিনি সরাসরি সরকারের কাছে জবাবদিহি করবেন।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নতুন আইনের ফলে সামরিক বাহিনীতে সেনাবাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশের পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত কমান্ডের প্রধান পদটিও এখন কেবল সেনাবাহিনী থেকেই পূরণ করা হবে, যা থেকে নৌ ও বিমান বাহিনীকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অন্য দুই বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ক্যারিয়ার ও পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন।

এ ছাড়া, সামরিক কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা এতদিন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে থাকলেও, নতুন আইন অনুযায়ী এখন থেকে সেই ক্ষমতা একাই প্রয়োগ করতে পারবেন সিডিএফ। এর ফলে সামরিক বাহিনীর ওপর নির্বাচিত বেসামরিক সরকারের তদারকি বা নিয়ন্ত্রণ আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে কিনা, তা নিয়ে দেশটিতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় ক্রিকেটার বয়স জালিয়াতির অভিযোগে নিষিদ্ধ হলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


ভারতীয় ক্রিকেটার বয়স জালিয়াতির অভিযোগে নিষিদ্ধ হলেন

কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরের সময় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন রোহিত যাদব। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজেও খেলার পরিকল্পনা ছিল এই লেগস্পিনারের। কিন্তু বয়স সংক্রান্ত নথিতে অসঙ্গতি ধরা পড়ার কারণে তার ক্রিকেট যাত্রা হঠাৎ থেমে গেছে।

বয়স জালিয়াতির অভিযোগে রোহিত যাদবকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)।

চলতি বছরের জুলাই মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্য হিসেবে ছিলেন রোহিত। চলতি মাসের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে পাঁচটি ওয়ানডে এবং দুটি লঙ্গার ভার্সনের ম্যাচ খেলার সূচি ছিল। তবে সেই সিরিজের আগে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

সিএবি আয়োজিত মৌসুম শুরুর আগে খেলোয়াড়দের নথিপত্র যাচাইয়ের সময় রোহিতের বয়স নিয়ে অসঙ্গতি প্রকাশ পায়। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বাংলার হয়ে খেলা এই ক্রিকেটারের নথিতে প্রায় ২৭ মাসের ব্যবধান পাওয়া গেছে বলে সিএবি জানিয়েছে।

অভিযোগের পর রোহিতের ওপর আরোপিত দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে বিসিসিআইয়ের অধিভুক্ত সব রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাকেও এ বিষয়ে অবহিত করেছে সিএবি।

তবে বয়স সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে রোহিত একমাত্র ক্রিকেটার নন যে শাস্তি পেয়েছেন। একই ধরনের অসঙ্গতির কারণে আরও ৬৪ ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছে বাংলার ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এই তালিকায় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য রবি কুমারও রয়েছেন। ২০২২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স নজরকাড়া ছিল।

২০২২ সালে বাংলার সিনিয়র দলে অভিষেক ঘটে রবি কুমারের। তবে ২০২৩ সালের পর থেকে তাকে আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে দেখা যায়নি।

বয়সের গরমিলের কারণে তার অভিষেক থেকে ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের সব রেকর্ড বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, রবি কুমারের বয়স সংক্রান্ত অসঙ্গতির পরিমাণ ৪০ মাসেরও বেশি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে সফর করবেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সিলেটের একটি হোটেলে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।

ভারত সফরের বিষয়ে হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের দিন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশি দেশ হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক থাকাই উচিত।’

জ্বালানি খাতের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কীভাবে একটি সাইকোপ্যাথিক দুর্নীতি করা যায়, এনার্জি সেক্টর দেখলে বুঝা যাবে। তবে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন জ্বালানি খাতকে। জ্বালানি খাতের সঙ্কট সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’

মক্কা চুক্তি সম্পর্কে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। অনেক দেশই এখন একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া দরকার, সেখানে যাওয়া হবে।’

আমেরিকার কাছ থেকে বোয়িং কেনার বিষয়ে তিনি জানান, ‘বোয়িং কিনতে হবে এটা কেউ চাপিয়ে দিচ্ছে না। চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও কেনা হবে।’

মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমলের সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানি হবে।’

এ সময় সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শফিকুল আলম: আ.লীগের বক্তব্য অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


শফিকুল আলম: আ.লীগের বক্তব্য অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে যারা কাজ করছেন, তাদের বক্তব্যকে আওয়ামী লীগের বক্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি মন্তব্য করেন, "আওয়ামী লীগ দিল্লিতে বসে কাজ করছে"—এটি সঠিক নয়; বরং তারা জুলাইকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ভিন্নমতের কারণে প্রায় ৪০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এই সময়কালে বিভিন্ন ব্যক্তিকে বাসায় ডেকে এনে হত্যা করা হয়েছে, খানকায় হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। বাউলদের ধরে ধরে চুল কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখনও সত্যিকার অর্থে সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপদ একটি দেশে পরিণত হতে পারেনি। অতীতে সেই অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি এবং বর্তমানেও পুরোপুরি সেই অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

সাবেক প্রেস সচিব বলেন, অনেকেই অন্তর্বর্তী সরকারকে কটাক্ষ করে হাস্যরসের বিষয় হিসেবে দেখেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো রাজনৈতিক সরকার ছিল না।

গণভোটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি লক্ষ্য করেছেন, গণভোট সম্পর্কে তাদের ধারণা অত্যন্ত স্পষ্ট।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%