রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৩ পি.এম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেওয়া দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে, বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকেও অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে করা আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর এই কর্মকর্তাদের দণ্ডাদেশ বাতিল করে এবং তাদের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ক্ষমা পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (উপকমিশনার) মো. শাহাদাত জামিল, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল বশর, ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া এবং খুলনার কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
এছাড়া, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রামের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেন, একই কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. সানোয়ারুল কবির, গাজীপুরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান এবং ঢাকা পশ্চিমের অতিরিক্ত কমিশনার সিফাত-ই-মরিয়মের লঘুদণ্ড বাতিল করে দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের তালিকায় নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকার অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
দণ্ড মওকুফ পাওয়া কর কর্মকর্তাদের মধ্যে কর অঞ্চল-ময়মনসিংহের যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, কর অঞ্চল-যশোরের যুগ্ম কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, কর অঞ্চল-গাজীপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, কর অঞ্চল-২২, ঢাকার অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) সুলতানা হাবীব, কর অঞ্চল-যশোরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মুরাদ আহমেদ, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান এবং ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের ঢাকার যুগ্ম কর কমিশনার মাসুমা খাতুন রয়েছেন।
এছাড়া, খুলনার উপ-কর কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান, কর অঞ্চল-২১, ঢাকার উপ-কর কমিশনার ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল এবং কর অঞ্চল-দিনাজপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানার লঘুদণ্ড বাতিল ও বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আন্দোলনে অংশগ্রহণ, কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টতা এবং সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। শাস্তি হিসেবে তাদের বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ অবনমন করা হয়েছিল।
এরপর, দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল করেন। রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে তাদের আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় সংশ্লিষ্ট দণ্ডাদেশ বাতিল এবং কয়েকজনকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দ্বারা লাগানো আগুনে ২৪ কক্ষের ৬টি বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে, যার মধ্যে মালামালও রয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে, আগুন লাগানোর জন্য অভিযুক্ত যুবক সোহেল হোসেনকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তবে সোহেল কেন তার নিজের ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগাল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। যদিও সে নিজ ঘরে আগুন লাগালেও তাৎক্ষণিকভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের অন্যান্য ঘরগুলোও পুড়ে যায়।
অভিযুক্ত সোহেল সোনাপুর এলাকার মৃত মো. রফিকের ছেলে। থানা পুলিশ জানিয়েছে, সে একজন চিহ্নিত মাদকসেবী।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, সোহেল নামের এক মাদকাসক্ত যুবক ঘটনার সময় তার ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের বসতঘরগুলোও পুড়ে যায়। ৯৯৯ নম্বরে কল পাওয়ার পর রায়পুর ও সদরের ৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই ২৪টি কক্ষের ৬টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আগুন দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা সোহেলকে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।
রায়পুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের লিডার সৈয়দ আহম্মদ জানান, আগুনে ২৪ কক্ষের ৬টি ঘর ও মালামাল পুড়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে রায়পুরের দুটি এবং লক্ষ্মীপুরের একটি ইউনিটসহ মোট তিনটি ইউনিট কাজ করেছে। আগুনের ফলে অন্তত ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, মাদকাসক্ত যুবক সোহেল ঘরগুলোতে আগুন লাগানোর অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তার সঙ্গে কথা বললে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।
রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুই দিনের সফরের উদ্দেশ্যে তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিটে তিনি ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণ করেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন এবং নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজক কমিটির সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান। পরে তিনি দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিটে সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন।
সফরের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতির পরিকল্পনা রয়েছে পৌর শহরের সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করার। এরপর দুপুর ১টার দিকে তিনি শহরের কালিবাড়ি এলাকায় তার নিজ বাড়িতে যাবেন। সেখানে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রামের পর বিকেল ৩টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি নিজ বাসভবনে ফিরে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তিনি রাতে নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন।
সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা রয়েছে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে।
পরে তিনি ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দুপুর দেড়টার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নেবেন। এরপর সার্কিট হাউসে গিয়ে রাষ্ট্রপতি গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন। দুপুর ২টার দিকে ঠাকুরগাঁও স্টেডিয়ামের হেলিপ্যাডে উপস্থিত হয়ে হেলিকপ্টারযোগে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো জেলায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থাপন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও রাষ্ট্রপতির চলাচলের পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সফর তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি গাড়ির ইঞ্জিনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা একটি নবজাতক বিড়ালছানা প্রায় ১২২ কিলোমিটার (৭৬ মাইল) পথ পাড়ি দিয়ে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। এই দীর্ঘ ও বিপদসংকুল যাত্রায় ইঞ্জিনের তীব্র উত্তাপ এবং ঝাঁকুনি সহ্য করে ছানাটির অলৌকিকভাবে বেঁচে থাকার ঘটনা বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, টেক্সাসের কারভিল শহরের পিটারসন হেলথ নামের একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী প্রতিদিনের মতো রকস্প্রিংস থেকে গাড়ি চালিয়ে কর্মস্থলে পৌঁছান। গাড়িটি পার্ক করার পর, তিনি ইঞ্জিনের ভেতর থেকে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পান। কৌতূহলবশত তিনি কাছে গিয়ে দেখেন, ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশের ভাঁজে আটকে রয়েছে একটি ছোট্ট সদ্যোজাত বিড়ালছানা।
এটি ধারণা করা হচ্ছে যে, যাত্রা শুরুর আগে উষ্ণতার খোঁজে বিড়ালছানাটি রকস্প্রিংসে গাড়ির ইঞ্জিনের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। এরপর পুরো ১২২ কিলোমিটার পথ জুড়ে সেটি ইঞ্জিনের ভেতরেই অবস্থান করেছে।
খবর পেয়ে, কারভিল পেটস অ্যালাইভ নামের একটি স্থানীয় প্রাণী উদ্ধারকারী দল এবং কারভিল শহরের প্রাণী নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। হাসপাতালের কর্মীদের সহায়তায় গাড়ির সামনের গ্রিল ও অন্যান্য অংশ খুলে সতর্কতার সঙ্গে ছানাটিকে অক্ষত অবস্থায় বের করে আনা হয়।
প্রাণী উদ্ধারকারীদের মতে, শীতের সময় বা রাতে উষ্ণতার আশায় বিড়াল ও অন্যান্য ছোট প্রাণী প্রায়ই গাড়ির ইঞ্জিনের ভেতরে আশ্রয় নেয়, যা তাদের জীবনের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে থাকে।
উদ্ধারকারী সামাজিক সংগঠন কারভিল পেটস অ্যালাইভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, দীর্ঘ এই পথ পরিক্রমার পর বিড়ালছানাটি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদে রয়েছে। তাকে প্রয়োজনীয় খাবার ও উষ্ণ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় ভেজাল ও বিষাক্ত মদ পান করার ফলে অন্তত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ওই মদ পান করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবরটি ইন্ডিয়া টুডে প্রকাশ করেছে।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ঘুঘর, নওরাজ ও বারাজসহ আশপাশের এলাকায় শনিবার রাতে একাধিক ব্যক্তি মদ পান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে, ফলে স্বজনেরা তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ জনের মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগ সন্দেহ করছে যে, বিষাক্ত বা ভেজাল মদের কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং রাসায়নিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আসার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ব্যবহৃত মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে এবং এটি কোথায় তৈরি বা সরবরাহ করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে যে, কোনো অবৈধ বিষাক্ত মদ সরবরাহকারী চক্র এর পেছনে সক্রিয় কি না এবং এই মৃত্যুর পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট মেলবন্ধন রয়েছে কি না। স্থানীয় প্রশাসন আশঙ্কা করছে যে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাওয়ার পর মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করা হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সহ্য করবে না।
রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী জগদীশ দেবড়াও ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছ থেকে সার্বক্ষণিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে এবং আবগারি বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও সরেজমিনে তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ