শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৬ এম
থাইল্যান্ডে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের সহায়তা প্রদান করছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিভিন্ন হেলথকেয়ার প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংককসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের রোগীরা। ভিসার ব্যবস্থা, চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, যাতায়াত, আবাসন, এমনকি প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতেও এগিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানগুলো। রোগী ও তাদের স্বজনেরা তাদের সেবায় সন্তুষ্টির কথা জানাচ্ছেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড ভ্রমণ ও চিকিৎসা; দুই ক্ষেত্রেই বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। দেশটির স্বাস্থ্যখাতের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ চিকিৎসা নিতে থাইল্যান্ডে আসেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজারেরও বেশি।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানাচ্ছেন, এখানে রোগীর সমস্যা ও রোগের ধরনকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন হাসপাতালে তুলনামূলক সাশ্রয়ী খরচে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
একজন রোগী মন্তব্য করেন, ‘পেশেন্টদের প্রবলেম অ্যান্ড তাদের ডিজিজ; সবকিছুকে প্রাধান্য দিয়ে এখানে ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়। এখানে অনেক ভালো ভালো হাসপাতাল আছে। সেখানে গেলে একই ট্রিটমেন্ট সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যায়। তবে এ বিষয়ে আগে থেকে জানতে হবে।’
রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজতর করতে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ব্যাংককের প্রাণকেন্দ্র সুকুম্ভিতে অবস্থিত সুরা হেলথকেয়ার একটি উদাহরণ।
প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, তারা থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি মালিকানাধীন সবচেয়ে বড় মেডিকেল ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকসহ ১২টি দেশের পাঁচ শতাধিক রোগী প্রতি মাসে তাদের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করছেন।
একজন রোগী জানান, ‘এখানে আসলে আলহামদুলিল্লাহ, কোনো ধরনের সহযোগিতার অভাব অনুভব করিনি। আমরা যে বিদেশ থেকে এসেছি, সে কারণে সেবার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হচ্ছে-এমনটাও মনে হয়নি।’
সুরা হেলথকেয়ার জানিয়েছে, রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সেবা সহজ করতে প্রতিষ্ঠানটিতে আটজন দক্ষ থাই কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। প্রয়োজন হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা সম্ভব। রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা ও ব্যয়ের পরিকল্পনা সাজাতে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে রোগীদের সরবরাহ করেন তারা।
ব্যাংককের সুরা হেলথকেয়ার ও সুরা ফার্মেসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ‘থাইল্যান্ডের সবচেয়ে স্বনামধন্য হাসপাতালগুলোর মধ্যে বারমনগাট হাসপাতাল, ব্যাংকক হাসপাতাল, সামিতা বেস, ইনথেরারাত ও পায়াথাইসহ প্রায় ১৫টি হাসপাতালের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করেছি। তিন থেকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে ভালো চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করি। পাঁচ দিনের মধ্যে ভিসা অনুমোদনের ব্যবস্থা করি। যাতায়াত, আবাসন, হোটেল, খাবার ও অনুবাদক; সবকিছুর ব্যবস্থাই আমরা করে থাকি। প্রায় তিন ঘণ্টার মধ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করতে পারি।’
ব্যাংককসহ থাইল্যান্ডের বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসা নিতে দেশটিতে আসা বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য আসেন। পাশাপাশি লিভার ও কিডনির বিভিন্ন জটিলতার চিকিৎসা নিতেও থাইল্যান্ডে যাচ্ছেন অনেকে।
চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন করতে সুরা হেলথকেয়ারের মেডিকেল শপে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রায় সব ধরনের ওষুধ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রয়োজন হলে রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ সাত কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে সংঘটিত একটি দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু প্রাণ হারিয়েছেন। মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরও একজন, যার অবস্থা গুরুতর এবং আশঙ্কাজনক।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ের ভূঁইয়াবাড়ী ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন রূপগঞ্জ উপজেলার দিঘিরপাড় এলাকার আক্তার মিয়ার ছেলে রুদ্র মিয়া এবং অন্যজন বেল্লারটেক এলাকার কামালের ছেলে ইয়াছিন। আহত শ্রাবণ মিয়া বাঘবের সিটি মার্কেট এলাকার জিল্লুরের ছেলে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, তিন বন্ধু একটি নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেলে পূর্বাচল এলাকায় ঘুরতে বের হয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তারা ভূঁইয়াবাড়ী ব্রিজের পশ্চিম পাশে সার্ভিস লেন দিয়ে উল্টো পথে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই রুদ্র ও ইয়াছিন নিহত হন এবং গুরুতর আহত হন শ্রাবণ মিয়া।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটির চালক পালিয়ে যায়। ট্রাক ও চালককে শনাক্ত করে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগের টেকসইতা নিয়ে উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ঘটেছে। বৃহস্পতিবার, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোতে ব্যাপক বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এর ফলস্বরূপ, এশিয়ার শেয়ারবাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক কম্পোজিট সূচক ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। এটি গত ৫ জুনের পর সূচকটির সবচেয়ে বড় এক দিনের পতন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ওই দিন নাসডাকের দর ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমেছিল। অন্যদিকে, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ২১ শতাংশ কমে গেছে, যা ২৯ জুলাইয়ের পর সবচেয়ে বড় পতন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের শীর্ষ সাত প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান, যেগুলো ‘ম্যাগনিফিসেন্ট সেভেন’ নামে পরিচিত, তাদের মধ্যে অ্যাপল ছাড়া বাকি সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। এআই খাতে ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা এবং প্রত্যাশার তুলনায় কম মুনাফার খবরের প্রেক্ষিতে মেটার শেয়ারের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে যায়।
মেটা জানিয়েছে, ২০২৬ সালে তাদের মূলধনি ব্যয় ১৩৫ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এআই অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একই সময়ে অ্যামাজনের শেয়ারের দাম ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, এনভিডিয়ার ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, টেসলা ও অ্যালফাবেটের ৩ দশমিক ১ শতাংশ করে এবং মাইক্রোসফটের ২ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে, অ্যাপলের শেয়ারের দাম বেড়ে ১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে।
চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেল ও এএমডির শেয়ারের দাম প্রায় ৮ শতাংশ করে কমেছে। ব্রডকমের শেয়ারও ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। গত ৬ অক্টোবর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর পর নাসডাক সূচকটি এখন প্রায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ নিচে অবস্থান করছে।
সিপোর্ট রিসার্চ পার্টনার্সের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক জে গোল্ডবার্গ আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, বাজারের ওঠানামায় মৌলিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চেয়ে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।
এআই খাতে বিপুল ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রযুক্তি খাতের এই উত্থান কি কোনো আর্থিক বুদ্বুদের দিকে এগোচ্ছে। ২০০০ সালের ডটকম ধসের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করছেন কেউ কেউ। তাঁদের আশঙ্কা, ডেটা সেন্টার ও এআই চিপে বিপুল বিনিয়োগ থেকে প্রত্যাশিত মুনাফা না এলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো চাপের মুখে পড়তে পারে। তবে অন্য বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনীতি ও ব্যবসায় এআইয়ের সম্ভাব্য পরিবর্তন এতটাই বড় যে এই বিনিয়োগের যৌক্তিকতা রয়েছে।
গার্টনারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে এআই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৭ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে।
এদিকে, জ্বালানি বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৪ শতাংশ বেড়েছে। শুক্রবার সকালে প্রতি ব্যারেলের দাম ১১৪ ডলার ২০ সেন্ট ছাড়িয়ে যায়, যা মে মাসের পর সর্বোচ্চ। ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এশিয়ার বাজারেও শুক্রবার দরপতন দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক শুরুতে ২ শতাংশের বেশি কমলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক একপর্যায়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক কমেছে প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম কমছে না। বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধি ঘটেছে। এর মধ্যে আদা, রসুন ও লেবুর দাম হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, নজরদারি না থাকার কারণে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো এই নিত্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর, কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও নিউমার্কেটের বাজারে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামের চিত্র পরিদর্শন করা হয়েছে।
বাজারে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চীনা আদার দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে, চীনা রসুনের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকায় পৌঁছেছে এবং দেশি রসুনের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাতভেদে লেবুর দামও ১৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে শীতের আগাম সবজি উঠতে শুরু করলেও ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির কোনো লক্ষণ নেই। সরবরাহ কম থাকায় এসব সবজি কিনতে ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ধুন্দল ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, ঝিঙা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুমুখি ৭০ টাকা, কাঁকড়ল ও বেগুন ৭০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে শীতের আগাম সবজি শিমের দাম কমলেও এখনো তা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে শিমের দাম ১৬০ টাকা পর্যন্ত ছিল। আকারভেদে ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতাদের টম্যাটো প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ২০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। শান্তিনগর বাজারের সবজি বিক্রেতা বেলায়েত জানিয়েছেন, বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সবজির দাম কিছুটা কমতির দিকে। তিনি বলেন, "এখন নতুন করে আর সবজির দাম বাড়বে না।"
এদিকে, আটা ও ময়দার দাম বাড়ছে। বাজারে খোলা আটা ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটা ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পোলাও চালের দাম এক লাফে মানভেদে বেড়ে ১৯০ থেকে ২৩০ টাকা হওয়ায় ক্রেতারা হতবাক। বাজারে মানভেদে নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইজাম, ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ চালের দাম ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা এবং মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে খোলা আটার দাম ২ শতাংশ ও প্যাকেটজাত আটার দাম ৮ শতাংশ বেড়েছে। খোলা ময়দা ও প্যাকেটজাত ময়দার দাম যথাক্রমে ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ ও ৬ শতাংশ বেড়ে ৭০ টাকা এবং ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডাল ও মসলার মতো মৌলিক পণ্যগুলো এখনো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মুরগি, মাছ ও অন্যান্য মাংসের দাম চড়া রয়েছে।
সপ্তাহ দুয়েক আগে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়।
মুরগি ও অন্যান্য মাংসের দামে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি নেই। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগির দাম জাতভেদে ৩১০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। পাঙ্গাশ মাছ কেজি ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়, তেলাপিয়া মাঝারি ও বড় সাইজের কেজি ২৪০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৮০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কাতল মাছ ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আকিজ গ্রুপ একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির আইটি সাপোর্ট বিভাগের জন্য অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর থেকে। প্রার্থীরা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
এক নজরে আকিজ গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম: আকিজ গ্রুপ
পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার
বিভাগ: আইটি সাপোর্ট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যা, সিসিটিভি (CCTV), বায়োমেট্রিক ডিভাইস এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নির্ণয় ও সমাধানে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২০ থেকে ২৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, দুপুরের খাবার সুবিধা, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, প্রিভিলেজ লিভ (ছুটির সুবিধা), হাসপাতালে ভর্তিকালীন সহায়তা প্রদান করা হবে।
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।
আবেদনের শেষ সময়: ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ