ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতেমা


এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার ফাতেমা

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে সার্ফিংয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক অভিযানে দেশের প্রথম নারী সার্ফার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন কক্সবাজারের দশম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার। আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০তম এশিয়ান গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উঁচিয়ে ধরার জন্য ফাতেমা এখন দিন-রাত উত্তাল সমুদ্রে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করছেন।

ফাতেমা সার্ফিংয়ে বাংলাদেশের পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিবিড় অনুশীলনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তার এই কঠোর যাত্রায় সহ-সার্ফার মোহাম্মদ মান্নান তার পাশে রয়েছেন। 'বাংলাদেশ সার্ফ গার্লস অ্যান্ড বয়েজ ক্লাব'-এর প্রধান প্রশিক্ষক রাশেদ আলমের তত্ত্বাবধানে তারা নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

পড়ালেখার পাশাপাশি নিজের ক্রীড়া স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ফাতেমার এই নিরলস প্রচেষ্টা ইতিমধ্যে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। কোচ রাশেদ আলমের নির্দেশনায় ফাতেমার গতি, ভারসাম্য এবং কৌশলগত দক্ষতার উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যাতে এশিয়ান গেমসের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিশ্বমানের সার্ফারদের চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সার্ফিং দলের এই অভিষেক এবং ফাতেমার একক সাফল্য দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ফাতেমার এই অর্জন শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত স্বপ্ন পূরণ নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি নতুন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজের সেরাটা দিয়ে দেশের জন্য নতুন ইতিহাস লেখার লক্ষ্য নিয়ে ফাতেমা আক্তার জাপানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিয়নের ব্যাগ তল্লাশি নিয়ে বিরোধ, বিচারকের খাসকামরায় পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২০ এম


পিয়নের ব্যাগ তল্লাশি নিয়ে বিরোধ, বিচারকের খাসকামরায় পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আদালতের এক কর্মচারীর ব্যাগ তল্লাশি করার চেষ্টা করার প্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে খাসকামরায় ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এ মারধরের এই ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগকারী পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী ঢাকা রেলওয়ে থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ঘটনার পর ন্যায়বিচার চেয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে লিখিত অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার পূর্বে আদালতের কর্মচারীর হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে ঢাকা রেলওয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে থানার আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ ও পদ্মা সেতুগামী শহরতলি রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে দায়িত্ব পালনকালে এএসআই (নিরস্ত্র) মৌসুমী আক্তারসহ সঙ্গীয় ফোর্স যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন।

এ সময় সাকিব আল হাসান ব্যাগ তল্লাশি না করানোর বিষয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন যে, পুলিশ সদস্যদের তল্লাশি করার কোনো অধিকার নেই।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সাকিব রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তিনি নিজেকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর পিয়ন পদমর্যাদার কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তখনই নিষ্পত্তি করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোহাম্মদ আলী। এরপর তাকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিচারকের খাসকামরায় যান এসআই মোহাম্মদ আলী। তবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাদের বাইরে রেখে তাকে একাই ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, খাসকামরায় আগে থেকেই বিচারকের কর্মচারী সাকিব আল হাসানসহ কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। মোহাম্মদ আলী ভেতরে প্রবেশের পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে একজন ব্যক্তি পেছন থেকে তাকে সজোরে আঘাত করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আত্মরক্ষার্থে তিনি ওই ব্যক্তির হাত ধরে ফেলেন। এ সময় বিচারকের দিকে তাকিয়ে ‘স্যার, এটা কী হচ্ছে?’ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি দরজার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলেন, ‘বুঝছস, আমরা কারা?’

পুরো ঘটনাটি খাসকামরায় থাকা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী এসআই মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, যদি কোনো অপরাধ থাকে তবে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা যেত অথবা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিকভাবে হয়রানি করার কোনো কারণ আমি দেখি না।

তিনি আরো বলেন, আমি জজ স্যারকে বলেছি, যদি আমার কোনো অপরাধ হয়ে থাকে তবে আমি দুঃখিত, আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু এভাবে আমাকে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার কারণ কী?

মোহাম্মদ আলী বলেন, পরে আমাকে হাত ধরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাতে বাধ্য করা হয়। এরপর আমি সেখান থেকে বের হয়ে আসি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার অধরা দক্ষিণ কোরিয়ার সাংকংহে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। এই সম্মাননা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে মানবপাচারের জটিলতা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুলের এশিয়ান নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশনস প্রোগ্রামের একজন শিক্ষার্থী।

২০২৫ সালের শরৎকালীন সেমিস্টারের ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠান গত ১৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স বিল্ডিংয়ের জন ডেলি হলে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে মোট ২৫৪ জন শিক্ষার্থী তাদের ডিগ্রি লাভ করেন। এর মধ্যে ১৮৮ জন স্নাতক এবং ৬৬ জন স্নাতকোত্তর ও ডকটরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৩ জন শিক্ষার্থী প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ইয়াসমিন আক্তার অধরা গ্র্যাজুয়েট স্কুল থেকে একমাত্র এই সম্মাননা অর্জন করেন। একই সময়ে, একজন শিক্ষার্থী চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড এবং পাঁচজন শিক্ষার্থী আউটস্ট্যান্ডিং থিসিস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

ইয়াসমিন আক্তার অধরার থিসিসের শিরোনাম হলো, ‘ইন্টারনাল কলোনিজ অফ এইড এন্ড মবিলিটি: হিউমান ট্রাফিককিং উইথিং টি রোহিঙ্গ্যা রেফিউজি–হোস্ট কমিউনিটি ল্যান্ডস্ক্যাপে অফ কক্সস বাজার’।

গবেষণায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা, বাস্তুচ্যুতি, মানুষের চলাচল, জীবিকা ও নিরাপত্তার সঙ্গে মানবপাচারের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

বিশেষভাবে, শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং মানুষের চলাচলের ওপর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা কীভাবে মানবপাচারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তা গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

গবেষণাটিতে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধুমাত্র একটি শরণার্থী সংকট হিসেবে না দেখে এর সঙ্গে জড়িত বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক বাস্তবতাগুলো বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে। মানবপাচার, মানুষের চলাচল, জীবিকার সুযোগ এবং নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত—গবেষণায় সে বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে ইয়াসমিন আক্তার অধরা বলেন, "এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। একই সঙ্গে এটি আমার কাছে একটি বড় দায়িত্বেরও বিষয়। মানবপাচার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের কাছে একটি কঠিন বাস্তবতা। সেই বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ আমার জন্য অনেক অর্থবহ ছিল।"

গবেষণার বিষয় নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, "রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি শরণার্থী সংকট হিসেবে না দেখে এর সঙ্গে জড়িত মানবপাচার, মানুষের চলাচল, জীবিকা ও সামাজিক বাস্তবতার জটিলতাগুলোকে বোঝার চেষ্টা করাই ছিল আমার মূল উদ্দেশ্য।"

তিনি আরও বলেন, "গবেষণার সময় আমি উপলব্ধি করেছি, একটি সমস্যাকে বুঝতে হলে শুধু পরিসংখ্যান বা নীতিমালার দিকে তাকালেই হয় না; এর সঙ্গে জড়িত মানুষের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হয়।"

আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে গর্বিত ইয়াসমিন। তিনি বলেন, "সাংকংহে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পাওয়া আমার জন্য নিঃসন্দেহে একটি বিশেষ মুহূর্ত। এই অর্জনের পেছনে আমার পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী এবং গবেষণার বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আমাকে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার অবদান রয়েছে। তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।"

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, "একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হিসেবে আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন আমার পথচলার শেষ নয়; বরং মানুষের অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক সংকট নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা।"

ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে সাংকংহে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট কিম কিয়ং-মুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের এমন মানুষ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান, যারা "দয়ালু কিন্তু অজ্ঞ নন" এবং "যোগ্য কিন্তু অহংকারী নন"।

পরিচিত ও স্বস্তিকর গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার জন্যও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার্থীরা যখন পথ হারিয়ে ফেলবেন, তখন তাদের হৃদয়ে থাকা ‘উন্মুক্ততা, ভাগ করে নেওয়া এবং সেবা’—এই মূল্যবোধ অনুসরণ করার পরামর্শ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে মানবপাচারের মতো একটি জটিল সামাজিক ও মানবিক সমস্যা নিয়ে গবেষণার জন্য ইয়াসমিনের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তার একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের গবেষণা ও মানবাধিকারভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রেও একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমকালো আয়োজনে ভিওডি বাংলার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ এম


জমকালো আয়োজনে ভিওডি বাংলার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন

ভিওডি বাংলা তাদের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে আনন্দ ও উৎসবের মাধ্যমে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরের প্ল্যানার্স টাওয়ারে ভিওডি বাংলার প্রধান কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "ভয়েস অব ডেমোক্রেসি (ভিওডি) ফ্যাসিবাদের আমল থেকে কাজ করছে।" তিনি আরও বলেন, "তাদের ওপর নিপীড়ন-ঝড় আসার শঙ্কা ছিল। কিন্তু তারা সেই আশঙ্কা সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছে।" তিনি বিশ্বাস করেন, ভিওডি অচিরেই প্রথম শ্রেণির গণমাধ্যমে পরিণত হবে।

রুহুল কবির রিজভী আরও উল্লেখ করেন, "ভিওডি বাংলা অনেক ঝড়ঝাপটা মোকাবিলা করে দুই বছর পার করেছে।" তিনি জানান, "সুতরাং, এখন তাদের আর পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা নেই।" তিনি ভিওডির কর্মীদের প্রশংসা করেন, যারা নির্ভয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং সরকারের প্রশংসা ও সমালোচনা উভয়ই করে। এটি গণতন্ত্রের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, "ভিওডি বাংলার এমডি ফয়সাল সালাম অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তরুণ।" তিনি বিশ্বাস করেন, ফয়সাল সালাম ভিওডি বাংলাকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রথম সারির গণমাধ্যমে পরিণত করবেন।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, "ভিওডি বাংলা গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার চ্যানেলে পরিণত হয়েছে।" তিনি ভিওডি বাংলার কর্মীদের অভিনন্দন জানান এবং বলেন, "ভিওডি বাংলার সঙ্গে যারা আছেন তারা গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার মধ্যেই আছেন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভিওডি বাংলা পূর্বের মতোই মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে সরকারকে পথ দেখাবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, "‘ভয়েস অব ডেমোক্রেসি’ নামটির মধ্যেই গণতন্ত্রের কথা উঠে আসে।" তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমি মনে করি, এই প্রতিষ্ঠানটির সৃষ্টি হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা বিগত তিন ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে দেখেছি, এই প্রতিষ্ঠানটি কী কষ্ট করে রাজপথে মানুষের কথা বলেছে।" তিনি আজকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদের প্রতি শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, "ভয়েস অব ডেমোক্রেসির প্রতিষ্ঠাতা, সবার প্রিয়ভাজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম ও ভিওডির একঝাঁক তরুণ কর্মীকে আজকের দিনে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।" তিনি বলেন, "দেশের মানুষের কথা সবার আগে সবার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে ভিওডি বাংলা।" তিনি উল্লেখ করেন, "প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তিগতভাবে আরো এগিয়ে গেছে।"

ভিওডি বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল সালাম সাগর বলেন, "ভিওডি বাংলা দুই বছরের পথচলায় ডিজিটাল কনটেন্ট ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠক ও দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।" তিনি সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে উপভোগ করার আহ্বান জানান।

এই দিন সন্ধ্যায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে মূল আয়োজন শুরু হয়। হাফেজ মোহাম্মদ আবু সাঈদ পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন। এরপর আমন্ত্রিত অতিথি, কলাকুশলীসহ সবার অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী), প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য দেলাওয়ার হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আবদুল করিম, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মহাসচিব ড. মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি শামসুদ্দিন পারভেজ, জাসাস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইথুন বাবু, জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমেদ, লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাইয়ান জহির, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান রফিকুজ্জামান রুমানসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালের আজকের এই দিনে সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে পথচলা শুরু করেছিল ‘ভিওডি বাংলা’। দেখতে দেখতে সেই পথচলার দুই বছর পূর্ণ হলো আজ। এই সময়ের মধ্যে সংবাদ, তথ্য ও মানুষের গল্পকে গুরুত্ব দিয়ে পাঠকের কাছে নিজেদের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে 'ভিওডি বাংলা'।

‘পথ দেখে, পথ দেখায়’ স্লোগানকে বুকে ধারণ করে ভিওডি বাংলার পথচলা কেবল ‘ট্র্যাডিশনাল সংবাদ’ প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ব্রেকিং নিউজ থেকে ভিন্নধারার বিশেষ প্রতিবেদন, দেশের নানা প্রান্তের মানুষের কথা, সমসাময়িক ঘটনা, জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু এবং জীবনঘনিষ্ঠ গল্প তুলে ধরার পাশাপাশি যাত্রার শুরু থেকেই দেশের প্রথম অনলাইনভিত্তিক টক শো চালু করে পাঠকের সামনে নতুন আঙ্গিকে কনটেন্ট উপস্থাপনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে ভিওডি বাংলা মিডিয়া লিমিটেড।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জ্বর ও ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল্লা আল কায়েস।

মন্ত্রী গত চার থেকে পাঁচ দিন ধরে জ্বর ও ঠান্ডায় ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%