বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০৬ পি.এম
বিগত ১৭ বছরের তুলনায় বর্তমানে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্তব্য করেছেন যে, দেশে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন এবং ব্যাংক লুটের খবর নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিনি ভোলা সদরের ইলিশা ও রাজাপুরের নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তাঁর এ মন্তব্যটি করেন।
ব্যারিস্টার পার্থ উল্লেখ করেন, গত সাড়ে চার মাসে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গুম, খুন, হয়রানি ও রাজনৈতিক মামলা বা রাষ্ট্রীয়ভাবে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় মদদে গুম-খুন বা বড় ধরনের দুর্নীতি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এমন ঘটনা ঘটবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে অনিয়ম করে, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ভোলার শিল্পায়নের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, 'শুধু গ্যাস থাকলেই শিল্প গড়ে ওঠে না।' ভোলা-বরিশাল সেতুসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো ভোলাকে একটি শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা, এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
এমপি পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে বলেন, সরকার নীতিগতভাবে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে ডিপিপি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরপর পিপিপি পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেয়া হবে। একইভাবে ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্যও সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নদীভাঙন বিষয়ে এমপি পার্থ জানান, ভোলার শিবপুর, ইলিশা ও রাজাপুর এলাকায় ভাঙন উদ্বেগজনক। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে; তবে কাজের গতি আরও বেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। নদীর গতিপ্রকৃতি এবং কারিগরি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
এছাড়া হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে পার্থ বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ জনবলের সংকট এবং ওষুধের বিষয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ননদ জামাইয়ের পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে।
ওই গৃহবধূর দাবি, আত্মরক্ষার জন্য তিনি এ কাজ করেছেন। তার অভিযোগ, ননদ জামাই তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন।
এ ঘটনায় আহত মিঠু মল্লিককে (৪০) প্রথমে বরিশাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার গাবারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রমজানকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মিঠু মল্লিক বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চাখার এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মোশাররফ মল্লিকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঝালকাঠিতে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ওই গৃহবধূর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে মিঠু মল্লিক গুরুতর আহত হন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
অভিযুক্ত গৃহবধূ জানান, তার স্বামী স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক। ঘটনার সময় তিনি বিদ্যালয়ে ছিলেন। ননদও কর্মস্থলে চলে যান। এ সুযোগে মিঠু মল্লিক বাড়িতে এসে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার জন্য একটি ব্লেড দিয়ে তিনি মিঠু মল্লিকের পুরুষাঙ্গে আঘাত করেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ।
গৃহবধূর অভিযোগের বিষয়ে আহত মিঠু মল্লিকের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর কলটি কেটে দেওয়া হয়। পরে একই নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও আর সাড়া মেলেনি। তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির ৩৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নবগঠিত কমিটিতে আব্দুল কাইয়ুম সরকারকে আহ্বায়ক, মো. নায়েব আলী মেম্বারকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মো. জয়নাল আবেদীন সরকারকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন— ডা. মো. কামরুজ্জামান কালু, মো. সাইদুর রহমান মোমেন, হাজী মোরশেদ মিয়া, হাজী আব্দুল মালেক মেম্বার, আব্দুর রশিদ মেম্বার, মিজান মিয়া, হাজী সামসু মিয়া, খলিলুর রহমান কমল, আব্দুল ওহাব মিয়া, আব্দুল হাফিজ মিয়া, আব্দুল মান্নান মেম্বার, খোকা মিয়া, রেজন মিয়া, শহীদ মিয়া, জব্বার মিয়া, আব্দুল কাদির মিয়া ও নাসির উদ্দিন।
সদস্যরা হলো, রুবেল আহম্মেদ, রমজান মেম্বার, বাদশা মিয়া, ফিরোজ মিয়া, হানিফ মিয়া, আবুল হোসেন, দুদুল তালুকদার, জিলু মিয়া, আব্দুল মান্নান মিয়া, শিতল মিয়া, হানিফ মিয়া, পিয়ারা বেগম, মিনা বেগম, সমিয়ারা বেগম, শাহানাজ পারভীন ও বিলকিস বেগম।
দীর্ঘদিন পর আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়ায় উচ্ছাস্বিত তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।
আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেন, নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা দেয়ায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন ও মহিলা সংসদ সদস্য এড শিরীন সুলতানার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। নতুন কমিটির মাধ্যমে আলোকবালী ইউনিয়নে বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করতে কাজ করা হবে। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও ত্যাগীদের সঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উগান্ডার বিরোধীদলীয় নেতা, কিজা বেসিগে, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানির সময় আদালতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান।
বেসিগে, যিনি ৭০ বছর বয়সী, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে, কিন্তু তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত মাসে তার প্রধান আইনজীবীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের শুনানির সময়, বেসিগে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবীর মাধ্যমে নিজের মামলা পরিচালনার বিরোধিতা করেন।
এ সময় হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে কারারক্ষীরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
তার স্ত্রী জানিয়েছেন, বেসিগে কিছু সময় অচেতন ছিলেন। তিনি কথা বলতে পারছিলেন না এবং তার কোন ব্যথার প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিলেন না।
কিজা বেসিগে দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির বিরোধিতা করে আসছেন। তিনি সম্পূর্ণরূপে চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মুসেভেনির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ২০২৪ সালে তাকে কেনিয়া থেকে আটক করে উগান্ডায় ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর থেকে তিনি ও তার সহযোগী, ওবেইদ লুতালে, কারাগারে রয়েছেন।
সরকারের অভিযোগ, তারা প্রেসিডেন্ট মুসেভেনির সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তবে বেসিগে ও লুতালে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উগান্ডায় রাষ্ট্রদ্রোহের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
বেসিগের স্ত্রী জানিয়েছেন, শুরুতে তাকে চিকিৎসা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে হাসপাতালে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রথমে বেসিগেকে সরকারি মুলাগো ন্যাশনাল রেফারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে, তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং সেখানে সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে, বেসিগের প্রধান আইনজীবী এরিয়াস লুকওয়াগো গত মাসে সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আরেক আইনজীবী, কেনিয়ার রাজনীতিবিদ মার্থা কারুয়াকে বেসিগের আইনি সহায়তার জন্য উগান্ডায় প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থতার কারণে, বেসিগেকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তার পরিবার, বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। বুধবার (২৯ জুলাই), তার ছেলে অ্যাডাম আম্পা প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি ও সেনাপ্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবার কাছে মানবিক কারণে বাবাকে মুক্তি দেওয়ার আবেদন জানান।
আটকের পর এর আগেও কয়েকবার বেসিগেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে আটক অবস্থায় অনশন করার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চলতি বছরের শুরুতেও তাকে অল্প সময়ের জন্য চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।
বিরোধীদলীয় নেতা, ববি ওয়াইন, বলেছেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেসিগেকে আদালতে হাজির করা তার মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। কিজা বেসিগে একসময় প্রেসিডেন্ট মুসেভেনির ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলেন। তবে ১৯৯৯ সালে তাদের সম্পর্কের অবনতি হলে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় ছিলেন এবং ২০২১ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেননি। সূত্র: রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ছাত্রশক্তির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন।
এর আগে, ২৬ জুলাই জাতীয় ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটি। কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি।
সংগঠনের সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ ও সিলেটে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সরেজমিনে না গিয়ে ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের (স্টেকহোল্ডারদের) সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের কাজ অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে। ঘটনার দিনের পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের অনুমোদনে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন হাসিব আল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান ও শাবাব হোসেন মেহের।
ইবি শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান জানান, ঘটনার পরপরই প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টতা চিহ্নিত হওয়ায় এনসিপির এক নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তবে কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ আসেননি। এনসিপির শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়ার পর হয়তো সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আয়োজিত ‘বর্ষা বিপ্লবের স্মৃতিচারণ ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা হট্টগোল সৃষ্টি করেন। এ সময় ইবি শাখা ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ