মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ী পর্যায়ে (বিটুবি) বৈঠক আয়োজনের পাশাপাশি বাণিজ্য মেলায় পারস্পরিক অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে ঢাকা ও ইসলামাবাদ। এই উদ্দেশ্যে, দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ককে জোরদার করার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) কার্যালয়ে সংগঠনটির সভাপতি কামরান টি. রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পাকিস্তান হাইকমিশনের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে তারা আলোচনা করেন, ওষুধ, তাজা ফলমূল ও শাকসবজি, পাট, অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম এবং সিরামিকসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে।
এছাড়া, পাকিস্তানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করে, এ খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনাও আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে এমসিসিআইয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলের বাণিজ্য ও শিল্প চেম্বারের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি উভয় দেশের বাণিজ্য মেলায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের পারস্পরিক অংশগ্রহণের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার আগামী ২৩ থেকে ২৬ নভেম্বর করাচিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দেশটির অন্যতম প্রধান খাদ্য ও কৃষিপণ্য প্রদর্শনী ‘ফুডঅ্যাগ ২০২৬’-এ অংশ নিতে এমসিসিআই নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে দুই পক্ষের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দম্পতির বয়স ৭৭ বছর। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডাবলিন শহরের একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সের পার্কিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম জোনাথন ম্যাকিনসি, যিনি ডাবলিনের বাসিন্দা ছিলেন। পুলিশ জানায়, তাকে ডাবলিন ক্রীড়া মাঠের পার্কিং এলাকায় একাধিকবার গুলি করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
অভিযুক্ত দম্পতিকে পুলিশ শৌইয়ং ঝাং ও শিলি চেন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা স্বামী-স্ত্রী এবং নিহত ম্যাকিনসির শ্বশুর-শাশুড়ি। তাদের গ্রেপ্তার করে সান্তা রিটা কারাগারে রাখা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৮ মিনিটের দিকে এক পুলিশ সার্জেন্ট ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় পার্কিংয়ে একজনকে পড়ে থাকতে দেখতে পান। একই সময়ে গুলির ঘটনা জানিয়ে জরুরি নম্বরে একাধিক ফোন আসছিল।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ম্যাকিনসিকে একাধিক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের সহায়তায় কিছু মিনিটের মধ্যে কাছাকাছি এলাকা থেকে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ রাজাউয়ি জানান, তিনি কাছের একটি বাজার থেকে বের হওয়ার সময় গুলির শব্দ শুনেছিলেন এবং পরে পার্কিং এলাকায় একজনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির মাথা ও বুক রক্তাক্ত ছিল। তার মেয়ে মাল রাজাউয়ি জানিয়েছেন, তার বাবা ঘটনাস্থল থেকে দুই ব্যক্তিকে একসঙ্গে হেঁটে চলে যেতে দেখেছিলেন।
ম্যাকিনসিকে কেন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কোনো কারণ জানায়নি। তদন্তকারীরা ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আর কোনো সন্দেহভাজন নেই এবং সাধারণ মানুষের জন্য কোনো নিরাপত্তাঝুঁকিও নেই।
ম্যাকিনসি নিউইয়র্ক টাইমসের ক্রীড়া বিভাগের প্রকৌশল পরিচালক হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিষ্ঠানটি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চমক তৈরি করেছে, কারণ ডাবলিনে এ ধরনের ঘটনা খুব কমই ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো চলছে।
সূত্র: এবিসি সেভেন নিউইয়র্ক
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এখন ইয়াবা সংক্রান্ত একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মাত্র এক টাকার একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বাজার থেকে ক্রয় করে, লাল বা গোলাপি রঙের প্রলেপ দিয়ে ভুয়া ইয়াবা তৈরি করা হচ্ছে। এতে অজানা ওষুধ সেবনের ফলে মাদকাসক্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাজশাহীর আইডি বাগানপাড়া রেললাইন এলাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাদক কেনাবেচা হয়ে থাকে। মাদকসেবীদের আনাগোনা সেখানে চোখে পড়ে।
এছাড়া নগরীর চন্দ্রিমা থানার বারো রাস্তা, বুধপাড়া, কোট ঢালান, গুড়িপাড়া, রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকা, হরিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে কৌশলে ইয়াবা এবং ইয়াবার আদলে ওষুধ বিক্রির চক্র গড়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এসব স্থানে চক্রগুলো প্রকৃত মাদকের পাশাপাশি ইয়াবার আদলে তৈরি রং করা মায়াবড়ি ও ডুরালাক্স ট্যাবলেট বিক্রি করছে। বিশেষ করে কম দামে মাদক পাওয়ার আশায়, অনেক তরুণ মাদকসেবী সেখানে ছুটে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ইয়াবার আদলে এসব রং করা ট্যাবলেট মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। ট্যাবলেটের গায়ে লাল বা গোলাপি রঙের মার্কার বা সাইনপেনের কালি লাগিয়ে ইয়াবার রূপ দেওয়া হচ্ছে। পরে প্রকৃত ইয়াবা বলে মাদকসেবীদের কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণ ও কোষ্ঠকাঠিন্যের এসব ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদকসেবী জানিয়েছেন, ঘন ঘন অভিযানের কারণে অনেকেই ইয়াবা বিক্রি করছে না। তিনি জানান, একজনের কাছ থেকে দুই পিস ‘মাল’ (ইয়াবা) নিয়েছিলেন ২৮০ টাকা পিস হিসেবে। পরে খাওয়ার সময় দেখেন, সেগুলো আসলে ওষুধ। কারণ, ওই ওষুধ খাওয়ার পর তার পায়খানার বেগ অনেক বেড়ে গিয়েছিল।
আরেকজন জানান, এটি ইয়াবার মতো রূপ দেওয়া হয়। কিন্তু আসলে এটা মায়া বড়ি রং করে বিক্রি হচ্ছে।
এ বিষয়ে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (উপ-পুলিশ কমিশনার) গাজিউর রহমান জানিয়েছেন, শুধু ইয়াবা নয়, সব ধরনের মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে মহানগর পুলিশ মাদক বিক্রির আস্তানা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং সেখান থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মায়া বড়ি ও ডুরালাক্স ইয়াবার আদলে বিক্রি করার বিষয়ে তিনি অবহিত নন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: কালেকশন অ্যান্ড রিকভারি অফিসার (অফিসার টু এক্সিকিউটিভ অফিসার)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রাপ্য হবেন।
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়
প্রার্থীর বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে
আবেদনের যোগ্যতা:
- যেকোনো বিষয়ে স্নাতক অথবা এলএলবি/এলএলএম ডিগ্রি থাকতে হবে।
- শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে তৃতীয় শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়।
- ন্যূনতম ৪ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক প্লেট ভাত, অর্ধেক সিদ্ধ ডিম, পটল ভাজি, আলু ভর্তা, আলু ভাজি ও শাক ভাজির সঙ্গে ডালও মিলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ২৫ টাকায় ছয় পদের খাবার পাওয়া যাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্টেশন বাজারের ‘হোটেল মাদারীপুরে’ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য এমন খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এই খাবারটি ‘সিস্টেম’ নামে পরিচিত।
দামের দিক থেকে কম হলেও খাবারের মান সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে সকাল ও দুপুরের খাবারের সময়ে হোটেলটিতে শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ছয়টি পদ নিয়ে খাবার পরিবেশন করা হয় বলেই এর প্রচলিত নাম ‘সিক্স আইটেম’। তবে শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে এটি ‘সিস্টেম’ নামেই অধিক পরিচিতি পেয়েছে।
‘সিস্টেম’-এর উদ্যোক্তা হোটেল ব্যবসায়ী মানিক মিয়া। তিনি কুমিল্লার লাকসাম থেকে রাজশাহীতে আসেন জীবিকার সন্ধানে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর বয়স ষাটের কোঠায়। একসময় রিকশা চালালেও তিনি প্রায় ৩৬ বছর ধরে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
মানিক মিয়া জানান, প্রায় ২৬ বছর ধরে হোটেল মাদারীপুরে ‘সিস্টেম’ চালু রয়েছে। শুরুতে ২০ বছর আগে এই খাবারের দাম ছিল মাত্র ৬ টাকা। সময়ের সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় ধীরে ধীরে ‘সিস্টেম’-এর দামও বেড়ে বর্তমানে ২৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছয় পদের খাবারের মধ্যে রয়েছে এক প্লেট ভাত, অর্ধেক ডিম, পটল ভাজি, আলু ভর্তা, শাক ভাজি ও আলু ভাজি। এর সঙ্গে ডাল সবার জন্য বিনামূল্যে দেওয়া হয়। হোটেলে মাছ-মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছে ‘সিস্টেম’-এর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।
হোটেলটির নামকরণের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। মানিক মিয়া জানান, আগে দোকানটির মালিক ছিলেন মাদারীপুর জেলার বাসিন্দা। তাঁর বাড়ির জেলার নাম অনুসারেই হোটেলটির নাম রাখা হয় ‘হোটেল মাদারীপুর’। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে হোটেলটি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানান।
মানিক মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন হোটেলে ৫০০টির বেশি ‘সিস্টেম’ বিক্রি হয়। সব মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার টাকার বেশি খাবার বিক্রি হয়। ‘সিস্টেম’-এর পাশাপাশি হোটেলে মাছ, মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের খাবারও পাওয়া যায়। সকালে ও দুপুরে ‘সিস্টেম’ বিক্রি হলেও রাতে খিচুড়িসহ অন্যান্য খাবার পরিবেশন করা হয়।
স্টেশন বাজারে হোটেলটির অবস্থান হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতও সহজ। এর পাশেই রয়েছে মাদার বখ্শ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল। কিছুটা দূরে রয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল। ফলে এসব আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অনেকেই নিয়মিত হোটেলটিতে খাবার খেতে আসেন।
দীর্ঘদিন ধরে হোটেলটির ‘সিস্টেম’ খাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, "আমি এখানে সাড়ে তিন বছর ধরে খাচ্ছি। এখানকার বিশেষত্ব হচ্ছে কম টাকায় অনেকগুলো আইটেম দিয়ে খাবার খাওয়া যায়। শিক্ষার্থীদের অনেক খরচ থাকে। তাই কম টাকায় যেখানে ভালো খাবার পাওয়া যায়, সেখানেই খাই।" তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই সেবা দিয়ে আসছেন। প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এখানে খেতে আসেন। খাবারের মানও ভালো।
কম দামে খাবার দেওয়ার বিষয়টিকে হোটেল মালিকের মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থী তারিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, "সিস্টেম মিল যেন অমাবস্যায় এক আলোর মশাল। ক্রমাগত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ফলে সবকিছুই সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। ঠিক এমন সময়ে ২০–২৫ টাকায় তৃপ্তি করে খাওয়া যায়—এটি আমাদের কাছে মানবিক উদ্যোগ। একই সঙ্গে অন্য হোটেল মালিকদের জন্যও এটি অনুকরণীয়। রাবি শিক্ষার্থীদের গল্প-কথায় হোটেলটি যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"
শহীদ শামসুজ্জোহা হলে থাকা শিক্ষার্থী জুবাইর হোসেনও মাঝেমধ্যে হোটেলটিতে খেতে যান। তিনি বলেন, "এত কম দামে এমন খাবার রাজশাহীর অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। কম দাম হলেও খাবারটি বেশ তৃপ্তিদায়ক।"
দ্রব্যমূল্যের চাপে যখন স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের খাবারের খরচও বাড়ছে, তখন ২৫ টাকার এই ‘সিস্টেম’ শুধুমাত্র একটি সস্তা খাবারের নাম নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে রাবির শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি পরিচিত নাম। ৩৬ বছর ধরে টিকে থাকা হোটেল মাদারীপুর তাই হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের সংস্কৃতিরও একটি ছোট্ট অংশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ