বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৭ পি.এম
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এশিয়ান গেমস থেকে বাদ পড়েছেন। বাংলাদেশ দলে তার পরিবর্তে আলিস আল ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাইফউদ্দিনের বিকল্প হিসেবে আলিস আল ইসলামের নাম ঘোষণা করেছে।
আলিস সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে সিরিজে অংশগ্রহণ করেছেন। সেই সিরিজে তার পারফরম্যান্সের জন্যই তাকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর অনুশীলনের সময় বোলিং করার সময় সাইফউদ্দিন ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন। পরবর্তী সময়ে শারীরিক পরীক্ষা ও এমআরআই করানোর পর তার চোট নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সাইফউদ্দিনকে সুস্থ হতে প্রায় তিন সপ্তাহ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এর ফলে তিনি পুরো টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছেন।
বিসিবির ফিজিও সাইফউদ্দিনের চোট সম্পর্কে বলেছেন, ১৯ সেপ্টেম্বর অনুশীলনের সময় বোলিং করার সময় তিনি ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেছিলেন। শারীরিক পরীক্ষা ও এমআরআইয়ের পর চোটটি নিশ্চিত হয়েছে এবং সুস্থ হতে তার প্রায় তিন সপ্তাহ পুনর্বাসন প্রয়োজন হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাখি শিকার বন্ধের লক্ষ্যে শেরপুরের সদর ও নকলা উপজেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন।
এই অভিযানের অংশ হিসেবে নকলার গনপদ্দী ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের পাখি শিকারি মো. আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) কে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে তিনটি বক এবং বক শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি এই সাজা প্রদান করেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানের সময় আটটি শিকারের সরঞ্জাম (হালা) এবং ১২টি বক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত বকগুলো পরে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়।
এছাড়া, পাখির সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় জনগণের মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনার সময় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইনের নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমানসহ স্বেচ্ছাসেবী এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সুমন সরকার জানান, পাখি শিকারি মো. আব্দুর রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পাখি শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে ভাগ্নেবউকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হাসান মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ২৫ মিনিটে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে এসআরবি।
গ্রেপ্তার হওয়া হাসান মিয়া পীরগঞ্জ উপজেলার বেড়াখাই গ্রামের মৃত আইজার রহমানের ছেলে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, হাসান মিয়া ভুক্তভোগী গৃহবধূর মামাশ্বশুর। বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় তিনি ওই গৃহবধূকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া, তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই নারীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হতো বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে আরও জানা যায়, গত ১২ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজ বাড়ির একটি ঘরে শুয়ে ছিলেন। এ সময় হাসান মিয়া ওই ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন ওই নারী চিৎকার শুরু করলে হাসান মিয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর পীরগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পর হাসান মিয়া গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান।
এসআরবি জানায়, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত হাসান মিয়াকে গ্রেপ্তারে এসআরবি-১৩ রংপুরের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩ রংপুর ও এসআরবি-১ গাজীপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল গাজীপুরে অভিযান চালায়।
অভিযানে বোর্ডবাজার এলাকা থেকে পীরগঞ্জ থানার ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি হাসান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
তিনি আরও জানিয়েছেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাসহ হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমাগত ভয়ংকর আকার ধারণ করছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগটি প্রতিদিনই একাধিক প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, আরও ৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে ডেঙ্গুর কারণে। ফলে, চলতি বছরে প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মোট প্রাণহানি ২০১ এ দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে একজন, চট্টগ্রামে দুইজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৫৮ জন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে ঢাকা বিভাগে সর্বাধিক (৪০৫ জন) ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া, খুলনা বিভাগে ২৮০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৭, বরিশাল বিভাগে ১৭৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৯, রাজশাহী বিভাগে ১৫৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৩, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০৩, রংপুর বিভাগে ৫৯ এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গবেষকেরা জানিয়েছেন, দেশে সবজিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি এবং ফলে ৪ শতাংশ অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। খেজুরে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৫ শতাংশ ও শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক পাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই তথ্য তুলে ধরেন কীটতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত। কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)।
ড. নির্মল কুমার দত্ত মন্তব্য করেন, বর্তমানে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে পোকামাকড় রাসায়নিক কীটনাশক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। এই কারণে রাসায়নিক কীটনাশকের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে উপকারী পোকামাকড় মারা যাওয়ায় ক্ষতিকর পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কীটতত্ত্ববিদ নির্মল কুমার দত্ত জানান, দেশে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে। পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাসায়নিক কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
ড. নির্মল কুমার দত্ত আরও জানান, দেশে প্রায় আট হাজার কীটনাশক অনুমোদিত রয়েছে। যাচাই করে এর মধ্যে ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সিটি ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, পোকামাকড় মারতে বালাইনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে নকল বালাইনাশকের কারণে পোকামাকড় মারা না গিয়ে বরং তাদের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান বলেন, জৈব বালাইনাশক প্রকৃতিতে বিদ্যমান। তাই উপকারী পোকামাকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিএআরসির পরিচালক ড. মো. মাহফুজ আলম ও প্রধান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আল মোবাচ্ছের হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. নিজামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাইফুল মাসুমসহ কৃষি বিটের সাংবাদিকেরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ