প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গবেষকেরা জানিয়েছেন, দেশে সবজিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি এবং ফলে ৪ শতাংশ অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। খেজুরে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৫ শতাংশ ও শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক পাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই তথ্য তুলে ধরেন কীটতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত। কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)।
ড. নির্মল কুমার দত্ত মন্তব্য করেন, বর্তমানে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে পোকামাকড় রাসায়নিক কীটনাশক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। এই কারণে রাসায়নিক কীটনাশকের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে উপকারী পোকামাকড় মারা যাওয়ায় ক্ষতিকর পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কীটতত্ত্ববিদ নির্মল কুমার দত্ত জানান, দেশে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে। পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাসায়নিক কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
ড. নির্মল কুমার দত্ত আরও জানান, দেশে প্রায় আট হাজার কীটনাশক অনুমোদিত রয়েছে। যাচাই করে এর মধ্যে ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সিটি ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, পোকামাকড় মারতে বালাইনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে নকল বালাইনাশকের কারণে পোকামাকড় মারা না গিয়ে বরং তাদের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান বলেন, জৈব বালাইনাশক প্রকৃতিতে বিদ্যমান। তাই উপকারী পোকামাকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিএআরসির পরিচালক ড. মো. মাহফুজ আলম ও প্রধান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আল মোবাচ্ছের হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. নিজামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাইফুল মাসুমসহ কৃষি বিটের সাংবাদিকেরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন