১০:৫৯ পি.এম
ভারতের উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ জেলার ঘাগরা নদীর তীরে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। চাচার সামনে ১২ বছর বয়সী একটি কিশোরকে নদীতে নিয়ে গেছে এক বিশাল কুমির, যেটি ওঁত পেতে ছিল। দীর্ঘ সময় পরে নদী থেকে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এটি ঘটে মঙ্গলবার। পুলিশ জানায়, নিহত কিশোর ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার দিন তার চাচা উদয়রাজ সিংয়ের সঙ্গে নিজেদের কৃষিজমিতে কাজে গিয়েছিল। সেই সময় কিশোরটি নদীর তীরে আচমকা একটি কুমিরের হামলার শিকার হয়।
কিশোরটির আর্তচিৎকার শুনে চাচা উদয়রাজ সিং দ্রুত সময়ের মধ্যে ছুটে এসে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তিনি কুমিরের মুখ থেকে কিশোরটিকে টেনে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কুমিরের শক্তির কাছে তিনি হার মানেন। কুমিরটি চোখের পলকে কিশোরটিকে টেনে নিয়ে গভীর পানিতে অদৃশ্য হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এই হামলার খবর যেমন ছড়িয়ে পড়ে, তেমনই স্থানীয় গ্রামবাসীরা নদীর তীরে জড়ো হন। পরে পুলিশ ও বাহরাইচ বন বিভাগের কর্মীরা মিলিতভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নদীতে জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হলেও ওই প্রথমে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। অবশেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে নদী থেকে কিশোরটির নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন