ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছাত্রত্ব নেই তবুও বহিষ্কার, এটা হাস্যকর সুপারিশ: রাবি শিবির সভাপতি


ছাত্রত্ব নেই তবুও বহিষ্কার, এটা হাস্যকর সুপারিশ: রাবি শিবির সভাপতি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনকে ‘প্রহসন ও নাটক মঞ্চায়ন’ বলে অভিহিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

মুজাহিদ ফয়সাল উল্লেখ করেন, যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রত্ব নেই, তাদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বলেন, "এটা হাস্যকর প্রতিবেদন। প্রশাসন একটি প্রহসন ও নাটক মঞ্চায়ন করেছে।"

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে হামলার সময় কক্ষ ভাঙচুর ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। সাংবাদিক নেতাদের এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবির যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি।

মুজাহিদ ফয়সাল জানান, সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের ফোন ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "আমরা সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গে একমত। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। যাদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিল এবং ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে।"

তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে শিবির সভাপতি বলেন, "আমরা দেখলাম, তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে, তিনজনকে অধিকতর তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তিনজনকে সতর্কবার্তা দিয়ে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, প্রত্যেকেই এখানে ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে জড়িত।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সভাপতি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যেসব পদধারী নেতা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসার ঘটনায় যাদের ভূমিকা ছিল, তাদের তদন্তের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও মূল হোতাদের আড়াল করা হয়েছে। তাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের নির্বাচিত জিএস আরিফুল ইসলামের সাময়িক বহিষ্কারের প্রসঙ্গ টেনে মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, "আরিফের সমালোচনার ভাষাকে আমরা ইসলামী ছাত্রশিবির হিসেবে সমর্থন করি না। তবে সমালোচনার জন্য কাউকে হামলার হুমকি দেওয়া বা তার ওপর হামলা চালানোর সংস্কৃতি আমরা ফিরে আসতে দিতে চাই না।"

তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীকে সমালোচনা করলেই ছাত্রদল পেটোয়া বাহিনী হিসেবে কাউকে মারার হুমকি দেবে বা হামলা করবে—এমন সংস্কৃতি কাম্য নয়।" তার ভাষ্য, এ ধরনের রাজনৈতিক আচরণ তারেক রহমানকে ‘ফ্যাসিস্ট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নতুন এজেন্ডার অংশ।

মুজাহিদ ফয়সাল তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে বলেন, "তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীর বিষয়টি যথাযথভাবে উঠে আসেনি; বরং ভুক্তভোগীকেই আরও ভুক্তভোগী করা হয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যে দাবিগুলো জানানো হয়েছিল, সেগুলোরও প্রতিফলন ঘটেনি। তাই আমরা এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করছি।"

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

তিনি আরও বলেন, "যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রত্বই নেই, তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর চেয়ে হাস্যকর ব্যাপার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আর হয়েছে কি না, আমার জানা নেই।"

শিগগিরই কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে জানিয়ে শিবির সভাপতি বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী প্যানেল থেকে নির্বাচিত হল সংসদ ও কেন্দ্রীয় সংসদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। এ বিষয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে আলোচনা চলছে। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের অবস্থান ও কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

এর আগে, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শাখা ছাত্রদলের তিনজন নেতা-কর্মী ও হল সংসদের জিএসের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। তাদের মধ্যে শাখা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহসভাপতি আহসান হাবিব ও বহিষ্কৃত কর্মী বিশাল চক্রবর্তীর ছাত্রত্ব নেই।

উল্লেখ্য, গত রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধানক্ষেতেই তাজমিনকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন সুমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


ধানক্ষেতেই তাজমিনকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন সুমন

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৩) কে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন সিএনজিচালক সুমন। পুলিশ জানায়, ধানক্ষেতে নিয়ে যাওয়ার পর ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তাকে হত্যা করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে, যিনি এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক হয়েছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এ বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। তাজমিনের মুঠোফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করেও ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির আলামত পাওয়া গেছে। পুলিশের অনুসন্ধানে জানা যায়, সুমন একাই তাজমিনকে ধানক্ষেতে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন। হত্যার কারণও অনেকটা স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি জানান।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৭ অক্টোবর) গভীর রাতে বাস থেকে নেমে কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় ফেরার জন্য সুমনের অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। রাত ১২টা ১৯ মিনিটে তাকে সর্বশেষ কুমিল্লার হোটেল নূরজাহানের সামনে দেখা যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, গভীর রাতে কিশোরীকে একা পেয়ে সুমন শহরের দিকে না গিয়ে উল্টো পথে অটোরিকশা চালাতে থাকেন। বিজরা, রসুলপুর ও শিকারীপাড়া হয়ে তিনি লালমাই উপজেলার জগতপুরের একটি ধানক্ষেতের দিকে যান।

বিষয়টি বুঝতে পেরে চলন্ত অটোরিকশা থেকেই রাত ২টা ৫৮ মিনিটে বাবার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লাইভ লোকেশন ও বার্তা পাঠিয়ে উদ্ধারের আকুতি জানায় তাজমিন। তবে গভীর রাতে ঘুমিয়ে থাকায় তার বাবা বার্তাটি দেখতে পাননি। পরে জগতপুরের ধানক্ষেতে পৌঁছালে আত্মরক্ষার জন্য পালানোর চেষ্টা করে তাজমিন। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির পর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের পাশে অটোরিকশাটিও পড়ে ছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে তার পরিচয় শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্তে সুমনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত জান্নাতুল তাজমিন কুমিল্লা নগরের ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সে আর স্কুলে উপস্থিত হয়নি। তার বাবা আব্দুল আলিম একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে তারা কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়াতলা গ্রামে।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তাজমিন। পরে বুধবার রাতে বাসায় ফেরার পথে সিএনজিচালকের অটোরিকশায় ওঠার পর এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হয় সে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এফবিআইয়ে পশু নির্যাতন, দেহব্যবসা ও চুরির অভিযোগে চাকরির সুযোগ, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


এফবিআইয়ে পশু নির্যাতন, দেহব্যবসা ও চুরির অভিযোগে চাকরির সুযোগ, তদন্তের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ে নিয়োগের শর্ত শিথিল করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি উঠেছে। পশুর সঙ্গে যৌনাচার, দেহব্যবসা এবং নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চুরির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট শর্তে চাকরির জন্য বিবেচনা করার কারণে এ বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য শুক্রবার দেশটির বিচার বিভাগের অভ্যন্তরীণ নজরদারি সংস্থার কাছে আবেদন করেছেন সিনেটের বিচার বিভাগীয় কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য ডিক ডারবিন।

বিচার বিভাগের মহাপরিদর্শক ডন বেরথিউমকে লেখা চিঠিতে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের সিনেটর ডারবিন উল্লেখ করেন, এফবিআইয়ের নিয়োগের শর্ত শিথিল করার সিদ্ধান্ত সংস্থাটির কার্যক্রমকে দুর্বল করে দিতে পারে এবং এর সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

গত আগস্টে সিবিএস নিউজ প্রথম জানায়, এফবিআই চলতি বছরের জুনে নীরবে নিয়োগের শর্ত পরিবর্তন করেছে। পূর্বে পশুর সঙ্গে যৌনাচার, দেহব্যবসা কিংবা নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সংস্থাটিতে চাকরির জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হতো।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সের আগে পশুর সঙ্গে যৌনাচার, পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা কিংবা পশুকে পিষে ফেলার মতো যৌন বিকৃত আচরণে জড়িত ব্যক্তিদেরও চাকরির জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে।

দেহব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, কোনো আবেদনকারী যদি তিনবার বা তার বেশি যৌনকর্মী নিয়োগ না করে থাকে এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনা ১০ বছরের বেশি আগে ঘটে থাকে, তাহলে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে না।

এছাড়া, যদি কোনো আবেদনকারী নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চুরি করে থাকে, তবে সেই ঘটনা তিন বছরের বেশি আগে ঘটলে তাকে চাকরির জন্য বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

গত মাসে এক ব্যতিক্রমী শুনানিতে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল নতুন নিয়োগনীতি নিয়ে আইনপ্রণেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়েন। নীতির পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে যাদের পশুর সঙ্গে যৌনাচারে বাধ্য করা হয়েছিল, তারা যেন এফবিআইয়ে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতেই এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর জন কেনেডির সঙ্গে প্যাটেলের কথোপকথন পরে বিভিন্ন কৌতুক অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্যাটেল বলেছিলেন, আগের নিয়মে পশুর সঙ্গে যৌনাচারের ঘটনায় উভয় পক্ষের অংশগ্রহণকারীকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হতো।

জবাবে কেনেডি প্রশ্ন করেন, ‘উভয় পক্ষ বলতে কাদের বোঝাচ্ছেন? পশুর সঙ্গে যৌনাচার?’

পরে তিনি ব্যঙ্গ করে আরও প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কি পশুটিকেও অযোগ্য ঘোষণা করেছিলেন?’

এফবিআইয়ের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞ আইন বিশেষজ্ঞরা এর আগে নতুন নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের মতে, নিয়োগের শর্তে এমন পরিবর্তন সংস্থাটির নতুন দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।

তাদের মধ্যে কয়েকজন আরও বলেন, নীতির পরিবর্তনের পক্ষে এফবিআইয়ের যুক্তি স্পষ্ট নয়। তাদের মতে, আবেদনকারীরা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষার আগে যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার মতো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা জানাতে পারেন, যা পরীক্ষার ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

ডারবিন তার চিঠিতে বলেন, এফবিআই পরিচালক প্যাটেলের বক্তব্য নীতিগত পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট স্পষ্ট ধারণা দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, স্পষ্ট কোনো যুক্তি ছাড়াই এত বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই নতুন নীতি তৈরির প্রক্রিয়া এবং তা কার্যকর করার পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখার জন্য তিনি বিচার বিভাগের মহাপরিদর্শকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র হতে চায়, যেখানে সংখ্যালঘু এবং সংখ্যাগুরুর বিভাজন থাকবে না, বরং সকলের পরিচয় হবে বাংলাদেশি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত 'মহালয়া ১৪৩৩'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এই বক্তব্য প্রদান করেন।

সকাল ৬ টার দিকে বনানী মাঠে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ। পরে সেখানে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শুভ মহালয়া উদযাপনের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আধুনিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র, সমাজ এবং সরকারের কাছ থেকে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সমান নিরাপত্তা, সমান স্বাধীনতা এবং সমান মর্যাদা পাবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের এই অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করাই সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।

তিনি আরও বলেন, মহালয়া নতুন আশার আলো নিয়ে আসে, অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোর জয় নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল বার্তা। সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের জন্য গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনকে তিনি বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

মাহদী আমিন বলেন, আজ আমরা এমন একটি এলাকায় সমবেত হয়েছি, যা সংসদীয় আসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর এলাকা। তিনি বিশ্বাস করেন, সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলবে যেখানে ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা ছাপিয়ে আমাদের একটাই পরিচয় হবে, আর তা হলো আমরা সবাই বাংলাদেশি।

তিনি সনাতনী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের সাফল্য কামনা করেন।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য কিংবা বিভেদের শিকার হতে হবে না। প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচবে এবং সমান মর্যাদা নিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতি রেখে পূজার সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই উৎসবের আনন্দ সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রতিটি মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে পড়ুক।

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের আবহমান ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক দৃঢ় বন্ধন। আমাদের মধ্যকার ভিন্নতা ও বৈচিত্র্যকে শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা এমন এক মানবিক বাংলাদেশ চাই, যেখানে বিদ্বেষের জায়গা নেবে ভালোবাসা, বৈষম্যের জায়গা নেবে ন্যায়বিচার এবং বিভাজনের জায়গা নেবে ঐক্য।

বাংলাদেশের মূল শক্তি এ দেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, জনগণের অন্তরের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা এবং একতাবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয়ই আমাদের চালিকাশক্তি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, দেশের মানুষের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক জনকল্যাণই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই আমরা বলি 'সবার আগে বাংলাদেশ'। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মহালয়ার বার্তা ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। দুর্গোৎসবের এই শুভ সূচনা সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবশেষে তিনি আয়োজনের সুন্দর ও সার্থকতার মাধ্যমে সনাতনী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলছাত্রী তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মসজিদের পুকুরে গোসল করে সুমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


স্কুলছাত্রী তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মসজিদের পুকুরে গোসল করে সুমন

কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর কাঁচিকাটা মসজিদের সামনে অবস্থিত পুকুরে গোসল করে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। হত্যার পর ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশা ফেলে রেখে অন্য একটি অটোরিকশায় বাখরাবাদে চলে যায় সে। পরে তাজমীনের আইফোন একটি জঙ্গলে লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায় সুমন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রাথমিক তদন্তের তথ্য তুলে ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া এসব তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ৮ অক্টোবর লালমাই উপজেলার জগতপুর চরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশে তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হত্যার মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত তাজমীন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি যশোরে হলেও বাবার চাকরির কারণে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করত সে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে বাসায় যাওয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে তাজমীন। চালক সুমন ৫০০ টাকা ভাড়া চাইলে শেষ পর্যন্ত ৩০০ টাকায় যাওয়ার চুক্তি হয়। পথে একটি দোকান থেকে ১০০ টাকা দিয়ে চালকের জন্য রুটি ও কলা কিনে আনে তাজমীন।

পরে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সুমন অটোরিকশাটি নূরজাহান হোটেলের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে চাঁদপুর সড়কের দিকে ঘুরিয়ে নেয়। এরপর বিজরা বাজার হয়ে নির্জন এলাকায় পৌঁছে অটোরিকশার ইঞ্জিন বন্ধ করে দেয় সে। জায়গাটি চিনতে না পেরে তাজমীন প্রশ্ন করলে সুমন জানায়, এটি রেসকোর্স নয়। বিপদের আশঙ্কায় অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করে কিশোরীটি।

এ সময় তাকে আটকে রাখার চেষ্টা করলে তাজমীন চিৎকার শুরু করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জানিয়েছে, সে গামছা দিয়ে তাজমীনের গলা পেঁচিয়ে ধরে। পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাজমীন দুর্বল হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে বলে স্বীকার করেছে সুমন। এরপর ধানক্ষেতে নিয়ে মাথায় পা দিয়ে চেপে ধরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে বলে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন সে।

হত্যার পর তাজমীনের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি আইফোন নিয়ে ব্যাগটি ধানক্ষেতে ফেলে দেয় সুমন। পরে ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি রেখে কাঁচিকাটা মসজিদের সামনে পুকুরে গোসল করে সে। এরপর অন্য একটি ভাড়ায় চালিত অটোরিকশায় বাখরাবাদ এলাকায় গিয়ে পুকুরপাড়ের একটি জঙ্গলে আইফোনটি লুকিয়ে রাখে। সেখান থেকে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদের ওই জঙ্গল থেকে তাজমীনের আইফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তার ভ্যানিটি ব্যাগও। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন হত্যার বর্ণনা দিয়েছে এবং অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া আরও জানান, ঘটনার রাতে ২টা ৫৮ মিনিটে তাজমীন তার বাবার সঙ্গে নিজের লাইভ লোকেশন শেয়ার করেছিল। তবে তার বাবা তাৎক্ষণিকভাবে সেটি দেখতে পাননি। ভোরের দিকে লোকেশনটি দেখে তিনি ওই এলাকায় মেয়েকে খুঁজতে যান।

ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে। ওই ফুটেজে তাজমীনকে অটোরিকশায় শান্ত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায়। অটোরিকশায় অন্য কেউ ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলেও এখন পর্যন্ত চালক সুমন ছাড়া অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, তাজমীন গত ৪ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ থাকলেও তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা অভিযোগ করা হয়নি। নিখোঁজ থাকার ওই চার দিন সে কোথায় ছিল, কার সঙ্গে ছিল কিংবা কারও প্ররোচনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, আসামি সুমন এ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিলেও ধর্ষণের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হতে ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া আইফোনটি তাজমীনকে তার পরিবার কিনে দিয়েছিল কি না, তা-ও তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%