ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন


সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র হতে চায়, যেখানে সংখ্যালঘু এবং সংখ্যাগুরুর বিভাজন থাকবে না, বরং সকলের পরিচয় হবে বাংলাদেশি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত 'মহালয়া ১৪৩৩'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এই বক্তব্য প্রদান করেন।

সকাল ৬ টার দিকে বনানী মাঠে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ। পরে সেখানে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শুভ মহালয়া উদযাপনের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আধুনিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র, সমাজ এবং সরকারের কাছ থেকে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সমান নিরাপত্তা, সমান স্বাধীনতা এবং সমান মর্যাদা পাবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের এই অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করাই সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।

তিনি আরও বলেন, মহালয়া নতুন আশার আলো নিয়ে আসে, অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোর জয় নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল বার্তা। সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের জন্য গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনকে তিনি বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

মাহদী আমিন বলেন, আজ আমরা এমন একটি এলাকায় সমবেত হয়েছি, যা সংসদীয় আসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর এলাকা। তিনি বিশ্বাস করেন, সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলবে যেখানে ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা ছাপিয়ে আমাদের একটাই পরিচয় হবে, আর তা হলো আমরা সবাই বাংলাদেশি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি সনাতনী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের সাফল্য কামনা করেন।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য কিংবা বিভেদের শিকার হতে হবে না। প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচবে এবং সমান মর্যাদা নিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতি রেখে পূজার সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই উৎসবের আনন্দ সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রতিটি মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে পড়ুক।

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের আবহমান ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক দৃঢ় বন্ধন। আমাদের মধ্যকার ভিন্নতা ও বৈচিত্র্যকে শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা এমন এক মানবিক বাংলাদেশ চাই, যেখানে বিদ্বেষের জায়গা নেবে ভালোবাসা, বৈষম্যের জায়গা নেবে ন্যায়বিচার এবং বিভাজনের জায়গা নেবে ঐক্য।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

বাংলাদেশের মূল শক্তি এ দেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, জনগণের অন্তরের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা এবং একতাবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয়ই আমাদের চালিকাশক্তি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, দেশের মানুষের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক জনকল্যাণই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই আমরা বলি 'সবার আগে বাংলাদেশ'। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মহালয়ার বার্তা ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। দুর্গোৎসবের এই শুভ সূচনা সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবশেষে তিনি আয়োজনের সুন্দর ও সার্থকতার মাধ্যমে সনাতনী সমাজের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় প্রমুখ।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলছাত্রী তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মসজিদের পুকুরে গোসল করে সুমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


স্কুলছাত্রী তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মসজিদের পুকুরে গোসল করে সুমন

কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর কাঁচিকাটা মসজিদের সামনে অবস্থিত পুকুরে গোসল করে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। হত্যার পর ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশা ফেলে রেখে অন্য একটি অটোরিকশায় বাখরাবাদে চলে যায় সে। পরে তাজমীনের আইফোন একটি জঙ্গলে লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায় সুমন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রাথমিক তদন্তের তথ্য তুলে ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া এসব তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ৮ অক্টোবর লালমাই উপজেলার জগতপুর চরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশে তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হত্যার মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত তাজমীন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি যশোরে হলেও বাবার চাকরির কারণে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করত সে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে বাসায় যাওয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে তাজমীন। চালক সুমন ৫০০ টাকা ভাড়া চাইলে শেষ পর্যন্ত ৩০০ টাকায় যাওয়ার চুক্তি হয়। পথে একটি দোকান থেকে ১০০ টাকা দিয়ে চালকের জন্য রুটি ও কলা কিনে আনে তাজমীন।

পরে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সুমন অটোরিকশাটি নূরজাহান হোটেলের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে চাঁদপুর সড়কের দিকে ঘুরিয়ে নেয়। এরপর বিজরা বাজার হয়ে নির্জন এলাকায় পৌঁছে অটোরিকশার ইঞ্জিন বন্ধ করে দেয় সে। জায়গাটি চিনতে না পেরে তাজমীন প্রশ্ন করলে সুমন জানায়, এটি রেসকোর্স নয়। বিপদের আশঙ্কায় অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করে কিশোরীটি।

এ সময় তাকে আটকে রাখার চেষ্টা করলে তাজমীন চিৎকার শুরু করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জানিয়েছে, সে গামছা দিয়ে তাজমীনের গলা পেঁচিয়ে ধরে। পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাজমীন দুর্বল হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে বলে স্বীকার করেছে সুমন। এরপর ধানক্ষেতে নিয়ে মাথায় পা দিয়ে চেপে ধরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে বলে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন সে।

হত্যার পর তাজমীনের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি আইফোন নিয়ে ব্যাগটি ধানক্ষেতে ফেলে দেয় সুমন। পরে ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি রেখে কাঁচিকাটা মসজিদের সামনে পুকুরে গোসল করে সে। এরপর অন্য একটি ভাড়ায় চালিত অটোরিকশায় বাখরাবাদ এলাকায় গিয়ে পুকুরপাড়ের একটি জঙ্গলে আইফোনটি লুকিয়ে রাখে। সেখান থেকে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদের ওই জঙ্গল থেকে তাজমীনের আইফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তার ভ্যানিটি ব্যাগও। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন হত্যার বর্ণনা দিয়েছে এবং অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া আরও জানান, ঘটনার রাতে ২টা ৫৮ মিনিটে তাজমীন তার বাবার সঙ্গে নিজের লাইভ লোকেশন শেয়ার করেছিল। তবে তার বাবা তাৎক্ষণিকভাবে সেটি দেখতে পাননি। ভোরের দিকে লোকেশনটি দেখে তিনি ওই এলাকায় মেয়েকে খুঁজতে যান।

ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে। ওই ফুটেজে তাজমীনকে অটোরিকশায় শান্ত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায়। অটোরিকশায় অন্য কেউ ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলেও এখন পর্যন্ত চালক সুমন ছাড়া অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, তাজমীন গত ৪ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ থাকলেও তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা অভিযোগ করা হয়নি। নিখোঁজ থাকার ওই চার দিন সে কোথায় ছিল, কার সঙ্গে ছিল কিংবা কারও প্ররোচনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, আসামি সুমন এ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিলেও ধর্ষণের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হতে ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া আইফোনটি তাজমীনকে তার পরিবার কিনে দিয়েছিল কি না, তা-ও তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আগামী ১২ অক্টোবর থেকে পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির বিষয়ে জনগণকে অবহিত করার জন্য দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ৮ অক্টোবর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি চিঠি প্রেরণ করেছে। চিঠিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দেশের মসজিদগুলোতে এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় কর্মসূচির বার্তা পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে সারাদেশে একযোগে সব এলাকার খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্যভান্ডারের তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রস্তুত করা হয়েছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচারের জন্য পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, সরকারের প্রশিক্ষিত কর্মীরা প্রত্যেক বাড়িতে গিয়ে পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে কোন পরিবারের সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

বার্তায় পরিবারের প্রকৃত তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং বলা হয়েছে, তথ্য কম-বেশি করে দেওয়া উচিত নয়। এতে প্রকৃত অভাবী পরিবারের অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে। পাশাপাশি, যদি কেউ টাকার বিনিময়ে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে তাকে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তথ্য প্রদান করতে কোনো অর্থ লাগবে না বলেও বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে প্রয়োজনে ১০৯৮ নম্বরে জানাতে বলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ, তিনজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ, তিনজন আটক

ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়, অপরটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে। তবে এই ঘটনার সাথে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে আগারগাঁও লিংক রোডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং অন্যটি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিটের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

ঘটনার পর পুলিশ দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য কাজ শুরু করে। তারা আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে গেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় দুই মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তারা আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে চলে যান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিকটক চালু করল নতুন দুই শপিং ফিচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


টিকটক চালু করল নতুন দুই শপিং ফিচার

ভিডিও দেখার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতা আরও সহজ করার লক্ষ্যে নতুন দুটি ফিচার চালু করেছে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক। নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত শপিং সহকারী এবং অ্যাপের ভেতর থেকেই সরাসরি পণ্য কেনার সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) টিকটক নতুন ফিচারগুলোর ঘোষণা দেয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ‘শপিং অ্যাসিস্ট্যান্ট’ নামের এআই সহকারীটি ব্যবহারকারীদের পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য খুঁজে দিতে এবং কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

এই নতুন সহকারীর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো পণ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তার বৈশিষ্ট্য, মজুত অবস্থা, আকার ও সরবরাহসংক্রান্ত তথ্য পেতে পারবেন। প্রয়োজন হলে কেনাকাটার বিভিন্ন ধাপেও সহায়তা করবে এটি। ব্যবহারকারীদের আগ্রহ ও পছন্দের ভিত্তিতে পণ্যের পরামর্শ দেওয়ার সক্ষমতাও থাকবে এআই সহকারীটির।

অন্যদিকে, নতুন এক-ক্লিক কেনাকাটার সুবিধার ফলে টিকটকের ‘ফর ইউ’ ফিডে ভিডিও দেখার সময়ই পছন্দের ব্র্যান্ডের পণ্য কেনা সম্ভব হবে। এ জন্য ব্যবহারকারীদের আলাদা কোনো ওয়েবসাইটে যেতে হবে না। ফলে ভিডিওতে পছন্দের পণ্য দেখা গেলে একই অ্যাপ থেকে সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে কেনাকাটা সম্পন্ন করা যাবে।

নতুন সেবাগুলো চালু করতে টিকটক বিভিন্ন ই-কমার্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে। এ উদ্যোগের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সেলসফোর্স, শপিফাই ও স্ট্রাইপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এতদিন টিকটকের ই-কমার্স কার্যক্রম মূলত ‘টিকটক শপ’ কেন্দ্রিক পরিচালিত হয়ে আসছিল। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে অ্যাপের অন্যান্য অংশেও সরাসরি কেনাকাটার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের বাণিজ্যিক প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক অর্থনৈতিক প্রভাব প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাগুলোর জন্য প্রায় ৮ হাজার ১০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করেছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখ ব্যবহারকারী টিকটকের ভিডিও দেখে কোনো না কোনো পণ্য কিনেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ‘টিকটক শপ’ চালু হয়। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমার্কেটারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৫৮০ কোটি ডলারের পণ্য বিক্রি হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট সোশ্যাল কমার্স বিক্রির প্রায় ১৮ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%