বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩০ পি.এম
ক্যাম্পিওনেস কাপের ফাইনালে ইন্টার মায়ামির জয়ে লিওনেল মেসির অবদান ছিল বিশেষ। তিনি নিজে গোল করার পাশাপাশি কাসেমিরোকে গোল করাতে সাহায্য করেছেন। মেসির এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর, ব্যালন ডি’অর নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন ইন্টার মায়ামির অন্যতম মালিক এবং ইংল্যান্ডের প্রাক্তন কিংবদন্তি ডেভিড বেকহ্যাম। তার মতে, এবারের পুরস্কারটি মেসিরই প্রাপ্য।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মিশেলোব আল্ট্রা ক্যাম্পিওনেস কাপের ফাইনালে ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জেতে ইন্টার মায়ামি। মেসি দলের দুই গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন। প্রথম গোলটি তিনি নিজেই করেন, এবং দ্বিতীয় গোলটি তার পাস থেকে হেডে করেন কাসেমিরো।
ম্যাচের ফলাফল ব্যালন ডি’অর দৌড়ে সরাসরি প্রভাব ফেলবে না। তবে, মেসির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে বেকহ্যাম তার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন।
ইএসপিএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাপল টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেকহ্যাম বলেন, "গত এক বছরে মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে সংশয়ের কোনো কারণ নেই।"
বেকহ্যাম আরও বলেন, "আজ রাতে ওর (মেসি) পারফরম্যান্স বা বিশ্বকাপে যেভাবে খেলেছে, তা দেখার পর এটুকু বলা যায় যে আবারও ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় থাকা কোনো ভাগ্যের বিষয় নয়। সে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিল এবং গত বছরটিও তার জন্য দুর্দান্ত ছিল।"
মেসির বয়সের বিষয়টিও আলাদাভাবে উল্লেখ করেছেন বেকহ্যাম। তিনি বলেন, "৩৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপে গিয়ে প্রতিটি ম্যাচে এমন প্রভাব ফেলা বিশেষ কিছু। এই বয়সে এই মানের ফুটবল আর কেউ খেলছে না। তাই ব্যালন ডি’অরের জন্য তার নাম বিবেচনা করাটা একেবারেই যৌক্তিক। আমার মতে, পুরস্কারটি তারই প্রাপ্য।"
হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও জুড বেলিংহামের মতো খেলোয়াড়রাও ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রয়েছেন, তবে বেকহ্যাম মেসির প্রতি তার সমর্থন স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, "ওরা দুর্দান্ত খেলোয়াড়। কিন্তু লিওকে নিয়ে কথা বললে আমি সবসময়ই তার সবচেয়ে বড় সমর্থক।"
মেসির ব্যালন ডি’অরে আধিপত্য নতুন কিছু নয়। তিনি ইতোমধ্যে রেকর্ড আটবার এই পুরস্কার জিতেছেন। সম্প্রতি রেকর্ড ১৭তমবারের মতো মনোনয়ন পাওয়ার পর, বেকহ্যামের বিশ্বাস, এবার মেসির ট্রফির সংখ্যা নয়েও পৌঁছাতে পারে।
গত এক বছরে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে মেসির পারফরম্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ইন্টার মায়ামিকে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে মূল একাদশে খেলার কীর্তিও গড়েছেন মেসি।
বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া, ৮ গোলের পাশাপাশি ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। চলতি ২০২৬ মৌসুমেও গোল ও গোলে সহায়তায় ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন তিনি। এমএলএসে এখন পর্যন্ত ১৯ গোল ও ১৩ অ্যাসিস্ট নিয়ে গোল এবং গোল-অবদানের দুই তালিকাতেই শীর্ষে রয়েছেন মেসি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: রিজিওনাল হেড অব সেলস
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীদের ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ
বয়সসীমা: ৩৬ থেকে ৫২ বছর
কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে টি/এ, মোবাইল বিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস এবং যাতায়াত সুবিধা।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে, যা একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। ক্রেতাদের মধ্যে জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত হলো, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে সৃজনশীল এবং কার্যকর ডিজিটাল কনটেন্টের গুরুত্ব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উপলব্ধি করেছে। এই কারণে, দেশের চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত দেশের শীর্ষস্থানীয় কনটেন্ট নির্মাতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যোগাযোগকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। সভায় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি মানুষের আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে জনপ্রিয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সম্পৃক্ত করতে চায়, যা গতানুগতিক সরকারি প্রচারণার বাইরে। এ সময় আ নিয়েও আলোচনা হয়।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতালগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিন হাজার চিকিৎসককে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় শয্যা প্রস্তুত রাখার কাজও চলছে। তবে, শুধুমাত্র চিকিৎসাসেবা জোরদার করে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়; মানুষের আচরণগত পরিবর্তনও অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, মানুষ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কথা শোনে। একটি সৃজনশীল কনটেন্ট ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করতে পারে।
এজন্য কনটেন্ট নির্মাণকে বাণিজ্যিক কাজ হিসেবে না দেখে সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার আহ্বান জানান ডা. এম এ মুহিত।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী তিন মাসের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এজেন্সিগুলোকে শিগগিরই তাদের প্রাথমিক ধারণা ও পরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ২০ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে এসব কনটেন্টের ডিজিটাল প্রচার শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে, যা আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামে এই ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন খেলোয়াড় আহত হন, যাদের মধ্যে দুই বিভাগের খেলোয়াড় রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে খেলা ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে গড়ায়। ইতিহাস বিভাগ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। ম্যাচ শেষে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড়দের উদযাপনকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় জীম ও চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের তানভীর আহত হন।
ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় সানাউল্লাহ রাফসান জানান, "ম্যাচের শুরু থেকেই চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড়রা আক্রমণাত্মক আচরণ করছিলেন এবং বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছিলেন। তবে আমরা সেটাকে ম্যাচেরই একটি অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "ম্যাচ জেতার পর আমরা যখন উদযাপন করছিলাম, তখন তারা সেটা নিতে পারেনি। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় হৃদয় আমাদের এক খেলোয়াড়কে বুট দিয়ে আক্রমণ করেন। এতে আমাদের এক খেলোয়াড়ের মাথা ফেটে যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় তানভীর জামান মন্তব্য করেন, "ইতিহাস বিভাগ ম্যাচ জিতেছে, আমরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কিন্তু ম্যাচ জেতার পরই ইতিহাস বিভাগের গ্যালারি থেকে আমাদের গোলকিপারের ওপর ইট নিক্ষেপ করা হয়।" তিনি বলেন, "ওই ইটটি আমাদের গোলকিপার ইতিহাস বিভাগের অধিনায়ককে দেখাতে গেলে তারা দাবি করে, আমাদের খেলোয়াড় নাকি ইট নিয়ে তাদের মারতে গিয়েছেন। তখন তাদের সব খেলোয়াড় মিলে আমাদের গোলকিপারের ওপর আক্রমণ করে। পরবর্তীতে আমরা ছুটে গেলে সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরাও গ্যালারি ভেঙে আমাদের দর্শকদের ওপর তেড়ে আসে। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করা হোক।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াস উদ্দীন আহমেদ বলেন, "খেলা শেষে মারামারির কথা শুনে আমরা দ্রুত স্টেডিয়ামে চলে আসি। খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। স্টেডিয়াম এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা মারামারির ঘটনায় জড়িত ছিল, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ