ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের মারামারি, আহত ৩


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের মারামারি, আহত ৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে, যা আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামে এই ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন খেলোয়াড় আহত হন, যাদের মধ্যে দুই বিভাগের খেলোয়াড় রয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে খেলা ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে গড়ায়। ইতিহাস বিভাগ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। ম্যাচ শেষে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড়দের উদযাপনকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় জীম ও চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের তানভীর আহত হন।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় সানাউল্লাহ রাফসান জানান, "ম্যাচের শুরু থেকেই চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড়রা আক্রমণাত্মক আচরণ করছিলেন এবং বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছিলেন। তবে আমরা সেটাকে ম্যাচেরই একটি অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "ম্যাচ জেতার পর আমরা যখন উদযাপন করছিলাম, তখন তারা সেটা নিতে পারেনি। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় হৃদয় আমাদের এক খেলোয়াড়কে বুট দিয়ে আক্রমণ করেন। এতে আমাদের এক খেলোয়াড়ের মাথা ফেটে যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় তানভীর জামান মন্তব্য করেন, "ইতিহাস বিভাগ ম্যাচ জিতেছে, আমরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কিন্তু ম্যাচ জেতার পরই ইতিহাস বিভাগের গ্যালারি থেকে আমাদের গোলকিপারের ওপর ইট নিক্ষেপ করা হয়।" তিনি বলেন, "ওই ইটটি আমাদের গোলকিপার ইতিহাস বিভাগের অধিনায়ককে দেখাতে গেলে তারা দাবি করে, আমাদের খেলোয়াড় নাকি ইট নিয়ে তাদের মারতে গিয়েছেন। তখন তাদের সব খেলোয়াড় মিলে আমাদের গোলকিপারের ওপর আক্রমণ করে। পরবর্তীতে আমরা ছুটে গেলে সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরাও গ্যালারি ভেঙে আমাদের দর্শকদের ওপর তেড়ে আসে। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করা হোক।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াস উদ্দীন আহমেদ বলেন, "খেলা শেষে মারামারির কথা শুনে আমরা দ্রুত স্টেডিয়ামে চলে আসি। খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। স্টেডিয়াম এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা মারামারির ঘটনায় জড়িত ছিল, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় নিহত স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) এসআই (নিরস্ত্র) মো. আলতাফ হোসেনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে নিহতের পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা প্রদান করেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার সর্বাত্মক আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী জানান, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সার্বিক কল্যাণে ইতোমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে ৬ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া নিহতের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখার সুবিধার্থে ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মজীবনে মরহুম আলতাফ হোসেনের নৈতিকতা ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর ‘পুলিশ পদক (পিপিএম)’ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রী এ সময় মরহুমের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীনের হাতে অনুদানের টাকা তুলে দেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় একটি অটোরিকশা রাখা নিয়ে সৃষ্ট তর্ক-বিতর্ক মেটাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার মুখে পড়েন এসআই আলতাফ হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার বড় ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে সেখানে হামলা চালায়। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মরহুমের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মরহুম আলতাফ হোসেন ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে কনস্টেবল পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনে তিনি ডিএমপি, রাঙামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশাল জেলায় অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (৩০—মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ফার্মাসি সম্পন্নকারী) এবং ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামকে (২৪—ইউসেপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত) রেখে গেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে মাছ ধরার অভিযোগে ৫ জেলে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে মাছ ধরার অভিযোগে ৫ জেলে গ্রেফতার

সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে প্রবেশ করে মাছ ধরার অভিযোগে পাঁচ জেলেকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে দুটি নৌকা এবং আড়াই মণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালারচর টহল ফাঁড়ির আদানি গুরগুরিয়া খালে মাছ ধরার সময় বনরক্ষীরা তাদের আটক করেন।

আটক হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বেকটমারী গ্রামের আ. সালাম (৩৫), কদম আলী (৪০), জহুরুল হক সরদার (৪৫), আবু বক্কর (৫০) এবং সোহরাব হোসেন গাজী (৫৮)।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যালারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা নিষিদ্ধ আদানি গুরগুরিয়া খালে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় জেলেদের দেখতে পেয়ে বনরক্ষীরা দ্রুত এগিয়ে যান এবং পাঁচজনকে আটক করেন। ঘটনাস্থল থেকে জেলেদের দুটি নৌকা এবং আহরিত বিভিন্ন প্রজাতির আড়াই মণ মাছ জব্দ করা হয়।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন, আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করে দুপুরের দিকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভয়ারণ্যে কোনো জেলে যাতে মাছ ধরতে না পারে, সেব্যাপারে বনরক্ষীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের অস্থিতিশীলতা এড়াতে ভারতকে বাংলাদেশের বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের অস্থিতিশীলতা এড়াতে ভারতকে বাংলাদেশের বার্তা

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দ্বারা কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা যেন না হয়, সেজন্য ভারতকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে একটি বৈঠকে তিনি এই বার্তা প্রদান করেন।

বৈঠকের সময় দুই দেশের সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন এবং উভয় দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন।

ভারত-বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধকে আরও সুসংহত করার উপর বৈঠকে জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়। বিদ্যমান সমস্যা বা চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের জন্য পারস্পরিক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে গঠনমূলক আলোচনা হয়।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক রূপরেখা নিয়ে আলোচনা চলাকালে বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

অতিরিক্ত, তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ নানা সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুরগির ১০টি অংশ যা খাওয়া উচিত নয়: বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


মুরগির ১০টি অংশ যা খাওয়া উচিত নয়: বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

মুরগির মাংস সহজলভ্য এবং পুষ্টিকর প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে অনেকের খাদ্যতালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। যদিও এই মাংস সুস্বাদু ও পুষ্টিকর, তবে মুরগির শরীরের সব অংশ মানুষের জন্য নিরাপদ নয়। চিকিৎসকদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট অংশ সঠিকভাবে পরিষ্কার না করা কিংবা রান্নার অসাবধানতা থেকে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, মুরগির মাথা, গিলা-কলিজা এবং কিডনি মূলত শরীরের বর্জ্য ও টক্সিন ফিল্টার করার কাজ করে। বাণিজ্যিক ফিডে থাকা ক্ষতিকারক উপাদান বা কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ এসব অংশে জমা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এসব অংশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকেরা মুরগির নির্দিষ্ট ১০টি অংশ খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

মুরগির চামড়া

মুরগির চামড়ায় প্রচুর পরিমাণে চর্বি ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা অনেকের প্রিয় হলেও। নিয়মিত বা অতিরিক্ত চামড়াসহ মাংস খেলে রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে।

ফুসফুস

মুরগির ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রে প্রচুর অণুজীব বিদ্যমান। ফুসফুস মুরগির শরীরের গভীরে অবস্থান করে, যা সাধারণ রান্নার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সম্পূর্ণরূপে জীবাণুমুক্ত নাও হতে পারে।

অন্ত্র বা নাড়িভুঁড়ি

মুরগির অন্ত্র ব্যাকটেরিয়ায় পরিপূর্ণ থাকে। এটি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা অত্যন্ত কঠিন। নাড়িভুঁড়িতে সালমনেলা ও ক্যাম্পিলোব্যাকটারের মতো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা মারাত্মক ফুড পয়জনিং ঘটাতে সক্ষম।

মাথা

বাণিজ্যিক খামারের ফিডে ব্যবহৃত কীটনাশক বা রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ মুরগির মাথায় জমা হতে পারে। এসব রাসায়নিক দীর্ঘমেয়াদে শরীরে জমা হয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

পা

মুরগির পা মাটির সংস্পর্শে থাকায় এতে প্রচুর জীবাণু লেগে থাকে। রান্নার আগে এটি নিখুঁতভাবে পরিষ্কার না করলে ক্ষতিকর জীবাণু পেটে গিয়ে পেটের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

হৃদপিণ্ড

মুরগির হৃদপিণ্ডে পুষ্টি থাকলেও এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত হৃদপিণ্ড খেলে হরমোনজনিত সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গিলা

মুরগির গিলা বা পাকস্থলীতে ছোট পাথর, বর্জ্য বা ময়লা জমে থাকতে পারে। এটি অত্যন্ত ভালোভাবে পরিষ্কার ও সিদ্ধ না করে খেলে শরীরে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।

গলা

মুরগির গলার অংশে অন্যান্য জায়গার তুলনায় জীবাণুর উপস্থিতি বেশি থাকে। অনেক সময় ভালো করে সিদ্ধ করার পরেও কিছু জীবাণু থেকে যায়। তাই গলার অংশ এড়ানো বা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে সিদ্ধ করা জরুরি।

ডানা

মুরগির ডানায় প্রোটিনের চেয়ে চর্বি ও ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। পাশাপাশি যথাযথ তাপমাত্রায় রান্না না হলে এটি থেকে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

মুরগির অস্থিমজ্জা

মুরগির হাড় উপকারী হলেও এতে থাকা ব্লাড বা কাঁচা অংশ সবসময় স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ নয়। রান্নার সময় পর্যাপ্ত তাপমাত্রায় হাড়ের ভেতর পর্যন্ত সেদ্ধ না হলে এতে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় না।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, খামারে বা জবাইয়ের সময় পরিপাকতন্ত্রের বর্জ্য ও ব্যাকটেরিয়া মাংসের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই কারণে কাঁচা মাংস সংরক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং পর্যাপ্ত তাপমাত্রায় সিদ্ধ করে রান্না করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%